
বদলা নিতেই গ্রেপ্তার উদয়ন : সৌগত

![]()

বদলা নিতেই গ্রেপ্তার উদয়ন : সৌগত

![]()

হারিনি, জোর করে হারানো হয়েছে : মমতা
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] ফলতা , দক্ষিণ ২৪ পরগণা , ২৫/০৫/২০২৬: রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয় ও পরিস্থিতির জন্যে কেন্দ্র সরকার এবং ফলতায় হারের জন্যে জাহাঙ্গীর খানকে দোষারোপ করলেন তৃণমূল নেতা সৌগত রায় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজ্যে এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থা যেন ভাঙ্গা হাটের চেহারা নিয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই প্রকাশ্যে আসছিলেন না তৃণমূলের নেতারা। তবে একটি ভিস্তিও বার্তার মাধ্যমে বেশ কিছুদিন পর দেখতে পাওয়া গেল তৃণমূল সুপ্রীমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। একটি ভিস্তিও বার্তায় তিনি তৃণমূল হকংগ্রেসের এই পরিস্থিতির জন্যে কেন্দ্র সরকারকেই দায়ী করেছেন।
মমতা বলেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস হারে নি, তৃণমূল কংগ্রেসকে জোর করে হারানো হয়েছে। আপনারাও যখন দিল্লীতে ক্ষমতা হারাবেন, একই পরিস্থিতি হবে আপনাদেরও। ” এই মুহূর্তে রাজ্যে পুর বোর্ড নড়বড় করছে। হাওড়া ও বালি পুরসভায় নির্বাচনের আশ্বাস দিয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের কয়েকজন কাউন্সিলর আইনি সমস্যায় পড়েছেন। কেউ কেউ গ্রেপ্তার হয়েছেন। এইপরিস্থিতিতে কোনো কাউন্সিলর যেন পদত্যাগ না করেন এবং রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেন সেই বার্তাই দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা ফলতায় দলের বিপর্যয়ের জন্যে জাহাঙ্গীর খানকেই দোষী ঠাউরেছেন। ফলতায় তৃণমূলের হয়ে ভোট নিয়ন্ত্রণ করত জাহাঙ্গীর খান বাহিনী। এবার ফলতায় পূননির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই নির্বাচনের প্রচারের শেষ লগ্নে নিজের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন জাহাঙ্গীর খান। এই নির্বাচনে গ্রামের মানুষ অবাধে ভোট দিতে পেরেছিলেন, ফলে বিজেপি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে গিয়েছে।
এই পরিস্থিতির জন্যে জাহাঙ্গীর খানকেই দোষারোপ করেছেন তৃণমূল নেতা সৌগত রায়। তিনি বলেছেন “শেষ মুহূর্তে যেভাবে নিজের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছে জাহাঙ্গীর, তার জন্যেই আমাদের শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। সে যদি আরও আগে নিজেকে সরিয়ে নিত, তাহলে আমরা আরও ভালো কোনো প্রার্থী সেখানে দিতে পারতাম।” জাহাঙ্গীরের এই শেষ মুহূর্তে নিজেকে সরিয়ে নেওয়াটাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবেই দেখছেন সৌগত রায়।
![]()

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] লখনৌ, উত্তরপ্রদেশ, ০৬/০৫/২০২৬ : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে কলকাতায় আসছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব।
বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু তা সত্বেও মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে চাইছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে সর্বভারতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের জন্যে কি প্রভাব পড়তে পারে, বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের ওপর কেমন প্রভাব পড়তে চলেছে, সম্ভবত সেই সব নিয়েই আলোচনা করতে আগামীকাল কলকাতায় আসছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ সিং যাদব।
তৃণমূলের পরাজয়ের পর বিরোধী ইন্ডি জোটের ভূমিকা কি হবে তা নিয়ে আলোচনা করতে কলকাতায় আসছেন অখিলেশ। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন “আরও শক্তিশালী এবং এক জোট হয়ে ইন্ডি জোট লড়াই করবে।” বিশেষত ইন্ডি জোট নিয়ে আলোচনা করতেই আগামীকাল কলকাতায় আগমন হবে অখিলেশের।
আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাটে দলীয় বৈঠক সেরেছেন। সেই বৈঠকে জয়ী বিধায়কদের মধ্যে ১১ জন অনুপস্থিত ছিলেন। ঐ বৈঠকে মমতা আজ বলেছেন, ‘তিনি নির্বাচনের ফলাফল মানেন না। তিনি কোনোভাবেই মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন না। যদি সেই কারনে কয়েকদিনের জন্যে রাষ্ট্রপতি শাসন হয়ে যায়, তা হোক, কিন্তু তিনি ইস্তফা দেবেন না।
এদিকে আগামী ৯তারিখ রবীন্দ্রাজয়ন্তীর দিন সকাল ১০টায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ করবে বিজেপি সরকার। ওই দিন উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ।
![]()

মমতা ব্যানার্জিকে প্রচার থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত : সুকান্ত
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], হলদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর, ৩০/০৩/২০২৬ : আজ শুভেন্দু অধিকারী নিজের মনোনয়ন জমা দেবেন। জেলার অন্যান্য প্রার্থীরাও থাকবেন। এদিকে উত্তরবঙ্গে দু’দিন প্রচার চালাতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আজ হলদিয়ায় বিশাল শোভাযাত্রা করেন বিজেপি কর্মীরা। এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা খড়্গপুরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।এছাড়াও ছিলেন বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান। আজ এই নেতাদের দেখতে প্রচুর মানুষের ভীড় জমে যায়। মন্দিরে পুজো দিয়ে শুভেন্দু সহ ১৬ জন বিজেপি প্রার্থী আজ মনোনয়ন পেশ করতে যাবেন। মনোনায়ন জমা দেওয়ার আগে হলদিয়ায় একটি জনসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন পেশ করার জন্যে আজ এসডিও অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গেও প্রচারের তীব্রতা বাড়াচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া শিবির সূত্রে জানা গিয়েছে আগামী মাসের ১০ তারিখে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে মেগা শোভাযাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে তিন কিলোমিটার রোড শো করবেন তিনি। শিলিগুড়িতে বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন শঙ্কর ঘোষ। শিলিগুড়ির আগে ৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসছেন কোচবিহারে। সেখানে রাস মেলার মাঠে তিনি একটি বিশাল জনসভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এই জনসভা করার কথা ছিল আলিপুর দুয়ারে। কিন্তু তার বদলে জনসভাটি অনুষ্ঠিত হবে কোচবিহারে।
এদিকে বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। তিনি বলেছেন, “নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে তৃণমূল নেত্রী বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি প্রাণহানির কথা বলছেন। এজন্য নির্বাচন কমিশনের উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রচারের বাইরে রাখা।” বিজেপির তরফ থেকে এই ব্যাপারে অভিযোগ জানানো হচ্ছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে।
ময়নাগুড়িতে প্রচারে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী রামমোহন রায়কে পাশে দাঁড় করিয়ে বলেছিলেন, “এই আমাদের প্রার্থী, ওকে বলা হয়েছিল গাছে বেঁধে পেটাবে। আমি বলি গাছ টাও আমাদের, জঙ্গলটাও আমাদের। গাছ ছায়া দেয়, মানুষের উপকার করে। ভোট হয়ে গেলে বাড়ির সামনে প্ল্যাকার্ড লাগিয়ে তাতে লিখতে হবে, আমরা বিজেপি করি না। “
![]()

“বিজেপি একপেশে, কোনো ধর্ম মানে না”
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], পুরুলিয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ২৯/০৩/২০২৬ : বিজেপি ভোটে জিতে পশ্চিমবঙ্গে সরকার বানালে এই রাজ্যের মানুষ আর আমিষ খাবার খেতে পারবেন না বলে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ পুরুলিয়ায় এক জনসভায় ভাষণ দিতে ফিয়ে এই কথা বলেছেন তিনি।
পুরুলিয়ায় একটি জনসভায় নির্বাচনী ভাষণ দিতে গিয়ে আজ বিজেপকে তুমুল সমালোচনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে দাঙ্গায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটছে বলেও তিনি সুর চড়িয়েছেন। আর এই সব ঘটনার জন্যে তিনি বিজেপিকেই দায়ী করেছেন।
এদিন জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে মাছ মাংস খাওয়া হয় না। তাই বিজেপি রাজ্যে এলে আপনারা কেউ আর মাছ-মাংস-ডিম্ খেতে পারবেন না। বিজেপি একপেশে, তারা কোনো ধর্ম মানে না। এরা দাঙ্গায় উস্কানি দেয়, তারপর মানুষ মেরে এরা ক্ষমতায় আসে। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে আদিবাসী ও নারীদের ওপর বেশি হামলা হয়। বাংলাভাষী মানুষের ওপর অন্য রাজ্যগুলিতে হামলা হচ্ছে। অথচ আমরা কিন্তু কাউকে দমন করি না। “
![]()

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কি এবার জিততে পারবে ? নাকি বিজেপি গড়বে নতুন সরকার ?
এবং তারপর, (আজ খবর) [রাজনীতি] , ২৪/০৩/২০২৬ : আর কিছুদিন পরেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্যে উত্তেজনার পারদ রোজই চড়তে শুরু করেছে। বিজেপি দাবী করছে যে এবার হারতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস, পরাজিত হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। বিজেপির প্রথম যুক্তিটি হল যেহেতু রাজ্যে এসআইআর করা হয়েছে, তাই তৃণমূল কংগ্রেসকে যে ভুয়ো ভোটাররা এতদিন জিতিয়ে এসেছে তারা আর ভোট দেওয়ার সুযোগই পাবে না। ফলে এবার আর সেভাবে ছাপ্পা ভোটের ভয় নেই। ভোটের ফলাফল শাসক দলের বিরুদ্ধে যাবে।
দ্বিতীয়ত, প্রশাসনিক কাজে তৃণমূলের ফেভারিট আধিকারিকদের অনেককেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের আধিকারিক, আমলা, পুলিশ কর্তাদের কেউ এবার আর শাসক দলকে অতিরিক্ত সুবিধা দিতে পারবে না। তৃতীয়ত, সংখ্যালঘু ভোট এবার আর তৃণমূল দলের সাথে সেভাবে নেই। তৃণমূল দল থেকে বহিস্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর তৃণমূল ছেড়ে নতুন দল ঘোষণা করে ওবেইসির মিম দলের সাথে হাত মিলিয়েছেন, ওদিকে নওয়াজ সিদ্দিকী সাহেবের আইএসএফ দলটি নিজের শক্তি বৃদ্ধি করেছে। সুতরাং সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হচ্ছেই। এক্ষেত্রেও তৃণমূলের ভোট কমছে।
চতুর্থত, নির্বাচন কমিশন এবার অনেক বেশি কঠোর। অনেক নতুন নিয়ম এসেছে। একটা বুথে ভোটারের সংখ্যাও সীমিত। এবার মাত্র দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীও থাকছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। তার ওপর সরকারি কর্মী, শিক্ষক সমাজ, চিকিৎসক সমাজ অনেকেই শাসক দলের বিরুদ্ধ মনোভাবাপন্ন হয়ে রয়েছে। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই বার কয়েক ধাক্কা খেয়েছে হাইকোর্ট আর সুপ্রীম কোর্টে। বিরোধী ইন্ডি জোটের শক্তিও কমেছে। আরজিকর হাসপাতালে অভয়া নিয়েও চূড়ান্ত ক্ষোভ রয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে আরজিকর হাসপাতালেই লিফ্ট কাণ্ড নিয়ে নতুন ঝড় উঠেছে। সব দিক থেকেই এবার নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যথেষ্ট ব্যাকফুটে রয়েছেন।
কিন্তু সত্যিই কি তাই ? বিজেপি কি সত্যিই বুদ্ধির জোরে তৃণমূলকে টেক্কা দিতে পারবে ? জন সমর্থন কি সত্যিই এবার রাজ্যে গেরুয়া শিবিরকেই চাইছে ? রাজ্যে বিজেপির সংগঠন কি সত্যিই এতটা মজবুত যে শেষ হাসিটা হাসতে পারবে পদ্ম শিবির ? আসুন দেখে নিই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কি কি কারনে তিনি নির্বাচনে জিততে পারেন, আর কি কি কারণে তিনি হারতে পারেন !
প্রথমে দেখে নেওয়া যাক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস যদি জিতে যায়, তাহলে কোন কোন বিষয় তাদেরকে জিতিয়ে দিতে পারে ?
তৃণমূল কংগ্রেস-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের বুথ-স্তরের সংগঠন।
গ্রাম থেকে শহর—প্রতিটি এলাকায় কর্মী নেটওয়ার্ক থাকলে ভোট ম্যানেজমেন্ট সহজ হয়। পশ্চিমবঙ্গে এই নেটওয়ার্ক এখনও অনেক জায়গায় শক্তিশালী।
মমতা সরকারের প্রকল্পগুলো—যেমন:
এই স্কিমগুলো নারী ভোটারদের মধ্যে বড় প্রভাব ফেলে। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, নারী ভোটই তৃণমূলের “game changer”।
ফ্রি রেশন, স্বাস্থ্যসাথী, ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ—এইসব সরাসরি সুবিধা ভোটারদের মধ্যে একটা “security feeling” তৈরি করে।যারা সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন, তারা সাধারণত সরকারকে সমর্থন করতে চান।
প্রধান বিরোধী হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টি থাকলেও—
এতে anti-incumbency vote একজোট নাও হতে পারে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার আঞ্চলিক পরিচয় (Bengali identity) তুলে ধরেন।এই আবেগ অনেক ভোটারকে প্রভাবিত করে, বিশেষ করে গ্রামীণ ও মধ্যবিত্ত অংশে।
মমতার ইমেজ:
অনেক ভোটার এখনও তাঁকে “accessible leader” হিসেবে দেখেন।
সংখ্যালঘু ভোট পশ্চিমবঙ্গে বড় ফ্যাক্টর।
যদি এই ভোট একদিকে যায়, তাহলে ফলাফল অনেকটাই প্রভাবিত হয়।
এই hybrid model এখন বেশ কার্যকর।
Balanced analysis হিসেবে বলি—সবকিছু একপাক্ষিক নয়:
এগুলো যদি বড় ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে, তাহলে ফল বদলাতেও পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিততে পারেন যদি:
কিন্তু ভোটের ফল পুরোপুরি নির্ভর করবে ground sentiment + last-mile campaign execution-এর ওপর .
![]()

![]()

“রাষ্ট্রপতি আদিবাসী, তাই অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনে ডাকা হয় নি ”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২২/০৩/২০২৬ : বাংলা জয়ের কিরার পর দিল্লী জয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন তৃণমূল সুপ্রীমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আর কিছুদিন বাদেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। আজ সেই আবহেই দলীয় কর্মীদের সাথে বৈঠকে বসলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্য নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে দলের টার্গেট স্থির করে দিয়েছেন নেত্রী। তিনি বলেছেন, “বাংলা জয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেস দিল্লীর দিকে যাত্রা করবে। দিল্লী জয় করতে হবে। ” আজ নানাভাবে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন.দেগেছেন।
মমতা আজ একটি বিস্ফোরক অভিযোগ করে বলেছেন যে “রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু আদিবাসী মানুষ হওয়ার জন্যে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনে ডাক পান নি”. এছাড়াও তিনি অভিযোগ করে বলেন, “বিজেপি ভোটের সময় গ্যাস দিতে পারবে না, কিন্তু ক্যাশ দিতে পারবে। ওরা ভোটের জন্যে বিপুল সংখ্যক বহিরাগত নিয়ে এসেছে। আপনারা মাথা ঠান্ডা রাখুন। শুধুমাত্র জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার জন্যে দুটো ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
রাজ্যে ভোটের আগে পঞ্চাশের বেশি আম ও আধিকারিককে বদলি করে দেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের তুমুল সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন, “আজ যদি অনাকাঙ্খিত কোনো ঘটনা ঘটে যায় তার দায়িত্ব নেবে কে ?”
![]()

“তৃণমূলের একমাত্র উদ্দেশ্য হল রাজ্য থেকে বিজেপিকে বিতাড়িত করা”
![]()

বাংলা দখল করার এত লোভ ? প্রশ্ন মমতার
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০২/২০২৬ : কলকাতায় আজ মাতৃভাষা উপলক্ষে ভাষণ দিতে গিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে রীতিমত তুলোধোনা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস। এই উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে বিজেপকে তুমুল আক্রমন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “তোমরা কেন্দ্র সরকার শাসন করছো, বাংলা দখলের এতলোভ কেন ? এসআইআর করে তোমরা বলপ্রয়োগ করে বাংলা দখল করতে চাও ? আমি এই সব কিছুর প্রতিবাদ জানাবো।”
এদিন ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের ব্যাপক নিন্দা করেন তিনি। তিনি বলেন, “এভাবে বাংলা দখল করতে দেওয়া হবে না. এভাবে বল প্রয়োগ করে লাভ হবে না। আমি প্রাণ বিসর্জন দিতে রাজি আছি, কিন্তু মাথা নত করতে পারবো না।”
মমতা এদিন অভিযোগ করেন, “বাংলার বাইরে বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে বাংলাদেশী বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাকে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাংলার এই অপমান আমরা মেনে নেবো না। গোটা দেশে কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা চলছে। আমি বলছি আপনারা এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন। আমরা সকল ভাষাকে সন্মান করি। অন্য কোনো ভাষাভাষী কেউ বিপদে পড়লে আমরা তার পাশে দাঁড়াই, আমাদের প্রতিশ্রুতি মত। একটা কথা মনে রাখবেন, বাঙালি কারোর ওপর নির্ভরশীল নয়।”
![]()