
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৪/০৩/২০২৬ : পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর থেকে নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থ দিলীপ ঘোষ প্রশ্ন তুলেছেন ‘মুখ্যমন্ত্রী কেন এতটা ভয় পেয়েছেন ? কেন তিনি এতটা শংকিত ভোট নিয়ে ?’
![]()

![]()

ভোটে প্রদেশ বিজেপির প্রস্তুতি যাচাই করতে রাজ্যে নিতিন
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] নতুন দিল্লী, ভারত, ২৩/০৩/ ২০২৬ : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্য বিজেপি কেমনভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা নিজের চোখে খতিয়ে দেখতে আগামীকাল রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন।
২৪ ও ২৫ তারিখ, আগামী দু’দিন নিতিন নবীন থাকবেন পশ্চিমবঙ্গেই।এই দু’দিন তিনি রাজ্য বিজেপির সব পরিকল্পনা এবং নির্ঘণ্ট খতিয়ে দেখবেন। কলকাতায় এসেই একের পর এক দলীয় বৈঠকে তিনি যোগ দেবেন। তিনি নির্বাচনের আগে রাজ্য বিজেপির তৃণমূল স্তরের সংগঠনের বাঁধন দেখে নিতে চান. তবে এই সংগঠন পরীক্ষার কাজ তৃণমূল কংগ্রেস সারা বছর ধরেই করতে থাকে।
নিতিন নবীন দেখতে চান রাজ্যের কোন অঞ্চলে বিজেপির শক্তি ও প্রভাব ঠিক কতটা। যেখানে বেশি আছে, সেটা ঠিক আছে যেখানে কম আছে, সেখানে কিভাবে দ্রুত নিজেদের শক্তি বাড়ানো যায়, তা নিজেই খতিয়ে দেখতে চান তিনি। যেখানে দরকার কোর গ্রূপের সঙ্গে বৈঠকে বসার সেখানে তিনি কোর গ্রূপের সাথে বৈঠক করবেন। যেখানে শুধু তৃণমূল স্তরের কর্মীদের সাথে বৈঠক প্রয়োজন সেখানে তিনি সেটাই করবেন। নির্বাচনের আগে বিজেপি সভাপতির এই ঝটিতি রাজ্য সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
![]()

“রাষ্ট্রপতি আদিবাসী, তাই অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনে ডাকা হয় নি ”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২২/০৩/২০২৬ : বাংলা জয়ের কিরার পর দিল্লী জয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন তৃণমূল সুপ্রীমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আর কিছুদিন বাদেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। আজ সেই আবহেই দলীয় কর্মীদের সাথে বৈঠকে বসলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্য নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে দলের টার্গেট স্থির করে দিয়েছেন নেত্রী। তিনি বলেছেন, “বাংলা জয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেস দিল্লীর দিকে যাত্রা করবে। দিল্লী জয় করতে হবে। ” আজ নানাভাবে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন.দেগেছেন।
মমতা আজ একটি বিস্ফোরক অভিযোগ করে বলেছেন যে “রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু আদিবাসী মানুষ হওয়ার জন্যে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনে ডাক পান নি”. এছাড়াও তিনি অভিযোগ করে বলেন, “বিজেপি ভোটের সময় গ্যাস দিতে পারবে না, কিন্তু ক্যাশ দিতে পারবে। ওরা ভোটের জন্যে বিপুল সংখ্যক বহিরাগত নিয়ে এসেছে। আপনারা মাথা ঠান্ডা রাখুন। শুধুমাত্র জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার জন্যে দুটো ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
রাজ্যে ভোটের আগে পঞ্চাশের বেশি আম ও আধিকারিককে বদলি করে দেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের তুমুল সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন, “আজ যদি অনাকাঙ্খিত কোনো ঘটনা ঘটে যায় তার দায়িত্ব নেবে কে ?”
![]()

আকস্মিক এই যোগদান এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিয়েছে
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] আসানসোল, পশ্চিম বর্ধমান, ২২/০৩/২০২৬ : আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্র পলের নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন সিপিএম ছেড়ে বহু কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন।
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, রাজনৈতিক তৎপরতা ততই তীব্র হচ্ছে। নির্বাচনী প্রচার এর পাশাপাশি দলত্যাগের রাজনীতিও গতি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে একটি বড় রাজনৈতিক খবর সামনে এসেছে, যা এলাকায় নতুন রাজনৈতিক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ।
প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর তথা বরো চেয়ারম্যান মতিষ ডোমের ছেলে গোপাল বাদ্যকর তাঁর বেশ কিছু সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে অগ্নি মিত্রা পালের হাত ধরে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিয়েছেন।এই ঘটনাটি ঘটে যখন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্র পাল ৩৮ এবং ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে জনসংযোগ অভিযান চালাচ্ছিলেন।
নির্বাচনী প্রচারের মধ্যে এই আকস্মিক যোগদান পুরো এলাকার রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।
গোপাল বাদ্যকর বিজেপির পতাকা হাতে নেওয়ামাত্রই ঘটনাস্থলে উপস্থিত কর্মীদের মধ্যে উৎসাহের ঢেউ বয়ে যায় এবং এটিকে বিজেপির জন্য একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হয়।
তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, বামপন্থী পটভূমির একটি পরিবারের বিজেপিতে যোগদান স্থানীয় ভোটব্যাঙ্ককে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে।
![]()

রাজ্যে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা, অস্ত্র পাচারের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব মুখ্যমন্ত্রী
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২০/০৩/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গ ধীরে ধীরে “অঘোষিত রাষ্ট্রপতি শাসন”-এর দিকে এগোচ্ছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তাঁর দাবি, “কেন্দ্রীয় সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে রাজ্যে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে এবং বিভিন্ন উপায়ে প্রশাসনিক কাঠামোকে দুর্বল করে দিচ্ছে।”
মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, “রাজ্যে অস্ত্র পাচারের ঘটনাও বেড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে। এই সমস্ত ঘটনার পেছনে কেন্দ্রের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।”
মমতা এদিন আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক কাঠামো বজায় রাখতে রাজ্য সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে, কিন্তু কেন্দ্রের এই ধরনের পদক্ষেপ রাজ্যের স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।”
তিনি কেন্দ্রকে আক্রমণ করে দাবি করেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাজ্যকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা দেশের ফেডারেল কাঠামোর জন্যও বিপজ্জনক’।
![]()

চাকরি, ভাতা থেকে উন্নয়ন—কী কী প্রতিশ্রুতি থাকছে জানুন বিস্তারিত
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২০/০৩/২০২৬ : আগে তৃণমূল কংগ্রেস দলীয় মুখপত্র ইস্তেহার প্রকাশ করল. এই ইস্তেহারের দিদির ১০ প্রতিজ্ঞা। ভোটারদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মোট ১০টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এই ইস্তেহারের মাধ্যমে।
কি রয়েছে তৃণমূলের এই ইস্তেহারে ?
লক্ষীদের জয়, স্বনির্ভরতা অক্ষয় — লক্ষীর ভান্ডারে অনুদানের পরিমাণ মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়বে। অর্থাৎ ভোটে জিতে নতুন সরকার গঠন করলে মাসে লক্ষহীর ভাণ্ডারে ১,৫০০ টাকা করে (বছরে ১৮ হাজার টাকা করে. তফসিলি বা জনজাতির মহিলারা পাবেন মাসে ১,৭০০ টাকা করে অর্থাৎ বছরে ২০,৪০০ টাকা।
যুবদের পাশে,জীবিকার আশ্বাসে — জীবিকাহীন যুবদের বাংলার যুব সাথী প্রকল্পে ১৫০০ টাকা প্রতি মাসে (১৮০০০ টাকা প্রতি বছর) সহায়তা দেওয়া হবে.
বাজেটে কৃষি, কৃষকের হাসি — কৃষক পরিবারগুলিকে নিরবিচ্ছিন্ন সহায়তা। ভূমিহীন কৃষকদের আর্থিক সাহায্য। কৃষির সামগ্রিক উন্নয়নে ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেট।
নিশ্চিত বাসস্থান, চিন্তার অবসান — বাংলার সব পরিবারের জন্যে নিশ্চিত পাকা বাড়ি।
ঘরে ঘরে নল, পরিশ্রুত পানীয় জল — বাংলার সব পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য।
সুস্বাস্থ্যের অধিকার, বাংলার সবার — প্রতি বছর প্রতিটা ব্লক ও টাউনে দুয়ারে চিকিৎসা ক্যাম্পের মাধ্যমে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য। বাড়ির দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য পরিষেবা।
শিক্ষাই সম্পদ, ভবিষ্যৎ নিরাপদ — বাংলার শিক্ষায়তনের অধীনে সমস্ত সরকারি স্কুলের পরিচালনগত উন্নয়ন।
পুবের বাণিজ্যের কান্ডারি, বাংলাই দিশারী — বিশ্বমানের লজিস্টিক, বন্দর, বাণিজ্যিক পরিকাঠামো এবং একটি অত্যাধুনিক ট্রেড সেন্টার সহ বাংলা পূর্ব ভারতের বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার।
প্রবীণদের পাশে, যত্নের আশ্বাসে — বর্তমান সকল উপভোক্তার জন্যে নিরবিচ্ছিন্ন বার্ধক্য ভাতার সহায়তা। সব প্রবীণদের এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসাই লক্ষ্য।
প্রশাসনিক সুবিধার নতুন দিগন্ত বাংলার — সত্যি নতুন জেলা তৈরি। ভৌগোলিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে নতুন পুরসভা তৈরি।
![]()

প্রার্থী না-পসন্দ
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বসিরহাট, উত্তর ২৪পরগণা , ২০/০৩/২০২৬ : তৃণমূল প্রার্থী প্রচারে এলে এলাকায় ঢুকতে দেবো না-দাবি তৃণমূল কর্মীদের।
এবার তৃণমূলের প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ্যে, বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তৌসিফুর রহমান এর বিরুদ্ধে পড়লো পোস্টার। তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা চাইছে আবু তাহের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (রনি) কে প্রার্থী হিসেবে । আর তাই এই বিক্ষোভের পোস্টার ।
পোস্টারে লেখা বহিরাগত প্রার্থী মানছিনা মানবোনা,ভূমিপুত্র চাই। তৃণমূল প্রার্থী তৌসিফুর রহমান বহিরাগত । বাড়ি- কলকাতায় । তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র । তাকে প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পরেই বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল প্রার্থী বাতিলের দাবিতে । সেই গুঞ্জন এবার প্রকাশ্যে এলো ।
কোথাও প্রচারে- তৃণমূলের কর্মীবৃন্দ , আবার কোথাও-তৃণমূলের লোগো (জলছবি) লাগানো পোস্টারে লেখা – বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে- বহিরাগত প্রার্থী মানছিনা মানবোনা। আর এই বিষয়ে হাসনাবাদ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি এসকেন্দার গাজী বলেন- এটা বিরোধীদের চক্রান্ত । বসিরহাট উত্তরে বিরোধীদের কোন জায়গা নেই । তারা জানে তারা জিততে পারবে না , তাই তৃণমূল দলের ভাব মূর্তি নষ্ট করার জন্য এসব পোস্টার লাগাচ্ছে।
যদিও তৃণমূলের এই দাবি নস্যাৎ করে বিজেপির দাবি- তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এতটাই প্রকাশ্যে এসেছে যে ওরা নিজেদের প্রশ্নের নিজেরা লাগিয়ে আমাদের বিজেপির দলের নামে দোষ দিচ্ছে । বহিরাগত প্রার্থী ওরা নিজেরাই মানতে পারছে না।
![]()

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] কোলাঘাট, পূর্ব মেদিনীপুর। ২০/০৩/২০২৬ : সাত সকালেই ফুল মার্কেট এবং রেলস্টেশনে নির্বাচনী প্রচার সিপিআইএম প্রার্থী ইব্রাহিম আলীর।
২০২৬ এর নির্ঘণ্টও বেজে গিয়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যে ময়দানে নেমেছে প্রচার পর্বের মধ্য দিয়ে নিজেদের জয়ের লক্ষ্যে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বামেদের অন্যান্য প্রার্থী ঘোষণা হলেও বাকি ছিল পাঁশকুড়া পূর্ব এবং পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ঘোষণা, তবে গতকাল নাম ঘোষণার পর পূর্ব পাঁশকুড়া বিধানসভার সিপিআইএম প্রার্থী হলেন প্রাক্তন বিধায়ক ইব্রাহিম আলী।
সাত সকাল থেকেই কোলাঘাট রেল স্টেশন এবং ফুল বাজারে প্রচার পর্ব সারতে দেখা গেল তাঁকে। উন্নয়নের বার্তা নিয়ে প্রচার ময়দানে বাম পার্থী।
এমনকি তৃণমূল বিজেপির সেটিং খেলা চলছে বলে দাবি বামপ্রার্থী ইব্রাহীম আলির, আর তাকেই হাতিয়ার করে সাধারণ মানুষের কাছে প্রচারের মাঠে বাম প্রার্থী।
![]()

“যে পার্টির ‘প’ জানে না , তাকে প্রার্থী করা হয়েছে, দলকে ভুগতে হবে”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] হরিশ্চন্দ্রপুর, মালদা, ১৮/০৩/২০২৬ : মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ্যে এল। হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টিকিট না পেয়ে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়ক তাজমূল হোসেন।
বুধবার দুপুরে নিজের বাসভবনে তিনি বলেন, “যে পার্টির ‘প’ জানে না, তাকেই প্রার্থী করা হয়েছে। আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে, এর ফল দলকে ভুগতে হবে।”
পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের অভিযোগ, আইপ্যাকের মাধ্যমে টাকা তোলা হচ্ছে। টাকা তুলছেন খোদ আইপাক কর্তা প্রতীক জৈন । দলীয় কর্মীদের দাবি, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা কেন্দ্রের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। একই অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলের একাংশ কর্মীরাও।
উল্লেখ্য, গতকাল তৃণমূল কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। সেখানে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে ২০২১ সালের বিজেপি প্রার্থী মতিউর রহমানকে। তিনবারের বিধায়ক তাজমূল হোসেনের নাম তালিকায় না থাকায় স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
![]()

“জয়ের ব্যাপারে একেবারে নিশ্চিত”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] বাণেশ্বর, কোচবিহার, ১৮/০৩/২০২৬ : নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরে সব দলেরই প্রার্থীরাই প্রচার শুরু করে দিয়েছে । কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুকুমার রায়, এ দিন কোচবিহার উত্তর বিধানসভার অন্তর্গত ঐতিহাসিক বানেশ্বর শিব মন্দিরে পূজা দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন ।
সকাল ১১ টা নাগাদ মদনমোহন মন্দিরে পূজা দেন তার সঙ্গে তার স্ত্রী সহ বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্বরা উপস্থিত ছিলেন । পূজা দেওয়ার পর তিনি বানেশ্বর বাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচার করেন। এছাড়াও যেদিন তিনি পুন্ডিবাড়ী এলাকায় নির্বাচনী প্রচার করেন । সুকুমার রায় বলেন, “গতবারও বানেশ্বর শিব মন্দিরে পূজা দিয়ে প্রচার শুরু করেছিলাম আর এ বছরও বানেশ্বর শিব মন্দিরে পূজা দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলাম। সারা বছর ধরেই বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় মানুষ আমার সঙ্গে থাকে। মানুষের বিপদে-আপদে ছিলাম বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বৈঠক ও মিছিল সংগঠিত করেছি। তাই এই বিধানসভার মানুষ আমাকে আশীর্বাদ করবেন পুনরায়।”
তিনি বলেন, “এই বিধানসভার মানুষ সব সময় বিজেপিকে আশীর্বাদ করেছেন এবারও করবে।”
![]()