আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ০১/০৭/২০২৬ : দেশের ৩১ তম সেনা প্রধান হিসেবে বুধবার দায়িত্ব গ্রহণ করেই দেশের সেনাবাহিনীকে নতুন আঙ্গিকে সাজিয়ে তোলার বার্তা দিলেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ।
আজ দেশের ৩১ তম আর্মি চিফ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ। এই দায়িত্ব গ্রহণ তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় সন্মান হিসেবে ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন “দেশ সর্বোপরি।” তাঁর এই পদোন্নতি তাঁকে আরও দায়িত্ববান এবং বিনয়ী হতে শেখাবে। এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত সম্মানের, তবে দেশ সব কিছুর আগে, দেশ সর্বোপরি।
নতুন দায়িত্ব নিয়েই জেনারেল ধীরাজ শেঠ ‘বিজয়’ নামে তাঁর একটি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। এই অনুযায়ী দেশের সেনাবাহিনীকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে মুড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। সেনাবাহিনীর প্রত্যেকটি ধাপে উন্নত প্রযুক্তি এবং সেই অনুযায়ী মানসিকতা তৈরী করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা সেনা বাহিনীগুলির অন্যতম ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেই সেনাবাহিনীকে আপা মস্তক একটি শ্রেষ্ঠ বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর হয়েছেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০৬/২০২৬ : আগামীকাল প্রথমবার বাজেটে যাওয়ার আগেই রাজ্য জুড়ে শিল্প সম্ভাবনা এবং কর্ম সংস্থানের স্বপ্ন দেখাচ্ছে বিজেপি সরকার। দীর্ঘদিন পর আশায় বুক বেঁধেছে বাঙালি, তাকিয়ে আছে আগামীকালের দিকে।
আগামীকালএই প্রথমবার বিধানসভায় রাজ্যের বাজেট পেশ করতে চলেছে বিজেপি সরকার। বিগত বছরগুলিতে কি হারে মানুষ কাজ হারিয়ে অন্য প্রদেশে গিয়ে চাকরি নিতে বাধ্য হয়েছে, তা সবাই দেখেছে। গেরুয়া শিবিরের আশ্বাসে ভরসা রেখেই পালা বদল হয়েছে এই রাজ্যে। বিজেপির এই বাজেট ঘোষণার মাধ্যমেই বোঝা যাবে কর্ম সংস্থান মিটিয়ে ফেলতে সরকার কোন পথে চলবে। এই ব্যাপারে সরকারের স্ট্র্যাটেজি ঠিক কি ?
গত কয়েক দশকে রাজ্যে সেভাবে শিল্প আসে নি, কর্ম সংস্থান তৈরিই হয় নি। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে কত সংখ্যক মানুষ ঘর ছেড়ে পরিযায়ী শ্রমিকের তকমা গায়ে মেখে সুদূরে পাড়ি দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। এই মানুষগুলো বিজেপিকে ভোট দিয়েছে, এই মানুষগুলো তাই তাকিয়ে আছে আগামীকালের বাজেটের দিকে। এই মানুষগুলোর প্রত্যাশা মেটাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ গোটা ক্যাবিনেট যেন কোমর বেঁধে নেমেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দৃষ্টি এখন বাংলার দিকে। সমগ্র দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্যিক হেড কোয়ার্টার হিসেবে তিনি কলকাতাকে দেখতে চান। এই কারণেই একের পর এক নতুন নতুন প্রকল্প তিনি নিয়ে আসছেন। আর এই কারণেই সম্ভবত তিনি যোগ দিবস পালন করলেন কলকাতায়। গোটা বিশ্বের নজর ছিল আজ কলকাতার দিকে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি শহরকেও সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। শিলিগুড়ি শহরের ওপর দিয়েই যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে চলে গিয়েছে এশিয়ান হাইওয়েজ। আবার সিকিমের ভিতর দিয়ে রেলপথের সূচনাও করছেন তিনি।
আজ নরেন্দ্র মোদী যে তিনটি যুদ্ধজাহাজ এর সূচনা করলেন শ্যামাপ্রসাদ বন্দর থেকে এই ধরনের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি যুদ্ধ জাহাজ ক্রমাগত তৈরী করা হবে কলকাতা বন্দর থেকেই। এই ধরনের অত্যাধুনিক যুদ্ধ জাহাজের আন্তর্জাতিক চাহিদা খুবই বেশি হতে পারে। এই ধরনের জাহাজ কলকাতা বন্দরে তৈরী হলে নিশ্চিতভাবে এখানে কর্ম সংস্থান বেড়ে যাবে। বাড়বে জাহাজ প্রস্তুতির অনুসারী শিল্পগুলির সংখ্যাও।
সিঙ্গুর থেকে টাটাদের বিদায়ে রাজ্য যেন শিল্প শূন্য হতে বসেছিল। বিজেপি নেতাদের কথাবার্তায় যা বোঝা যাচ্ছে, তাতে টাটা গোষ্ঠী হয়তো ফের বিনিয়োগ নিয়ে আসবে এই রাজ্যে। এছাড়াও আসতে পারে রিলায়েন্স গোষ্ঠী। জিন্দাল গোষ্ঠীও কাজ শুরু করতে পারে। তারা ইতিমধ্যেই ৬০০ একর জায়গায় কারখানা বানাচ্ছে। এছাড়াও রশ্মি গ্রূপ পশ্চিমবঙ্গে কাজ শুরু করতে চলেছে। উৎসাহ দেখাচ্ছে অন্য শিল্প গোষ্ঠীগুলিও। সব মিলিয়ে শিল্প পতি থেকে কারখানার শ্রমিক সবাই তাকিয়ে আছেন আগামীকাল বিজেপি সরকারের বাজেটের দিকে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] ,নতুন দিল্লী, ভারত, ২১/০৬/২০২৬ : আজ ভারতের উদ্যোগে গোটা বিশ্ব পালন করলো ১২ তম বিশ্ব যোগ দিবস। ভারতের প্রাচীন এই সংস্কৃতি বিশ্ব মাঝে ভারতের প্রভাব বিস্তার তো করছেই , তবে এটাও ঠিক যে যোগের মাধ্যমেই কিন্তু বিশ্বজুড়ে তৈরী হয়ে যাচ্ছে হাজার কোটি টাকার বাজার, আর সেই বাজারের বিশ্বগুরু হয়ে উঠছে ভারতবর্ষই।
যোগ ভারতের অতি প্রাচীন একটি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। একটা সময় ছিল যখন সাধু সন্ন্যাসী এবং কিছু স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ যোগব্যায়াম ও শরীর চর্চা করতেন। সেই সময় সেটা সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পরে নি। তবে বর্তমানে যোগ ব্যায়ামের জন্যে বহু মানুষকে জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাতে দেখা যায়। ২০১৪ সালে ভারতের প্রস্তাবনায় সহমত দেখিয়ে রাষ্ট্রসংঘ স্বীকৃতি দিয়েছিল বিশ্ব বিশ্ব যোগ দিবসকে। এরপর রাষ্ট্র সংঘের সদস্য দেশগুলি পালন করতে শুরু করে যোগ দিবস। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ২১১টি দেশ আজকের দিনে যোগ দিবস পালন করে চলেছে।
ভারতের সর্বত্র পালিত হয় যোগ দিবস। প্রতিটা স্কুল, কলেজ, সরকারি দপ্তর, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বন্দর সর্বত্র পালন করা হয় শরীর চর্চার এই উৎসব। গোটা দেশে সঠিকভাবে যোগ দিবস পালনের জন্যে বিশেষ উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি প্রতি বছর প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেন যোগব্যায়ামে। আজ তিনি কলকাতায় থেকে সফলভাবে পরিচালনা করেছেন শরীর শিক্ষার এই মেলাকে। যোগ দিবসের মাধ্যমে ভারত তার প্রাচীন ঐতিহ্য ও জ্ঞানকে বিশ্বের দরবারে সফলভাবে তুলে ধরেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যোগচর্চা যেমন বেড়েছে, তেমন সেইসব দেশে আজ ভারতের প্রভাবও তেমন বেড়েছে। সুতরাং এই বিশ্ব যোগ দিবসের সাথে সাথে ভারতের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রভাব বিস্তারের পরিকল্পনাও সফলভাবে করা হয়েছে বলা যায়.
কূটনৈতিক প্রভাবের পাশাপাশি এই আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের হাত ধরে গোটা বিশ্বে তৈরী হয়ে চলেছে হাজার হাজার কোটি টাকার বাজার। ভারত সহ গোটা বিশ্বেই বাড়ছে যোগ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। পাশ্চাত্য ছোঁয়ায় নয়, বরং ভারতীয় মতাদর্শে বাড়ছে যোগা শিক্ষা কেন্দ্র। এমনকি কর্পোরেট ওয়ার্কশপের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে কয়েক গুণ। অনলাইন কোর্সের সংখ্যাও রোজ বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। ওয়ার্ক আউট বাড়ছে খুব দ্রুত।
যোগা করতে গিয়ে আধুনিক যে সমস্ত সরঞ্জাম লাগছে, সেগুলির বাজার বেড়ে গিয়েছে বিশ্ব জুড়ে। অনলাইনেও সেগুলি পাওয়া যাচ্ছে সুবিধা দরে। যোগা ম্যাট, যোগা ব্লক, মেডিটেশন কুশন ছাড়াও বিশেষ পোশাকের চাহিদা বাড়ছে বিশ্বজুড়ে। ইউটিউব বা অন্যান্য সমাজ মাধ্যমে অনলাইন যোগ কোর্স গোটা বিশ্বকে জুড়ছে একইসাথে। ভারতে প্রতি বছর বহু বিদেশী আসেন স্বাস্থ্য উদ্ধারে। তাঁরা আসেন সাধারণত হরিদ্বার, ঋষিকেশ, মহীশূর ও কেরলমে ধ্যান ও যোগ শিখতে। এই বিদেশিরা ভারতকেই মুক্তির পথ বলে বিশ্বাস করেন।
বিশ্বের বহু কর্পোরেট কোম্পানি এখন কর্মীদের জন্যে যোগা সেশন, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট এবং মেডিটেশন ওয়ার্কশপ চালু করেছে। এই সব জায়গায় অভিজ্ঞ ট্রেনাররা পারিশ্রমিকের বদলে সেশন করান। ওয়েলনেস ট্রেনিং দেন। ধ্যানের মাধ্যমে স্ট্রেস ফ্রি থাকতে শেখান। এই কাজে আজ অনেককেই বিদেশে গিয়েও কাজ করতে দেখা যায়। এই মুহূর্তে ভারত গোটা দুনিয়ার সামনে যোগ শিক্ষায় বিশ্বগুরুর ভূমিকায় রয়েছে।
প্রশ্ন ওঠে এতে ভারতের কি লাভ হচ্ছে ? অবশ্যই, প্রথম কথা বিশ্ব বাজারে ভারতের একটা সফ্ট পাওয়ার কাজ করছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভারতের প্রভাব বাড়ছে। বাণিজ্যিক দিক থেকে দেখতে গেলে দেখা যাচ্ছে, ভারতে পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে , ভারতীয় ব্র্যান্ডের গ্রহণ যোগ্যতা বাড়ছে। যোগের পাশাপাশি ভারতের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের প্রতি গোটা পৃথিবীর মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। .
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], উদয়পুর, রাজস্থান, ১৭/০৬/২০২৬ : ইতিহাসে যা বলা হয়েছিল, তা ছিল ভুল এবং বিকৃত, পকৃতপক্ষে হলদিঘাটের যুদ্ধে মুঘলদেরকে পরাজিত করেছিলেন বীর মহারানা প্রতাপ সিং, এমনটাই দাবি করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত।
আজ মহারানা প্রতাপের ৪৮৬ তম জন্ম বার্ষিকী। সেই উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে উদয়পুরে হাজির ছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। তিনি আজ হলদিঘাটের যুদ্ধে মহারানা প্রতাপকেই জয়ী হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তাঁর মতে ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছিল মুঘল শাসনকালে। দেশীয় রাজাদের তুলনায় সেই সময় আক্রমণকারীদের গৌরবকেই মহিমান্বিত করার প্রয়াস থেকেই ইতিহাসকে বিকৃত করে দেখানো হয়েছিল।
সেই সময় ঠিক কি ঘটেছিল তা বোঝার জন্যে সেই সময়কালের অন্যান্য তথ্যগুলিকে ঘেঁটে দেখতে বলেছেন মোহন ভাগবত। তিনি বলেছেন, “বিভিন্ন তথ্যাবলী ও লেখা থেকে দেখা যাচ্ছে, হলদিঘাটের যুদ্ধ শুরুর সময় থেকে সম্রাট আকবরের নেতৃত্বে মুঘল সেনা বাহিনী অনেকটা করে পিছনে যেতে শুরু করেছিল। বিজয়ী সৈন্যরা কখনো পিছিয়ে যান না, এছাড়াও অন্যান্য তথ্য এটা স্পষ্ট করছে যে হলদিঘাটের যুদ্ধে মুঘল সম্রাট আকবর নয়, বরং রানা প্রতাপেরই জয় হয়েছিল। এতদিন ধরে সত্য পরিবেশিত হয় নি, ইতিহাসকে বিকৃত করে রাখা হয়েছিল।” মোহন ভাগবত মনে করেন এবার সত্য সামনে আসা দরকার।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] লখনৌ , উত্তর প্রদেশ, ১২/০৬/২০২৬ : রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত যে ট্রেনে চড়ে যাচ্ছিলেন, সেই ট্রেনে পাথর ছুঁড়ে মারা হয়েছে। পাথরের ঘায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেই ট্রেনের বাতানুকূল যন্ত্র।
বৃহস্পতিবার সকালে কানপুর থেকে দিল্লীগামী স্বর্ণ শতাব্দী এক্সপ্রেস ট্রেনটিতে কেউ বা করা পাথর ছুঁড়ে মারে। ঐ পাথরের ঘায়ে ট্রেনের একটি কামরায় বাতানুকূল যন্ত্রের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। ট্রেনের ঐ কামরাতেই ভ্রমন করছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকাল ৭:১৫ মিনিট নাগাদ।
কে বা করা স্বর্ণ শতাব্দী এক্সপ্রেসে পাথর ছুঁড়ে মারল, তাদের লক্ষ্য মোহন ভাগবত ছিলেন কিনা, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে রেল পুলিশ। রেল সূত্রে গোটা ঘটনার কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কোনোরকম হতাহতের ঘটনা ঘটে নি। শুধুমাত্র এসি ফার্স্ট ক্লাস কামরার উইন্ডো পেন ভেঙে গিয়েছে।
অখণ্ডপরশুরাম আখড়ার তরফ থেকে বলা হয়েছে, ” দেবভূমি উত্তরাখণ্ড রাজ্যের হরিদ্বার হল একটি পবিত্র শহর। এখানে সনাতনী হিন্দুদের বাস। এখানকার সনাতনী হিন্দুরা আমিষ খাদ্য গ্রহণ করেন না। অথচ বিরিয়ানি বলতে সাধারণত আমিষ খাদ্যই বোঝায়, যদিও হরিদ্বারে যে বিরিয়ানিপোয়া যায় তা নিরামিষ। এমনকি বিক্রেতারাও তাঁদের স্টল বা দোকানে ভেজ বিরিয়ানি কথাটি লিখে রাখেন। কিন্তু বিরিয়ানি সনাতনী হিন্দুদের খাদ্য নয় একেবারেই।”
এক্ষেত্রে অখণ্ড পরশুরাম আখড়ার সদস্যরা বলছেন, দোকানদাররা যাতে বিরিয়ানি না লিখে ভেজ পোলাও কথাটা লিখে রাখেন। তাতে করে তাঁর বিক্রি কম হবে না, আবার সনাতনী ঐতিহ্যকেও সন্মান করা হবে। অবশ্য জোর খাটানো নয়, বরং আখড়ার সদস্যরা এই ব্যাপারটিকে একটি অনুরোধ তথা প্রস্তাব হিসেবেই পেশ করতে চেয়েছেন।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], আগরতলা, ত্রিপুরা, ০২/০৬/২০২৬ : রাজ্যের যুবকরা যাতে নতুন ধরনের কর্ম সংস্থান করতে পারে ও দেশের বাইরে গিয়ে সমস্যায় না পরে, তার জন্যে আজ ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী রামকৃষ্ণ মিশনের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে সাক্ষর করলেন।
প্রতি বছর ত্রিপুরায় রাজ্যের বাইরে থেকে বহু মানুষ আসেন পর্যটন করতে। ত্রিপুরার উদয়পুর, কৈলাশহর, ঊনকোটি, ত্রিপুরেশ্বরী জায়গাগুলি যথেষ্ট পর্যটন সমৃদ্ধ। রাজ্যে রবীন্দ্র স্মৃতি বিজড়িত জায়গাও রয়েছে বেশ কিছু। রাজধানী আগরতলাতেও দেব বর্মন রাজবাড়িটিও যথেষ্ট চিত্তাকর্ষক। এইসব পর্যটনস্থলগুলিতে বিদেশের বহু পর্যটক বেড়াতে আসেন বছরের বিভিন্ন সময়।
ত্রিপুরা সরকার চাইছে, বিভিন্ন দেশ থেকে ত্রিপুরায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের যদি স্থানীয় যুবারা সেইসব দেশের ভাষাতেই পরিষেবা দিতে পারেন তাহলে রাজ্যের পর্যটন ও অন্যান্য ব্যবসা যথেষ্ট সমৃদ্ধ হতে পারে। শুধু তাই নয়, ত্রিপুরা থেকে যে সব যুবারা দেশের বাইরে যাচ্ছেন, তাঁরা যদি সেই দেশের ভাষা শিখে সেখানে যান তাহলে তাঁদেরই ভালো হবে। তাই আন্তর্জাতিক নানারকম ভাষা শেখানোর জন্যে রাজ্য সরকার আজ রামকৃষ্ণ মিশনের সাথে একটা চুক্তি সাক্ষর করল। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা একটি মৌ চুক্তিস্বাক্ষর করেছেন বিবেকনগর রামকৃষ্ণ মিশনের সাথে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ০৮/০৫/২০২৬ : মাত্র তিন বছরের শিশুকে যৌ*ন নির্যাতন করে গ্রেপ্তার হয়েও জামিনে মুক্ত এক ব্যক্তি।
শিশুকে যৌ*ন নির্যাতনের এই ঘটনাটি মে মাসের ১ তারিখে ঘটেছে দিল্লীতে। পীড়িত মেয়েটি স্কুলে গিয়েছিল আর সেখানেই এক পুরুষ কর্মী তার যৌ*ন নির্যাতন করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে যখন মেয়েটির মা দিল্লীর জনকপুরী থানায় অভিযোগ দায়ের করে. ওই কর্মীকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে পকসো আইনের ধারা দেওয়া হয়েছিল।
ফাটকাল অভিযুক্তকে অতিরিক্ত সেশন জজ আদালতে পেশ করা হয়. গতকালই সে আদালত থেকে জামিন পেয়ে যায়. পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দিল্লী পুলিশ।
আজ খবর (বাংলা) [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ০১/০৫/২০২৬ : দেশে পাঁচ রাজ্যে ভোট মিটতেই ফের একবার বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বেড়ে গেলো। আজ থেকে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়লো ৯৯৩ টাকা প্রতি সিলিন্ডারে।
বাণিজ্যিক গ্যাসের দামে হঠাৎ বৃদ্ধি প্রভাব ফেলবে বাজারে। দেশের বিভিন্ন হোটেল, রেস্টুরেন্টে খাবারের দামও বেড়ে যাবে। প্রভাব পড়বে দেশের সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রায়। তবে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়লেও দাম বাড়েনি গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের। দাম বাড়ে নি পেট্রল বা ডিজেলেরও। এখনও পর্যন্ত সেটুকুই যা শান্তনা।
মূলত মধ্যে প্রাচ্যে যুদ্ধ ও অশান্তির জেরেই বাণিজ্যিক গ্যাসের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি বলে মনে করা হচ্ছে। চলতি বছরে দফায় দফায় মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের। এ বছর জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে বেড়েছিল ১১১ টাকা, ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখে বেড়েছিল ৫০ টাকা, মার্চ মাসের ১ তারিখে বেড়েছিল ৩১ টাকা, মার্চ মাসেরই ৭ তারিখে বেড়েছিল ১১৫ টাকা, এপ্রিল মাসের ১ তারিখে বেড়ে ছিল ২১৮ টাকা আর আজ অর্থাৎ মে মাসের ১ তারিখে বেড়ে গেলো ৯৯৩ টাকা। অর্থাৎ গত চার মাসে ছয়বার মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের। এখনো বছরের ৮ মাস বাকি রয়েছে। দেখা যাক এই মূল্যবৃদ্ধ বছরের শেষে কোথায় গিয়ে পৌঁছায় !
১৯ কিলো ওজনের একটি বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে মোট ১,৫১৮ টাকা। আজকের তারিখে রাজধানী দিল্লীতে ১৯ কিলো ওজনের একটি বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম পড়ছে ৩,০৭১ টাকা ৫০ পয়সা। অটোরিক্সার এলপিজির দাম বাড়লো ৬ টাকা ৪৪ পয়সা। এর ফলে বেড়ে যাবে অটোর ভাড়াও।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৭/০৪/২০২৬ : ভোটের সময় পশ্চিমবঙ্গেপ্রায় ৫১০কোটি ১০ লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ বস্তু ও সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ পিআইবি সূত্রে এই খবর পাওয়া গিয়েছে।
ভোটের সময় মদ সহ নানারকম বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। সেই সময় গাড়িগুলিকে নাকা চেকিং করা হয়। উদ্ধার করা হয় নগদ অর্থ সহ নানারকম সামগ্রী। এই বছর নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট কঠোর মনোভাব দেখিয়েছে প্রথম থেকেই। ভোটের সময় তল্লাশি চালিয়ে এখনও পর্যন্ত এই রাজ্যে প্রায় ৫১০ কোটি ১০ লক্ষ টাকার সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে মোট ৩০ কোটি নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। মদ ধরা পড়েছে মোট ১২৬ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকার। বাজেয়াপ্ত হওয়া মোট মদের পরিমাণ হল ৪৮.৪৬.১৮৩ লিটার। মোট ৫৮ কোটি ২৮ লক্ষ্য টাকার মূল্যবান ধাতু (সোনা রুপা) বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে আর সেই সাথে ১১০ কোটি ১২ লক্ষ টাকার মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য নিষিদ্ধ বা আপত্তিকর সামগ্রী যা কিছু বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তার মূল্য ১৮৪ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা।