Aaj Khabor

পহেলগাঁওয়ের নারকীয় ঘটনার এক বছর পার

পহেলগাঁওয়ের নারকীয় ঘটনার এক বছর পার

 

অপারেশন সিঁদুর এখনো বন্ধ করা হয় নি, পাকিস্তানী জঙ্গীরা সক্রিয় হলেই ফের শুরু করা হবে অপারেশন সিঁদুর : ভারত 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত,  ২২/০৪/২০২৬ :  জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গী আক্রমণের ঘটনার পর কেটে গেল এক বছর।  গত বছর আজকের দিনেই জঙ্গীদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিলেন ২৬ নিরীহ পর্যটক।

জম্মু  কাশ্মীরে পহেলগাঁওয়ে বৈশরণ ভ্যালিতে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের ওপর আক্রমন করেছিল পাক মদতপুষ্ট সশস্ত্র জঙ্গীরা। পর্যটকদের রীতিমত লাইনে দাঁড় করিয়ে তাঁদের ধর্ম জিজ্ঞাসা করে পোশাক খুলিয়ে একের পর এক মানুষকেগুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। ঐ নারকীয় ঘটনায় গত বছর আজকের দিনেই মোট ২৬ জন পর্যটক মারা গিয়েছিলেন।

এরপর ওই জঙ্গীদের খোঁজে ভারতীয় সেনা জওয়ানরা চিরুনি তল্লাশি চালাতে শুরু করেছিল। কিন্তু নরাধম জঙ্গীদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।  এরপর ভারত  অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালিয়ে পাকিস্তানে থাকা জঙ্গী শিবিরগুলিকে মিসাইল দিয়ে উড়িয়ে দিতে থাকে। পাকিস্তানে থাকা একের পর এক জঙ্গী শিবির ধ্বংস করতে থাকে। বহু জঙ্গী সেই অভিযানে খতম হয়ে গেলেও খোঁজ পাওয়া যায় নি পহেলগাঁওয়ে হামলা চালানো জঙ্গীদের।

কিন্তু হাল ছাড়ে নি ভারত, অবশেষে উচ্চ হিমালয়ের তুষার অঞ্চলের গুহায় লুকিয়ে থাকা ঐ  জঙ্গীদের খুঁজে বের করে নিকেশ করা হয়। তবে ভারত ঘোষণা করেছে অপারেশন সিঁদুর অভিযান আপাতত স্থগিত রাখা হলেও তা বন্ধ করে দেওয়া হয় নি।  এরপর জঙ্গীরা ফের মাথা চাড়া দেওয়ার চেষ্টা করলেই ভারত তার অভিযান ফের সক্রিয় করে তুলবে। তছনছ করে দেবে পাকিস্তানে থাকা জঙ্গী ঘাঁটিগুলিকে।

আজ সারা দেশ একসাথে পহেলগাঁওয়ের স্মৃতিতে শোক পালন করছে। রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে  দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে জনসাধারণ সকলেই ঐ ঘটনায় এখনো ব্যথিত হয়ে রয়েছেন। এই ঘটনার এক বছর আজ প্রত্যেকেই নিজেদের শোক ব্যক্ত করেছেন।


 

Loading

ওড়িশায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার বৃহৎ বিনিয়োগ নিয়ে আসছে

ওড়িশায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার বৃহৎ বিনিয়োগ নিয়ে আসছে

 

কর্মসংস্থানের প্রচুর সুযোগ বাড়বে ওড়িশায় 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], ভুবনেশ্বর। ওড়িশা, ২০/০৪/২০২৬ :   ওড়িশা রাজ্যের জন্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার বিশাল অংকের বিনিয়োগ আনতে চলেছে। এই রাজ্যে দ্রুত উন্নয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

ওড়িশায় রেল পরিকাঠামো উন্নয়নে বড়সড় অগ্রগতি হয়েছে বলে জানালেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর মতে, বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ৯০,০০০ কোটি টাকার রেল প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে, যা দেশের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগ।

রেলমন্ত্রী বলেন, “গত কয়েক বছরে ওড়িশায় রেল নেটওয়ার্কের ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন লাইন নির্মাণ, ডবলিং এবং বিদ্যুতায়নের কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। এর ফলে শুধু যাত্রী পরিষেবাই নয়, পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, “প্রকল্পগুলির কাজ আগের তুলনায় অনেক দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে, যা রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।” এই উন্নয়নের ফলে শিল্প, বাণিজ্য এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

রেল মন্ত্রকের মতে, ওড়িশাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ রেল হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একাধিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে এবং সেগুলির বাস্তবায়ন এখন জোরকদমে চলছে। ওড়িশায় অ্যাডভান্সড থ্রীডি গ্লাস সেমিকন্ডাক্টর প্ল্যান্ট বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্র সরকারের।  এর ফলে ওই রাজ্যে কর্ম সংস্থান অনেকটাই বেড়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।


 

Loading

বিজেপি পারলো না, সংসদে পাশ হল না মহিলা সংরক্ষণ বিল

বিজেপি পারলো না, সংসদে পাশ হল না মহিলা সংরক্ষণ বিল

দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেলো না শাসক শিবির 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত,১৮/০৪/২০২৬ : লোকসভায় পাশ হলো না মহিলা সংরক্ষণ বিল, ভোটের আগেই জোর ঝটকা  বিজেপি শিবিরে।

আজ বিজেপির তরফে সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পেশ করা হয়েছিল। যে বিলে এই আইনের লক্ষ্য ছিল লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করা এবং ২০১১ সালের আদমশুমারির তথ্য ব্যবহার করে একটি নতুন সীমানা নির্ধারণ কমিশনের সঙ্গে সংরক্ষণকে যুক্ত করা।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাংসদদের বিলটির পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন সেই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেছিলেন যে এই বিল ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে ‘নারী শক্তি’ তাদের কাছে এই ঘটনার জবাব চাইবে। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এবং টিএমসি সহ বিরোধী দলগুলো যুক্তি দিয়েছিল যে বিলটি প্রকৃত অর্থে ক্ষমতায়নের জন্য নয়, বরং নির্বাচনী কাঠামো পরিবর্তনের একটি ‘ছদ্মবেশ’। তারা এটিকে ‘দেশবিরোধী’ আখ্যা দিয়েছিল।  ফোনে ইন্ডি জোটের বিরোধীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রেখে ছিল। রাহুল গান্ধীর সাথে কথা হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

২০২৯ সালের নির্বাচনে নারীদের জন্য ৩৩% সংরক্ষণ দ্রুত কার্যকর করার লক্ষ্যে আনা ওই সংবিধান সংশোধনী বিল (১৩১তম সংশোধনী, ২০২৬) আজ লোকসভায় পাস হতে ব্যর্থ হয়েছে। বিলটির পক্ষে ২৯৮টি ভোট পড়লেও, এটি পাসের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (৫২৮ ভোটের মধ্যে ৩৫২টি ভোট) অর্জন করতে পারেনি। সেক্ষেত্রে বিজেপির পরাজয় হয়েছে।

পরাজয়ের পর সরকার সংশ্লিষ্ট দুটি বিল—সীমানা নির্ধারণ বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন (সংশোধন) বিল—নিয়ে আর অগ্রসর না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে আর কয়েক দিন পরেই ভোট রয়েছে, এখন দেখার সংসদে বিজেপির এই পরাজয়কে এই রাজ্যে ভোটের প্রচারে অস্ত্র হিসেবে বিরোধীরা ব্যবহার করে কি না !


 

Loading

‘বিধানসভার গেট ভেঙে ঢুকে পড়লো সাদা গাড়ি

'বিধানসভার গেট ভেঙে ঢুকে পড়লো সাদা গাড়ি

চলন্ত গাড়ি থেকে নেমে বিধানসভা চত্বরে ফুলের তোড়া  রাখলো কে ?  

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ০৬/০৩/২০২৬ :  দিল্লী বিধানসভা চত্বরের গেট ভেঙে ভিতরে ঢুকে এক ব্যক্তি ফুলের তোড়া রেখে দিয়ে চলে গেলো। এই ঘটনা নিয়ে হৈচৈ পড়ে গিয়েছে দিল্লী বিধানসভায়।

সোমবার দিল্লী বিধানসভার একটি লোহার গেট ভেঙে দ্রুতগতিতে ছুটে আসে একটি গাড়ি। ঐ  গেটে কর্তব্যরত সিআরপিএফ জওয়ানরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই গাড়িটি লোহার গেট ভেঙে ভিতরে ঢুকে যায়।  কিছুদূর এগিয়ে গিয়ে ঐ গাড়ি থেকে এক ব্যক্তি নেমে বিধানসভা চত্বরে একটি ফুলের তোড়া  রেখে দ্রুত চম্পট দেয়।

দিল্লী পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর প্রদেশের নম্বর প্লেটওলা একটি সাদা রঙের গাড়ি দিল্লী বিধানসভার গেটে আসে। কেউ কিছু বোঝার আগেই লোহার গেট ভেঙে ঐ গাড়িটি ভিতরে ঢুকে যায়।গাড়িটিকে আটকানোর জন্যে সিআরপিএফ জওয়ানরা এগিয়ে গেলে এক ব্যক্তি সাদা গাড়ি থেকে নেমে  বিধানসভা চত্বরে একটি ফুলের তোড়া রেখে গাড়িতে উঠে দ্রুত পালিয়ে যায়।

সিআরপিএফ জওয়ানরা সাদা রঙের ঐ গাড়িটিকে ধরতে পারেন নি। গাড়িটির খোঁজে দিল্লীর তল্লাশি চালানো হচ্ছে।  বিধানসভা চত্বরে কিভাবে সমস্ত প্রটোকল ভেঙে একটি গাড়ি ভিতের ঢুকে পড়ে  কোনো কিছু রেখে পালিয়ে যেতে পারে, সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।  ফুলের তোড়া পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে, তাতে বোমা ছিল না। তবে বোমা বা অন্য কিছু থাকতেই পারতো ! এর পিছনে কাদের হাত রয়েছে সেটা খুঁজে দেখছে পুলিশ।


 

Loading

দুই জাহাজে ৯৪ হাজার টন এলপিজি আসছে ভারতে

দুই জাহাজে ৯৪ হাজার টন এলপিজি আসছে ভারতে

তেল নিয়ে কালো বাজারি চলছে 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৯/০৩/২০২৬ :  আরও দুই জাহাজ এলপিজি ভর্তি কন্টেনার নিয়ে ভারতের দিকে আসছে বলে জানিয়েছে দেশের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক।

পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে যুদ্ধ পরিস্থিতি থাকায় ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল আসতে  বাধা পাচ্ছিল। যদিও ইতিমধ্যেই কেন্দ্র সরকার দেশবাসীকে জ্বালানি যোগান দেওয়ার ক্ষেত্রে একাধিকবার আস্বস্ত করেছে। এর মধ্যে কয়েকটি জাহাজ তেল নিয়ে ভারতে চলেও এসেছে। কিন্তু তা সত্বেও মানুষের মন থেকে আশঙ্কা  দূর হয় নি. জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে অনেকখানি।

এর আগেও ভারত সরকার বার বার বলেছে পর্যাপ্ত তেল ভারতের ভান্ডারে রয়েছে, তাই আশঙ্কার কোনো  .কিন্তু তা র পরেও দেশের বাজারে কালোবাজারি হয়েই চলেছে। এর মধ্যেই আজ দেশের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়ে দিল যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে এলপিজি কন্টেনার ভর্তি আরও দুই জাহাজ (BW TYR BW ELM) ভারতের উপকূলে এসে পৌঁছে যেতে চলেছে। এই দুই জাহাজে মোট  ৯৪,০০০ টন জ্বালানি তেল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই তেল ভারতে এসে গেলে কালোবাজারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্র সরকার।


Loading

স্বপ্ন হল সত্যি ! ২০০ বছর পর জমির মালিকানা পেলেন চা শ্রমিকরা

স্বপ্ন হল সত্যি ! ২০০ বছর পর জমির মালিকানা পেলেন চা শ্রমিকরা

নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন চা শ্রমিকরা 

\আজ খবর (বাংলা) [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৬/০৩/২০২৬ : অবশেষে স্বপ্ন সত্যি হল. দেশের চা শ্রমিকরা জমির মালিকানা সত্বা পেতে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।

ইংরেজ শাসন আবাসন হওয়ার পর আরও  ৭৫ বছর কেটে গেলেও জমির মালিকানা পান নি দেশের চা শ্রমিকরা।  কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তৎপরতায় এবার জমির মালিকানা পেলেন চা শ্রমিকরা। চা বাগানে যে সব শ্রমিকরা কাজ করেন, তাঁরা দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করেন।  তাঁরা বিভিন্ন রকম নাগরিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকতেন।  এমনকি স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য জরুরি পরিষেবাও তাঁরা পেতেন না. কিন্তু এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সহায়তায় দেশের অসংখ্য চা শ্রমিক জমির মালিকানা পেলেন।

দেশে বহু চা শ্রমিক আছেন যাঁরা হয়তো কয়েক প্রজন্ম ধরে চা শ্রমিক হিসেবে চরম দারিদ্রের সাথে লড়াই চালাচ্ছেন। এই শ্রমিকদের নিজস এ জমি বলতে কিছুই ছিল না. এবার প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতায় তাঁর নিজেদের মালিকানায় জমি পেলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা। এবার এই চা সমীকরা একটি করে বাড়ি পাওয়ার আশা করছেন।  নরেন্দ্র মোদীর ওপর সমম্পূর্ণ ভরসা রেখেছেন তাঁরা।


Loading

ফের একবার সুপ্রীম কোর্টে বড় ধাক্কা খেলো রাজ্য সরকার

ফের একবার সুপ্রীম কোর্টে বড় ধাক্কা খেলো রাজ্য সরকার

 

“গণ পরিবহনের চেয়েও কি উৎসব বড় ?”

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৩/০৩/২০২৬ :   দেশের সর্বোচ্য আদালতে ফের একবার মুখ পোড়ালো  রাজ্য সরকার। এবার মেট্রো রেলের নির্মাণ নিয়ে জোর ধাক্কা দিল সুপ্রীম কোর্ট। সেই সঙ্গে রাজ্য সরকারকে  প্রবল ভর্ৎসনাও করা হয়েছে।

মেট্রো অরেঞ্জ লাইনের কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মাত্র ৩০০ মিটার জায়গায় কাজ শেষ করতে পারলেই মেট্রো অরেঞ্জ লাইনের কাজ শেষ হয়ে যেতে পারতো। কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে অনির্দিষ্ট কালের জন্যে মেট্রো কর্তৃপওক্ষকে কাজ বন্ধ করে দিতে হয়েছে।  কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে ঐ  অঞ্চলে মেট্রোর কাজ হলে ট্র্যাফিক সমস্যায় পড়তে হতে পারে।

ইস্টার্ন বাইপাসের ওপর চিংড়িহাটার কাছে মেট্রো রেলের সামান্য কাজ বাকি আছে। এই অসম্পূর্ণ অংশটি নিয়ে কেন্দ্র রাজ্য সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। একাধিকবার মেট্রো কর্তৃপক্ষের সাথে পুলিশের বৈঠকে হয়েছে এই ব্যাপারে।  কিন্তু জট কাটে নি। অথচ ঐটুকু জায়গার কাজ শেষ হয়ে গেলে কলকাতার অরেঞ্জ লাইন মেট্রোপরিষেবা শুরু করে দেওয়া যেত বলে জানিয়েছে কলকাতা মেট্রো রেল  কর্তৃপক্ষ।

এই ব্যাপারে মেট্রোর তরফ থেকে দেশের সর্বোচ্য আদালতে মামলা করা হয়েছিল। আজ সেই মামলাটি ওঠে, ডিভিশন বেঞ্চের তিন বিচারপতি সূর্যকান্ত, জয়মাল্য বাগচী ও এম পাঞ্চোলি এই মামলাটি শোনেন।  এর আগে হাইকোর্টে রাজ্য সরকার এই মামলাটি সম্পর্কে জানিয়েছিল যে তাদের বিভিন্ন উৎসব নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়, তাই এই জট কাটে নি। এদিন সুপ্রীম কোর্ট রাজ্য সরকারের এই ‘একগুঁয়েমিকে’ চরম ভর্ৎসনা করেছে।

সুপ্রীম কোর্ট রাজ্যকে জানিয়েছে, উৎসব করার সময় পান অথচ গণ পরিবহনের মত  গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি দেখার সময় পান না ?  গণ পরিবহনের থেকেও কি উৎসব বেশি গুরুত্বপূর্ণ ?  সুপ্রীম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে কোনো নির্বাচিত সরকার সুপ্রীম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে এই বিষয়টিকে উপেক্ষা করতে বলবে এটা আমরা মানি না. এভাবে উন্নয়নকে আটকে রাখা যায় না।”

সুপ্রীম কোর্টের গুঁতো খেয়ে এবার যদি রাজ্য সরকার মেট্রো কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক করতে রাজিও থাকে,  ততদিনে নির্বাচন এসে যাবে, ফলে নির্বাচনের পর নতুন সরকার না এলে এই জট  খুলবে বলে মনে হয় না। সেক্ষেত্রে নতুন রাজ্য সরকার আসার পরেই সম্ভবত মেট্রো কর্তৃপক্ষের সাথে এই বৈঠকটি করা হবে।


Loading

ভোটের আগে নাশকতার ছক ছিল

ভোটের আগে নাশকতার ছক ছিল

নাশকতার ছক ভেস্তে গেলো 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], তিনসুকিয়া, আসাম, ২৩/০৩/২০২৬ :  আসামে আর কিছুদিন পরেই নির্বাচন। আর তার আগেই তিনসুকিয়া থেকে উদ্ধার করা হল প্রচুর বিস্ফোরক।

রবিবার মধ্যরাত্রে তিনসুকিয়া জেলার জাগুমে পুলিশ কমান্ড ক্যাম্পের কাছে জঙ্গীরা নাশকতার কোনো ঘটনা ঘটাতে চেয়ে ছিল কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতায়  জঙ্গীদের সেই ছক বাস্তবায়িত হয় নি. মনে করা হচ্ছে রবিবার রাত্রি দুটো নাগাদ উলফা জঙ্গীরা পুলিশের কমান্ডো  ক্যাম্পের পিছন দিকে বিস্ফোরণ ঘটাতে চেয়েছিল। কিন্তু আসাম রাইফেলস এবং শিল্ড শ্যাপারসের যৌথ উদ্যোগে জঙ্গীরা সেখানে আর বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে নি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ওখানে উলফা (আই) বোমা বিস্ফোরণ করার চেষ্টা করেছিল।  কিন্তু বিস্ফোরণের আগেই তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।  ঘটনাস্থলে বম্ব স্কোয়াডের দল  পাঠানো হয়েছিল, তারা গিয়ে বোমা নিষ্ক্রিয় করে।  ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গোটা ঘটনাটির নিন্দা করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।


Loading

ভোটারদের ন্যূনতম সুবিধা দিতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন

ভোটারদের ন্যূনতম সুবিধা দিতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন

প্রবেশপথের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রাখা যাবে 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২২/০৩/২০২৬ : নির্বাচন কমিশন ভোটের সময় ভোটারদের ন্যূনতাঙ সুযোগ ও সুবিধাগুলি দিতে বদ্ধপরিকর।  সেই ন্যূনতম সুযোগ সুবিধাগুলি হল —

১. ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) ১৫ মার্চ, ২০২৬ তারিখে আসাম, কেরালা, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভাগুলোর সাধারণ নির্বাচন এবং ৬টি রাজ্যের উপ-নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে।

২. ইসিআই সংশ্লিষ্ট রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (সিইও) নির্দেশ দিয়েছে যেন মোট ২,১৮,৮০৭টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতেই ‘নিশ্চিত ন্যূনতম সুবিধা’ (এএমএফ) এবং নির্বাচনের দিন ভোটারদের সহায়তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।

৩. এই ‘নিশ্চিত ন্যূনতম সুবিধা’-র (এএমএফ) অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো—পানীয় জল, ছায়াযুক্ত অপেক্ষাগার, জলের সুবিধাসহ শৌচাগার, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, দিব্যাঙ্গ ভোটারদের (পিডব্লিউডি) জন্য সঠিক ঢালযুক্ত র‍্যাম্প, ভোটদানের জন্য একটি মানসম্মত প্রকোষ্ঠ এবং যথাযথ নির্দেশিকা বা সাইনেজ। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের আরও অনুরোধ জানানো হয়েছে যেন ভোটকেন্দ্রে অপেক্ষমাণ ভোটারদের সারিতে নির্দিষ্ট দূরত্ব অন্তর বসার বেঞ্চের ব্যবস্থা রাখা হয়, যাতে ভোট দেওয়ার জন্য নিজেদের পালা আসার অপেক্ষায় থাকাকালীন ভোটাররা বসে বিশ্রাম নিতে পারেন।

৪. ভোটার সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে, সমস্ত ভোটকেন্দ্রে চারটি অভিন্ন ও মানসম্মত ‘ভোটার সহায়তা পোস্টার’ (ভিএফপি) স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করা হবে। এই পোস্টারগুলোতে ভোটকেন্দ্রের বিস্তারিত তথ্য, প্রার্থীদের তালিকা, করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ, ভোটদানের জন্য অনুমোদিত পরিচয়পত্রগুলোর তালিকা এবং ভোটদানের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য সন্নিবেশিত থাকবে।

৫. প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের স্থানেই ‘ভোটার সহায়তা বুথ’ (VAB) স্থাপন করা হবে। এই বুথগুলোতে ‘বুথ স্তরের আধিকারিক’ (বিএলও) বা অন্যান্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল উপস্থিত থাকবে, যাদের কাজ হবে ভোটারদের তাদের নির্দিষ্ট ভোটকক্ষের নম্বর এবং সংশ্লিষ্ট বুথের ভোটার তালিকায় তাদের ক্রমিক নম্বরটি খুঁজে পেতে সহায়তা করা। এই ভিএবি-গুলোর সামনে সুস্পষ্ট নির্দেশিকা বা সাইনবোর্ড থাকবে এবং ভোটাররা ভোটকেন্দ্রের প্রাঙ্গণে পৌঁছানোর সাথে সাথেই যেন সেগুলো সহজেই দেখতে পান, সেই ব্যবস্থা রাখা হবে।

৬. ভোটারদের সুবিধার্থে নির্বাচন কমিশন (ইসিআই ) যেসব বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তার অন্যতম একটি হলো ভোটকেন্দ্রের প্রবেশপথের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রাখার সুব্যবস্থা করা। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পূর্বে ভোটাররা তাদের মোবাইল ফোনটি (অবশ্যই বন্ধ অবস্থায়) একজন নির্দিষ্ট স্বেচ্ছাসেবকের কাছে জমা দিতে পারবেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করার পর সেটি পুনরায় সংগ্রহ করে নিতে পারবেন।

৭. কমিশন পুনরায় জোর দিয়ে জানাচ্ছে যে, ‘মৌলিক ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা’ (এএমএফ) এবং আনুষঙ্গিক প্রবেশগম্যতা সংক্রান্ত ব্যবস্থাগুলোর সংস্থান করা বাধ্যতামূলক; এবং সমস্ত ভোটকেন্দ্রে এই নির্দেশিকাগুলো কঠোরভাবে পালিত হচ্ছে কি না, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। সকল ভোটারের জন্য একটি নির্বিঘ্ন ও আনন্দদায়ক ভোটদানের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, মাঠপর্যায়ের সকল আধিকারিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন ভোটগ্রহণের নির্ধারিত তারিখের অনেক আগেই প্রয়োজনীয় সমস্ত কাজ সম্পন্ন করে ফেলা হয়।


 

Loading

৫ রাজ্যে ভোটে ২৫ লক্ষ আধিকারিক নিয়োগ নির্বাচন কমিশনের

৫ রাজ্যে ভোটে ২৫ লক্ষ আধিকারিক নিয়োগ নির্বাচন কমিশনের

সুষ্ঠূ ও অবাধ ভোট করাতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত,১৮/০৩/২০২৬ : ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) ১৫ই মার্চ আসাম, কেরল, পুদুচেরী, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন এবং ৬টি রাজ্যের উপ-নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে।

এই ৫টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নির্বাচনের বিভিন্ন ধাপের সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, ২৫ লক্ষেরও বেশি নির্বাচন আধিকারিক নিয়োগ করা হয়েছে। এই নির্বাচনে মোট ভোটদাতার সংখ্যা ১৭.৪ কোটিরও বেশি। অর্থাৎ, প্রতি ৭০ জন ভোটারের জন্য প্রায় ১ জন নির্বাচন আধিকারিক নিযুক্ত।

নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার শ্রী জ্ঞানেশ কুমার জানান, নির্বাচন যাতে হিংসা ও প্ররোচনামুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করতে এবং ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, তা দেখতে আধিকারিকদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত কর্মীদের মধ্যে প্রায় ১৫ লক্ষ ভোটগ্রহণ কর্মী, ৮.৫ লক্ষ নিরাপত্তা কর্মী, ৪০ হাজার ভোটগণনা কর্মী, ৪৯ হাজার মাইক্রো অবজার্ভার, ২১ হাজার সেক্টর অফিসার এবং ভোটগণনার জন্য ১৫ হাজার মাইক্রো অবজার্ভার সহ অন্যান্য আধিকারিকরাও থাকছেন।
২.১৮ লক্ষেরও বেশি বিএলও সহ নির্বাচনী কর্মীবাহিনী থাকছেন ভোটারদের সুবিধার্থে। ফোন নম্বরের মাধ্যমে এবং ECINet অ্যাপে ‘Book-a-call to BLO’ সুবিধাও ভোটদাতাদের জন্য থাকছে। ডিইও/আরও পর্যায়ে যেকোনও অভিযোগ বা জিজ্ঞাসার স্বার্থে কল সেন্টার নম্বর +91 (STD Code) 1950-ও খোলা থাকছে।

জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২৮A ধারা অনুযায়ী, ভোটের কাজে নিযুক্ত সকল কর্মীকে নির্বাচন কমিশনের অধীনে কর্মরত বলে গণ্য করা হবে। বিধানসভা নির্বাচন ও উপ-নির্বাচন চলাকালীন কমিশনের ‘চোখ ও কান’ হিসেবে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে ৮৩২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ১,১১১ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন থাকছেন। এঁদের মধ্যে ৫৫৭ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ১৮৮ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ৩৬৬ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক। এই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের অধিকাংশই ইতিমধ্যেই তাঁদের নির্ধারিত বিধানসভা কেন্দ্রে পৌঁছে গেছেন।
নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা তাঁদের যোগাযোগের বিবরণ দেবেন এবং তাঁরা প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রার্থী, রাজনৈতিক দল বা তাঁদের প্রতিনিধি কিংবা সাধারণ জনগণের সঙ্গে সাক্ষাতে নির্বাচন-সংক্রান্ত অভিযোগ শুনবেন।


 

Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor