আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০১/০১/২০২৬ : স্বাগত ২০২৬। ইংরেজি ক্যালেন্ডারের নতুন বছরের প্রথম দিনে ‘আজ খবর’এর সমস্ত পাঠক, পাঠিকা, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহীকে শুভেচ্ছা জানাই। আজ পয়লা জানুয়ারির দিনে মানুষ ছুটি কাটানোর আমেজ উপভোগ করছেন। বিভিন্ন জায়গায় জমে উঠেছে পিকনিক। বাতাসে হিমেল পরশ ছুটির আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
আজকের দিনে বহু মানুষ ভীড় করেছেন দক্ষিণেশ্বরে ভবতারিনীর মন্দিরে। আজকের দিনেই কল্পতরু হয়েছিলেন ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেব। আজ তাই ভক্তেরা ভীড় করেছেন কল্পতরু উৎসবে শামিল হতে।গঙ্গার ধারে দক্ষিনেশ্বর মন্দিরে আজ প্রচন্ড ভীড়। সকলেই প্রার্থনা করছেন ঠাকুরের কাছে। দক্ষিণেশ্বরে মায়ের পুজো দিতে বিশাল লাইন পড়েছে ভক্তদের।
দক্ষিনেশ্বর মন্দির চত্বরে প্রচুর মানুষের ভীড়ে যাতে কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্যে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার বিষয়টি দেখছেন ডিসি (সাউথ), অনুপম সিং। তাঁর নেতৃত্বে গোটা দক্ষিনেশ্বর অঞ্চলকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে জলপুলিশকেও। ফেরিঘাটের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। নৌকাগুলিতে যাত্রীর চাপ খুব বেশি রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], জলপাইগুড়ি, পশ্চিমবঙ্গ, ২৪/১২/২০২৫ : সমগ্র রাজ্যেই সেটের দাপট বাড়ছে একটু একটু করে. বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে প্রচন্ড ঠাণ্ডা পরে গিয়েছে।
সামনেই ইংরেজি নতুন বছর। তার আগে আগামীকাল আসছে বড়দিন আর এই বড়দিনের আগে কনকনে শীতের আমেজ জলপাইগুড়িতে। কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছেন জলপাইগুড়ি জেলার মানুষ। সকালের দিকে বেশ কুয়াশাচ্ছন রয়েছে জেলার রাস্তাঘাট। শিশিরে ভিজেছে জলপাইগুড়ি জেলা, রাস্তাঘাট, গাছপালা। সূর্যের দেখা নেই একেবারে।
রাস্তাঘাটে দৃশ্যমান্যতা কম থাকায় ধীর গতিতে আলো জ্বালিয়ে যানবাহন চালাচ্ছেন চালকরা । শীতের আমেজ উপভোগ করতে জেলার বিভিন্ন পর্যটন স্থানগুলোতে নেমেছে পর্যটকদের ঢল । ঠাণ্ডা থেকে রেহাই পেতে আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম করছেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন জায়গায় চলছে দেদার পিকনিক। জলপাইগুড়ির পাশাপাশি প্রচন্ড ঠাণ্ডা রয়েছে শিলিগুঁড়িতেও। পাহাড়ে তাপমাত্রা থাকছে ৩ থেকে ৪ ডিগ্রির কাছাকাছি।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য],কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ২৩/১২/২০২৫ : আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে আগামী সাতদিন শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমবে। উত্তরবঙ্গে কুয়াশার ঘনঘটা। বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই।
দার্জিলিং জলপাইগুড়ি কোচবিহার উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে কিছু এলাকায় ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা। আগামী দুদিন সকালের দিকে এই ঘন কুয়াশা থাকতে পারে।
দক্ষিণবঙ্গে ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা নেই। তবে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সকালের দিকে হালকা মাঝারি কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা।
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে স্বাভাবিকের থেকে এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস নীচে রয়েছে। আগামীকাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ক্রমশ নামবে পারদ। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দু থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস নামতে পারবে বলে অনুমান।
উত্তরবঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টায় পরিবর্তন নেই তারপর দু তিন দিনে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নামতে পারে কিছু এলাকায়।
উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং সহ পার্বত্য এলাকায় চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা। উপরের দিকের পাঁচ জেলায় ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং নিচের দিকের জেলাগুলিতে ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে পশ্চিমের জেলাগুলিতে ৮ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর মধ্যে থাকবে তাপমাত্রা। উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে ১২ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর মধ্যে থাকবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], জঙ্গীপুর, মুর্শিদাবাদ, ২৩/১২/২০২৫ : সামশেরগঞ্জে হরগোবিন্দ দাস ও তাঁর পুত্র চন্দন দাসের হত্যার অভিযোগে ১৩ জনকে যাবজ্জেবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করল আদালত।
গত ১২ এপ্রিল, মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সামশেরগঞ্জ থানা এলাকার জাফরাবাদ গ্রামের দুই বাসিন্দা—হরগোবিন্দ দাস এবং তাঁর ছেলে চন্দন দাসকে উত্তেজিত জনতার একটি দল নৃশংসভাবে হত্যা করে। এই জোড়া খুনের মামলার তদন্তে গঠিত হয়েছিল একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পর ১৩ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জমা পড়েছিল চার্জশিট।
আজ রায় বেরিয়েছে মামলার। মাননীয় অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত ১৩ জন অভিযুক্তকেই দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি ঘোষণা করেছেন।
এদের মধ্যে ৫ জনের নাম এফআইআর-এ ছিল। বাকিদের তদন্তে পাওয়া তথ্য এবং তাঁদের ভূমিকার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওড়িশার ঝারসুগুডা, ঝাড়খণ্ডের পাকুড়, বীরভূমের পাইকর, হাওড়া, ফারাক্কা, সামশেরগঞ্জ এবং সুতি-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে এই ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্তের সময় সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরা থেকে প্রাথমিক সূত্র পাওয়া গিয়েছিল। এছাড়া ‘গুগল ম্যাপস লোকেশন ভিজ্যুয়ালাইজেশন’ পদ্ধতি ব্যবহার করে অভিযুক্তদের মোবাইলের সিডিআর (CDR) ম্যাপে প্লট করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে অপরাধের জায়গায় তাঁদের উপস্থিতি এবং প্রবেশ-প্রস্থানের পথ স্পষ্টভাবে প্রমাণ করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের হাঁটার ধরন বা ‘গেইট প্যাটার্ন বিশ্লেষণ’ (Gait pattern analysis) করা হয়েছিল, যা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাওয়া ব্যক্তিদের হাঁটার ধরনের সাথে হুবহু মিলে গেছে।আদালত এই রায়ে ডিএনএ (DNA) প্রমাণের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন। অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্রে লেগে থাকা রক্তের ডিএনএ-র সাথে মৃত ব্যক্তিদের ডিএনএ মিলে গিয়েছে।
এই মামলার দুই তদন্তকারী অফিসার (IO)—জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার এসআই মিঠুন হালদার ও ইন্সপেক্টর প্রসূন মিত্র এবং স্পেশ্যাল পিপি (Public Prosecutor) শ্রী বিভাস চট্টোপাধ্যায়কে আমরা বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। মাত্র নয় মাসের মধ্যেই দোষীদের শাস্তি সুনিশ্চিত করার জন্য জঙ্গিপুর জেলা পুলিশকেও অনেক অভিনন্দন।
প্রশাসনের নাকের ডগায় সরকারি স্কুলের জমি দখল করে বেসরকারি হোটেল তৈরির অভিযোগ ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল মাটিগাড়ায়। ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ‘মাটিগাড়া হর সুন্দর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়’-এর জমি দখল করে চলছে হোটেলের মূল প্রবেশপথ ও রাস্তা নির্মাণের কাজ। এই ঘটনায় যেমন স্কুলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, তেমনই ব্যাহত হচ্ছে পঠনপাঠন।
শিলিগুড়ি মহকুমার অন্তর্গত পাথরঘাটা অঞ্চল অন্তর্গত এলাকার এই বিদ্যালয়ে মূলত পিছিয়ে পড়া ও দরিদ্র পরিবারের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করে। অভিযোগ উঠেছে, স্কুলের ঠিক গা ঘেঁষেই গজিয়ে উঠছে একটি বেসরকারি আবাসিক হোটেল। ওই বেসরকারি সংস্থাটি নিজেদের খেয়াল খুশি মতো হোটেলের মূল প্রবেশপথ ও রাস্তা তৈরির জন্য স্কুলের জমি দখল করতে শুরু করেছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, “যে জমিটি দখল করার চেষ্টা চলছে, সেটি আসলে স্কুলের একটি জরুরি নির্গমন পথ করার জন্য রাখা হয়েছিল। কোনো বিপদের সময় ছাত্রছাত্রীরা যাতে দ্রুত ওই পথ দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে, সেই লক্ষ্যেই স্কুল কর্তৃপক্ষ সেখানে একটি গেট তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেই পথটিই হোটেলের রাস্তা হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে।”
শিক্ষকদের একাংশের দাবি, স্কুলের একেবারে গা ঘেঁষে এমন আবাসিক হোটেল তৈরি হলে সেখানে অসামাজিক কার্যকলাপের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এর ফলে ছাত্রছাত্রীদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও থাকছে। বর্তমানে হোটেল নির্মাণের কাজ পূর্ণদমে চললেও, কোনো প্রকার নিরাপত্তামূলক নেট বা আচ্ছাদন ব্যবহার করা হচ্ছে না। ফলে নির্মাণকাজের সমস্ত ধুলোবালি উড়ে সরাসরি স্কুলের ক্লাসরুমগুলোতে প্রবেশ করছে। এতে একদিকে যেমন পড়ুয়ারা শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছে, অন্যদিকে নোংরা হচ্ছে স্কুলের।
এই বিষয়ে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ তথা বিদ্যালয়ের কার্যনির্বাহ কমিটির সভাপতি প্রিয়াঙ্কা বিশ্বাস সরব হয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন ,আমরা বেসরকারি সংস্থাকে তাদের বৈধ নথিপত্র দেখাতে বলেছি, কিন্তু তারা কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি। আইন অমান্য করে এভাবে স্কুলের জমি দখল বরদাস্ত করা হবে না। এই অবৈধ নির্মাণ দ্রুত বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছি। অন্যদিকে, হোটেল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে, তাদের কাছে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র আছে। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষের সামনে তা পেশ করতে তারা ব্যর্থ হয়েছে।
এই ঘটনার পেছনে কোনো ‘প্রভাবশালী’ মহলের হাত রয়েছে কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শিক্ষার প্রাঙ্গণকে ধুলোয় মিশিয়ে ব্যবসায়িক স্বার্থ চরিতার্থ করার এই লড়াইয়ে এখন নজর প্রশাসনের দিকে। সাধারণ মানুষ এবং অভিভাবকরা চাইছেন, অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী এই স্কুলের জমি রক্ষা করা হোক। তবে প্রশ্ন উঠছে এই বেসরকারি সংস্থা কাদের মদতে স্কুলের জমি দখল করছে। ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যত নিয়ে কারা ব্যবসা শুরু করছে। তবে দেখার বিষয় আগামীতে কি বিদ্যালয়ের কতৃপক্ষ বাঁচাতে পারবে সেই জমি, না কি হোটেলের নোংরা আবর্জনা ধুলোবালিতে ডেকে যাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা ,পশ্চিমবঙ্গ, ২৩/১২/২০২৫ : বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ও দীপু দাসের মৃত্যুর প্রতিবাদে কলকাতার বেকবাগানে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনারের অফিসের সামনে প্রতিবাদ আন্দোলনে সামিল হন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ ও আরও কয়েকটি হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা। এই প্রতিবাদ আন্দোলনে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে।
বাংলাদেশের এক নেতা শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে বাংলাদশের পরিস্থিতি। সে দেশে পাল্লা দিয়ে চলছে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার। মারধর করে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয় ময়মনসিংহের শ্রমিক সংখ্যালঘু দীপু দাসকে। পড়শী দেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার আক্রমণ ও দীপু দাসের হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতার বেকবাগানে বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ ও অন্যান্য হিন্দু সংগঠনগুলি বিক্ষোভ দেখাতে থাকে।
আজ বেকবাগানে এই প্রতিবাদীদের ওপর যথেচ্ছ লাঠিচার্জ করেছে কলকাতা পুলিশ। লাঠির আঘাতে অনেকেই আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। রেহাই পাননি বয়স্ক মানুষরাও। কয়েকজনের মাথা ফেটে গিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন এবং আহতদের দেখতে হাসপাতালেও গিয়েছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এদিন বেশ কিছু লোক বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনারের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিলেন। যাতে এই প্রতিবাদীরা নিজেদের হাতে আইন তুলে না নেন, বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভিতরে প্রবেশ না করেন, তার জন্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। বিক্ষুব্ধদের ওপর লাঠিচার্জ করতে হয়েছে পুলিশকে।
এদিন মুম্বইতে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্মম অত্যাচারের প্রতিবাদ করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। এই ঘটনাতেও বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে মুম্বই পুলিশ। এছাড়াও একই বিষয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়েছে দিল্লী, হায়দ্রাবাদ ও মধ্যপ্রদেশে। আজ বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার ময়মনসিংহে গিয়ে দেখা করেন দীপু দাসের পরিবারের সাথে। তিনি ঐ পরিবারকে আশ্বাস দিয়ে বলেন যে অন্তর্বর্তী সরকার তাঁদের পাশে আছে। তিনি দীপু দাসের বাবা রবিলাল দাসের সাথেও কথা বলেছেন।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি বিধানসভায় বজরংবলীর মূর্তি ভাঙ্গার প্রতিবাদে, দোষীদের শাস্তি চেয়ে নন্দীগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার লাগানো হয়েছিল। সোনাচুরা বাজারের কাছে সেই পোস্টার রাতের অন্ধকারে লাইট বন্ধ করে পুলিশ খুলে নিয়ে যাচ্ছে এমনই একটি ভিডিও সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সরাসরি তেখালি পুলিশ ফাঁড়ির এস আই লুৎফর রহমানের নেতৃত্বে এই কাজ হয়েছে এমনটাই অভিযোগ করেন।
ইতিমধ্যে এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন দে ওই এসআইকে শোকজ করেছেন এবং হলদিয়া এসডিপিওর নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি ও গঠন করেছেন। এই নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তর্জা।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] গরুমারা, জলপাইগুড়ি, ২২/১২/২০২৫ : জঙ্গল সাফারি করতে গিয়ে গোরুমারার মেদলায় দেখা মিলল চিতাবাঘের! জঙ্গলের ভিতর থেকে বেরিয়ে একেবারে খোশমেজাজে মূর্তি নদীর পাড় ধরে হেঁটে যেতে দেখা যায় চিতাবাঘকে। মেদলা ওয়াচ টাওয়ার থেকে প্রায় মিনিট খানেক ধরে চিতাবাঘ চাক্ষুস করতে পেরেছেন পর্যটকরা। এতে তাঁরা খুশি।
জঙ্গল সাফারিতে সচরাচর চিতাবাঘ দেখা যায় না। কিন্তু রবিবার বিকেলে খুব ভালোভাবে পর্যটকরা চিতাবাঘের দর্শন পেয়েছেন। কলকাতা, মুর্শিদাবাদ সহ বিভিন্ন জায়গার অন্তত জনা ত্রিশ পর্যটক ছিলেন ওয়াচ টাওয়ারে। মূর্তি নদীর ধার ধরে চিতাবাঘের হেঁটে যাওয়ার দৃশ্য তাঁরা মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় বন্দি করেছেন।’
বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে পাঁচটা পর্যন্ত যে সাফারি হয়ে থাকে, তাতেই মেদলায় চিতাবাঘের দর্শন মেলে। গাইডরা বলেন, ‘বিকেলের সাফারিতে গোরুমারা থেকে পর্যটকদের নিয়ে পাঁচটি গাড়ি মেদলায় গিয়েছিল। রামশাই থেকেও এসেছিল বেশ কয়েকটা গাড়ি। সবমিলিয়ে ত্রিশজনের মতো পর্যটক ছিলেন মেদলায়। প্রত্যেকেই ওয়াচ টাওয়ার থেকে চিতাবাঘ দেখেছেন। স্বভাবতই খুশি তাঁরা।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], নকশালবাড়ি, দার্জিলিং, ২০/১২/২০২৫ : দার্জিলিং জেলার একটি চা বাগান থেকে একটি চিতা বাঘ ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছে বন দপ্তর।
কিছুদিন ধরেই বন দপ্তরের কাছে অভিযোগ আসছিল নক্সালবাড়ি এলাকার জাবরা ডিভিশনের একটি চা বাগানে ছাগল-বাছুর মেরে খেয়ে যাচ্ছে চিতাবাঘ। স্থানীয় গ্রামবাসীরা বন দপ্তরের কাছে অভিযোগ জানাচ্ছিলেন। এই অভিযোগগুলি পেয়ে পানিঘাটা ডিভিশনের রেঞ্জার প্রণব কুমার দাসের নেতৃত্বে বন দপ্তর অভিযান চালায়। শেষমেশ আজ ধরা সম্ভব হয় ওই চিতাবাঘটিকে।
বন দপ্তর জানিয়েছে ফাঁদ পেতে নক্সালবাড়ির একটি চা বাগান থেকে ধরা হয়েছে ঐ চিতাবাঘটিকে। তাকে চিকিৎসা করে বন দপ্তরের নিয়ম মেনেই ছেড়ে দেওয়া হবে অন্য কোনো বনাঞ্চলে। চিতাবাঘ ধরা পড়ায় স্বস্তির নিঃস্বাস ফেলেছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], রামপুরহাট, বীরভূম,১৯/১২/২০২৫ : বীরভূমের রামপুরহাটে ঘটে যায় এক অস্বাভাবিক দুর্ঘটনা। এক আবাসনের চারতলা থেকে লিফটের ফাঁকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন এক বৃদ্ধা।
রামপুরহাট শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মুরালি দত্ত ঠাকুরবাড়ির গলিতে একটি আবাসন থেকে এক বয়স্ক মহিলা নিচে পড়ে যান।যিনি ওই আবাসনে দুধ বিক্রি করতে যান বলে জানা যায়। ওই আবাসনের চারতলা লিফট থেকে নিচে পড়ে যান দুধ বিক্রেতা ওই বৃদ্ধা মহিলার। উপর থেকে নিচে পড়ে যাওযায় খুব জোর আঘাত পেয়েছেন বৃদ্ধা। এমনকি হাত ও পা ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা এবং মাথা ও কোমরের গুরুতর আঘাত পেয়েছেন তিনি।
বৃদ্ধা মহিলার বাড়ি রামপুরহাটের বরশাল গ্রামে। ওই মহিলাকে স্থানীয় মানুষজন উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিকেল কলেজে নিয়ে যান শারীরিক চিকিৎসার জন্য। তবে অভিযোগ উঠছে লিফটের দরজা খোলা ছিল। তাই দুধ বিক্রেতা ওই বৃদ্ধা মহিলা লিফটে চাপতে গেলে উপর থেকে নিচে পরে যান। আবার স্থানীয় কেও কেও জানাচ্ছেন চারতলায় লিফট না পৌঁছালে লিফটের দরজা খোলা থাকে কিভাবে? তবে ওই বৃদ্ধা মহিলা কিভাবে চারতলা থেকে নিচে পড়ে গেলেন তার পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।