
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা ,পশ্চিমবঙ্গ, ২৩/১২/২০২৫ : বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ও দীপু দাসের মৃত্যুর প্রতিবাদে কলকাতার বেকবাগানে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনারের অফিসের সামনে প্রতিবাদ আন্দোলনে সামিল হন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ ও আরও কয়েকটি হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা। এই প্রতিবাদ আন্দোলনে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে।
বাংলাদেশের এক নেতা শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে বাংলাদশের পরিস্থিতি। সে দেশে পাল্লা দিয়ে চলছে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার। মারধর করে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয় ময়মনসিংহের শ্রমিক সংখ্যালঘু দীপু দাসকে। পড়শী দেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার আক্রমণ ও দীপু দাসের হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতার বেকবাগানে বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ ও অন্যান্য হিন্দু সংগঠনগুলি বিক্ষোভ দেখাতে থাকে।
আজ বেকবাগানে এই প্রতিবাদীদের ওপর যথেচ্ছ লাঠিচার্জ করেছে কলকাতা পুলিশ। লাঠির আঘাতে অনেকেই আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। রেহাই পাননি বয়স্ক মানুষরাও। কয়েকজনের মাথা ফেটে গিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন এবং আহতদের দেখতে হাসপাতালেও গিয়েছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এদিন বেশ কিছু লোক বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনারের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিলেন। যাতে এই প্রতিবাদীরা নিজেদের হাতে আইন তুলে না নেন, বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভিতরে প্রবেশ না করেন, তার জন্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। বিক্ষুব্ধদের ওপর লাঠিচার্জ করতে হয়েছে পুলিশকে।
এদিন মুম্বইতে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্মম অত্যাচারের প্রতিবাদ করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। এই ঘটনাতেও বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে মুম্বই পুলিশ। এছাড়াও একই বিষয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়েছে দিল্লী, হায়দ্রাবাদ ও মধ্যপ্রদেশে। আজ বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার ময়মনসিংহে গিয়ে দেখা করেন দীপু দাসের পরিবারের সাথে। তিনি ঐ পরিবারকে আশ্বাস দিয়ে বলেন যে অন্তর্বর্তী সরকার তাঁদের পাশে আছে। তিনি দীপু দাসের বাবা রবিলাল দাসের সাথেও কথা বলেছেন।
![]()