Aaj Khabor

উত্তর বঙ্গের ‘আবেগ’ জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের শুভ উদ্বোধন ১৭ই জানুয়ারি

উদ্বোধনের আগে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জলপাইগুড়িতে কলকাতা হাইকোর্টের  সার্কিট  বেঞ্চ ভবন পরিদর্শন  করলেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব ও পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চ্যাটার্জি (দেখুন ভিডিও) 

আজ খবর (বাংলা) জলপাইগুড়ি, পশ্চিমবঙ্গ, ১৫/০১/২০২৬ : উদ্বোধনের আগেই রঙিন আলোয় সেজে উঠেছে কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের নতুন ভবন। আগামী ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হতে চলেছে এই নবনির্মিত ভবন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে শনিবার নতুন ভবন পরিদর্শনে আসেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চ্যাটার্জি।

পরিদর্শনকালে তাঁরা সার্কিট বেঞ্চ ভবনের পরিকাঠামো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি খুঁটিয়ে দেখেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমস্ত প্রস্তুতি প্রায় শেষের পথে। সন্ধ্যা নামলেই সার্কিট বেঞ্চ ভবনের দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

জানা যাচ্ছে, জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। ফলে উত্তরবঙ্গবাসীর কাছে এই দিনটি ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করছে।

এদিন মেয়র গৌতম দেব বলেন, “উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চ চালু করা হয়েছে। এই ভবন নির্মাণের জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ৫০১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল।” তিনি আরও জানান, উত্তরবঙ্গের বিচারপ্রার্থীদের যাতে আর কলকাতায় যেতে না হয়, সেই লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

নতুন এই সার্কিট বেঞ্চ চালু হলে উত্তরবঙ্গের বিচার ব্যবস্থা আরও দ্রুত ও সহজলভ্য হবে বলে মনে করছে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ।

Loading

কলকাতার বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রীটে আগুন

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা,  পশ্চিমবঙ্গ,১৪/০১/২০২৬ : কলকাতায় ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মধ্য কলকাতার বিপিন বিহারী গাঙ্গুলি স্ট্রিটে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

কলকাতায় ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। এবার আগুন লাগে শহরের ব্যস্ত এলাকা বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে। প্রথমে একটি কাঠের দোকানে আগুন লাগলেও, মুহূর্তের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে পাশের আরও একাধিক দোকানে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নেভানোর কাজ চলে। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনে একের পর এক দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়াও, ওই এলাকায় একটি বহুতল বিল্ডিংয়েও আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দমকল কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও নিশ্চিত খবর না মিললেও, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক অনুমান। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দমকল ও পুলিশ। প্রচুর দাহ্য পদার্থ থাকার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে বেশ খানিকটা বেগ পেতে হচ্ছে দমকল কর্মীদের। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে গোটা এলাকা। ব্যস্ততম এলাকা প্রচুর মানুষের বসবাস এখানে।

শহরের বুকে পরপর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠছে।


Loading

ডিউটি সেরে ফেরার পথে মৃত্যু হল মহিলা বিএলওর

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, ১৪/০১/২০২৬ : এসআইআর এর কাজ করে ফেরার পথে প্রাণ হারালেন এক মহিলা বিএলও কর্মী, তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করেই তীব্র বিতর্ক ময়নাগুড়িতে। মৃত কর্মীর নাম সুশীলা রায় (৪৫)।

মহিলার পরিবারের অভিযোগ, প্রশাসনের হয়ে কাজ করলেও বিপদের সময় সরকারি তরফে ন্যুনতম চিকিৎসাটুকু মেলেনি। পরিকাঠামোর অভাবে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন সহকর্মী ও আত্মীয়রা। গত ৯ তারিখ, শুক্রবার রামশাই অঞ্চল অফিস থেকে বিএলও-র কাজ সেরে বাড়িতে ফিরছিলেন সুশীলা। পথে বাইক থেকে কোনভাবে পড়ে যান। ঘটনায় মাথা সহ শরীরে বিভিন্ন অংশে আঘাত পান তিনি।

তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু আঘাত গুরুতর থাকায় পরবর্তীতে তাকে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সুশীলাকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করে পরিবার। অভিযোগ, সেখানে ভর্তির পর দীর্ঘ সময় কাটলেও মেলেনি জরুরি আইসিইউ (ICU) বেড।

মৃতার আত্মীয় পীযূষ রায়ের দাবি, “আমরা ব্লক প্রশাসনের কাছে বারবার অনুরোধ জানিয়েছিলাম সাহায্যের জন্য। কিন্তু একজন বিএলও হিসেবে তিনি কোনো বিশেষ সুবিধা পাননি। সরকারি কোনো তৎপরতা আমরা দেখতে পাইনি।” অবশেষে সোমবার সন্ধ্যায় হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।সহকর্মীদের মধ্যে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডু। তিনি জানান, “আমরা ওই বিএলও-র পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলাম। জেলা স্তর থেকেও মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। আমাদের পক্ষ থেকে সবরকম চেষ্টা করা হয়েছে।


Loading

শেষমেশ ফোন পে ধরিয়ে দিল ডাকাতদের

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ঝাড়গ্রাম, পশ্চিমবঙ্গ, ১৩/০১/২০২৬ : ফোন-পে-র এক তথ্যতেই  পর্দাফাঁস, সাত দিনের মাথায় গ্রেফতার ৫ ছিনতাইকারী, রাতভর যৌথ অভিযানে সাফল্য পুলিশের

ছিনতাইয়ের পর কোনো প্রমাণ না রাখার পরিকল্পনা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত একটিমাত্র ডিজিটাল তথ্যতেই ভেঙে পড়ল দুষ্কৃতিদের সব ছক। ফোন-পে-তে টাকা মেটানোর সূত্র ধরেই সাত দিনের মাথায় গ্রেফতার করা হলো পাঁচ ছিনতাইকারীকে।

গত ৬ জানুয়ারি জাম্বনীর চুটিয়া এলাকায় সিএসপি-র জন্য জাম্বনী থেকে ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে যাচ্ছিলেন সুব্রত সিংহ। ঘন জঙ্গল রাস্তার মধ্যে ঝাড়খন্ড থেকে অ্যাপাচি বাইকে আসা তিন দুষ্কৃতি তাঁকে আটকায়। বন্দুকের বাট দিয়ে মাথায় আঘাত করে নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পরে জঙ্গল পথ ধরে চন্দ্রি হয়ে ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক ব্যবহার করে ঝাড়খন্ডে পালানোর রাস্তাও দেখিয়ে দেয় স্থানীয় বাসিন্দা শম্ভু পাল।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ছিনতাইয়ের পর ঝাড়খন্ডের বড়শোল থানার এলাকায় একটি দোকানে খাওয়া-দাওয়া করে দুষ্কৃতিরা। সেখানেই প্রথমবার ফোন অন করে ফোন-পে-র মাধ্যমে টাকা মেটানো হয়। আর এতেই পুলিশের হাতে প্রথম বড় তথ্য চলে আসে। তদন্তে উঠে আসে, গোটা ঘটনার মূল মাথা হল ব্যাঙ্কের লোন এজেন্ট শুভজিৎ সরকার, যিনি একজন বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রিধারী। ভিকটিমকে চেনানোর দায়িত্বে ছিল জাম্বনী থানার মুড়াকাটি এলাকার বাসিন্দা শম্ভু পাল। অপারেশনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল ঝাড়খন্ডের যদুগোড়ার বাসিন্দা সুনিল কৈবত্য, মোহন কিস্কু এবং বাড়মা মাইনস এলাকার রোহিত কুমার শর্মা।

এই সূত্র ধরেই ঝাড়খন্ড যাওয়ার রাস্তায় প্রায় ৩০টি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। শেষমেশ গতকাল রাতে ঝাড়গ্রাম, জাম্বনী ও ঝাড়খন্ডে একযোগে তিনটি আলাদা দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে। গোটা অভিযানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন ঝাড়গ্রামের এসডিপিও শামিম বিশ্বাস ও জাম্বনী থানার আইসি। আজ ধৃতদের আদালতে তোলা হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র সহ পুরো ঘটনার বিস্তারিত জানার জন্য পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে।


Loading

অভয়ার নামে হাসপাতাল, জমি দিলেন বর্ষীয়ান নেতা

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কৃষ্ণনগর, নদীয়া, ১৩/০১/২০২৬ : অভয়ার স্মৃতিতে হাসপাতালের জন্য জমি দানের সিদ্ধান্ত নদিয়ায় বর্ষীয়ান নেতার

কলকাতার আর জি কর হাসপাতালে নির্যাতিত ও নিহত চিকিৎসকের স্মৃতিতে হাসপাতাল করার জন্য নদীয়ার কৃষ্ণনগরের ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে জমি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন তাঁর বাবা-মা। নদিয়ার সদর শহরের সন্নিকটে, মায়াকোল এলাকায় ওই জমিতে  একটি অর্ধনির্মিত বাড়ি তাঁদের বিনামূল্যে দেবার জন্য আগ্রহী হয়েছেন  কৃষ্ণনগরের প্রবীণ পুরপ্রতিনিধি অসিত সাহা।

জমি দেখতে গিয়ে  নিহত চিকিৎসকের মা বলেন, “আমার মেয়ে মানুষের সেবা করতে চেয়েছিল। তার কাছে ছিল মানব সেবাই  আসল ধর্ম । সেই মানব সেবা করার  সুযোগ ওকে যারা দিল না, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে। সেই সঙ্গে তিনি জানান মেয়ের জনসেবার ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দিতেই তারা অভয়ার নামে হাসপাতাল করার এই উদ্যোগ নিয়েছেন।” চিকিৎসকের বাবা অশ্রুকন্ঠে বলেন, “দেশ-বিদেশের বহু মানুষ আমাদের পাশে থাকতে চেয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন। আমরা আজ পর্যন্ত কারও কাছ সে অর্থে  কোনও সাহায্য নিইনি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবার মানুষের সাহায্যেই নদীয়ার পূর্ণভূমিতে অভয়ার নামে হাসপাতাল গড়ে তুলব।”

হাসপাতাল তৈরি করতে গেলে যে জমির প্রয়োজন সেই জমি খোঁজার ব্যাপারে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের বাসিন্দা কৃষি সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ও সমাজকর্মী স্বপন ভৌমিক। স্বপন বাবু বলেন  “আগে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘিতে, পাশাপাশি কৃষ্ণগঞ্জের মতো কিছু জায়গায় জমি দেখা হয়েছিল হাসপাতাল তৈরি করার জন্য । কিন্তু নানা কারণে সেগুলো নির্বাচিত হয়নি। স্বপন বাবুর কথায় কিছু দিন আগে, অসিতবাবুর কাছে আর্জি জানাই।”

কৃষ্ণনগরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নির্দল পুরপ্রতিনিধি অসিত সাহা বলেন, অভয়ার নামে যদি হাসপাতাল করা হয়, এ ধরনের সমাজসেবা মূলক কাজের জন্য তিনি নিঃশর্তে জমি ও অর্ধনির্মিত বাড়ি দান করতে চান ।

তিনি বলেন, “ওখানে মোট সাত শতক জমি এবং একটি অর্ধনির্মিত তিনতলা বাড়ি হাসপাতাল তৈরির জন্য ওঁদের দিচ্ছি।” চিকিৎসকের বাবা-মা জানান, “সাত জনের একটি ‘ট্রাস্টি বোর্ড’ হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়টি তত্ত্বাবধান করবে এবং পরে তা পরিচালনা করবে। তাঁরা দু’জন ছাড়াও, তাঁদের এক নিকটাত্মীয়, স্বপন ভৌমিক, অসিত সাহা ও তাঁর পরিবারের দু’জন সেই বোর্ডে থাকছেন। ‘ট্রাস্টি বোর্ড’ গড়ার প্রাথমিক কাজও এ দিন শুরু হয়েছে।” বলা যেতেই পারে, নদীয়ার পুণ্য ভূমিতে অভয়ার নামে হাসপাতাল তৈরি এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা ।

কলকাতায় ফিরে যাওয়ার আগে  চিকিৎসক অভয়ার বাবা-মা কৃষ্ণনগর আইএমএ ভবনে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সাহায্য প্রার্থনা করেন। আইএমএ কৃষ্ণনগর শাখার সহ-সভাপতি অনির্বাণ জানা বলেন, “আমরা আর জি কর আন্দোলনের গোড়া থেকেই পথে নেমেছি। ‘অভয়া ক্লিনিক’ নামে বিনামূল্যে একটি সাপ্তাহিক চিকিৎসা কেন্দ্রও চালাচ্ছি। তাঁর স্মৃতিতে যদি হাসপাতাল হয়, আমাদের অনেক চিকিৎসকই  সাহায্যেরহাত বাড়িয়ে দেবেন।”


Loading

এবার মানবিকতার পরিচয় দিল নির্বাচন কমিশন

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৩/০১/২০২৬ : এবার মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করল নির্বাচন কমিশন। প্রবীণ ও অসুস্থদের শুনানির হাজিরা থেকে মিললো রেহাই।

আজ নির্বাচন কমিশনারের উদ্যোগে মানবিকতার এক অনন্য ছবি সামনে এসেছে। সমাজের সেই সব প্রবীণ ও অসহায় মানুষ, যাঁরা শারীরিক অসুস্থতা বা বার্ধক্যজনিত কারণে শুনানিতে উপস্থিত হতে পারছেন না বা ধীরে চলাফেরা করছেন, তাঁদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে SIR–এর সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন করছেন। শুধু নথি যাচাই নয়, সেখানেই সম্পূর্ণভাবে হেয়ারিং প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করা হচ্ছে। ফলে প্রবীণ ও অসহায় মানুষদের আর কষ্ট করে বাইরে আসতে হচ্ছে না।

নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক করে তুলতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা। সাধারণ মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে।

এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।


Loading

জলপাইগুড়ি শহরে সারারাত হাতির দাপাদাপি

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], জলপাইগুড়ি, পশ্চিমবঙ্গ, ১৩/০১/২০২৬ : করলা ভ্যালি চা বাগানে আটকে পড়া একটি বুনো হাতি গতরাতে ঢুকে পড়ে  জলপাইগুড়ি শহরে। সারারাত দাপিয়ে বেড়ায় সে।  একটি কুটিরও ভেঙে ফেলে।  এক মহিলা আহত হয়েছেন  হাতি  দেখে পালাতে গিয়ে।  শেষ পর্যন্ত বন দপ্তরের হাতে ধরা পড়ে  ঐ  হাতিটি। তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় বন দপ্তর।

জলপাইগুড়ি শহরের মধ্যে ঢুকে পড়া‌ বুনো হাতিটিকে শেষ পর্যন্ত ট্রাঙ্কুলাইজড‌ করে কাবু করল‌ বনদপ্তরের কর্মীরা। করলাভ্যালি চা-বাগানে‌ এসে গর্তের মধ্যে পড়ে গিয়েছিল মাঝ বয়সী বুনো হাতিটি। পরবর্তীতে সঙ্গীহীন হয়ে দিশেহারা অবস্থায় রাতে‌র দিকে শহরের ভেতরে ঢুকে পড়ে সে। করলা নদীর ধার‌ দিয়ে হাতিটি‌ জলপাইগুড়ি শহরের আনন্দচন্দ্র কলেজ চত্বরে চলে আসে। কলেজে মেয়েদের হোস্টেলে পাশে ঘোরাঘুরি করে কিছুক্ষণ। এর আগে জলপাইগুড়ি সরকারি‌ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পাশে একটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে একজন মহিলাকে‌ আহত করে। দুটি ঘর‌ও ভাঙচুর করে হাতিটি।

অন্ধকারের‌ মধ্যে হাতিটি শহরে ঢুকে পড়ায়‌ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। গভীর রাতে হাতিটি‌ জলপাইগুড়ির বৈকুণ্ঠপুর‌ রাজবাড়ির‌ পাশে‌ থাকা‌ সেগুন‌ গাছের বাগানে চলে আসে। সেখানেও‌ বনকর্মীরা পিছু‌ নেয় তার। অবশেষে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় হাতিটিকে ভোররাতের‌ দিকে ট্রাঙ্কুলাইজড‌ করে কাবু করতে সক্ষম হন‌ বনকর্মীরা। পরবর্তীতে ক্রেনের‌ সাহায্যে‌ একটি লরিতে‌ চাপিয়ে জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয় হাতিটিকে।

Loading

দেশের বৃহত্তম মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস হতে চলেছে শিলিগুড়িতে

আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য] শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ১২/০১/২০২৬ : বিশ্বের সর্ববৃহৎ মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস হতে চলেছে শিলিগুড়িতে। 

আগামী ১৬ তারিখে বিশ্ব তথা দেশের বৃহত্তম মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে সোমবার শিলিগুড়িতে জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এসডিও অফিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মেয়র গৌতম দেব, দার্জিলিং জেলার জেলা শাসক, এসডিও, SJDA চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা।

বৈঠকে অনুষ্ঠান পরিচালনার চূড়ান্ত প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে এখনও কিছু বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

এদিকে, মেয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত দিয়ে শিলান্যাস অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে আপাতত তা সর্বজনীনভাবে নিশ্চিতভাবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়।

শিলান্যাসের মাত্র কয়েকদিন বাকি—দার্জিলিংবাসী এখন উত্তেজনার সঙ্গে অপেক্ষা করছে পবিত্র মহাকাল মন্দিরের এ বিশেষ মুহূর্তের জন্য।


 

Loading

কলকাতা বইমেলা শুরু হচ্ছে ২২ তারিখ থেকে

আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য]  কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০১/২০২৬ : 49 তম কলকাতা বই মেলা  আগামী 22 জানুয়ারি থেকে 8 ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে।  বই মেলার উদ্বোধন করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
হাওড়া শহর দিয়েও ছুটছে মেট্রো রেল, তাই এবার  হাওড়া থেকে সরাসরি সল্টলেকে বই মেলাতে পৌঁছে যাওয়া যাবে। এছাড়া বইমেলা প্রাঙ্গণ থেকেই  টিকিট কাটা যাবে মেট্রোর। বই মেলায়  বয়স্কদের জন্য থাকছে হুইল চেয়ার এর ব্যবস্থা, থাকবে মেডিকেল ডেস্ক, গুগল  কানেক্টেড থাকবে পুরো মেলা।
আর্জেন্টিনা হল এবছরের থিম। আয়োজকদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে এ বছরে বাংলাদেশ থেকে এবারের  এই বই মেলায় অংশগ্রহণ করার কোন সবুজ সংকেত পাওয়া যায়নি। কোন রাজনৈতিক সংগঠনকে মেলাতে জায়গা দেওয়া হয় না,  কিন্তু তাদের মুখপত্রকে জায়গা দেওয়া হবে।
এবারে একটা নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে স্টল বিতরণের ক্ষেত্রে , দোকানদারদের অর্থাৎ বই বিক্রেতাদের ইন্সুরেন্স করা হয়েছে, দোকানের মাপ অনুযায়ী ও বই এর মূল্য অনুযায়ী।

Loading

কুখ্যাত বিষ্ণই গ্যাং-এর তিন দুষ্কৃতী পাকড়াও হাওড়া স্টেশনে

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] , হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০১/২০২৬ :  লরেন্স বিশ্নোই আন্তর্জাতিক গ্যাংস্টার চক্রের ৩ সদস্য পাকড়াও হাওড়া স্টেশন থেকে।
কুখ্যাত আন্তর্জাতিক গ্যাংস্টার লরেন্স বিশ্নোই দলের ৩ সদস্যকে পাকড়াও করল পুলিশ। হাওড়া সিটি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পঞ্জাবের তিন দুষ্কৃতিকে গ্রেফতার করেছে গোলাবাড়ি থানা।  ধৃতরা হল করণ পাঠক, তরুণ দ্বীপ সিংহ এবং আকাশ দীপ সিংহ। পঞ্জাবের অপরাধ চক্রের সঙ্গে জড়িত ওই তিনজনের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ রয়েছে।
ধৃত তিনজনের বাড়ি পঞ্জাবে। সেখানে কবাডি খেলোয়াড় রানাবালা চৌর খুনে এরা প্রত্যেকে যুক্ত। দীর্ঘদিন থেকে এই তিনজনকে পঞ্জাব পুলিশের এসটিএফ টিম খুঁজছিল। ১৫ ডিসেম্বর কবাডি খেলোয়াড় খুনের পর তিন দুষ্কৃতী গ্যাংটক হয়ে কলকাতায় গোপন ডেরায় আশ্রয় নিয়েছিল। এখান থেকেও তাদের পালানোর পরিকল্পনা ছিল।রবিবার রাতে তারা হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেন ধরে অন্যত্র যাওয়ার জন্য যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিল সেই সময় গোলাবাড়ি থানার সঙ্গে পঞ্জাব এস টি এফ টিম যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তিন দুষ্কৃতিকে গ্রেফতার করে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী হাওড়া সিটি পুলিশ রাতে স্টেশন চত্বরে সাদা পোশাকে নজরদারি জোরদার করে। যাত্রীর ভিড়ের মধ্যে নজর দারি শুরু হয়। অবশেষে তিন দুষ্কৃতী হাওড়া স্টেশনে ট্রেনে অন্যত্র পালানোর আগে ধরা পড়ে যায়। ধৃতদের বিরুদ্ধে পঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসে ওয়ালা হত্যাকাণ্ড থেকে অভিনেতা সালমান খানকে খুন করার হুমকির অভিযোগ রয়েছে।পঞ্জাব থেকে পালিয়ে এরা আশ্রয় নেয় কলকাতার হোটেলে। সেখান থেকে কয়েকদিন কাটায় সিকিমের গ্যাংটকে। সেখান থেকে ফের কলকাতার হোটেলে আশ্রয় নেয়। হাওড়া স্টেশনে টাকা নিতে এসেই ধরা পরে তিনজন।
আজ অভিযুক্তদের পেশ করা হল হাওড়া আদালতে। সেখান থেকে পঞ্জাব পুলিশ আজই ট্রানজিস্ট রিমান্ডে তিন অভিযুক্তকে নিয়ে যাবে পঞ্জাবে।  বিগত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল এই তিন দুষ্কৃতী।  বছরের পর বছর এরা তোলাবাজি চোরাকারবারি এবং সুপারি কিলারের কাজ করত। লরেন্স বিশ্নোই নিজে জেলে থাকা সত্ত্বেও সে সেখান থেকেই অপরাধ নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছিল।  সুদূর কানাডাতেও তাদের সদস্যরা সেখানকার বিশিষ্ট লোকজনদের খুন করার হুমকি দিয়েছে এবং গুলিও চালিয়েছে। কিছুদিন আগে কপিল শর্মাকেও খুনের হুমকি দিয়েছে এই চক্র। এমনকি বিদেশে কপিলের ক্যাফেতেও হামলা চালিয়েছে এই দুষ্কৃতী চক্র।
প্রশ্ন উঠেছে, কিভাবে এই কুখ্যাত দুষ্কৃতীরা কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গকে সেফ করিডোর এবং শেল্টার হিসেবে ব্যবহার করছিল  ? পুলিশের কাছে আগে থেকে কি কোনো তথ্য ছিল না ?  কলকাতা ও হাওড়া কি দুষ্কৃতীদের কাছে অত্যন্ত নিরাপদ জায়গা ?

Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor