আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], বেলুড়, হাওড়া, ২০/০১/২০২৬ : ১৯ বছরের এক কলেজ ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে বেলুড়ে শোকের ছায়া।
বেলুড়ের ৩ নং করালী চরন রায়চৌধুরী রোডের এক বহুতলের বাসিন্দা বিএসসি’র ছাত্রী শিপ্রা সিংহ বরাবরের মতো আজ দুপুরে বেলুড় গিরিশ ঘোষ রোডের একটি বহতলের এক শিক্ষিকার কাছে পড়তে গিয়েছিল। পড়া শেষে সে ঐ বহুতলের ছাদ থেকে আচমকাই সে নীচে পড়ে যায় । ছাদের রেলিং এর পরিপাটী করে রাখা তার জুতো আর বইয়ের ব্যাগ দেখে পুলিশের প্রাথমিক ধারনা যে সে আত্মঘাতিই হয়েছে। যদিও অন্য কোনো কারন আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
তবে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে পড়াশুনার অত্যধিক চাপ এর কারন হতে পারে । তবে জানা গেছে যে বছর দুয়েক আগে মৃতার ছোটো বোন অসুস্থ হয়ে মারা যায়। সে কারনে সে এমনিতেই মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত ছিল।
সব মিলিয়ে ছাত্রীর অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া। তবে পরিবারের লোকজন এ বিষয়ে কথা বলতে চায় নি ।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট শহরের আত্রাই খারিতে একটি কঙ্কাল ভেসে আসার ঘটনাকে ঘিরে মঙ্গলবার চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। বালুরঘাট শহরের আন্দোলন সেতু সংলগ্ন আত্রাই খারির পাশে প্রতিদিনের মতো এদিনও বালুরঘাট পৌরসভার পার্কিং এলাকায় পাইকারি বাজার বসেছিল। সেই বাজারে আসা কয়েকজন ব্যক্তি আচমকাই আন্দোলন সেতুর নিচে আত্রাই খাঁড়িতে একটি কঙ্কাল ভেসে থাকতে দেখতে পান।ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই দ্রুত সেখানে ভিড় জমে যায়।
বিষয়টি জানানো হয় বালুরঘাট থানায়। খবর পেয়ে বালুরঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। কঙ্কালটি কোথা থেকে ভেসে এসেছে কিংবা সেটি মানবদেহের আসল কঙ্কাল নাকি নকল, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।আন্দোলন সেতুর পার্শ্ববর্তী এক দোকানদার বিজয় রবিদাস জানান, সেতুর দিক থেকে আত্রাই খাঁড়িতে একটি কঙ্কাল ভেসে আসতে দেখেছেন তিনি। তবে সেটি আসল নাকি প্লাস্টিকের, তা তিনি নিশ্চিত নন। তাঁর কথায়, পুলিশি তদন্তের পরেই গোটা বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
অন্যদিকে, ঘটনাস্থলে ছুটে আসা প্রত্যক্ষদর্শী দেবানন্দ পালও জানান, খাঁড়িতে ভেসে থাকা কঙ্কালটির গায়ে কোনও মাংস বা টিস্যু নেই। তাই সেটি আসল কঙ্কাল না থার্মোকলের তৈরি, তা বলা কঠিন। পুলিশি তদন্তেই পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে মনে করছেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ইংরেজবাজার, মালদা, ২০/০১/২০২৬ : পৃথক দুটি জায়গায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র উদ্ধার করল মালদা জেলা পুলিশ। মোট ২ জন গ্রেফতার। উদ্ধার করা হয়েছে মোট ১৫টি অস্ত্র।
ইংরেজবাজার থানার মিল্কি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মইনুল হাসান (২০) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে ইংরেজ বাজার থানার পুলিশ।তার বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার, লালগোলা থানার মিরজাত পুর এলাকায়। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১০টি পাইপগান,১ টা সেভেন এমএম পিস্তল এবং পাঁচটা তাজা কার্তুজ। ইংরেজবাজারের মিল্কি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
অন্যদিকে মালদার কালিয়াচক থানার পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে আর একজনকে গ্রেফতার করেছে।তার নাম আনারুল হক (৪৫)। মালদা জেলার কালিয়াচক থানার সুজাপুরের বাসিন্দা। তার কাছ থেকে উদ্ধার ৪টি সেভেন এমএম পিস্তল।
জেলার পুলিশ সুপার,অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন ,”নির্দিষ্ট সুত্র মারফত, ওই জায়গা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের সাথে বিহার যোগসূত্র রয়েছে। অস্ত্রপাচার করাই এদের উদ্দেশ্য ছিল। এদেরকে আদালতে তুলে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।”
তরুণ প্রজন্মের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এমন এক ডাকঘর চালু করা হল, যা দ্রুত গতির সাথে সাথে পেশাদারিত্ব বজায় রাখবে। এই ডাকঘরের মাধ্যমে শুধুমাত্র যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাই নয়, উপকৃত হবেন এলাকার সাধারণ মানুষও।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২০/০১/২০২৬ : ডাক বিভাগের ফ্ল্যাগশিপ এন-জেন (Next Generation) উদ্যোগের আওতায় সংস্কার ও আধুনিককূত এন-জেন যাদবপুর ইউনিভার্সিটি পোস্ট অফিস আজ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হল।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটির নেতৃত্ব দেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. সেলিম বক্স মণ্ডল–এর সঙ্গে। অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন শ্রী অশোক কুমার, আইপিওএস, মুখ্য পোস্টমাস্টার জেনারেল, পশ্চিমবঙ্গ বৃত্ত; শ্রী ঋজু গাঙ্গুলি, পোস্টমাস্টার জেনারেল, দক্ষিণবঙ্গ অঞ্চল; শ্রী সুপ্রিয় ঘোষ, পোস্টমাস্টার জেনারেল (মেইলস ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট), পশ্চিমবঙ্গ বৃত্ত; শ্রী হাম্মাদ জাফর, ডিপিএস (এইচকিউ), পশ্চিমবঙ্গ বৃত্ত এবং শ্রী প্রভাত বন্দ্যোপাধ্যায়, সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্ট অফিসেস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডাক বিভাগের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।
এন-জেন পোস্ট অফিসটি গ্রাহক-বান্ধব, প্রযুক্তি-সমর্থিত ও ডিজিটালভাবে সক্ষম পরিবেশে আধুনিক ডাক পরিষেবার এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই কেন্দ্রে এক ছাদের তলায় সঞ্চয় প্রকল্প, বিমা পণ্য, ডাক ও পার্সেল পরিষেবা এবং বিভিন্ন ই-সক্ষম নাগরিক পরিষেবা প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শ্রী অশোক কুমার বলেন, এন-জেন উদ্যোগের লক্ষ্য হল ঐতিহ্যবাহী পোস্ট অফিসগুলিকে এমন গতিশীল পরিষেবা কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা, যা তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, একই সঙ্গে ভারতীয় ডাক বিভাগের বিশ্বাসযোগ্যতা ও নির্ভরযোগ্যতা অটুট রাখে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধ্যে একটি আধুনিক ডাক পরিষেবা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য ডাক বিভাগকে সাধুবাদ জানান। তিনি বলেন, এই পোস্ট অফিস ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের জন্য প্রয়োজনীয় পরিষেবায় সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে এবং তা বহুলভাবে উপকারী হবে।
এন-জেন যাদবপুর ইউনিভার্সিটি ডাক দফতর উদ্বোধন ডাক বিভাগ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে চিহ্নিত হল। এর মাধ্যমে ভারতীয় ডাক বিভাগের উদ্ভাবন, অন্তর্ভুক্তি এবং উৎকৃষ্ট পরিষেবার প্রতি অঙ্গীকার আরও একবার প্রতিফলিত হল।
সাতসকালে জোড়া খুনে তীব্র চাঞ্চল্য নদিয়ার রানাঘাটে। পুত্রবধূ ও তাঁর মাকে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল ৭৫ বছরের বৃদ্ধ অনন্ত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে রানাঘাট থানার হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আশুতোষপুর গ্রামে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে দুই মহিলার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতরা হলেন অনন্ত বিশ্বাসের পুত্রবধূ ২৪ বছরের শিল্পা বিশ্বাস এবং তাঁর মা ৫৬ বছরের স্বপ্না মণ্ডল। ঘটনার পর অভিযুক্ত অনন্ত বিশ্বাসকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি রক্তমাখা কুড়ুল।
স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েক দিন আগেই অনন্ত বিশ্বাসের স্ত্রীর মৃত্যু হয়। পারলৌকিক ক্রিয়াকর্মের জন্য তাঁর বাড়িতে এসেছিলেন পুত্র পতিতপবন বিশ্বাসের শাশুড়ি স্বপ্না মণ্ডল। অভিযোগ, স্ত্রীর মৃত্যুর জন্য পুত্রবধূ শিল্পা ও বেয়াই স্বপ্নাকেই দায়ী করতেন অনন্ত। তাঁর সন্দেহ ছিল, তুকতাক বা কালোজাদুর মাধ্যমে সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সোমবার সকালে অনন্তের পুত্র পতিতপবন ফুল বিক্রি করতে বাজারে যান। সেই সময় বাড়িতে ঘুমোচ্ছিলেন শিল্পা ও তাঁর মা। অভিযোগ, কাঠ কাটার জন্য রাখা কুড়ুল নিয়ে তাঁদের উপর এলোপাথাড়ি কোপ বসান বৃদ্ধ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দু’জনের।
বাজার থেকে ফিরে ঘরে ঢুকে স্ত্রী ও শাশুড়ির রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন পতিতপবন। তিনি বাবাকে প্রশ্ন করলে, অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বিকারভাবে অনন্ত বিশ্বাস বলেন, “তোর পথের কাঁটাগুলো সরিয়ে দিয়েছি।”
চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। খবর পেয়ে রানাঘাট থানার পুলিশ এসে দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যদের প্রাথমিক অনুমান, সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদ ও কুসংস্কারের বশেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড।
ঘটনার পূর্ণ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। স্ত্রী ও শাশুড়িকে খুনের অভিযোগে বাবার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহত শিল্পার স্বামী পতিতপবন বিশ্বাস।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৯/০১/২০২৬ : বেলডাঙ্গার ঘটনা নিয়ে দুটি জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
বেলডাঙার ঘটনা নিয়ে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ। আগে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।
বেলডাঙ্গার ঘটনার ক্ষেত্রেও একই নির্দেশের দাবি। মামলা দায়ের এর অনুমতি চেয়ে আবেদন। মামলা দায়েরের অনুমতি দিলেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], বেলডাঙ্গা, মুর্শিদাবাদ , ১৯/০১/২০২৬ : বেলডাঙায় পুলিশি ধরপাকড় অব্যাহত, ভিডিও ফুটেজ দেখে আরও এক অভিযুক্ত গ্রেফতার।
গত কয়েকদিনের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর বেলডাঙায় শান্তি ফেরাতে কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন। রবিবার রাতেও বেলডাঙ্গার বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। সেই অভিযানেই ধরা পড়েছে আরও এক অভিযুক্ত। ধৃতের নাম ফজলুর রহমান। তার বাড়ি বেলডাঙা থানার মঝ্যমপুর নতুনপাড়ায়। ধৃতকে আজ আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত রাতের অভিযানে বেলডাঙার একাধিক জায়গায় অতর্কিতে হানা দেওয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার কাজ চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। এমনই এক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি সক্রিয়ভাবে ভাঙচুর চালাচ্ছেন এবং পাথর ছুড়ছেন। সেই প্রমাণের ভিত্তিতেই গত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বর্তমানে এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। উত্তেজনা প্রশমনে নিয়মিত রুট মার্চ করা হচ্ছে। নতুন করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার ওপরেও কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত না করা পর্যন্ত এই চিরুনি তল্লাশি জারি থাকবে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কল্যাণী, নদীয়া, ১৮/০১/২০২৬ : বয়স ৮৫, অশীতিপর, ছেলে নাতনির সাথে ডিজেল ভ্যানে চেপে শুনানিতে হাজির বৃদ্ধা। ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়া জেলার কল্যাণী শহরে।
সিঁড়ি ভেঙে ওপরে ওঠার ক্ষমতা নেই বৃদ্ধা মায়ের। তাই ছেলে মাকে পাঁজাকোলা করে কোলে তুলে নিয়ে গেলেন দোতালায় সেই ঘরে যেখানে শুনানির জন্যে ডেকে পাঠানো হয়েছিল বৃদ্ধাকে। এটা নদীয়ার কল্যানী মহকুমার কোষাগার ভবনের চিত্র।
কল্যানী রথতলা ১৪৫নং বুথের বাসিন্দা শংকরী কর্মকার। ২০০২ সালে মাজদিয়াতে ভোটার ছিলেন। পরে সেই নাম কেটে যায়। তাই নতুন করে আজ শুনানির ডাক পড়ে বৃদ্ধার।
অসুস্থ বৃদ্ধাকে নিয়ে হাজির পরিবার। পরিবারের দাবী, বিএলও বলছে শুনানিতে যেতেই হবে তাই নিয়ে এসেছে। অথচ নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছিল যে ৮০ বছরের ওপর যাঁদের বয়স তাঁদের বাড়িতে গিয়েই শুনানি করা হবে।
আজ খবর (বাংলা), [,রাজ্য] শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ১৮/০১/২০২৬ : সিকিম থেকে বিপুল পরিমান বেআইনি মদের চালান! শিলিগুড়িতে বিপুল পরিমাণ মদ ও চারচাকা গাড়ি আটক।
শিলিগুড়িতে ফের বেআইনি মদ পাচারের চেষ্টায় বড়সড় সাফল্য পেল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ সিকিমে তৈরি বিভিন্ন ধরনের মদ। পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একটি চারচাকা গাড়িও। এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
অভিযানে মোট ১৪ কার্টন সিকিমে তৈরি ‘হিট স্ট্রং বিয়ার’ উদ্ধার হয়েছে। প্রতিটি কার্টনে ছিল ১২টি করে ৬৫০ মিলিলিটারের বোতল। সব মিলিয়ে উদ্ধার হওয়া বিয়ারের পরিমাণ প্রায় ১০৯.২ লিটার। এছাড়াও মিলেছে ১৫ কার্টন ‘মিলেনিয়াম এক্সএক্সএক্স রাম’, প্রতিটি কার্টনে ১২টি করে ৭৫০ মিলিলিটারের বোতল, যার মোট পরিমাণ দাঁড়ায় ১৩৫ লিটার।
এর পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে আরও ৩ কার্টন ‘স্নো বার্গ ড্রাই জিন’—প্রতিটি বোতল ৭৫০ মিলিলিটার করে, মোট ২৭ লিটার। এছাড়াও একটি কার্টনে থাকা ‘রয়্যাল ব্লু হুইস্কি’র ১২টি বোতল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, যার মোট পরিমাণ ৯ লিটার। সব মিলিয়ে উদ্ধার হওয়া মদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য বলেই জানিয়েছে প্রশাসন।
এই বেআইনি মদ পরিবহণে ব্যবহৃত একটি হালকা ধূসর রঙের স্যান্ট্রো হুন্ডাই চারচাকা গাড়িও আটক করা হয়েছে। গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর WB 77 9745। গাড়িটি থেকে ইগনিশন চাবিসহ সমস্ত নথি উদ্ধার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ধারণা করা হচ্ছে, সিকিম থেকে এই মদ বাংলার বিভিন্ন জায়গায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল।
ঘটনায় জড়িতদের খোঁজে তদন্ত শুরু হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মদের কোনও বৈধ কাগজপত্র ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকাকে ব্যবহার করে বেআইনি মদ পাচারের প্রবণতা বাড়ছে, আর তা রুখতেই নজরদারি আরও কড়া করা হয়েছে। এই অভিযানের ফলে মদ পাচার চক্রের একটি বড় রুট সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই রাজ্যে দু’জন আক্রান্ত। পূর্ব মেদিনীপুরের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় নিপা নিয়ে আতঙ্কের কোনো কারন নেই (দেখুন ভিডিও)
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] পূর্ব মেদিনীপুর ও জলপাইগুড়ি, পশ্চিমবঙ্গ, ১৫/০১/২০২৬ : সারা রাজ্যের মধ্যে দুজন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত রয়েছেন , তার মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়না ব্লকের বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত চাঁদিবেনিয়া গ্রামে এক যুবক “নিপা” ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন , জানা যায়, ওই যুবক কর্মসূত্রে বারাসাতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।
কিছুদিন আগে বাড়িতে খবর আসে ওই যুবকের জ্বর হয়েছে, বাড়ির লোকজন গিয়ে এবং সেখানে বন্ধু-বান্ধবের সহযোগিতায় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানা যায় ওই যুবক নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত। কান্নায় ভেঙে পড়েছে যুবকের পরিবার। তবে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার বিভাস রায় জানান যে “পুরুষ নার্সকে ঘিরে কিছু কথা শোনা যাচ্ছে, তাঁর বাড়ি এই জেলায় হলেও তিনি এখানে আসেননি এবং তাঁর সংস্পর্শে কেউ আসেননি।”
যদি তিনি সংক্রমিত হয়ে থাকেন, তাহলে তা তাঁর কর্মক্ষেত্রেই হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক আশ্বস্ত করে বলেন, সাধারণ কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলেই যথেষ্ট। বাদুড়ের লালারস থেকে নিপা সংক্রমণ হতে পারে। বিশেষ করে খেজুরের কাঁচা রস পান থেকে সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে, তবে খেজুরের রস জ্বাল দিয়ে গুড় বানিয়ে খেলে সংক্রমণের কোনও আশঙ্কা নেই। ফলমূল ভালোভাবে ধুয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি, পাখিতে খাওয়া ফল কখনোই না খাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
গোটা রাজ্য জুড়ে নিপা ভাইরাস ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। বিভিন্ন জায়গায় নিপা ভাইরাস সংক্রান্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তির খোঁজ মিলতেই সতর্কতায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। এর প্রভাব পড়েছে জলপাইগুড়িতেও। সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে এই মারাত্মক ভাইরাসকে কেন্দ্র করে।
জলপাইগুড়ি জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কর্তা চিকিৎসক ডা. অসীম হালদার জানিয়েছেন, রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে ইতিমধ্যেই নির্দিষ্ট নির্দেশিকা এসেছে। সেই নির্দেশ মেনেই গোটা পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। তিনি বলেন, “কোনও ধরনের সংক্রমণের খবর পেলেই আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি। নিপা সহ অন্যান্য ভাইরাসজনিত রোগের মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতর সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”
নিপা ভাইরাস প্রতিরোধে জলপাইগুড়ির বিভিন্ন গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতা প্রচার শুরু করেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। পাটকাতা কলোনি-সহ শহরের একাধিক এলাকায় একই ছবি ধরা পড়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা সাধারণ মানুষকে জ্বর, শ্বাসকষ্ট বা অন্য কোনও উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।
এছাড়াও বিশেষভাবে সতর্ক করা হচ্ছে বাদুড়ের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা নিয়ে। বাদুড়ের খাওয়া ফল বা কামড় দেওয়া ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। কাঁচা বা খোলা ফল না খাওয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, জলপাইগুড়ি শহরের বিভিন্ন এলাকায় বাদুড়ের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বাড়ছে দুশ্চিন্তা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্য দফতরের এই সচেতনতা কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সতর্কীকরণ ::নিপা ভাইরাস নিয়ে কোনো রকম গুজব ছড়াবেন না ,গুজবে কান দেবেন না। এবং বিতর্কে কান দেবেন না। নিপা ভাইরাস নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হবেন না।