
![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] নবান্ন, হাওড়া, ২৫/০৬/২০২৬ : রাজ্যের অথমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ঘোষণা করেছেন যে এবার থেকে রাজ্যের প্রতিটা ডিপার্টমেন্টের বেনিয়ম ও দুর্নীতির কথা শ্বেত পত্র প্রকাশ করে জানানো হবে। বর্তমান সরকারের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সেই দুর্নীতির সিএজি রিপোর্ট পেশ করা হবে প্রকাশ্যে ।
কলকাতার তারাতলায় যে নির্মীয়মান গুদামটি ভেঙে পড়েছে, তার অনুমোদন দিয়েছিল পুরোনো সরকার। গতকাল ও আজ সেখানে উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে যথেষ্ট মুন্সিয়ানা দেখিয়েছে বর্তমান রাজ্য সরকার। একটুও সময় নষ্ট না করে ঘটনার গুরুত্ব বুঝে NDRF ও সেনাবাহিনী তলব করেছে রাজ্য সরকার। ক্ষতিপূরণের ঘোষনাতেও এগিয়ে এই সরকার। মৃতের পরিবার প্রত্যেকে পাবেন ১০ লক্ষ টাকা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এবং ২ লক্ষ টাকা কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে।
এই যে এতো বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেলো, তার পিছনে পুরোনো সরকারের বেনিয়ম সামনে এসেছে। দুর্নীতিও হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু এখন থেকে পুরোনো সরকারের করে যাওয়া এই দুর্নীতির দায় বর্তমান সরকার নেবে না। বর্তমানে রাজ্যে যাতে নিরাপত্তাজনিত কোনো আশঙ্কা দেখা না যায় , সেই কারণে বর্তমান সরকার সব কিছুই প্রকাশ্যে আনবে। তৃণমূল আমলে অনুমোদন পাওয়া নবনির্মিত সব বিল্ডিং গুলির অডিট করা হবে। আপাতত সমস্ত নির্মীয়মান (এমার্জেন্সি ছাড়া) কনস্ট্রাকশন বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। অন্তত চার সপ্তাহপরে ফের নোটিশ জারি করা হতে পারে।
অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, “সন্দেশখালিতে একটি মহিলা থানা, হেমতাবাদে একটি ডিগ্রি কলেজ এবং কালিয়াগঞ্জে একটি মহিলা কলেজ স্থাপিত হবে। রাজ্যে ২০০ জনকে নিয়ে একটি উচ্চ প্রশিক্ষিত দুর্যোগ মোকাবিলা দল তৈরী করা হবে। অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিও দেওয়া হবে তাঁদের হাতে। এই ২০০ জনের মধ্যে ৫০ জন আসবেন সুন্দরবন এলাকা থেকে এবং ৫ জন আসবেন পার্বত্য অঞ্চল থেকে। বাকি ১০০ জন রাজ্যের অন্যান্য জায়গা থেকে। এই দলকে নানারকম প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই বছর দুর্গাপূজার আগেই রাজ্য সরকার বেশ কিছু নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চলেছে ।”
![]()

আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ২৪/০৬/২০২৬ : কলকাতার তারাতলার কাছে। বেস ব্রিজ অঞ্চলে একটি নির্মীয়মান গুদামের ছাদ ভেঙে বড়সড় বিপর্যয় নেমে আসে। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকের চাপা পড়ে থাকার আশংকা দেখা দেয়।
আজ বেলা সাড়ে বারোটার একটু পরে তারাতলার কাছে বেস ব্রিজ এলাকার একটি গুদামের ছাদ ভেঙে পরে নিচে। ঐ গুদামের ছাদের বর্গাগুলি ছিল ভাৱি লোহার, সেই সব বর্গাগুলি দুমড়ে মুচড়ে যায়। গোটা জায়গা জুড়ে ধুলোর ঝড় উঠতে দেখা যায়। বিপদের আশঙ্কা করে দ্রুত উদ্ধারকারী দল ও এনডিআরএফকে পাঠানো হয়। এরপরেই সেনাকে তলব করা হয়। সেনাবাহিনীও উপযুক্ত সরঞ্জাম নিয়ে পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে। এক এক করে বাইরে বের করে নিয়ে আসা হয় আহতদের। দ্রুত তাদের এসএসকেএম হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৩ বলে জানানো হয়েছে।
পোর্ট এলাকার ঐ জমিতে লিজ নেওয়া ঐ গুদামে একটি চায়ের ওয়্যারহাউস তৈরী করা হচ্ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। নির্মীয়মান ঐ বিল্ডিংটিই ভেঙে পড়েছে, বাড়িটির ডিজাইনে গণ্ডগোল ছিল বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। উদ্ধারকাজ দেখতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান গ্রাম উন্নয়ন ও পুর মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখার্জী। পরে ঘটনাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিভাবে এতবড় একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেলো তা জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। সেনাবাহিনী তীব্র আলো ও অন্যান্য অত্যাধুনিক সরঞ্জামের মাধ্যমে এখনও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যদি ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে বাঁচার জন্যে কেউ শেষ অর্জিটুকু জানায় !

![]()

মাথায় ৮ লক্ষ কোটি টাকার দেনা নিয়ে বিজেপি হাসি ফোটালো বাংলার মুখে !
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২২/০৬/২০২৬ : সোনার বাংলা গোড়ার লক্ষ্যে রাজ্যে প্রথমবার বাজেট পেশ করল বিজেপি সরকার। মাথায় আট লক্ষ কোটি টাকার দেনা নিয়ে আজ বিধানসভায় রাজ্য বাজেট পেশ করেছেন অর্থ মন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।
পুরনো সরকারী প্রকল্পগুলিও চলবে বলে অর্থমন্ত্রী এদিন অন্নপূর্ণা প্রকল্প থেকে উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন, নতুন জেলা, নতুন পুরসভা, নতুন মেডিকেল কলেজ, নতুন সড়ক, নতুন হাসপাতাল, আইটি হাব, পরিবহন ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষত্রে আশার আলো দেখালেন। দীর্ঘদিন ধরে যে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া DA নিয়ে অসন্তোষ ছিল, তা নিয়েও নতুন দিশা দেখালেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাসগুপ্ত।
রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা এবার থেকে আরও বেশি ডিএ পাবেন। এবার ৩৮% ডিএ, মিলবে অক্টোবর থেকে। কেন্দ্র সরকারি কর্মীদের সাথে এখনো ডিএ ফারাক থেকে যাচ্ছে ২২%
১ লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ, ৩৩% মহিলা সংরক্ষণ। এর মধ্যে ২০ হাজার পুলিশ ও ৫০ হাজার শিক্ষক পদে ও পার্শ্ব শিক্ষক পদে নিয়োগ করা হবে। সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশের পারিশ্রমিক ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি করা হবে।
বয়স্ক, বিধবা ও বিশেষভাবে সক্ষমদের ভাতা ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হবে। এনভিএফ কর্মী, প্রাণীবন্ধু, প্রাণীমিত্রদের পারিশ্রমিক ২ হাজার টাকা অন্নপূর্ণা যোজনায় বরাদ্দ ৩৬ হাজার কোটি।
বিধায়ক তহবিলে অর্থ ৭০ লক্ষ থেকে বেড়ে ১ কোটি। অঙ্গনওয়াড়ি ও আশাকর্মীদের মাসিক ৫ হাজার টাকা বেতনবৃদ্ধি। দুর্গাপুর, আসানসোল, শিলিগুড়িতে মেট্রোরেল , পুরুলিয়া, বালুরঘাট ও মালদহে নির্মাণ করা হবে নতুন বিমানবন্দর। কলকাতা বিমানবন্দরে চাপ কমাতে কল্যাণীতে গড়ে উঠবে নতুন একটি বিমান বন্দর। রাজ্যে গড়ে তোলা হবে স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি। স্পোর্টস ক্লাবগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে. উত্তর বঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক মায়ের স্টেডিয়াম ও একটি ইনডোর স্টেডিয়াম গড়ে তোলা হবে. উত্তরবঙ্গে গড়ে উঠবে এইমস হাসপাতাল। রাজ্যে আরও কয়েকটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরি হবে. দীঘা ও দার্জিলিঙে তৈরী হবে ট্রমা কেয়ার ইউনিট। দীঘার কাছে দাদন পাত্রবারে গড়ে উঠবে গভীর সমুদ্র বন্দর।
অসমের কাজিরাঙার আদলে চিংড়িহাটা-নিউটাউন এলিভেটেড করিডর তৈরী করা হবে। ১২০০ কোটি ব্যয়ে ভাগীরথী সেতু নির্মাণ করা হবে। ময়ূরেশ্বর নদীর উপর ৪ লেনের সেতু নির্মিত হবে. কৃষক ক্রেডিট কার্ডে গুরুত্ব দেওয়া হবে. যাতে ১৫ মিনিটে কৃষি ঋণ পাওয়া যায়. স্বাস্হ্য বীমার ক্ষেত্রেও সরকারি প্রকল্প থাকছে। উত্তরবঙ্গের চা বাগানগুলো মোট জমির ৩০% বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারতো, এখন সেই পরিমান কমে হল ১৫%
রাজ্যে নতুন পাঁচটি জেলা তৈরি হবে, সেগুলি হল বসিরহাট, আরামবাগ, কলকাতা, সুন্দরবন ও জঙ্গীপুর। সুন্দরবনের জন্যে আলাদা উন্নয়ন প্যাকেজ থাকছে। আদিবাসী উন্নয়নেও গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। ঝাড়গ্রামে গড়ে উঠবে একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয়। লোধা, শবর ও টোটো উপজাতিদেরকে প্রতি সপ্তাহে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হবে। রাজবংশীদের জন্যেও থাকছে উন্নয়নের আলাদা প্যাকেজ।

![]()

আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০৬/২০২৬ : গতকাল রাতে টানা সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জেরা করা হলো তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক ব্যানার্জিকে।
এর আগে তিনবার হাজিরা এড়িয়ে গেলেও দিল্লী থেকে ফিরে অভিষেক ব্যানার্জিকে ভবানী ভবনে হাজিরা দিতে যেতে দেখা যায়। গতকাল সন্ধ্যে থেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেন সিআইডি আধিকারিকরা। সূত্র মারফত জানা যায় প্রথম দিকে ছয় অফিসার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছিলেন। পরে আরও তিন অফিসার তাঁকে প্রশ্ন করতে শুরু করেন। অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের পুরো অংশ ভিডিও রেকর্ডিং করা হয়েছে।
গতকাল দিল্লী থেকে ফিরে অভিষেক কালীঘাটে মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে চলে যান। তারপর নির্দিষ্ট সময়ের আগেই তিনি পৌঁছে যান ভবানী ভবনে সিআইডি অফিসে। সেখানে রেজিস্টার খাতায় সই করে তাঁকে ভিতরে ঢুকতে দেখা যায়। সন্ধ্যে নাগাদ তাঁকে সিআইডি অফিসাররা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। তাঁকে বিধানসভায় সই জাল নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। ভোটের আগে উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখার ব্যাপারেও প্রশ্ন করা হয়েছে।
হাইকোর্ট থেকে রক্ষা কবচ থাকায় অভিষেককে জেরা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর অভিষেক ব্যানার্জি ভবানী ভবনের বাইরে বেরিয়ে আসেন।

![]()

আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ০৯/০৬/২০২৬ : বিধানসভায় জাল সই কাণ্ডের তদন্ত করতে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গেলো সিআইডি। এই মুহূর্তে কালীঘাটে মমতার বাড়িতে পুলিশ বাহিনী, সিআইডি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে।
বিধানসভায় জাল সই কাণ্ডের তদন্ত করতে সিআইডি বার বার সমন পাঠিয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এর আগে অভিষেক নিজে সেই সমন গ্রহণ করলেও সিআইডির কাছে হাজিরা দেন নি, বার বার এড়িয়ে গিয়েছেন। আজ তাঁর হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত তিনি সিআইডির দপ্তরে আসেন নি. এই মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দুজনেই রয়েছেন দিল্লীতে। আজ বিকেলে মমতা যখন দিল্লীতে সোনিয়া গান্ধীর বাড়িতে ছিলেন, সেই সময় কলকাতায় তাঁর বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিল সি আইডি আধিকারিকদের বিশাল দল।
প্রাথমিকভাবে সিআইডির দলকে আটকান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তী। এর পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান কুনাল ঘোষ, মদন মিত্র ও কল্যাণ ব্যানার্জি। তাঁরাও চেষ্টা করতে থাকেন সিআইডি বাহিনীকে প্রতিহত করতে। ইতিমধ্যেই মমতার বাড়ি ও অফিস ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। গোটা এলাকায় টান টান উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। ইতিমধ্যেই তল্লাশি চালানো হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে।
ইতিমধ্যেই জানা যায় যে ডেডলাইন পার হওয়ার আগেই সিআইডি অফিসে অভিষেক একটা চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন যে তিনি এই মুহূর্তে দিল্লীতে আছেন, তাই ভবানী ভবনে সিআইডি অফিসে তাঁর পক্ষে হাজির হওয়া সম্ভব নয়। এই বিষয়ে হাইকোর্টে তিনি একটি মামলা করেছেন। সুতরাং যে বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন, সেই বিষয়ে শুনানীর আগের দিন তিনি আলোচনা করতে চান না। 
![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং , ০৭/০৬/২০২৬ : উত্তরবঙ্গ তথা রাজ্যের বিভিন্ন শহরগুলিকে পরিষ্কার পরিছ্ছন্ন রাখতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে জরিমানার কথাও বলা হয়েছে।
আজ শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায় সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল জানিয়েছেন, “রাজ্যের সমস্ত শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রতিদিন শহরের ব্যস্ত অঞ্চলগুলিতে সাফাই করা হবে নিয়ম করে। এই ব্যাপারে নির্মল বন্ধু কর্মীদের বেশি করে কাজ লাগানো হবে। প্রত্যেকটি বসতি এলাকায়, বাজারে, বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এবং ট্যুরিস্ট এলাকায় পুরুষ ও মহিলাদের জন্যে পৃথক শৌচাগার নির্মাণ করা হবে। সেই শৌচাগারগুলি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা হবে। কোথায় কোথায় এই শৌচাগার তৈরী করা হবে তার তালিকা আগামী ২০ তারিখের মাহয়ে চেয়ে পাঠানো হয়েছে।
শহরের মন্দির এলাকার কাছে যে ফুল ও মালার স্তুপ জড়ো হয়ে যায় তা সরিয়ে ফেলা হবে, ঐ ফুল মালা দিয়ে ধুপ তৈরি করা হবে, স্থানীয়ভাবেই ওই আবর্জনা দিয়ে ধুপ তৈরির ছোট ছোট কারখানা তৈরী করা হবে। রাস্তায় আবর্জনা ফেলা যাবে না। সেক্ষেত্রে জরিমানা করা হবে. “স্বচ্ছ” নামে একটি এপ্লিকেশন তৈরী করা হবে। রাস্তাঘাট এর কোথাও আবর্জনা দেখলেই তার ছবিতুলে সেই এপ্লিকেশনে জমা দেওয়া যাবে, তার দু ঘন্টার মধ্যেই নির্মল বন্ধুরা সেটা সাফ করে দেবে। বাড়িতে বাড়িতে গিয়েও নির্মল বন্ধুরা আবর্জনা সংগ্রহ করে নেবে। এর জন্যে প্রত্যেক বাড়িতে একটি করে কিউআর কোড রাখা থাকবে। প্রথম দিকে রাস্তাঘাটে আবর্জনা ফেললে সতর্ক করা হলেও আগামী সেপ্টেম্বর মাসের ১ তারিখ থেকে জরিমানা দিতে হতে পারে। বেআইনি পার্কিং করলেও জরিমানা দিতে হবে।

![]()
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], মেখলিগঞ্জ, কোচবিহার, ০৬/০৬/২০২৬ : উত্তরবঙ্গের মেখলিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের দুটি ঘটনাকে প্রতিহত করল বিএসএফ। মেখলিগঞ্জ সীমান্ত পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক দধিরাম রায়।
এই মুহূর্তে ভারত ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে সতর্ক প্রহরা দিচ্ছে ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স। সীমান্ত অঞ্চলের গ্রামবাসীরাও যথেষ্ট সতর্ক আছেন যাতে সীমান্তে কোনো রকম অনুপ্রবেশের ঘটনা না ঘটে। এই মুহূর্তে বিভিন্ন সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পুশ ব্যাক করার কাজ চলছে। কিন্তু এর মধ্যেই কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে দুটি অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করে দেয় বিএসএফ। এই অঞ্চলগুলিতে কড়া নজরদারির কাজ চালাচ্ছে বিএসএফ।
বিজেপি বিধায়ক দধিরাম রায় মেখলিগঞ্জ ও চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, “বাংলাদেশ থেকে দুটি অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিএসএফ। সীমান্ত এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ আছে. বিএসএফ অনুপ্রবেশের ঘটনা কড়া হাতে দমন করছে।”
কিছু ক্ষেত্রে অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে পুশ ব্যাক করা হচ্ছে, অথচ বিডিআর তাদেরকে অস্বীকার ও প্রত্যাখ্যান করছে। প্রবল সমস্যায় পড়ছে সীমান্তের ওপার থেকে আসা মানুষগুলি।

![]()

বুলেট ট্রেন : দিল্লী থেকে শিলিগুড়ি ৬ ঘন্টায়
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০৬/২০২৬ : ডাবল ইঞ্জিন সরকারের উদ্যোগে এবার রাজ্যে রেল ছুটবে তিনগুন গতিতে। আজ দেশের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব নিজেই এসেছিলেন কলকাতায় রেলের অগ্রগতির কাজ খতিয়ে দেখতে। বিভিন্ন স্টেশনে গিয়ে কাজ দেখলেন, মেট্রোয় চড়লেন এমনকি অটো রিক্সাতেও উঠলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক জগন্নাথ চ্যাটার্জি ও জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।
এরপর রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব নবান্নে এসে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রেলের অন্যান্য আধিকারিকরা। পাশ্চিমবঙ্গে রেলের সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে একটি বৈঠকও হয়। আজ রেলমন্ত্রী জানান, “এর আগের সরকার পশ্চিমবঙ্গে রেলকে সেভাবে কাজ করতেই দেয় নি, তাই রেলের অনেক কাজ এখানে অধরা থেকে গিয়েছিল। এবার এই রাজ্যে রেলের কাজ গতি পেয়েছে। নতুন সরকারের থেকে আমরা সবরকম সহযোগিতা পেয়েছি। তাই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং পশ্চিমবঙ্গবাসীকে আমরা শুভেচ্ছা জানাতে চাই। ধন্যবাদ আপনাদের সকলকে। ”
রেলমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, “রাজ্যে এবার রেলের কাজে গতি আসবে। রেলের উন্নয়নের জন্যে আগামী ৫ বছরে মোট ১ লক্ষ কোটি টাকার বাজেট ধার্য্য করা হয়েছে। এই রাজ্যে ১০২টি অমৃত ভারত স্টেশন নির্মাণের কাজ চলছে। রেলের ৪০টি প্রকল্পের জন্যে প্রয়োজনীয় জমি পাওয়া গিয়েছে। আরও ৬১টি প্রকল্পের জন্যে রাজ্য সরকার রেলকে জমি দেওয়ার চেষ্টা করছে। রাজ্যে মোট ৫৩৮টি ফ্লাইভার ও আন্ডারপাস নির্মাণ করবে রেল মন্ত্রক। রাজ্যের যে জায়গাগুলিতে রেল নেই, সেইসব জায়গাগুলিতে রেল সম্প্রসারণ করা হবে. যেমন জঙ্গল মহল, সুন্দর বন ইত্যাদি। ”
রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন “পশ্চিমবঙ্গে যেমন সড়কপথে ই-ভেহিক্যল ছুটবে তেমনি ডাবল ইঞ্জিন সরকার এই রাজ্যে রেলের উন্নয়ন করবে। ১৯৭২ সালে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় মেট্রো রেলের কাজ শুরু করা হয়েছিল। সেই মেট্রোর কাজ মাত্র ২৮ কিলোমিটার জায়গায় সম্প্রসারণ করা হয়েছে কলকাতায়। এখানে আরও অনেক জায়গায় মেট্রো সম্প্রসারণ করার সুযোগ রয়েছে। সেই কাজগুলিও দ্রুত শেষ করা হবে। মেট্রোর সাথে যুক্ত হবে নতুন রুট। ”
রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এদিন বলেন, “রাজধানী দিল্লী থেকে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি পর্যন্ত ছুটবে বুলেট ট্রেন। সে কাজ চলছে। দিল্লী থেকে লখনৌ , বারাণসী, পাটনা হয়ে শিলিগুড়ি পৌঁছানো যাবে মাত্র ৬ ঘন্টায়। আগামী প্রজন্মের জন্যে পশ্চিমবঙ্গ মোট ৬০টি নতুন ট্রেন পেতে চলেছে। এই রুটগুলি আগামী ৫ বছরের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে। এছাড়াও ডানকুনি থেকে সুরাট যাওয়ার জন্যে একটি নতুন ট্রেন চালু করা হবে। পশ্চিমবঙ্গের জন্যে আগে রেল বাজেট ছিল ৪ হাজার কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বাজেটকে বাড়িয়ে করেছিলেন ১৪ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এবার আগামী পাঁচ বছরের জন্যে এই বাজেটকে বাড়িয়ে ১ লক্ষ কোটি টাকা ধার্য্য করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই রাজ্যে রেল ছুটবে তিনগুন গতিতে।”

![]()