
পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণেই শিট এখনো যেতে পারে নি
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], জলপাইগুড়ি,পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/০১/২০২৬ : ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা জলপাইগুড়ি সহ অন্যান্য জেলাগুলিও। শীতকালের শেষ মুহূর্তে রীতিমত কাঁপছে উত্তর বঙ্গ।
![]()

পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণেই শিট এখনো যেতে পারে নি
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], জলপাইগুড়ি,পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/০১/২০২৬ : ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা জলপাইগুড়ি সহ অন্যান্য জেলাগুলিও। শীতকালের শেষ মুহূর্তে রীতিমত কাঁপছে উত্তর বঙ্গ।
![]()

“তিনবারের বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রী হয়েও শুনানিতে ডাক দেওয়া হয়েছে”
আজ নির্ধারিত শুনানির দিনে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। শুধু মন্ত্রী নন, তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যকেও একইভাবে লাইনে দাঁড়াতে হয়। জানা গিয়েছে,গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাঁকে SIR সংক্রান্ত হেয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো হয়। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই আজ তিনি শুনানি কেন্দ্রে হাজির হন। তাজমুল হোসেন মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার তিনবারের নির্বাচিত বিধায়ক। তাঁর বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বাংরুয়া গ্রামে। তিনি ২০২ নম্বর বুথের ভোটার, বুথ কেন্দ্র বাংরুয়া হিজরি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তাঁর বাবার নাম দিদার বক্স।
মন্ত্রীর দাবি, ২০০২ সাল থেকেই তাঁর নাম ও বাবার নাম সমস্ত সরকারি নথিপত্রে একই রয়েছে। সমস্ত কাগজপত্র যাচাই করেই তিনি পরপর তিনবার বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং বর্তমানে রাজ্যের মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। তা সত্ত্বেও তাঁকে হেয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তোলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্যের মন্ত্রী।
আজ শুনানি কেন্দ্রে হাজির হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাজমুল হোসেন বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই নোটিস পেয়ে নির্ধারিত দিনেই শুনানিতে হাজির হয়েছি। আমার ও আমার পরিবারের সব নথি সঠিক আছে। সত্যিটা সামনে আসবেই।”
উল্লেখ্য,তিনবারের বিধায়ক ও বর্তমান রাজ্যের মন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও হেয়ারিংয়ের নোটিস পাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও এই নোটিসের পিছনের কারণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
![]()

‘প্রাণ নিয়েছে বেঁচে ফিরেছি সেটাই এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না’
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর, ২৮/০১/২০২৬ : ওঁরা যে বেঁচে আছেন তাই যেন ওঁদের বিশ্বাস হচ্ছে না। আগুন ওঁদেরকে স্পর্শ করেও গ্রাস করতে পারে নি। মৃত্যুপুরী থেকে প্রাণ নিয়ে কোনোরকমে পালিয়ে এসেছেন ওঁরা নিজেদের বাড়িতে।
আনন্দপুর কারখানায় জতুগৃহের মত অবস্থা হয়েছিল। ঘুমের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হয়েছে অনেককে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন কেউ কেউ। পুলিশ বা দমকল কেউই জানাতে পারে নি সেদিন কিভাবে আগুন লেগে গিয়েছিল। যাঁরা সেই কারখানায় রাতে শুয়ে ঘুমোচ্ছিলেন, তাঁরাও কেউ কিচ্ছু জানতে বা জানাতে পারেন নি কিভাবে আগুন লেগে গিয়েছিল। কিভাবেই বা তাঁরা নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে পেরেছিলেন। তাঁদের কাছে শুধু এটুকুই বাস্তব যে এখনো তাঁরা বেঁচে আছেন।
আনন্দপুর কারখানা থেকে আহত অবস্থায় কোনোক্রমে প্রাণ বাঁচিয়ে তমলুকের গ্রামে ফিরে এসেছেন শান্তনু, বিমলরা। আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নে তাঁরা সেদিনের ভয়াল অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। আগুনে পোড়ার চিহ্ন তাঁদের শরীরে রয়েছে। আর চোখে মুখে স্পষ্ট রয়েছে আতঙ্কের ছাপ। কত দিনে তাঁরা ফের স্বাভাবিক হতে পারবেন তা তাঁরা জানেন না।
Aaj Khabor Desk, Tamluk, Purba Medinipur, 28/01/2026 — Survivors of the devastating fire at the Anandapur factory are still struggling to believe they are alive after narrowly escaping death. The factory reportedly turned into a death trap during the night, claiming several lives as workers were asleep, while some remain missing. Neither the police nor the fire department has been able to determine how the blaze started, and survivors say they have no memory of how the fire broke out or how they managed to escape. Injured survivors like Shantanu and Bimal have returned to their village in Tamluk and shared their horrific experiences with the media. Burn marks remain on their bodies, and fear is clearly visible on their faces as they try to recover from the trauma.
![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শ্যামপুর , হাওড়া, ২৮/০১/২০২৬ : এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়ে বাড়ি ফিরতেই এলাকার মানুষের হাতে আক্রান্ত হলেন এক ব্যক্তি। গণপিটুনিতে মৃত্যু হলো তাঁর।
এস আই আর এর শুনানির জন্য বাড়ি ফেরা এক ব্যক্তিকে এলাকার মানুষ ধরে বেধড়ক মারধর করেছে, পুলিশ গণপিটুনির হাত থেকে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধর করে নিয়ে যাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় হাওড়ার শ্যামপুর থানা এলাকার মধ্য ডিহি মন্ডলঘাট এলাকায়। কেউ কেউ অভিযোগ করতে থাকে যে পুলিশ হেফাজতেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। যদিও এই কথা মানতে একেবারেই রাজি হয় নি পুলিশ।
মৃতের নাম শেখ আজগার আলী বয়স ৩৫। জানা গিয়েছে, ডিহি মন্ডল ঘাটের ওই এলাকায় বছরখানেক আগে একটি অশান্তি হয়েছিল। সেই অশান্তির ঘটনায় আজগার এলাকার বাসিন্দা জানে আলমকে নৃশংস ভাবে অস্ত্র দিয়ে মারধর করে পালিয়ে গিয়েছিলেন । এরপর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। কিন্তু এসআইআর শুনানির জন্য তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। এলাকার মানুষ তাঁকে দেখতে পেয়েই ঘিরে ধরে এবং বেধড়ক মারধর করতে থাকে। পরে পুলিশ গণপিটুনির হাত থেকে তাঁকে উদ্ধার করে।
এরপর পুলিশে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় এবং হাসপাতালেই তিনি মারা যান। যদিও এই কথা মানতে নারাজ আজগরের পরিবার। আজগরের পরিবারের অভিযোগ মারধরের পর পুলিশ হেফাজতেও বেধড়ক মারধর করা হয়েছে এবং তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।
![]()

‘দাহ্যপদার্থ থাকার কারণেই আগুন ছড়িয়ে গিয়েছিল’
আজ খবর (বাংলা), ]রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,২৭/০১/২০২৬ : কলকাতার আনন্দপুরে গতকাল যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল, সেই ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৩ থেকে বাড়তে বলে জানা যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে অন্তত ২৪ জনের নিখোঁজ থাকার কথা বলা হচ্ছে।

![]()


![]()

চলছে বিক্ষোভকারীদের সাথে আলোচনা
![]()

মনে করিয়ে দিল ১০ বছর আগের সেই দুর্ঘটনার কথা
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৪/০১/২০২৬ : শনিবার সকালে রেড রোডে প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে প্যারেড চলাকালীন ফের দুর্ঘটনা ঘটে গেলো। একটি বেপরোয়া গাড়ি দ্রুতগতিতে এসে সজোরে ধাক্কা মারলো পুলিশের গার্ড রেলিংয়ে।

![]()

ট্রাফিকে নানারকম অসঙ্গতি ধরা পড়ল পাঠ্য দিনেই
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ২১/০১/২০২৬ : শহরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবার ড্রোনে চোখ,যানজট কমাতে শিলিগুড়িতে হাইটেক ট্রাফিক অভিযান।
শহরের ক্রমবর্ধমান যানজট সামাল দিতে প্রযুক্তিনির্ভর পথে হাঁটল শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের ট্রাফিক বিভাগ। বুধবার ড্রোন ক্যামেরার সাহায্যে শহরের ব্যস্ততম রাস্তাগুলিতে নজরদারি চালিয়ে যান চলাচলের বাস্তব চিত্র খতিয়ে দেখা হয়। দার্জিলিং মোড় থেকে জংশন, চম্পাসারি, দাগাপুর ও সিটি সেন্টার-এই বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে চলে বিশেষ অভিযান।
ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) কাজী সামসুদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে শহরের জাতীয় সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলির ওপর বিশেষ নজর রাখা হয়।ড্রোন ফুটেজে ধরা পড়ে একাধিক ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের ছবি। জাতীয় সড়কে বেআইনিভাবে টোটো চলাচল, মোটরসাইকেল আরোহীদের লেন ভাঙা ও বেপরোয়া চালনা-এসব কারণেই মূলত যানজট বাড়ছে বলে চিহ্নিত করা হয়।এর জেরে অভিযানের প্রথম দিনই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
নিয়ম ভাঙায় টোটো চালকদের জরিমানা করা হয়, মোটরসাইকেল চালকদের বিরুদ্ধে কাটা হয় চালান।পাশাপাশি পথচারীদেরও ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে নিরাপদে রাস্তা পারাপারের পরামর্শ দেওয়া হয়।সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ডিসিপি ট্রাফিক কাজী সামসুদ্দিন আহম্মেদ জানান, দিনে প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর ড্রোন ফুটেজ সংগ্রহ করে যানজটের প্রকৃত কারণ বিশ্লেষণ করা হবে। একই সঙ্গে চম্পাসারি থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত টোটো চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট করে বলে দেন। শিলিগুড়ি শহরে যান জোট কাটাতে এক গুচ্ছ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।
![]()

গত ১২ বছরে এক পয়সাও বেতন বাড়ে নি
আজ খবর (বাংলা) (রাজ্য), হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০১/২০২৬ : ইউনাইটেড ওয়েস্ট বেঙ্গল এনএসকিউএফ টিচার্স এসোসিয়েশনের ডাকে নবান্নের সামনে ধরনা। আজ সকাল থেকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে মন্দিরতলা বাস স্ট্যান্ডে ধর্না এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন কারিগরি শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকরা।
এজেন্সি প্রথার অপসারণ, বেতন বৃদ্ধি ও সম্মানজনক বেতন কাঠামো এবং চাকরিতে নিরাপত্তার দাবিতে মন্দিরতলা বাস স্ট্যান্ডে কারিগরি বিষয়ে শিক্ষকদের সারাদিনব্যাপী ধরনা। নবম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত এই কারিগরি শিক্ষকদের অভিযোগ তারা এজেন্সির অধীনে অস্থায়ী চাকরি করেন। তারা শিক্ষা দপ্তরের অধীনে কাজ করলেও তাদের কারিগরি শিক্ষা দপ্তরে অধীনে রাখা হয়েছে।
গত বারো বছরে তাদের এক পয়সা বেতন বৃদ্ধি হয়নি। তাদের বেতনের কোন কাঠামো নেই। শুধু তাই নয় তাদের চাকরিতেও কোন নিরাপত্তা নেই। বারবার এই বিষয়ে শিক্ষকরা রাজ্য সরকারকে জানালেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এরই প্রতিবাদে তারা নবান্নের সামনে ধর্নায় বসেছেন। তারা চাইছেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাদের সমস্যা খুলে বলতে। এই ব্যাপারে তারা নবান্নের সচিবালয়ে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।
![]()