Aaj Khabor

ঘন কুয়াশার চাদরে মুখ ঢেকেছে উত্তরবঙ্গ

ঘন কুয়াশার চাদরে মুখ ঢেকেছে উত্তরবঙ্গ

পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণেই শিট এখনো যেতে পারে নি 

 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], জলপাইগুড়ি,পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/০১/২০২৬ : ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা জলপাইগুড়ি সহ  অন্যান্য জেলাগুলিও। শীতকালের  শেষ মুহূর্তে রীতিমত কাঁপছে উত্তর বঙ্গ।

শীতের শেষ ইনিংস। শুক্রবার কুয়াশার চাদরে মোড়া গোটা জলপাইগুড়ি। শীতের দাপট অব্যাহত। শীতল হাওয়া এবং ঠান্ডায় কাঁপছে, জবুথবু অবস্থা । জলপাইগুড়ির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রীর আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। গত বেশ কয়েকদিন ধরে সেভাবে ঘন কুয়াশার দেখা মেনে নি। কিন্তু আজ ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা রয়েছে জলপাইগুড়ি। একটু বেশিই যেন ঠাণ্ডার অনুভূতি রয়েছে আজ। যানবাহন চলাচল করছে অত্যন্ত ধীর গতিতে।
শুধু জলপাইগুড়ি নয়, ঘন কুয়াশার চাদরে মুখ ঢেকেছে শিলিগুড়ি শহরও।  এই শহরেও একই পরিস্থিতি। বেশ ঠাণ্ডা রয়েছে আজ, সকাল থেকে সূর্যের দেখা নেই।  তাপমাত্রাও কমেছে অনেকটাই। আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কবার্তা আগেই জানিয়েছিল উত্তরবঙ্গের এই অঞ্চলে আজ ও কাল বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং এর উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাত হওয়ার সম্ভানার কোথাও বলা হয়েছে।

Loading

শুনানিতে ডাক পেয়ে সপরিবারে লাইনে এসে দাঁড়ালেন রাজ্যের মন্ত্রী

eci-hearing-news

“তিনবারের বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রী হয়েও শুনানিতে ডাক দেওয়া হয়েছে” 

 আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], হরিশ্চন্দ্রপুর, মালদা, ২৯/০১/২০২৬ : নির্বাচন কমিশনের পাঠানো হেয়ারিংয়ের নোটিস হাতে নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়ালেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বিধায়ক তাজমুল হোসেন

আজ নির্ধারিত শুনানির দিনে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। শুধু মন্ত্রী নন, তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যকেও একইভাবে লাইনে দাঁড়াতে হয়। জানা গিয়েছে,গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাঁকে SIR সংক্রান্ত হেয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো হয়। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই আজ তিনি শুনানি কেন্দ্রে হাজির হন। তাজমুল হোসেন মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার তিনবারের নির্বাচিত বিধায়ক। তাঁর বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বাংরুয়া গ্রামে। তিনি ২০২ নম্বর বুথের ভোটার, বুথ কেন্দ্র বাংরুয়া হিজরি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তাঁর বাবার নাম দিদার বক্স।

মন্ত্রীর দাবি, ২০০২ সাল থেকেই তাঁর নাম ও বাবার নাম সমস্ত সরকারি নথিপত্রে একই রয়েছে। সমস্ত কাগজপত্র যাচাই করেই তিনি পরপর তিনবার বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং বর্তমানে রাজ্যের মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। তা সত্ত্বেও তাঁকে হেয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তোলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্যের মন্ত্রী।

আজ শুনানি কেন্দ্রে হাজির হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাজমুল হোসেন বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই নোটিস পেয়ে নির্ধারিত দিনেই শুনানিতে হাজির হয়েছি। আমার ও আমার পরিবারের সব নথি সঠিক আছে। সত্যিটা সামনে আসবেই।”

উল্লেখ্য,তিনবারের বিধায়ক ও বর্তমান রাজ্যের মন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও হেয়ারিংয়ের নোটিস পাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও এই নোটিসের পিছনের কারণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

 
Aaj Khabor Desk, Harishchandrapur, Malda, 29/01/2026 :  West Bengal minister and Harishchandrapur MLA Tajmul Hossain appeared at a hearing center in Malda after receiving a notice from the Election Commission regarding an SIR-related hearing. On the scheduled day, he was seen standing in a queue for a long time along with several members of his family. The notice was issued on January 18, prompting his appearance. A three-time elected MLA, Hossain claimed that his name and his father’s details have remained unchanged in all official records since 2002 and were verified during previous elections. He alleged a conspiracy behind the notice and expressed dissatisfaction with the Election Commission’s role. However, he stated that he respects the law and is confident that the truth will emerge after document verification.

Loading

আনন্দপুরের মৃত্যুপুরী থেকে প্রাণ নিয়ে ফিরে এসে যা জানালেন ওঁরা

মৃত্যুপুরী থেকে প্রাণ নিয়ে ফিরে ....

‘প্রাণ নিয়েছে বেঁচে ফিরেছি সেটাই এখনও  বিশ্বাস হচ্ছে না’

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর, ২৮/০১/২০২৬ :  ওঁরা যে বেঁচে আছেন তাই যেন ওঁদের বিশ্বাস হচ্ছে না। আগুন ওঁদেরকে  স্পর্শ করেও গ্রাস করতে পারে নি। মৃত্যুপুরী থেকে প্রাণ নিয়ে কোনোরকমে পালিয়ে এসেছেন ওঁরা নিজেদের বাড়িতে।

আনন্দপুর কারখানায় জতুগৃহের মত অবস্থা হয়েছিল। ঘুমের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হয়েছে অনেককে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন কেউ কেউ। পুলিশ বা দমকল কেউই জানাতে পারে নি সেদিন কিভাবে আগুন লেগে গিয়েছিল। যাঁরা সেই কারখানায় রাতে শুয়ে ঘুমোচ্ছিলেন, তাঁরাও কেউ কিচ্ছু জানতে বা জানাতে পারেন নি কিভাবে আগুন লেগে গিয়েছিল। কিভাবেই বা তাঁরা নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে পেরেছিলেন।  তাঁদের কাছে শুধু এটুকুই বাস্তব যে এখনো তাঁরা বেঁচে আছেন।

আনন্দপুর কারখানা থেকে আহত অবস্থায় কোনোক্রমে প্রাণ বাঁচিয়ে তমলুকের গ্রামে ফিরে এসেছেন শান্তনু, বিমলরা। আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নে তাঁরা সেদিনের ভয়াল অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। আগুনে পোড়ার  চিহ্ন তাঁদের শরীরে রয়েছে। আর চোখে মুখে স্পষ্ট রয়েছে আতঙ্কের ছাপ। কত দিনে তাঁরা ফের স্বাভাবিক হতে পারবেন তা তাঁরা জানেন না।

Aaj Khabor Desk, Tamluk, Purba Medinipur, 28/01/2026 — Survivors of the devastating fire at the Anandapur factory are still struggling to believe they are alive after narrowly escaping death. The factory reportedly turned into a death trap during the night, claiming several lives as workers were asleep, while some remain missing. Neither the police nor the fire department has been able to determine how the blaze started, and survivors say they have no memory of how the fire broke out or how they managed to escape. Injured survivors like Shantanu and Bimal have returned to their village in Tamluk and shared their horrific experiences with the media. Burn marks remain on their bodies, and fear is clearly visible on their faces as they try to recover from the trauma.


 

Loading

এসআইআর শুনানির জন্যে ফিরে এসে গণপিটুনির শিকার, মৃত্যু

এসআইআর শুনানির জন্যে বাড়ি ফিরে এসে গণপিটুনির শিকার, মৃত্যু

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শ্যামপুর , হাওড়া, ২৮/০১/২০২৬ : এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়ে বাড়ি ফিরতেই এলাকার মানুষের হাতে আক্রান্ত হলেন এক ব্যক্তি।  গণপিটুনিতে মৃত্যু হলো তাঁর।

এস আই আর এর শুনানির জন্য বাড়ি ফেরা এক ব্যক্তিকে এলাকার মানুষ ধরে বেধড়ক মারধর করেছে,  পুলিশ গণপিটুনির হাত থেকে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধর করে নিয়ে যাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় হাওড়ার শ্যামপুর থানা এলাকার মধ্য ডিহি মন্ডলঘাট এলাকায়। কেউ কেউ অভিযোগ করতে থাকে যে  পুলিশ  হেফাজতেই  ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। যদিও এই কথা মানতে একেবারেই রাজি হয় নি পুলিশ।

মৃতের নাম শেখ আজগার আলী বয়স ৩৫। জানা গিয়েছে, ডিহি মন্ডল ঘাটের ওই এলাকায় বছরখানেক আগে একটি অশান্তি হয়েছিল। সেই অশান্তির ঘটনায় আজগার এলাকার বাসিন্দা জানে আলমকে নৃশংস ভাবে অস্ত্র দিয়ে মারধর করে পালিয়ে গিয়েছিলেন । এরপর থেকেই তিনি  পলাতক ছিলেন।  কিন্তু এসআইআর শুনানির জন্য তিনি বাড়ি ফিরে আসেন।  এলাকার মানুষ তাঁকে দেখতে পেয়েই ঘিরে ধরে এবং বেধড়ক মারধর করতে থাকে। পরে পুলিশ গণপিটুনির হাত থেকে তাঁকে উদ্ধার করে।

এরপর পুলিশে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় এবং হাসপাতালেই  তিনি মারা যান। যদিও এই কথা মানতে নারাজ আজগরের পরিবার।  আজগরের পরিবারের অভিযোগ মারধরের পর পুলিশ হেফাজতেও  বেধড়ক  মারধর করা হয়েছে এবং তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।

Aaj Khabor Desk, Shyampur, Howrah, 28/01/2026 — A man was killed in an alleged mob lynching after returning home following a summons for an SIR hearing in Howrah’s Shyampur area. The deceased, identified as 35-year-old Sheikh Azgar Ali, was reportedly attacked by local residents in the Middle Dihi Mandalghat area. Police rescued him from the mob and took him into custody, after which he was admitted to hospital, where he later died. His death triggered tension, with some locals alleging custodial death, a claim strongly denied by police. According to sources, Azgar had been absconding for nearly a year after allegedly assaulting a local resident during a previous dispute. His family, however, has accused the police of beating him in custody, leading to his death.


Loading

আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডে বাড়তে পারে মৃতের সংখ্যা, এখনো নিখোঁজ অনেকে

অগ্নিকাণ্ডের-ঘটনায়-বাড়তে-পারে-মৃতের সংখ্যা

‘দাহ্যপদার্থ থাকার কারণেই আগুন ছড়িয়ে গিয়েছিল’

আজ খবর (বাংলা), ]রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,২৭/০১/২০২৬ :   কলকাতার আনন্দপুরে গতকাল যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল, সেই ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৩ থেকে বাড়তে  বলে জানা যাচ্ছে।  স্থানীয় সূত্রে অন্তত ২৪ জনের নিখোঁজ থাকার কথা বলা হচ্ছে।

সোমবার ভোর রাতে কলকাতার আনন্দপুর এলাকায় একটি কারখানায় আগুন লেগে গিয়েছিল। সেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল আশেপাশে। দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন লাগাতার চেষ্টা করে আগুন যখন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়, ততক্ষনে ঐ  গুদামে থাকা বেশ কয়েকজন মারা গিয়েছেন বলে আশঙ্কা  করা হচ্ছিল।  প্রাথমিকভাবে ৩টি অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করা গেলেও, প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে মোট আটটি দগ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আগুন-জ্বলেছে-টানা-২০-ঘণ্টা
অগ্নিদগ্ধ ঐ  গুদামে প্রচুর পরিমাণ দাহ্য পদার্থ ছিল, যার ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল।  তবে ঠিক কিভাবে  সেখানে  আগুন লেগেছিল, সেই বিষয়ে দমকল নিশ্চিতভাবে কিছু জানায় নি। এই ঘটনায় মোট ২৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় মানুষজন দাবী করেছেন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে দেখার চেষ্টা করা হচ্ছে যে সেখানে আর কোনো মৃতদেহ আটকে আছে কি না।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত  ছিলেন স্থানীয় বিডিও শিঞ্জিনী সেনগুপ্ত, তিনি বলেন, “দমকল ঘটনাস্থলে সার্চ অপারেশন চালাচ্ছে। এখনো পর্যন্ত ৩টি মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে হয়ত আরও মৃতদেহ থাকতে পারে, দমকল বাহিনী সেটা দেখছে।” ঘটনাস্থলে ছিলেন শাসক দলের মন্ত্রী অরূপ  বিশ্বাস। তিনি সেখানে উদ্ধারকাজ তদারকি করেন এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের পরিবারগুলির পাশে থাকার বার্তা দেন।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক দিন্দা। তিনি বলেন, “শাসক দলের মদতে এই অবৈধ গুদাম ও কারখানাটি তৈরি হয়েছিল। মৃত ব্যক্তিদের পরিবারগুলির পাশে আমরা আছি। তাঁদেরকে সবরকম সাহায্য করার চেষ্টা করব, এর জন্যে যদি আমাকে হাইকোর্টেও যেতে হয়, তাহলে আমি যাবো। পুলিশের থেকে নিখোঁজ ব্যক্তিদের নাম এর তালিকা চাইবো।”

Aaj Khabor Desk , Anandapur, Kolkata, 27/01/2026 : A devastating fire broke out early Monday morning at a factory-godown in Anandapur, Kolkata, raising fears that the death toll may rise beyond the three officially confirmed fatalities. Local sources claim that at least 24 people are missing. Although firefighters initially recovered three charred bodies, eyewitnesses allege that up to eight bodies were found. The fire spread rapidly due to the presence of highly flammable materials. The exact cause of the fire remains unknown. Rescue teams are continuing search operations to clear debris and locate possible trapped bodies. Local BDO Shinjini Sengupta and minister Arup Biswas supervised rescue efforts, while BJP MLA Ashok Dinda alleged the godown was illegal and demanded accountability and support for victims’ families.


Loading

বঙ্গবিভূষণের পর এবার পদ্মশ্রী পেলেন কোচবিহারের ড. মহেন্দ্রনাথ রায়

পদ্মশ্রী-পেলেন-কোচবিহার-গর্বিত-করলেন-রাজ্যকে
তাঁর সম্মানে খুশি রাজবংশী মানুষ, খুশি রাজ্যবাসী 
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] হলদিবাড়ি, কোচবিহার , ২৫/০১/২০২৬ : পদ্মশ্রী সম্মান পেলেন কোচবিহারে জেলার হলদিবাড়ির বাসিন্দা অধ্যাপক ড.  মহেন্দ্রনাথ রায়। পদ্মশ্রী প্রাপক হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা হওয়ায় আপ্লুত মহেন্দ্রবাবু।
রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেয়ে নিজের জেলা কোচবিহারকে গর্বিত করেছেন, সেই সঙ্গে সমগ্র রাজ্যের মানুষেই গর্বিত করেছেন বিজ্ঞানী মহেন্দ্রনাথ রায়।
২০২২ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে পেয়েছিলেন বঙ্গবিভূষণ সম্মান। আর এবার পদ্মশ্রী সম্মান পাচ্ছেন অধ্যাপক ড: মহেন্দ্র নাথ রায় । খুশি উত্তরবঙ্গের রাজবংশী জনজাতির মানুষ।
ড. মহেন্দ্রনাথ রায় একজন  বিজ্ঞানী, আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য। বর্তমানে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীক্ষক।
Aaj Khabor Desk, Haldibari, Coachbehar, 25/01/2026 :  Professor Dr. Mahendranath Ray, a resident of Haldibari in Cooch Behar district, has been awarded the Padma Shri, bringing pride to his district and the entire state. Expressing deep emotion after the announcement, Dr. Ray said the honor belongs to the people of Cooch Behar as much as to him. A distinguished scientist, he previously received the Banga Bibhushan award in 2022 from Chief Minister Mamata Banerjee. The Padma Shri recognition has been warmly welcomed, especially by members of the Rajbanshi community in North Bengal. Dr. Ray is a former Vice-Chancellor of Alipurduar University and is currently serving as the Chancellor (Adhikshak) of the University of North Bengal.

Loading

এসআইআর নিয়ে অসন্তোষ, রেল অবরোধ বর্ধমানে

এসএইআর  নিয়ে বিক্ষোভ, রেল অবরোধ বর্ধমানে

চলছে বিক্ষোভকারীদের সাথে আলোচনা 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ, ২৪/০১/২০২৬ : এসআইআর নিয়ে ক্ষোভ, বর্ধমান স্টেশনে রেল অবরোধ—ব্যাহত ট্রেন চলাচল।
এসআইআর হয়রানির অভিযোগে বর্ধমান স্টেশনে শনিবার দুপুরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে রেল লাইনের উপর বসে পড়েন বিক্ষোভকারীরা, কেউ কেউ শুয়েও পড়েন লাইনের উপর। আচমকা এই অবরোধে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল, চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, SIR সংক্রান্ত যাচাই ও নোটিস নিয়ে অযথা হয়রানি করা হচ্ছে। দ্রুত সমস্যা সমাধানের দাবিতে তাঁরা রেল অবরোধে বসেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রেল পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন। অবরোধ তুলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করতে দফায় দফায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
রাজ্য  জুড়ে বিভিন্ন জেলাগুলোতেও এসআইআর নিয়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রশ্ন উঠছে এই বিক্ষোভ কি স্বতঃস্ফূর্ত ? নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ? এর উত্তর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল  নানারকমভাবে ব্যাখ্যা করতে চাইছে।  কিন্তু এই ধরনের বিক্ষোভে নির্বাচন কমিশনের কাজ ব্যাহত  হচ্ছে। এসআইআর-এর কাজ ঠিকভাবে পরিচালনা করা না গেলে নির্ভুল ভোটার লিস্ট তৈরিই হবে না। আর তা না হলে নির্বাচন করাও সম্ভব হবে না। সেই অচলাবস্থা কাটাতে হয়ত শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতিকেই হস্তক্ষেপ করতে হবে পশ্চিমবঙ্গের মত রাজ্যে।
Aaj Khabor Desk — Burdwan, West Bengal, 24/01/2026 : Local residents staged a protest at Bardhaman railway station in West Bengal on Saturday afternoon, alleging harassment related to SIR verification and notices. Holding the national flag, protesters sat and lay on the railway tracks, leading to a sudden rail blockade that disrupted train services and caused severe inconvenience to passengers. The agitators demanded immediate resolution of the issue, claiming unnecessary trouble during the SIR process. Railway Police and local administration rushed to the spot to control the situation. Discussions are ongoing in phases with the protesters to lift the blockade and restore normal train operations.
This type of agitation is spreading at all over the state of West Bengal. but in this the schedule of the Election commission is being hampered. Is this disturbance intentional ?  The voter list will not be made if SIR remains incomplete. The election will not be held if the SIR is not done. What will be ultimately? The president of India has to be interfere.

Loading

ফের কলকাতায় সেনাবাহিনীর কুচকাওয়াজে গাড়ি দুর্ঘটনা

রেড-রোডে-কুচকাওয়াজের-মহড়ায়-ফের-দুর্ঘটনা

মনে করিয়ে দিল ১০ বছর আগের সেই দুর্ঘটনার কথা 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৪/০১/২০২৬ :  শনিবার সকালে রেড রোডে  প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে প্যারেড চলাকালীন ফের দুর্ঘটনা ঘটে গেলো।  একটি বেপরোয়া গাড়ি দ্রুতগতিতে এসে সজোরে ধাক্কা মারলো পুলিশের গার্ড রেলিংয়ে।

আগামী পরশু গোটা দেশে উদযাপিত হবে প্রজাতন্ত্র দিবস। কলকাতার রেড রোডে তাই প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সেনাবাহিনীর প্যারেড চলছিল। করা হচ্ছিল কুচকাওয়াজের মহড়া। সেই মহড়া চলাকালীনই একটি বিলাসবহুল গাড়ি দ্রুতগতিতে ছুটে আসে রেড রোডে  মহড়ার জায়গায়। পুলিশ ঐ  গাড়িটিকে আটকাতে গেলে সেই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে রাখা একটি গার্ড রেলে  গিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে।  এই ঘটনায় রেড রোডের প্যারেড নিয়ে নিরাপত্তার প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।
গাড়ি ও চালককে আটক করেছে ময়দান থানা
বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটলেও এদিন দুর্ঘটনার জেরে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় সেনাবাহিনীর মহড়া। গাড়িটিকে আটক করেছে ময়দান থানার পুলিশ। আটক করা হয়েছে গাড়ির চালককেও। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দেখা গিয়েছে কালো রঙের ঐ  এস্কোডা অক্টাভিয়া গাড়িটির দূষণ ও বীমা সংক্রান্ত মেয়াদ উত্তির্ণ হয়েছে অনেক আগেই। সম্ভবত সেই কারণেই  পুলিশ আটকাতে গেলে চালক পালানোর চেষ্টা করছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন ঐ  গাড়িতে তিন চারজন অল্প বয়সী ছেলে ছিল। গাড়িটি রেড রোডের দিক থেকে পার্ক স্ট্রিটের দিকে যাচ্ছিল। পুলিশ আটকাতে গেলে সেটি পালাতে গিয়ে গার্ড রেলিংএ  ধাক্কা মারে। গাড়িটির সামনের দিকটি ভেঙে গিয়েছে।
এই ঘটনা দশ বছর আগে আরও একটি ঘটনাকে মনে করিয়ে দেয়। ২০১৬ সালের ১৩ই জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের মহড়া চলাকালীন একটি অডি  গাড়ি দ্রুতগতিতে এসে ঢুকে পড়েছিল সেনাবাহিনীর প্যারেডে। ঐ  ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন সেনাবাহিনীর এক তরুণ জওয়ান। এবারেও প্রায় একই ঘটনা ঘটে গিয়েছে।  এই কারণেই রেড রোডে সেনাবাহিনীর কুচকাওয়াজের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।  প্রশ্ন উঠেছে কেন এই ধরনের ঘটনা বার বার ঘটছে ?

Aaj Khabor Desk – Kolkata, West Bengal | January 24, 2026 — A security scare occurred on Saturday morning at Red Road in Kolkata during a rehearsal for the Republic Day parade. A speeding luxury car entered the parade zone and rammed into a police guard railing while attempting to evade interception. The incident led to the temporary suspension of the army’s parade rehearsal.

Police from Maidan police station detained the vehicle and its driver for questioning. Authorities found that the black Skoda Octavia involved had expired insurance and pollution certificates. Eyewitnesses reported that three to four young men were inside the car, which was heading towards Park Street when it lost control and crashed. Though no casualties were reported, the incident has raised serious concerns over security arrangements at Red Road ahead of Republic Day celebrations.


Loading

শিলিগুড়িতে যানজট কাটাতে এবার প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হল

ট্রাফিকে নানারকম অসঙ্গতি ধরা পড়ল পাঠ্য দিনেই 

 আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ২১/০১/২০২৬ : শহরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবার ড্রোনে চোখ,যানজট কমাতে শিলিগুড়িতে হাইটেক ট্রাফিক অভিযান।

শহরের ক্রমবর্ধমান যানজট সামাল দিতে প্রযুক্তিনির্ভর পথে হাঁটল শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের ট্রাফিক বিভাগ। বুধবার ড্রোন ক্যামেরার সাহায্যে শহরের ব্যস্ততম রাস্তাগুলিতে নজরদারি চালিয়ে যান চলাচলের বাস্তব চিত্র খতিয়ে দেখা হয়। দার্জিলিং মোড় থেকে জংশন,  চম্পাসারি,  দাগাপুর ও সিটি সেন্টার-এই বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে চলে বিশেষ অভিযান।

ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) কাজী সামসুদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে শহরের জাতীয় সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলির ওপর বিশেষ নজর রাখা হয়।ড্রোন ফুটেজে ধরা পড়ে একাধিক ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের ছবি। জাতীয় সড়কে বেআইনিভাবে টোটো চলাচল, মোটরসাইকেল আরোহীদের লেন ভাঙা ও বেপরোয়া চালনা-এসব কারণেই মূলত যানজট বাড়ছে বলে চিহ্নিত করা হয়।এর জেরে অভিযানের প্রথম দিনই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

নিয়ম ভাঙায় টোটো চালকদের জরিমানা করা হয়, মোটরসাইকেল চালকদের বিরুদ্ধে কাটা হয় চালান।পাশাপাশি পথচারীদেরও ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে নিরাপদে রাস্তা পারাপারের পরামর্শ দেওয়া হয়।সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ডিসিপি ট্রাফিক কাজী সামসুদ্দিন আহম্মেদ জানান,  দিনে প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর ড্রোন ফুটেজ সংগ্রহ করে যানজটের প্রকৃত কারণ বিশ্লেষণ করা হবে।  একই সঙ্গে চম্পাসারি থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত টোটো চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট করে বলে দেন। শিলিগুড়ি শহরে যান জোট কাটাতে এক গুচ্ছ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।


 

Loading

সন্মানজনক বেতন কাঠামোর দাবীতে শিক্ষকদের ধর্ণা নবান্নের সামনে

গত ১২ বছরে এক পয়সাও বেতন বাড়ে নি 

আজ খবর (বাংলা) (রাজ্য), হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০১/২০২৬ : ইউনাইটেড ওয়েস্ট বেঙ্গল  এনএসকিউএফ টিচার্স এসোসিয়েশনের ডাকে নবান্নের সামনে ধরনা। আজ সকাল থেকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে মন্দিরতলা বাস স্ট্যান্ডে ধর্না এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন কারিগরি শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকরা।

এজেন্সি প্রথার অপসারণ, বেতন বৃদ্ধি ও সম্মানজনক বেতন কাঠামো এবং চাকরিতে নিরাপত্তার দাবিতে মন্দিরতলা বাস স্ট্যান্ডে  কারিগরি বিষয়ে শিক্ষকদের সারাদিনব্যাপী ধরনা। নবম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত এই কারিগরি শিক্ষকদের অভিযোগ তারা এজেন্সির অধীনে অস্থায়ী চাকরি করেন। তারা শিক্ষা দপ্তরের অধীনে কাজ করলেও তাদের কারিগরি শিক্ষা দপ্তরে অধীনে রাখা হয়েছে।

গত বারো বছরে তাদের এক পয়সা বেতন বৃদ্ধি হয়নি। তাদের বেতনের কোন কাঠামো নেই। শুধু তাই নয় তাদের চাকরিতেও কোন নিরাপত্তা নেই। বারবার এই বিষয়ে শিক্ষকরা রাজ্য সরকারকে জানালেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এরই প্রতিবাদে তারা নবান্নের সামনে ধর্নায় বসেছেন। তারা চাইছেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাদের সমস্যা খুলে বলতে। এই ব্যাপারে তারা নবান্নের সচিবালয়ে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।


 

Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor