তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ বারাসাতের কাছারি ময়দান থেকে কি বার্তা দেন তা শুনতে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নদীপথে নৌকায় চেপে মানুষ আসছেন কাতারে কাতারে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], সুন্দরবন, উত্তর ২৪ পরগণা , ১৯/০১/২০২৬ : সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নদী পথে নৌকা চেপে বারাসাতের কাছারি ময়দানে অভিষেকের জনসভায় তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা ভীড় করছেন।
উত্তর ২৪ পরগনা বসিরহাট মহকুমার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের সাহেব খালি দুলদুলি গোবিন্দ কাটি কালিতলা একাধিক পঞ্চায়েতের তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা ভোর হতেই অভিষেকের সভায় প্রত্যন্ত সুন্দর বন এলাকা থেকে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা নদীপথে নৌকা চেপে লেবুখালী বাস স্ট্যান্ড থেকে বাসে করে বারাসাতের কাছারি ময়দানে অভিষেকের জনসভায় তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।
২৬ নির্বাচনের আগে আজ বারাসাত কাছারি ময়দানের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কি বার্তা দেন, সেদিকেই লক্ষ্য রেখে কর্মী সমর্থকরা আজকের এই সভায় তারা রওনা দিলেন । আগামী ২৬ এর নির্বাচনের জন্যে দল যাকে যেভাবে কাজে লাগাতে চাইবে, সে সেই কাজে ঝাঁপিয়ে পড়বে। দলের বার্তা পৌঁছে দেবে সুন্দরবনের কোনায় কোনায়, এমনটাই জানালেন তাঁরা।
আজ খবর (বাংলা) [আন্তর্জাতিক] ঢাকা, বাংলাদেশ, ১৯/০১/২০২৬ : বাংলাদেশ ফের একবার দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্ত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে চীনের দিকে. চীনও সেই বন্ধুত্ব স্বীকার করে এক ধাপ এগিয়ে গিয়েছে বাংলাদেশের দিকে।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে যে বাংলাশদেশে কর্মরত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। গোপন ঐ বৈঠকে দুই দেশ নিজেদের স্বার্থে নানারকম সুযোগ সুবিধা আদান প্রদানের কথা লোচনা করেছেন বলে জানা যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে এই বৈঠককে বাংলাদেশ অবশ্য সৌজন্যমূলক বলে আখ্যা দিয়েছে। তবে ইদানিং দুই দেশের গতিবিধি থেকে এটা স্পষ্ট যে ঐ দুই দেশ নিজেদের মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদি বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধনে আবদ্ধ হতে বদ্ধ পরিকর হয়ে উঠেছে। ঐ বৈঠকে তিস্তা নদী ও প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। চীন প্রতিনিধি দল তিস্তা প্রকল্পের জায়গাগুলি ঘুরে দেখবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
চীনের সাথে বাংলাদেশের বৈঠকে চিকেনস নেক এবং ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমানা নিয়েও কিছু কথা হয়ে থাকতে পারে। পুরো বিষয়টির ওপর নজর রাখছে ভারত। নিরাপত্তার দিক থেকে সর্বোচ্য সতর্কতা নিয়েছে ভারত সরকার। আর কিছুদিন পরেই দেশ উদযাপন করবে প্রজাতন্ত্র দিবস। তার আগেই চূড়ান্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে চাইছে ভারত।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] বাদুড়িয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, ১৮/০১/২০২৬ : রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে SIR হয়রানি নিয়ে রাস্তা অবরোধ গ্রামবাসীদের, অভিযোগ ৯০০ ভোটারের মধ্যে ৪৭৫ ভোটারকে হিয়ারিং এর নোটিশ, তারই প্রতিবাদে এই রাস্তা অবরোধ। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা।
বাদুড়িয়ার শিমুলতলা এলাকার ঘটনা । মসলন্দপুর বসিরহাট রোডের শিমুলতলা এলাকায় রাস্তা অবরোধ করেন গ্রামবাসীরা । বিক্ষোভকারীদের যেটা অভিযোগ তা হল – SIR এর নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে ইলেকশন কমিশন । ৯০০ ভোটারের মধ্যে ৪৭৫ জন ভোটারকে বারবার নোটিশ দেওয়া হচ্ছে । সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ তারা রুজি-রুটির দায়ে কাজকর্ম করবে, নাকি বারবার শুনানিতে যাবে। এই নিয়ে বিক্ষোভ চরমে ওঠে।
তারই প্রতিবাদে আজকে এই রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হল। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এলাকায়। ঘটনাস্থলে মোতায়েন ছিল বাদুড়িয়া থানার পুলিশ।
রবিবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চাপড়া বিধানসভা কেন্দ্রে রোডশো করায় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা তীব্র হয়। রোডশোটি চাপড়া বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত শ্রীনগর মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হেলিকপ্টারে করে চাপড়ায় আসেন এবং তারপর শ্রীনগর মোড় থেকে রোডশো শুরু করেন। রোডশো শেষে তিনি রাস্তার ধারে একটি জনসভায় ভাষণ দেন, যেখানে তিনি বিজেপির তীব্র সমালোচনা করেন।
চাপড়ার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় ভাষণ দেওয়ার সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভগবদ গীতার একটি শ্লোক আবৃত্তি করেন। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গকে তার ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগও তোলেন। তিনি বলেন, “গণবন্টন ব্যবস্থা (রেশন) থেকে শুরু করে আবাসন প্রকল্প পর্যন্ত, রাজ্য সরকারই মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় পরিষেবা প্রদান করছে, অথচ কেন্দ্র বিভিন্নভাবে বাংলাকে বঞ্চিত করছে।”
তাঁর ভাষণে তিনি রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগগুলোও তুলে ধরেন। এই কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] নাগরাকাটা, জলপাইগুড়ি, ১৮/০১/২০২৬ : চা-বলয় এলাকায় রাজনৈতিক রদবদলের ছবি ধরা পড়ল। এসসি, ওবিসি সংগঠনের উদ্যোগে প্রায় ১৫ টি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিল।
জলপাইগুড়ি নাগরাকাটায় আয়োজিত এক সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস জেলা এসসি ও ওবিসি সংগঠনের সভাপতি এস আই আর নিয়ে ফের কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন। এসসি, ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস বলেন, “এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থবিরোধী।”
পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, “বিজেপি ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতি করছে।” ওই সভায় আরও জানানো হয়, যে তৃণমূলের সংগঠন মজবুত করতে বিভিন্ন ব্লকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কৃষ্ণ দাসকে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসকে জয়ী করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন তিনি।
আজ খবর (বাংলা) [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ১৭/০১/২০২৬ : ভারতের ইন্টেলিজেন্স সূত্রে খবর আসছে আগামী প্রজাততন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে জঙ্গীরা দেশের কোনো একটি জায়গাকে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নিতে পারে। নাশকতার চেষ্টা হতে পারে দেশের যে কোনো জায়গায়।
প্রতি বছরই ভারত প্রজাতন্ত্র দিবস ও স্বাধীনতা দিবসের আগে একটা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বিভিন্ন রাজ্যে রেড এলার্ট জারি করা হয় । নজরদারি বাড়ানো হয় ব্যাপকভাবে। তবে এই বছর ভারতীয় গোয়েন্দাদের কাছে নিশ্চয়ই কোন লাল সংকেত এসে পৌঁছেছে যার জন্যে অতিরিক্ত সতর্কতা গ্রহণ করতে হচ্ছে ভারতীয় নিরাপত্তা কর্মীদের।
আর কিছুদিন পরেই দিল্লীতে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে। সেই উপলক্ষে সেখানে হাজির থাকবেন দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও অন্যান্য মন্ত্রী ভিআইপিরা। উপস্থিত থাকবেন দেশ বিদেশের অভ্যগতরা। এই ধরনের একটা জমায়েতের ওপর আঘাত হানতে তৎপর হয়ে উঠেছে দেশের শত্রু উগ্রপন্থীরা, এমন একটা আন্দাজ করা হচ্ছে। সেই কারণেই রাজধানী দিল্লী তো বটেই দেশের অন্যান্য প্রান্তেও কড়া সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। বিশেষ নজর রাখা হয়েছে রেল , বিমান ও মেট্রোর দিকে। রেল স্টেশনগুলিতেও নজরদারি কঠোর করা হয়েছে।
ভারতের ইন্টেলিজেন্স মনে করছে খালিস্তানি জঙ্গী অথবা বাংলাদেশী কোনো সন্ত্রাসবাদী দল এর তরফ থেকে আঘাত আসতে চলেছে প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে। সেই অনুযায়ী গোটা দেশেই চূড়ান্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বলা হচ্ছে, জঙ্গীরা হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান এবং দিল্লী অঞ্চলে যথেষ্ট সক্রিয় রয়েছে। এই জায়গাগুলির জনাকীর্ণ অঞ্চলগুলিতে ইতিমধ্যেই মক ড্রিল করে নেওয়া হয়েছে।
ভোটের মুখে এই মামলা নিয়ে কি ঝামেলায় পড়তে চলেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ? আসন্ন ভোটে কি প্রভাব ফেলবে এই মামলা ? সুচিন্তিত মতামত দিন আপনারা
আজ খবর (বাংলা) [দেশ], নতুন দিল্লী ,ভারত, ১৫/০১/২০২৬ : কলকাতায় রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালানোর সময় চূড়ান্তভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এবার সুপ্রীম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। অভিযোগ আনা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের উর্দ্ধতম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
গত ৮ই জানুয়ারি ইডি আধিকারিকরা যখন কলকাতায় প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছিল, সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাদা পোশাকে থাকা পুলিশ আধিকারিকদের নিয়ে সেই তল্লাশি অভিযানে পৌঁছে যান এবং তল্লাশিতে ব্যাঘাত ঘটান বলে অভিযোগ তুলেছে ইডি। অভিযোগে বলা হয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী ও ঐ পুলিশ আধিকারিকরা বেশ কিছু ফাইল ও তথ্য জোর করে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।
এই ঘটনার পর ইডির তরফে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হলেও মামলা কক্ষে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলার দরুন সেদিন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ মামলা মুলতুবি করে দিয়েছিলেন। এরপরেই ইডি সুপ্রীম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। এদিকে হাইকোর্ট এবং সুপ্রীম কোর্টে একই মামলার তারিখ একই দিনে পড়ে যাওয়ায় হাইকোর্টে মামলা খারিজ হয়ে যায়। সেদিনের সেই ঘটনা রাজ্যবাসীর মনে নানান প্রশ্নের সঞ্চার ঘটিয়েছে। বহু মানুষ সোশ্যাল মিডিয়াতে সোচ্চার হয়েছেন। চলেছে দোষারোপ আর পাল্টা দোষারোপের বিশাল অধ্যায়।
ইডি এই মামলা সুপ্রীম কোর্টে সরিয়ে নিয়ে গেছে। সুতরাং হাইকোর্টের মত আর বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ার সুযোগ রইলো না। ইডির বক্তব্য ছিল ‘সেদিন শাসক দলের মদতেই আদালত কক্ষে ইচ্ছাকৃতভাবে হৈ হট্টগোল করা হয়েছিল। যাতে ঐ দিন শুনানি বানচাল হয়ে যায়। যদি তাই ঘটে থাকে, তাহলে দেশের শীর্ষ আদালতে অবশ্য সেই সুযোগ পাবেন না রাজ্যের শাসক দলের আইনজীবীরা। ইডির তরফ থেকে ৮ তারিখে ইডির তল্লাশি অভিযানে যে সব উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের উপস্থিতির কারনে অভিযান বানচাল করার চেস্টা করা হয়েছিল বলে বলা হয়েছে, সেইসব অফিসারদেকে বরখাস্ত করার আবেদন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিটি ঐ পুলিশ কর্মকর্তাদের যাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে থাকা নির্দিষ্ট দপ্তর বিভাগীয় তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয় , তার জন্যে সুপারিশ করেছে।
আজ এই মামলাটি সুপ্রীম কোর্টে উঠেছে। ডিজিপি রাজীব কুমার এবং পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার ভার্মার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে গুরুতর বলে অভিহিত করেছে শীর্ষ আদালত। তৃণমূলের তরফ থেকে আবেদন জানিয়ে বলা হয়েছে যে ইডি তৃণমূল কংগ্রেসের যে নথী বাজেয়াপ্ত করেছিল তা অত্যন্ত গোপন তথ্য সম্বলিত। তাই সেই নথীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হোক। এদিকে ইডির তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এমন কোনো নথী তারা বাজেয়াপ্ত করেনি।
এই মামলার পরবর্তী তারিখ পড়েছে ফেব্রুয়ারি মাসের ৩ তারিখে। এই দিন পর্যন্ত ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর এর ওপর স্টে অর্ডার দিয়েছেন মহামান্য আদালত। জানানো হয়েছে সব রকম এভিডেন্স এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করার জন্যে। তবে ঘটনার দিন তল্লাশি চালানোর জন্যে স্থানীয় থানায় কোনো তথ্য দেয় নি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মামলা যে দিকে আর যেভাবে এগোচ্ছে তাতে করে রাজ্যের পুলিশ কর্তারা কি আগামী দিনে বিপদে পড়ে যাবেন ? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গায়েও কি মামলার কোনো আঁচ এসে লাগবে ? এদিকে সামনেই রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। উঠছে হাজারো প্রশ্ন।
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ১২/০১/২০২৬ : জার্মানির চ্যান্সেলর মার্টজ এর মাধ্যস্থতায় জার্মান ব্যবসায়ীদের সাথে বাণিজ্যের নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রশংসা করলেন ইনতুন বন্ধুত্বের।
এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার বন্ধু, চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মার্ৎজ, দুই দেশের প্রতিনিধিরা, সংবাদমাধ্যমের বন্ধুরা, নমস্কার! গ্যুটেন টাগ (শুভদিন)!
আজ স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে চ্যান্সেলর মার্ৎজ-কে ভারতে স্বাগত জানাতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এ এক দারুণ সুযোগ। স্বামী বিবেকানন্দ ভারত এবং জার্মানির মধ্যে দর্শন, জ্ঞান ও আত্মার এক সেতুবন্ধ গড়ে তুলেছিলেন। আজ চ্যান্সেলর মার্ৎজ-এর এই সফর সেই সেতুকেই আরও শক্তিশালী করেছে, নতুন বিশ্বাস এবং নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। চ্যান্সেলর হিসেবে এটি ওঁর শুধু প্রথম ভারত সফর নয়, এশিয়াতেও প্রথম সফর। এর থেকে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয় যে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে উনি কতটা গুরুত্ব দেন। ওঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও অঙ্গীকারের জন্য আমি ধন্যবাদ জানাই। ভারত, জার্মানির সঙ্গে তার সৌহার্দ্য ও অংশীদারিত্বের সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। গুজরাটি ভাষায় আমরা বলি – ‘আবকারো মিঠো আপজে রে’ অর্থাৎ, ভালোবাসা এবং আন্তরিকতার মাধ্যমে স্বাগত জানানো। এই ভাবনাকে পাথেয় করে আমরা চ্যান্সেলর মার্ৎজ-কে ভারতে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
বন্ধুগণ,
চ্যান্সেলর মার্ৎজ-এর এই সফর বিশেষ এক সময়ে হচ্ছে। গত বছর আমরা আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্কের ২৫ বছর পূর্ণ করেছি। আর এ বছর আমরা কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর উদযাপন করছি। কালের সময়ে এই মাইলফলক আমাদের অংশীদারিত্বকে প্রকৃত অর্থে গুরুত্বপূর্ণ, পারস্পরিক বিশ্বাস, আস্থা এবং প্রতিনিয়ত ক্ষমতায়নের সঙ্গে শক্তিশালী করার প্রতীক হয়ে উঠেছে। ভারত ও জার্মানির মতো দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণি্জ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন শক্তি অর্জন করেছে। আমাদের দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। এর পরিমাণ ৫ হাজার কোটি ডলার অতিক্রম করেছে। দু’হাজারের বেশি জার্মান সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তাদের অটুট বিশ্বাস ও আস্থা প্রতিফলিত হয়েছে। পাশাপাশি, এ দেশের সঙ্গে সুসম্পর্কও প্রতিফলিত হচ্ছে। আজ সকালে ভারত-জার্মানির মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিকদের ফোরামে সেই ছবিই ফুটে উঠেছে।
ভারত এবং জার্মানির মধ্যে প্রযুক্তি সংক্রান্ত সহযোগিতা প্রতি বছর শক্তিশালী হচ্ছে। আজ তার প্রভাব তৃণমূলস্তরে স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে। পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রকে ভারত ও জার্মানি সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য আমরা ইন্ডিয়া-জার্মানি সেন্টার অফ এক্সেলেন্স গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই কেন্দ্র অর্জিত জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের এক শক্তিশালী মঞ্চ হয়ে উঠবে। আমরা জলবায়ু, শক্তি, নগরোন্নয়ন এবং শহরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার মতো ক্ষেত্রে নতুন নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরিবেশ-বান্ধব হাইড্রোজেন নিয়ে উভয় দেশের সংস্থাগুলি নতুন এক মেগা প্রোজেক্ট করবে। এই প্রকল্প ভবিষ্যতে জ্বালানির ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী বলে বিবেচিত হবে। ভারত এবং জার্মানি সুরক্ষিত, ভরসাযোগ্য এবং প্রাণবন্ত এক সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তুলতে একযোগে কাজ করছে। এইসব বিষয় নিয়ে আজ যেসব সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার মধ্য দিয়ে আমাদের দুই দেশের সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে এবং তা নতুন গতি পাবে।
প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা আমাদের পারস্পরিক আস্থার প্রতীক। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংক্রান্ত ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত প্রক্রিয়াগুলিকে সহজ-সরল করার জন্য আমি চ্যান্সেলর মার্ৎজ-এর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য নতুন একটি রোডম্যাপ নিয়ে কাজ করছি, যেখানে একসঙ্গে পরিকল্পনা এবং উৎপাদনের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
ভারত এবং জার্মানির জনসাধারণের মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে যোগসূত্র রয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর লেখার মাধ্যমে জার্মানির বুদ্ধিজীবী মহলকে আমাদের কাছে নতুনভাবে পরিচয় করিয়েছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দের ভাবনা জার্মানি সহ পুরো ইউরোপকে প্রভাবিত করেছিল এবং ম্যাডাম কামা জার্মানিতে প্রথমবার ভারতের স্বাধীনতার জন্য পতাকা তুলেছিলেন। এর মধ্য দিয়ে আমাদের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে সারা বিশ্ব পরিচিত হয়েছিল। আজ আমরা ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতাকে যুক্ত করতে উদ্যোগী হয়েছি। অভিবাসন, যাতায়াত এবং দক্ষতা বৃদ্ধির মতো ক্ষেত্রগুলিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভারতের প্রতিভাবান যুবশক্তি জার্মানির আর্থিক ব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক স্তরে দক্ষতা সংক্রান্ত অংশীদারিত্বের জন্য যে যৌথ ইচ্ছাপত্র ঘোষিত হয়েছে, তা আসলে ভারতের প্রতি আস্থার প্রতীক। এর ফলে, স্বাস্থ্যক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত পেশাদার ব্যক্তিদের বিশেষ সুবিধা হবে। আজ আমরা ক্রীড়াক্ষেত্রে আরও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য উদ্যোগী হয়েছি। এটি যুবশক্তির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠবে। আজ উচ্চশিক্ষার জন্য সর্বাঙ্গীণ এক রোডম্যাপ তৈরির মধ্য দিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে আমাদের অংশীদারিত্ব নতুন দিশা দেখাবে। আমি জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ভারতে তাদের ক্যাম্পাস খোলার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা-ফ্রি ট্রানজিটের যে ঘোষণা করা হয়েছে, তার জন্য আমি চ্যান্সেলর মার্ৎজ-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করছি। এর ফলে, দু’দেশের জনসাধারণের মধ্যে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে। গুজরাটের লোথালে ন্যাশনাল মেরিটাইম হেরিটেজ কমপ্লেক্স তৈরি করা হচ্ছে। এখানে জার্মানি মেরিটাইম মিউজিয়াম যুক্ত হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। দুটি দেশের সামুদ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যের ইতিহাসকে যুক্ত করার এ এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। চিরায়ত ওষুধ ও চিকিৎসার বিষয়ে গুজরাট আয়ুর্বেদিক ইউনিভার্সিটি জার্মানির সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা গড়ে তুলেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আজ যে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে তার ফলে আমাদের সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে।
ভারত এবং জার্মানি সব সময়েই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলে। আমাদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আন্তর্জাতিক স্তরে প্রতিফলিত হয়। ঘানা, ক্যামেরুন এবং মালাউয়ি-র মতো দেশগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ আমাদের ত্রিপাক্ষিক উন্নয়ন সংক্রান্ত অংশীদারিত্বকে সারা পৃথিবীর কাছে এক সফল মডেল হিসেবে পরিচিত করেছে। আমরা, দক্ষিণী বিশ্বের দেশগুলির উন্নয়নের জন্য আমাদের নিজস্ব উদ্যোগ নিয়ে নানা ধরনের কাজ করে চলেছি। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে উভয় দেশই অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য আমরা একটি মতবিনিময় ব্যবস্থাপনা শুরু করতে চলেছি। আজ আমরা ইউক্রেন এবং গাজা সহ আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। ভারত প্রতিটি সমস্যা ও বিবাদের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে, আর এই লক্ষ্যে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়, সেই সমস্ত উদ্যোগকে আমরা সমর্থন করি। জঙ্গিবাদ মানবজাতির কাছে একটি বড় সমস্যা – এই বিষয়টিতে আমরা সহমত পোষণ করি। ভারত এবং জার্মানি এর বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই অব্যাহত রাখবে। ভারত এবং জার্মানি আন্তর্জাতিক স্তরের নানান চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংস্কারের বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে থাকে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের জন্য জি-৪-এর মাধ্যমে আমরা যৌথভাবে উদ্যোগী হয়েছি।
১৪০ কোটি ভারতবাসীর পক্ষে আমি আরও একবার আপনাকে ভারতে আন্তরিক স্বাগত জানাই। আমি মনে করি, আজ আমাদের মধ্যে যে আলোচনা হয়েছে তা ভারত-জার্মানি অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে নতুন শক্তি যোগাবে এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে। আপনার সফর, ব্যক্তিগতভাবে আপনার উদ্যোগ এবং ভারতের প্রতি আপনার আন্তরিক বন্ধুত্বের জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ জানাই।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ০৬/০১/২০২৬ : শিলিগুড়ি শহরে এবার কঠোর অবস্থান নিল ট্রাফিক পুলিশ। বেআইনিভাবে গাড়ি চালানোর অভিযোগে একের পর এক বাইকচালককে জরিমানা করতে দেখা গেল শিলিগুড়ির ট্রাফিক পুলিশকে।
শিলিগুড়ি শহরের বাইক চালকরা অনেকেই নিয়ম মেনে বাইক , চালান না, হেলমেট পড়েন না, অনেক সময় নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করেন না। এই ধরনের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যেত। এর আগে বারংবার সতর্ক করা হয়েছে তাঁদের, কিন্তু কোনো কিছুতেই যেন কোনো কাজ হচ্ছিল না। এবার কিন্তু এই বেপরোয়া বাইক চালকদের বিরুদ্ধে কড়া মনোভাব নিল শিলিগুড়ির ট্রাফিক পুলিশ।
আজ শিলিগুড়ির আশিঘর মোড়ে বাইক ধরতে দেখা গেল ট্রাফিক পুলিশকে। বেশিরভাগ বাইকচালকই হেলমেট ছাড়া বাইক চালাচ্ছিলেন। হেলমেট না পড়ার জন্যে নানাজন নানারকম অজুহাত দেখাচ্ছিলেন। তাঁদের সকলকেই জরিমানা করা হয়েছে। একজন নাবালক চালককে ৬ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। একজন একটি বন্ধকী বাইক চালাচ্ছিলেন, বাইকটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], হরিদ্বার ও প্রয়াগরাজ, উত্তরাখন্ড ও উত্তরপ্রদেশ, ০৩/০১/২০২৬ : পৌষ পূর্ণিমা উপলক্ষে আজ প্রচুর মানুষ হরিদ্বারে গঙ্গায় ডুব দিয়েছেন, সেই সাথে সকাল আটটা পর্যন্ত প্রয়াগরাজের সঙ্গমে অন্তত সাড়ে ছয় লক্ষ মানুষ পুণ্য স্নান সেরেছেন।
পৌষ পূর্ণিমা উপলক্ষে আজ উত্তরাখন্ডের হরিদ্বারে অসংখ্য ভক্তের সমাগম হয়েছে। প্রচুর মানুষ আজ গঙ্গার ঘাটগুলিতে পূজা অর্চনা সেরে ডুব দিয়েছেন পবিত্র গঙ্গা নদীতে। গতকাল রাত্রি থেকেই পুণ্যার্থীরা হরিদ্বারে আসতে শুরু করেছিলেন, সারারাত্রি যাত্রীদের এই আগমন হতে থেকেছে এই শহরে। আজ পুন্য স্নানের দিন ছিল এবং শিবরাত্রি পর্যন্ত আরও কয়েকটি পুন্য স্নানের দিন থাকছে, সেই দিনগুলিতেও হরিদ্বারে ব্যাপক ভীড় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
হরিদ্বারের মত প্রচন্ড ভীড় হয়েছে উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে। এখানে আজ সকাল আটটা পর্যন্ত সাড়ে ছয় লক্ষ পুণ্যার্থী স্নান সেরেছেন বলে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে। প্রয়াগরাজে আজ থেকেই শুরু হয়ে গেলো মাঘ মেলা। গোটা মাঘ মাস জুড়েই চলবে এই মেলা। তারপর শিবরাত্রিতে সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে। গোটা মাঘ মাস জুড়েই থাকবে বেশ কয়েকটি দিনে পুন্য স্নান, সেইমত পুণ্যার্থীদের ভীড় হবে প্রয়াগরাজের সঙ্গমে। পুন্য স্নানকে ঘিরে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে ঘিরে ফেলা হয়েছে প্রয়াগরাজ শহরকে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনীকে।