ময়নাগুড়িতে পদ্মে ভাঙ্গন। শক্তি বাড়ল ঘাসফুলের। এদিন বিজেপি ছেড়ে প্রায় ৫০ জন বিজেপি কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগদান করলেন। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি বিধানসভার চূড়াভান্ডার অঞ্চলে একই বুথের দুই জায়গা থেকে প্রায় ৫০ জন বিজেপি কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগদান করেন বলে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে।
জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রামমোহন রায়ের হাত থেকে এই পতাকা তুলে নেন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। সামনেই ২০২৬ বিধানসভা ভোট, আর এই যোগদানে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে বিজেপি। তবে এই যোগদানকে তীব্র কটাক্ষা করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির বক্তব্য “এই ধরনের খবর বিজেপি নেতৃত্বের জানা নেই।” তৃণমূল কর্মীদের কেউ তৃণমূলে যোগদান করিয়ে প্রচারে আসার চেষ্টা করছে বলে কটাক্ষ বিজেপির। আর এতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], শান্তিপুর,নদীয়া, ২৯/১২/২০২৫ : নদীয়ার শান্তিপুরে এক একজন যুবতী নিজেকে দাবি করছেন যে তিনি নদিয়া জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্য। ইতিমধ্যে সে খবর বাইরে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
জানা যায়, গত ২৫শে ডিসেম্বর বড়দিন উপলক্ষে নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের বাগাছরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ষষ্ঠিতলা এলাকার বাসিন্দা প্রিয়া সরকার নামে এক মহিলা বাচ্চাদের নিয়ে একটি মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করেছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে নদীয়া জেলার ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস থেকে শুরু করে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী, শান্তিপুর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সন্দীপ ঘোষ, সহ একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিকে এবং প্রশাসনিক কর্তাদের আমন্ত্রণপত্রে নাম দিয়ে আমন্ত্রণ করেছিলেন।
সেক্ষেত্রে আমন্ত্রণপত্রে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছবি ছিল। অনুষ্ঠানের জন্য দু রকমের আমন্ত্রণপত্র তৈরি করা হয়েছিল একটিতে তিনি নিজেকে ‘সমাজ সেবিকা’ বলে উল্লেখ করলেও অপর আরেকটি আমন্ত্রণপত্রে তিনি নিজেকে নদিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্যাবলে দাবি করেছেন। আর এতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওই মহিলা প্রিয়া বিশ্বাস সাংবাদিকদের জানান তিনি মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের নদীয়া জেলার কোর কমিটির সদস্যা। এরপরেই শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ককে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান নদীয়া জেলায় এই রকমের কোন কোর কমিটি আছে বলে তাঁর জানা নেই। যদিও ওই মহিলাকে তিনি বিশেষভাবে চেনেন না, তবে দু:স্থ বাচ্চাদের পাশে থেকে মধ্যাহ্ন ভোজনের যে কাজ তিনি করেছেন সে কারণে তাই সেই আমন্ত্রণপত্র বিধায়ককে যেটা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কোর কমিটি বলে উল্লেখ নেই. তবে সাংবাদিকদের একটি চিঠি তিনি দিয়েছেন যেখানে কোর কমিটি বলে উল্লেখ রয়েছে। বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন এবং ওই মহিলাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করবেন বলে জানিয়েছেন।
যদিও ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের শাসকদলকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে বিরোধীদল বিজেপি। রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার এ প্রসঙ্গে জানান তৃণমূল কংগ্রেসের এটাই হচ্ছে নিয়ম; এক একজন একই পদের জন্য বিভিন্ন সময় নিজেদের সেই পদের দাবিদার বলে উল্লেখ করেন। পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সমস্ত জায়গাতে এইরকম পদ ভাঙিয়ে দুর্নীতি করতে সচেষ্ট হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী হোক বা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জন সেবামূলক কাজে যে কেউ তাদের ছবি ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু কোন রাজনৈতিক বিষয়ে কোনোভাবেই অনুমতি ছাড়া কারোর ছবি লাগানো উচিত নয়।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ২৯/১২/২০২৫ : শিলিগুড়িতে ৫ হাজার চা শ্রমিক যোগদান করলো ভাড়াটিয়া জনতা পার্টিতে। উত্তরবঙ্গে আরও শক্তি বাড়লো বিজেপির।
বিধানসভা ভোটের আগে উত্তরবঙ্গে বিজেপিতে ৫ হাজারের বেশি চা ও কারখানা শ্রমিকদের যোগদান।বিধানসভা নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গে শক্তি বাড়ালো বিজেপি। রবিবার শিলিগুড়ির মাল্লাগুড়িতে অবস্থিত বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে এক যোগদান সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ছেড়ে প্রায় ৫হাজারের বেশি চা বাগান ও কারখানার শ্রমিক বিজেপিতে যোগ যোগদান করেন।বিভিন্ন দল ছেড়ে মূলত বিজেপির ভারতীয় চা শ্রমিক ইউনিয়নে শামিল হন তাঁরা।
এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আলিপুরদুয়ার জেলার সাংসদ মনোজ টিগ্গা, শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ,মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিধায়ক আনন্দময় বর্মন,ফাঁসিদেওয়ার বিধায়ক দুর্গা মুর্মু সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলার বিজেপি বিধায়কেরা। সভায় জলপাইগুড়ি,মেখলিগঞ্জ ও মালবাজার সাব ডিভিশনের বিভিন্ন চা বাগান এবং বোতল কারখানার শ্রমিক নেতা ও শ্রমিকেরা অংশ নেন। এদিন সাংসদ মনোজ টিগ্গার হাত থেকে দলীয় পতাকা গ্রহণ করে শ্রমিকেরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন। এই যোগদানের ফলে আগামী দিনে উত্তরবঙ্গে দল আরও মজবুত হবে বলে আশাবাদী সাংসদ মনোজ টিগ্গা।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], নন্দীগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, ২৯/১২/২০২৫ : নন্দীগ্রামে গেরুয়া শিবিরে ব্যাপক ভাঙন!! নন্দীগ্রামের ২ টি ব্লক থেকেই গেরুয়া শিবির ছেড়ে প্রায় ৮০ জন আদি বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মীদের ঘাসফুল শিবিরে যোগদান! নন্দীগ্রামে ঘাঁটি শক্ত হচ্ছে তৃণমূলের বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের।
বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ যত এগিয়ে আসছে, নন্দীগ্রামে ততই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদানের হিড়িক উঠছে। রবিবার নন্দীগ্রাম ২ নং ব্লকের খোদামবাড়ি দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মী সভাতে খোদামবাড়ী ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের আমড়াতলা , খোদামবাড়ী ও অন্যান্য গ্রাম থেকে প্রায় ৪০ জন আদি বিজেপির সক্রিয় কর্মীরা তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজিত রায়ের হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করলেন। যোগদানকারী মোহন তুঙ্গ বলেন- ২০২১ সালে শুভেন্দু অধিকারীকে বুক চিতিয়ে লড়াই করে জিতিয়েছিলাম, তারপরে যোগ্যতম সম্মান আমরা পাইনি, তাই দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছি।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজিত রায় বলেন যত দিন যাচ্ছে ততই তৃণমূলে যোগদানের সংখ্যাটা বাড়ছে,যোগদানকারী বিজেপি কর্মীদের স্বাগত জানান সুজিত রায়,পাশাপাশি বলেন আদি বিজেপির কর্মীরাও স্বাগত।অন্যদিকে নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের নন্দীগ্রামের চারগোলিয়া ৮৫ নম্বর বুথের ১০ টি পরিবারের প্রায় ৩০ জন বিজেপি নেতৃত্ব বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দেন ।
যদিও এই যোগদানকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি নেতৃত্ব মন্ডল সভাপতি সৌমিত্র দে, তিনি বলেন “মোহন তুঙ্গ ও অন্যান্যরা গত সমবায় সমিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করেছিল তাই ওরা অনেক আগেই থেকে তৃণমূলের সঙ্গে বা তৃণমূল এতে যুক্ত ছিল। এতে বিজেপির কোন ক্ষতি হবে না।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৭/১২/২০২৫ : রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে আর এর মধ্যেই আজ তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের একটি দল নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে দেখা করবেন মুখ্যম নির্বাচনী অধিকর্তার সাথে।
রাজ্যে চলছে এসআইআর প্রক্রিয়া। শুনানির জন্যে নোটিশ দেওয়ার কাজ চলছে রাজ্যের ভোটারদেরকে।এরমধ্যেই আজ দুপুরবেলায় দুটো নাগাদ বিবিডি বাগে নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন অধিকর্তার সাথে সাক্ষাৎ করবে তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ জনের একটি দল। তৃণমূলের এই দলে থাকবেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য্য, মানস রঞ্জন ভূঁইয়া, মলয় ঘটক, অরূপ বিশ্বাস ও শশী পাঁজা। তৃণমূলের এই দলটি আজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসে গিয়ে দেখা করবেন মুখ্য নির্বাচন অধিকর্তার সাথে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে রাজ্যে ৭,৬৬,৩৭,৫২৯ জন ভোটারের মধ্যে মোট ৭,০৮,১৬,৬৩০ এসআইআর ফর্ম ফিল আপ করেছেন। ১৬ই ডিসেম্বর থেকে আগামী ১৫ই জানুয়ারি পর্যন্ত ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে নানারকম আবেদনগুলির শুনানি করা হবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন পিছিয়ে নিয়ে গিয়ে করা হয়েছে ২০২৬ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ২৭/১২/২০২৫ : বাংলাদেশে ঘটে চলা একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনার শিকার হচ্ছেন হিন্দুরা। এর প্রতিবাদেই গতকাল রাত্রে বিজেপি সারের রাজপথে বিশাল মশাল মিছিলযাত্রা করল। এই মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন সাধারণ মানুষও।
বিজেপির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, “যেভাবে পড়শী রাষ্ট্র বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে, নগ্ন করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই মশাল মিছিল সংঘটিত করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দিয়ে প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন। বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটছে তার বিরুদ্ধে হিন্দুদের সংগঠিত হওয়া উচিত, আর যতক্ষণ না এই সংগঠন তৈরি হচ্ছে ততক্ষন আমাদের প্রতিবাদ এবং প্রচেষ্টা চলবে।”
বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিফলন আমাদের দেশে এভাবেই পাওয়া যাচ্ছে প্রতিবাদের ভাষায়। শিলিগুড়ি শহর গর্জে উঠেছে প্রতিবাদে। এই শহরে কোনো হোটেলে কোনো বাংলাদেশিকে থাকতে দেওয়া হবে না বলেও সিদ্ধান্তনেওয়া হয়েছে। সেই মর্মে শিলিগুড়ির সব হোটেলে পোস্টার পড়েছে। তা সে স্টুডেন্ট ভিসাতেই হোক বা মেডিকেল ভিসা, শিলিগুড়িতে বাংলাদেশিদের থাকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল শিলিগুড়িতে বাংলাদেশের সোনালী ব্যাংকের শাখার সামনেও বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়েছে। পোড়ানো হয়েছে কুশপুতুল।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], টিটাগড়, উত্তর ২৪ পরগণা , ২৪/১২/২০২৫ : আগামী ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে আর জিততে পারবেন না, তা সাফ জানিয়ে দিলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। আজ একটি সাংবাদিক বৈঠকে তিনি এই কথা জানান।
বিজেপি নেতা অর্জুন সিং এদিন বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর কিচ্ছু করার নেই, ছাব্বিশের ভোটে তিনি আর আসছেন না। তৃণমূলের দলীয় কর্মসূচীতে পুলিশকে মাইক টেস্ট করতে বলে মমতা উচিত কাজ করেন নি বলে সমালোচনা করেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তিনি বলেন, “পুলিশের এই পরিণতি হয়েছে। তাদেরকে রীতিমতো দলদাস বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো সংবিধানে এমন নিয়ম নেই যে পুলিশকে জুতো পরিষ্কার করতে বলা হবে বা মাইক টেস্ট করে দিতে বলা হবে।”
হুমায়ুন কবীর সম্বন্ধে বলতে গিয়ে এদিন অর্জুন সিং বলেন, “মুসলমানের নেতা একজন মুসলমানই হবে. অন্য ধর্মের কেউ হবে না। বাবর নিজে কখনো বাংলায় আসেন নি, কিন্তু তাঁর নামের শব্দ নিয়ে এই বাংলায় মুসলমান মানুষ এক কাঠ্ঠা হচ্ছেন, সেটা তো দেখাই গেলো। হুমায়ুন কবীর সেই কাজটা করে দেখিয়েছেন বাংলার রাজনীতিকে। মুসলমানরা তাদের নেতা পেয়ে গিয়েছেন, তাদের নেতা হুমায়ুন কবীর, ফিরহাদ হাকিম নন। ”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বেলডাঙা , মুর্শিদাবাদ ২২/১২/২০২৫ : যেমনটা জানিয়েছিলেন, তেমনটাই আলাদা রাজনৈতিক দল ঘোষণা করলেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। নতুন এই দলের নাম জনতা উন্নয়ন পার্টি (JUP )।
ভরতপুরের সাসপেন্ড তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের নতুন দলের উদ্বোধন আজ। সোমবার সকাল থেকে জেলা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অজস্ৰ লোকজন ইতিমধ্যে সভাস্থলে আসতে শুরু করেছে। হুমায়ুন কবীর ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন যারা সভাস্থলে আসবেন। সভায় আসতে তাঁদের কোন সমস্যা হলে তাদের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন হেল্প লাইন নাম্বার এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই হেল্পলাইনে ফোন করলে অস্থায়ী ভলেন্টিয়াররা সেই সমস্ত ব্যক্তিদের গাইড করে সভাস্থলে নিয়ে আসবে।
আজ দুপুরবেলায় খাগরুগাড়ার মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন দলের উদ্বোধন করার কথা হুমায়ুন কবীরের । একাধিক প্ররোচনার কথা তিনি তার বক্তব্যের মধ্যে তুলে ধরেছেন। অন্যদিকে বলেছেন যদি শাসক দলের হয়ে পুলিশ কোন বাধা দেয় তাহলে আমার দলের কর্মীরা সেই থানা ঘেরাও করে থানার ইট খুলে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি অগ্রিম ঘোষণা করেছেন আজকের সভায় প্রায় চার লক্ষাধিক লোক এই সমাবেশে শামিল হবেন। হুমায়ুন বলেছেন, ১৩৫ টি সিটে নতুন দলের তিনি প্রার্থী দেবেন। তার মধ্যে ৭০ থেকে ৯০ টি আসন জিতবেন। হুমায়ূনের বক্তব্য, যে দলই সরকার গড়ুক, তাঁর দলের সমর্থন ছাড়া সেটা সম্ভব হবে না।
২৩০ ফুটের মঞ্চ তৈরী হয়েছে। ৪৯ বিঘা জায়গায় মধ্যে তার সভা হবে। রাজ্য রাজনীতির চোখ থাকবে আজকের এই সভা মঞ্চের দিকে। ভোটের চিহ্ন কি হবে তা এখনো জানান নি হুমায়ুন কবীর। আপাতত জোড়া গোলাপ চিহ্ন ব্যবহার করা হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁদের এই নতুন দলের পতাকা বাংলার সব প্রান্তে উড়তে দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৮/১২/২০২৫ : চলতি মাসের ২৯ ও ৩০ তারিখে রাজ্যে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই দুই দিন রাজ্য সফরে এসে তিনি রাজ্যের দলীয় নেতৃত্বকে প্রজনীয় নির্দেশ দেবেন।
ডিসেম্বরের ২৯ ও ৩০ তারিখে কলকাতায় থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই দুই দিন দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কোর কমিটির সাথে বৈঠক সারবেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে দলকে চাঙ্গা করতে এবং প্রয়োজনীয় কিছু পদক্ষেপের নির্দেশ দিতেই এই রাজ্যে আসছেন তিনি। ভোটে যাওয়ার আগে এই মুহূর্তে দলের শক্তি কতটা তা যাচাই করতে চান অমিত শাহ। এবার বৈঠকে তিনি বুথ লেভেল পরিকল্পনা ও অন্যান্য কৌশল সম্বন্ধেও আলোচনা করে যাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে আগামী শনিবার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি নদীয়ার তাহেরপুরে একটি জনসভা করবেন। তাঁর আগমন উপলক্ষে তাহেরপুরে এখন সাজো সাজো রব উঠেছে। প্রচুর মানুষের ভীড় হবে সেদিন, তাই এখন থেকেই তাহেরপুরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে, বর্তমানে রাজ্যে এসেছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। আজ তিনি বাগডোগরা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছেন। তিনি বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি শহরে একটি সভা করবেন। আগামী শনিবার তিনি শিলিগুড়ি থেকে কলকাতায় যাবেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,১৮/১২/২০২৫ : “যারা আজ পশ্চিমবঙ্গকে অসম্মান করছে তারা কি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে পারবে ? ” বিরোধীদের সম্পর্কে আজ এই প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, “বিজেপি পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করতে চাইছে। ওরা ষড়যন্ত্র করতে চাইছে। বিজেপি বলেছিল রাজ্যে এক থেকে দেড় কোটি রোহিঙ্গা আছে, যাদের নাম এসআইআর করে বাদ যাবে এবং খসড়া তালিকাতেও সেটা দেখা যাবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বাতিল নামের যে খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে বিজেপির দাবী নস্যাৎ হয়ে গিয়েছে। আসলে এভাবেই ওরা পশ্চিমবঙ্গকে অসম্মান করতে চেয়েছিল।”
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গকে অসম্মান করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবাংলাকে অসম্মান করার জন্যে তাদের উচিত প্রকাশ্যে রাজ্যের দশ কোটি মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া। সেটা কি তারা করবে ? যারা পশ্চিমবঙ্গকে রোহিঙ্গাদের প্রজনন কেন্দ্র বলেছিল। যারা বলেছিল এই রাজ্যে এক থেকে দেড় কোটি অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী আছে, তাদেরকে ব্যর্থ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।”