শহরের নামী স্কুলে ক্লাস রুমের মধ্যেই নাবালিকার ওপর যৌন নির্যাতন ! আতঙ্কিত অবিভাবকরা।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শিরীষতলা, জলপাইগুড়ি, ০৬/০৭/২০২৫ : জলপাইগুড়ি শহরেরনামি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ক্লাস রুমেই নাবালিকাকে যৌণ নির্যাতনেরের অভিযোগ, স্কুল কর্তৃপক্ষ পাশে না দাঁড়ানোয় সি ডাবলু সি সহ পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ অভিভাবক।
শনিবার জলপাইগুড়িতে করা এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই অভিযোগ এনেছেন নির্যাতিতা নাবালিকার মা। সূত্রের খবর ইতিমধ্যেই রাজ্যে শিশু সুরক্ষা কমিশনের জলপাইগুড়ি জেলা অফিস কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বিষয়টি নিয়ে।
অভিযোগ যৌণ নির্যাতনের শিকার ওই নাবালিকা ক্লাস টিচারকে বিষয়টি জানানোর পরেও উল্টে স্কুল কর্তৃপক্ষ নানান ভাবে ভয় দেখিয়ে বিষয়টিকে চাপা দেবার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল, সেই কারণেই আতঙ্কিত ছাত্রীর অভিবাবক সংবাদ মাধ্যমের কাছে ছুটে আসেন শনিবার।
এরপরেই সি ডাবলু সি দফতর থেকেও অভিভাবককে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই শহরের শিরীষ তলার হোলি চাইল্ড নামক এই নামি স্কুলের ক্লাস রুমের মধ্যেই যৌণ নির্যাতনের শিকার হবার ঘটনা কে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে জেলা এবং রাজ্যে জুড়ে।
জলপাইগুড়ি জেলার পুলিশ সুপার জানান , “অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে,উপযুক্ত তদন্ত শুরু করে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হবে। “
এ যেন কসবা কাণ্ডের জেরক্স কপি, ধর্ষণের মত কান্ড না ঘটলেও দাদাগিরির অভিযোগ উঠছেই
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] নন্দীগ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, ০৬/০৭/২০২৫ : প্রথম বর্ষের পড়ুয়া হয়েও কলেজের অস্থায়ী কর্মী তৃণমূল ছাত্রনেতা, কসবা কলেজের বেনিয়মের ছায়া বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা এলাকায়,শোরগোল নন্দীগ্রামে।
নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজেই এবার কসবা কলেজের বেনিয়মের মতো ঘটনা প্রকাশ্যে এলো।নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের টিএমসিপির সভাপতি, তিনি আবার প্রথম বর্ষের ছাত্র, তিনিই আবার কলেজের গ্রুপ ডি অস্থায়ী কর্মী। কয়েকদিন ধরেই খবরের শিরোনামে রয়েছে কসবা কলেজের গভর্নিং বডিসহ পরিচালন কমিটির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে।
সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ ছাত্রনেতা মনোজিৎ মিশ্র যেমন কলেজের প্রাক্তন ছাত্র এবং তাকে কলেজের গভর্নিং বডিসহ পরিচালন কমিটি কলেজে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে নিয়োগ করেছিল। সেই সুযোগকে হাতিয়ার করে সে কলেজে দাদাগিরি করত। সেই একই ছবি উঠে এলো বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজে।
সুমিত মন্ডল বর্তমানে নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি এবং প্রথম বর্ষের ছাত্র। তাকে নাকি গভর্নিং বডিসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কলেজের নিয়োগ করেছে।
অস্থায়ী কর্মী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে, কিন্তু সেখানে বিতর্ক নয়, বিতর্ক তৈরি হয়েছে তার রোজকার দাদাগিরি নিয়ে।
প্রশ্ন উঠেছে অনেক ! কিছুদিন আগে এবিভিপির পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ এবং এবিভিপির মধ্যে একটি বাদানুবাদের সৃষ্টি হয়। সেই ঘটনা কভার একটি সংবাদ মাধ্যমের কর্মীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাকে ঠেলে কলেজ থেকে বের করে দেয় এই সুমিত মন্ডল। সেদিনই কলেজের দাদাগিরি ছবি প্রকাশ্যে চলে আসে। বিষয়টিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি এবিভিপি।
নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের বর্তমান ABVP র ছাত্র নেতা নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের সহ-সভাপতি সৃজন ভূঁইয়া অভিযোগ করেছেন, “সুমিত মন্ডল প্রথম বর্ষের ছাত্র, দীর্ঘ কয়েক বছর কলেজে রয়েছে, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি, সে কি করে একটা কলেজের অস্থায়ী কর্মী হিসেবে নিয়োগ হতে পারে? এ ও কি সম্ভব ? ”
অপরদিকে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই সুমিত মণ্ডল সংবাদ মাধ্যমের সামনে সাফ জানিয়েছে,
“কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাকে ভালো মনে করেছে, তারা আমাকে একটা কাজের দায়িত্ব দিয়েছে, তবে আমি কোন সরকারি বেতন পাই না, আমাকে কাজের মূল্য হিসেবে কলেজ কর্তৃপক্ষ একটা সাহায্য করে, সেই টাকায় আমি পড়াশোনা করি”।
এখানেই উঠেছে প্রশ্ন, কোন কিছু সাহায্য নিয়ে পড়াশোনা করাটা কোন অপরাধের নয়। তাই বলে টিএমসিপি-র ছাত্রনেতা হিসেবে দাদাগিরি ? সেটা কি মেনে নেওয়া যায় ? প্রকাশ্যে সেই ছবি উঠে এসেছে যেখানে দেখা গিয়েছে সংবাদ মাধ্যমের কর্মীকে ফেলে বের করে দেওয়া হচ্ছে কলেজ থেকে এবং সেই কাজের নেতৃত্বে কে রয়েছে ? তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি সেই সুমিত মন্ডল।
পাহাড় পূজা আদিবাসীদের মধ্যে প্রতি বছরই হয়. প্রকৃতির উপাসক এখানকার মানুষগুলো। এবার কিন্তু এই পূজা উপলক্ষে ব্যাপক ভীড় করেছিলেন পর্যটকরা। খুশি এলাকার পর্যটন ব্যবসায়ীও হোটেল মালিকরা।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], বেলপাহাড়ি, ঝাড়গ্রাম, ০৫/০৭/২০২৫ : জঙ্গলমহলে পাহাড় পূজা উপলক্ষে পর্যটকদের ব্যাপক ভীড় দেখতে পাওয়া গেল।
ফসল যেন ভাল হয়। তার জন্য পর্যাপ্ত বৃষ্টির প্রার্থনা করে পাহাড় দেবতার পুজো করেন জঙ্গলমহলের আদিবাসী, মূলবাসি সম্প্রদায়ের মানুষজন। আম, কাঁঠাল, জাম নিবেদন করে পাহাড় দেবতার আরাধনা করা হয়।অনেক ক্ষেত্রে পাঁঠা, হাঁস-মুরগি বলির চল রয়েছে। অম্বুবাচির পরে থেকে শনিবার দেখে ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়িতে পাহাড় দেবতার পুজো শুরু হয়। নিয়ম করে প্রতিবছর এই প্রার্থনা করেন জঙ্গলমহলের বাসিন্দারা।
এ বার এই পাহাড় পুজো শুরু হয়েছে। আর তার জেরে ঝাড়গ্রামে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। পাহাড় পুজো দেখতে উপচে পড়েছে ভিড়।
আদিম যুগ থেকে মানুষ পাথর-বৃক্ষ এবং পাহাড়কে শক্তিরূপে পুজো করে আসছে।তাঁদের বিশ্বাস পাহাড় দেবতাকে তুষ্ট করতে পারলেই ভালো বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি হলেই সুজলা সুফলা হয়ে উঠবে এই বসুন্ধরা। এখন উৎসবে পরিণত হয়েছে। পাহাড় পুজোয় কেবলমাত্র মূলবাসী, আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন নয়, বাইরে থেকে পর্যটকরাও এই উৎসবে সামিল হচ্ছেন।
পাহাড় পুজোর পাশাপাশি বর্ষার সময়ে বেলপাহাড়ির একটি অন্য রূপ দেখা যায়। জেগে উঠে গ্রীষ্মে শুকিয়ে যাওয়া ঝর্নাগুলি। ঘাগরা, হুদহোদি, গাড়রাশিনি , হাতিপাথরের মতো ঝর্নাগুলির সৌন্দর্য এই সময়ে আরও বেড়ে যায়। যা পর্যটকের কাছে বাড়তি পাওনা।
এরকমটা সচরাচর হয় না. কিন্তু এবার হল ইলিশ ভর্তি ট্রলার ডুবে গেল মাঝ সমুদ্রে, ক্ষতি প্রচুর।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], রায়দিঘি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ০৫/০৭/২০২৫ : গভীর সমুদ্রে ডুবলো ইলিশ ভর্তি ভাই ভাই ট্রলার, উদ্ধার ১৩ মৎস্যজীবী।
রথের দিনে রায়দিঘি থেকে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে রওনা দিয়েছিল “ভাই ভাই” নামক একটি ট্রলার। ট্রলারটিতে ছিলেন মোট ১৩ জন মৎস্যজীবী। ৮ দিন ধরে মাছ ধরে ফেরার পথে, গভীর সমুদ্রে আচমকাই বিপর্যয় ঘটে। ট্রলারটির পাঠাতন (নোঙ্গরের দড়ির মতো অংশ) হঠাৎ ছিঁড়ে যায় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি জলমগ্ন হয়ে ডুবে যায়।
তবে সৌভাগ্যবশত পাশে থাকা আরেকটি ট্রলার, “আব্বা মায়ের দোয়া”, দ্রুত এগিয়ে এসে উদ্ধার করে সকল মৎস্যজীবীদের। ১৩ জনের সবাই সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে “ভাই ভাই” ট্রলারটি সমুদ্রে সম্পূর্ণভাবে ডুবে যায় এবং এখনো উদ্ধার করা যায়নি।
এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় মৎস্যজীবীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ালেও, মৎস্যজীবীদের দ্রুত উদ্ধার কার্য সম্পন্ন হওয়ায় অনেকেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। এবং মৎস্যজীবী দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, ডুবে যাওয়া ট্রলার উদ্ধারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লোকাল ট্রেনে যদি দুষ্কৃতীরাও কোনো অসভ্যতা করে, তা দেখার জন্যে আদৌ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে কি ?
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], বারাকপুর, উত্তর ২৪ পেগনা, ০৫/০৭/২০২৫ : মহরমের আগেই লোকাল ট্রেনে চপারের কোপ যুবককে!
সন্ধে ৬টা নাগাদ কাঁচরাপাড়া স্টেশন থেকে রানাঘাট লোকালের প্রথম কামরায় ওঠেন কাঁচরাপাড়ার এক যুবক অরিজিৎ বিশ্বাস। তিনি দেখেন একদল যুবক হাতে অস্ত্র নিয়ে ট্রেনে ওঠে কাঁকিনাড়া স্টেশন থেকে। ট্রেনের মধ্যেই তারা অস্ত্র নিয়ে লম্ফঝম্প করতে থাকে। এক বয়স্ক দম্পতি এর প্রতিবাদ করেন। তারা লম্ফঝম্প বন্ধ না করে উল্টে ওই বয়স্ক ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। একসময় ওই বয়স্ক মহিলাকেও মারতে উদ্ধত হয়। অরিজিৎ ও অন্যান্য সহযাত্রীরা এসময় জোরালো প্রতিবাদে সামিল হন। ততক্ষণে ট্রেন বারাকপুরে পৌঁছে গেছে। নামার সময় কালো ফতুয়া ও লুঙ্গি পরা একজন চপার দিয়ে কোপ মারে অরিজিতের বাঁহাতে।
অরিজিৎ গন্তব্যে না গিয়ে বারাকপুরে নেমে রেল পুলিশকে অভিযোগ জানাতে যান। কিন্তু রেল পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলে অরিজিতের অভিযোগ। পরে দমদম রেল পুলিশের ওসি-র হস্তক্ষেপে এফআইআর নেওয়া হয়। যদিও রাত হয়ে যাওয়ার কারণে অরিজিৎকে এফআইআর-এর কপি দেওয়া হয়নি। ওখান থেকে অরিজিৎকে পাঠানো হয় হাসপাতালে। অরিজিতের হাতে চারটে সেলাই হয়েছে বলেও অরিজিৎ জানান।
প্রসঙ্গত, অরিজিৎ কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সমর্থক নয়। সাধারণ নাগরিক। মহরমের তাজিয়ার আগে এধরনের ঘটনা ঘটায় স্বভাবতই চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ভোট আসছে, তাই উত্তেজনা ছড়াচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে চাপান উতোর। তবে গ্রামের মহিলাদেরকে নিগ্রহ করা ঘটনা মোটেই সমর্থন যোগ্য নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল.
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ফালাকাটা, আলিপুরদুয়ার, ০৫/০৭/২০২৫ : তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পঞ্চায়েতের এক সদস্য গ্রামের মহিলাদের মারধর করছেন, বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন , এমন একটি ভিডিও আজ ভাইরাল হয়েছে। স্থানীয় বিধায়ক ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এই ভিডিও পোস্ট করেছেন। এই নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
সম্প্রতি আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটার কুঞ্জননগরে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য দ্বারা আক্রান্ত হতে দেখা গিয়েছে গ্রামের মহিলাদের। এই ভিডিওটি সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করেন ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মন। এবং তারপরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও পোস্ট করে।
পঞ্চায়েত সদস্যর নাম অসিত কর। ময়রাডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। কুঞ্জ নগর ফালাকাটা আলিপুরদুয়ার জেলা।
(ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি আজ খবর)
রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বহাল তবিয়তে থাকা মনোজিৎ এখন কড়া পুলিশ পাহারায়। প্রভাবশালী তকমা দিল পুলিশই
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/০৭/২০২৫ : আজ একেবারে ভোররাতে মনোজিৎদেরকে নিয়ে কসবা আইন কলেজে তথ্যানুসন্ধানে গিয়েছিল পুলিশ। পাশাপাশি গোটা কলেজের থ্রিডি ম্যাপিং করা হয়েছে। এদিকে আদালতের নির্দেশেই কসবা আইন কলেজ আগামী সোমবার থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে।
আজ ভোর রাতে কসবা কাণ্ডের মূল অপরাধী মনোজিৎ মিশ্র ও অপর দুই অভিযুক্তকে কসবা আইন কলেজে নিয়ে যায় পুলিশ। তারপর থেকে টানা চার ঘন্টা ধরে ধর্ষণ কাণ্ডের পুঙ্খানুপুঙ্খ নাট্যরূপ সাজিয়ে তোলা হয়, তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। লাগাতার জেরা করার পর তাদেরকে ফের নিয়ে চলে যায় পুলিশ। জিজ্ঞসাবাদের সম্পূর্ণ ভিডিও তুলে রাখা হয়। জেরা পর্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের কিছু জানানো হয় নি পুলিশের তরফ থেকে।
পাশাপাশি আজ কসবা আইন কলেজের থ্রি ডি ম্যাপিং করা হয়। যাতে এরপর অন্যত্র গিয়ে এই তদন্তের জন্যে জিজ্ঞসাবাদ করতে কোনো অসুবিধা না হয়। কলেজের মেইন গেট থেকে শুরু করে গোটা কলেজ ভবন এবং গার্ড রুম যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল, সেইসব জায়গার থ্রিডিম্যাপিং করানো হয়।আসলে এই মামলায় এভিডেন্স এবং সাক্ষী দুইয়ের ওপরেই জোর দিতে চাইছে পুলিশ। আগামী ১০ তারিখে (১০/০৭/২৫) গোটা মামলার কেস ডায়রি জমা করার কথা রয়েছে বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চে।
কসবা ধর্ষণ কাণ্ডের মূল অপরাধী মনোজিৎ মিশ্রকে পুলিশই প্রভাবশালী তকমা দিয়েছে। এই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরেই কসবা কলেজে একজন দুস্কৃতির মত আচরণ করে আসছিল। তারপরেও সে রাজনৈতিক দলের আশ্রয়ে দিব্যি নিজের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছিল। সে এই কলেজের প্রাক্তনী ছিল এবং এখানেই সে একজন অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করছিল। সেই কাজ থেকে অবশ্য আগেই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কিন্তু কিভাবে এই কলেজে সে এই কাজ পেল, তা নিয়ে অনেকগুলি মতামত সামনে আসছে। তবে এটা পরিষ্কার যে একজন টিএমসিপি নেতা কলেজে গিয়ে রাজনৈতিক দাদাদের আস্কারায় রীতিমত দাদাগিরি চালিয়ে গিয়েছে দিনের পর দিন। বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও পুলিশ আজ পর্যন্ত তাকে কিচ্ছুটি বলে নি। আজ অবশ্য তার অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করার জন্যে হাজিরা খাতাটি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ।
ভোটের আগে দলবদলের ঘটনা আরও বাড়বে। রাজ্যের সব প্রান্তেই এমন ঘটনা ঘটবে। বড় নেতারাও নিশ্চয়ই দলবদল করবেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/০৭/২০২৫ : আগামী বছরের ভোটের দামামা গিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের প্রস্তুতি পারবো শুরু করে দিয়েছে সেই ভোটযুদ্ধের দিকে তাকিয়ে। আর এই প্রস্তুতির মাঝেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন কোচবিহারের বেশ কয়েকজন।
একুশের প্রস্তুতি সভা থেকে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান। হাতে আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা তারপরেই একুশে জুলাই। সেই একুশে জুলাইকে সামনে রেখে জেলা ব্লগ অঞ্চল সর্বত্রই শুরু হয়েছে একুশের প্রস্তুতি সভা। এদিন খলিসামারি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে খলিশা মারি পঞ্চানন স্মৃতি বিদ্যাপীঠ স্কুলের মাঠে অনুষ্ঠিত হলো একুশের প্রস্তুতি সভা।
এদিনের সভা থেকে বেশ কয়েকজন বিজেপির কর্মী এবং নেতৃত্ব বিজেপি দল ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।এদিনেরএই সভায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পরার মত।
এদিনের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন, প্রাক্তন বিধায়ক হিতেন বর্মন, শীতলকুচি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তপন কুমার গুহ, চেয়ারম্যান আবেদ আলী মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মদন বর্মন, অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি ফটিক চন্দ্র বর্মন, স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান কল্পনা বর্মন সহ অন্যান্যরা।
বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি, প্রাক্তন সাংসদ, অভিজ্ঞ নেতা সব কিছুই ছিলেন তিনি। কিন্তু এখন দলের সব অনুষ্ঠানে তিনি ডাক পান না. দলের সাথে কি তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়েছে ? দিলীপ ঘোষ নিজে কি ভাবছেন ?
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নিউ টাউন, কলকাতা, ০৪/০৭/২০২৫ : শুক্রবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। উপস্থিত সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন —
আপনি কি তৃণমূলে চলে যাবেন?
আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যত পার্টি ঠিক করবে। ভগবানের খাতায় লেখা আছে। আমাকে বিজেপি নিয়ে এসে একটা জায়গা দিয়েছিল। আমি নিজে থেকে আসিনি। পার্টি চেয়েছে তাই আমি এসেছি। পার্টি আমাকে রাজ্য সভাপতি করেছে, বিধায়ক করেছে, সাংসদ করেছে, জাতীয় নেতা করেছে। আমি নিজে থেকে কিছু চাইনি। পার্টি আমাকে গাড়ি দিয়েছে, সিকিউরিটি দিয়েছে। আমি নিজে এগুলোর কোনোটাই চাইনি। পার্টি যদি মনে করে আমি এখন সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করব, তাহলে তাই করব। আমাকে ডাকলে আমি যাই। না ডাকলে যাইনা।
দিলীপ ঘোষ মানেই তো চমক। আমরা কি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কোনো চমক দেখব?
কল্পনা করতে তো পয়সা লাগে না। অনেকেই করছে। ২১ তারিখ পর্যন্ত কল্পনার ডেট দেওয়া হয়েছে। তারিখ পে তারিখ। কিছু একটা মার্কেটে থাকে। দিলীপ ঘোষ মার্কেটে আছে।
তৃণমূলের সঙ্গে তিক্ততা নেই তো আর?
আমার সঙ্গে কুণাল অরূপের অনেক আগে থেকে পরিচয়। এখনও আছে। আগামী দিনেও থাকবে। দিলীপ ঘোষ ওরকম ভাবে ভাবেনা। কাল শত্রু ছিল আজ বন্ধু হল আবার পরেরদিন শত্রু হল, দিলীপ ঘোষ ওইভাবে ভাবে না। যারা ওরকম করে তাদের সমস্যা আছে। দিলীপ ঘোষের এরকম কোনো সমস্যা নেই।
আমি জগন্নাথ মন্দির গিয়ে কারুর প্রতিনিধিত্ব করিনি
আমাকে মুখ্যসচিব চিঠি দিয়েছিলেন। আমি একজন সম্মানীয় নাগরিক। সেই হিসেবে গেছি। সরকারি প্রকল্প। কিন্তু আমি মনে করি ওই মন্দির তৈরিতে আমার ট্যাক্সের টাকা আছে। এটা কারুর পৈতৃক সম্পত্তি নয়। বহু লোক আমাকে ডাকে।
দলের মুখপাত্র ছিলেন, রাজ্য সভার সদস্য ছিলেন, তিনি ডাক্তারও ছিলেন
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৭/২০২৫ : তৃণমূল নেতা ড. শান্তনু সেনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দেওয়া হল। বিদেশী ডিগ্রি অবৈধভাবে ব্যবহারের অভিযোগে তাঁর ডাক্তারির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।
ওয়েস্টবেঙ্গল মেডিকেল কাউন্সিল আগামী দুই বছরের জন্যে ড. শান্তনু সেনের ডাক্তারির রেসাজিস্ট্রেশন বাতিল করে দিয়েছে। এর ফলে আগামী দুই বছর শান্তনু সেন আর ডাক্তারি করতে পারবেন না। ড. সেন ডাক্তারির পাশাপাশি ছিলেন একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবীদ। তিনি একসময় পুরসভার কাউন্সিলর ছিলেন। পরে রাজ্যসভার সদস্য হয়েছিলেন। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছেন। আর জি কর-এর অভয়া কাণ্ডের জোরালো প্রতিবাদ করেছিলেন তিনি।
তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ এই যে তিনি বিদেশী ডিগ্রি অবৈধভাবে ব্যবহার করেছেন। ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিকেল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ড. সুদীপ্ত রায় বলেছেন “শান্তনু সেন তাঁর প্রেসক্রিপশনে যে বিদেশী ডিগ্রির কথা লিখতেন, সেটা আদৌ কোনো ডিগ্রি নয়, সেটা আসলে সাম্মানিক ফেলোশিপ। কিন্তু তাকেই ডিগ্রি হিসেবে প্রেসক্রিপশনে লিখে তিনি মানুষকে বিভ্রান্ত করতেন। এই অভিযোগেই শান্তনু সেনকে দুই বছরের জন্যে সাসপেন্ড করা হয়েছে। “
তাঁর বিরুদ্ধে এই শাস্তি সম্পর্কে শান্তনু সেন বলেন, “এটা একটা রাজনৈতিক চক্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়, যিনি এই চক্রান্ত করলেন তিনি আদ্যপান্ত দুর্নীতিগ্রস্ত, আপনারা খবর নিয়ে দেখুন। তবে আমিও এর শেষ দেখে ছাড়ব। আমি এইসব নেতাকে গুরুত্ব দিই না। আমার নেতা মমতা বন্দ্যোপধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর কেউ নয়।