আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ০১/০৭/২০২৬ : দেশের ৩১ তম সেনা প্রধান হিসেবে বুধবার দায়িত্ব গ্রহণ করেই দেশের সেনাবাহিনীকে নতুন আঙ্গিকে সাজিয়ে তোলার বার্তা দিলেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ।
আজ দেশের ৩১ তম আর্মি চিফ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ। এই দায়িত্ব গ্রহণ তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় সন্মান হিসেবে ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন “দেশ সর্বোপরি।” তাঁর এই পদোন্নতি তাঁকে আরও দায়িত্ববান এবং বিনয়ী হতে শেখাবে। এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত সম্মানের, তবে দেশ সব কিছুর আগে, দেশ সর্বোপরি।
নতুন দায়িত্ব নিয়েই জেনারেল ধীরাজ শেঠ ‘বিজয়’ নামে তাঁর একটি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। এই অনুযায়ী দেশের সেনাবাহিনীকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে মুড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। সেনাবাহিনীর প্রত্যেকটি ধাপে উন্নত প্রযুক্তি এবং সেই অনুযায়ী মানসিকতা তৈরী করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা সেনা বাহিনীগুলির অন্যতম ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেই সেনাবাহিনীকে আপা মস্তক একটি শ্রেষ্ঠ বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর হয়েছেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা ,পশ্চিমবঙ্গ, ০১/০৭/২০২৬ : রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর আজ থেকেই চালু হয়ে গেলো “জি রাম জি” প্রকল্পের ১২৫ দিনের কাজ।
ভোটের আগে থেকেই মোদীর গ্যারান্টি ছিল, রাজ্যের শ্রমিকরা ১০০ দিনের পরিবর্তে ১২৫ দিন কাজ পাবেন। সেই গ্যারান্টি অনুযায়ী রাজ্যে ১২৫ দিনের কাজ চালু হয়ে গেল আজ থেকেই। এই প্রকল্প জি রাম জি নামেই পরিচিত হল। এবার থেকে শ্রমিকদের মজুরি ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই সরাসরি তাঁদের ব্যাংক একাউন্টে পৌঁছে যাবে।
শ্রমিকদের মজুরি সরাসরি তাঁদের একাউন্টে পৌঁছে যাওয়ার ফলে মাঝখানে কেউ কাটমানি নিতে পারবে না। আর এই প্রকল্পে যাতে কোনো রকম দুর্নীতির জায়গা তৈরী না হয়, সেটা মনিটর করার জন্যে আগে থেকেই একটা কমিটি তৈরী করে দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ২ কোটি ৫৬ লক্ষ জব কার্ড হোল্ডার মানুষ উপকৃত হবেন। এই প্রকল্পের জন্যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ৬০:৪০ অনুপাতে অর্থ বরাদ্দ করেছে। কেন্দ্র সরকার দিচ্ছে ৮,৫০৮ কোটি টাকা এবং রাজ্য সরকার দিচ্ছে ৫,৬৭২ কোটি টাকা। আজ থেকেই রাজ্যে চালু হয়ে গেল জি রাম জি প্রকল্প।
আজ খবর (বাংলা) [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র,২৬/০৬/২০২৬ : ফের একবার একসাথে কাজ করলেন অক্ষয় কুমার এবং রবিনা ট্যান্ডন। আজ তাঁদের অভিনীত ছবি মুক্তি পেলো প্রেক্ষাগৃহে । ছবির নাম “ওয়েলকাম টু জঙ্গল”। অক্ষয়কে দেখে অভিভূত রবিনা, বললেন, “এত বছর পরেও একটু বদলায় নি অক্ষয়।”
একসাথে অনেক ছবি করেছেন অক্ষয় ও রবিনা ট্যান্ডন। সেগুলির মধ্যে ব্লক বাস্টার হিট ছবিও আছে বেশ কয়েকটা। যেমন মোহরা , খিলাড়িও কে খিলাড়ি, দাবা, কিমত, বারুদ ইত্যাদি। দুজনের ঝুলিতেই এসেছে বেশ কিছু এওয়ার্ড। মাঝখানে দীর্ঘদিন একসাথে কাজ করা হয়ে ওঠে নি. তবে দীর্ঘ ২২ বছর পর দুজনে ফের একসাথে ছবি তৈরী করলেন। যা আজ সমস্ত প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে।
খুশি অক্ষয়, খুশি রবিনাও। এদিন অভিনেত্রী বলেন, “মাঝখানে ২২টা বছর পার হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এক ফোঁটাও বদলায় নি অক্ষয় কুমার। যেমনটা আগে ছিল, এখনো ঠিক তেমনটাই আছে। কাজের প্রতি আগ্রহ, সহনশীলতা, ধৈর্য্য এবং অধ্যাবসায় আগেও যেমনটা ছিল এখনও তেমনটাই আছে. সেটের মধ্যে সব চেয়ে বেশি পরিশ্রম করতে দেখেছি অক্ষয়কে। সব থেকে বেশি ডেডিকেশন দেখেছি ওর মধ্যে। যাকে দেখে আমি এবং আমরা সকলেই মুগ্ধ হয়ে যেতাম। ঐরকম ডিসিপ্লিন ভাবা যায় না।”
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৬/০৬/২০২৬ : উত্তর কলকাতায় সভা করে প্রকাশ্যে তৃণমূলকর্মীদের বলতে হল “আমরা বেইমান নই। ” হঠাৎ এই ধরনের বার্তা কেন দিতে হল তৃণমূল কর্মীদের, আসুন একটি বিশ্লেষণ করে দেখা যাক।
গত বৃহস্পতিবার উত্তর কলকাতায় তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষের নেতৃত্বে একটি সভা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা। সেই সভার প্রধান থিম ছিল “আমরা বেইমান নই” ; তৃণমূল ছেড়ে ইতিমধ্যেই বহু নেতা কর্মী, কাউন্সিলর, বিধায়ক ও সাংসদকে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। ঋতব্রত ব্যানার্জির নেতৃত্বে অনেকেই তৃণমূল দল থেকে বেরিয়ে গিয়েও সংবিধানিক পদ্ধতি অবলম্বন করে তাঁদেরকেই তৃণমূল বলে দাগাতে চেয়েছেন।
এমতবস্থায় যাঁরা দল ছেড়ে বেরিয়ে যান নি, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকেই দলের কাজকর্ম সামলাতে লেগেছেন, তাঁরাই উত্তর কলকাতার সভায় উপস্থিত থেকে বলতে চেয়েছেন “আমরা বেইমান নই , আমরা দিদির পাশেই আছি। ” কুনাল ঘোষ জানিয়েছেন, “ঐ সভায় তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের এতো ভীড় হয়েছিল যে সবাই ভিতরে প্রবেশ করতে পারেন নি, তাঁরা বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।” অর্থাৎ জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তায় একটুও ভাঁটা পড়ে নি।
কিন্তু জনসমক্ষে এই ধরনের সভা করে কেন তৃণমূল কর্মীদের বলতে হচ্ছে যে, তাঁরা বেইমান নন? আসলে সামনে আসছে ২১শে জুলাই, এই দিনটাকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতি বছর শহীদ দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। ওই দিনে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভীড় দেখতেই অভ্যস্ত সবাই। কিন্তু এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ অন্যরকম। সংগঠন সেভাবে দানা বাঁধছে না. বরং এবার পালে হাওয়াই নেই। দুর্বল সংগঠন নিয়ে কিভাবে এবার শহীদ দিবস পালিত হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় মমতা শিবির। যেখানে দলের নাম, লোগো আর তহবিলটাই সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে, সেখানে শহীদ দিবস আদৌ আর আগের মত পালন করা যাবে কি ? এখন এই প্রশ্নটাই বড় হয়ে উঠছে।
এই মুহূর্তে তৃণমূলের অনেক কর্মী নেতাদের জেল হয়েছে। অনেকেই প্রশাসনের সাথে লড়াই করছেন, সেই তালিকায় অরূপ ও স্বরূপ বিশ্বাস যেমন আছেন, তেমন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও রয়েছেন। তাই গতকালের উত্তর কলকাতার সভা দিয়ে কুনাল ঘোষরা রাজনীতির স্রোতে হারিয়ে যেতে যেতে খড় কুটো ধরে বাঁচার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বেইমান নই স্লোগানকে সামনে রেখে রাজনীতির ময়দান থেকে ছিটকে গেলেও দলের জন্যে সমর্থন আদায় করার চেষ্টা করছেন। গতকালের কর্মী সভা অবশ্য বিক্ষুব্ধদের প্রতিও একটা বার্তা হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। তবে গতকালের কর্মী সভা কি একেবারেই সফল ? গতকালের কর্মীসভায় উপস্থিত থেকেও ঐ সভা শেষ হতে না হতেই বিক্ষুব্ধ শিবিরে গিয়ে যোগাযোগ করেছেন কাউন্সিলর তথা তৃণমূল নেতা বিশ্বরূপ দে।
আগামী ২১শে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেস শহীদ দিবস পালন করতে পারে কি না, করলে কিভাবে করবে এবং সর্বোপরি সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মীদের উদ্দেশ্যে ঠিক কি বার্তা দেবেন সেদিকে নজর থাকবে সকলের।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] নবান্ন, হাওড়া, ২৫/০৬/২০২৬ : রাজ্যের অথমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ঘোষণা করেছেন যে এবার থেকে রাজ্যের প্রতিটা ডিপার্টমেন্টের বেনিয়ম ও দুর্নীতির কথা শ্বেত পত্র প্রকাশ করে জানানো হবে। বর্তমান সরকারের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সেই দুর্নীতির সিএজি রিপোর্ট পেশ করা হবে প্রকাশ্যে ।
কলকাতার তারাতলায় যে নির্মীয়মান গুদামটি ভেঙে পড়েছে, তার অনুমোদন দিয়েছিল পুরোনো সরকার। গতকাল ও আজ সেখানে উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে যথেষ্ট মুন্সিয়ানা দেখিয়েছে বর্তমান রাজ্য সরকার। একটুও সময় নষ্ট না করে ঘটনার গুরুত্ব বুঝে NDRF ও সেনাবাহিনী তলব করেছে রাজ্য সরকার। ক্ষতিপূরণের ঘোষনাতেও এগিয়ে এই সরকার। মৃতের পরিবার প্রত্যেকে পাবেন ১০ লক্ষ টাকা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এবং ২ লক্ষ টাকা কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে।
এই যে এতো বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেলো, তার পিছনে পুরোনো সরকারের বেনিয়ম সামনে এসেছে। দুর্নীতিও হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু এখন থেকে পুরোনো সরকারের করে যাওয়া এই দুর্নীতির দায় বর্তমান সরকার নেবে না। বর্তমানে রাজ্যে যাতে নিরাপত্তাজনিত কোনো আশঙ্কা দেখা না যায় , সেই কারণে বর্তমান সরকার সব কিছুই প্রকাশ্যে আনবে। তৃণমূল আমলে অনুমোদন পাওয়া নবনির্মিত সব বিল্ডিং গুলির অডিট করা হবে। আপাতত সমস্ত নির্মীয়মান (এমার্জেন্সি ছাড়া) কনস্ট্রাকশন বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। অন্তত চার সপ্তাহপরে ফের নোটিশ জারি করা হতে পারে।
অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, “সন্দেশখালিতে একটি মহিলা থানা, হেমতাবাদে একটি ডিগ্রি কলেজ এবং কালিয়াগঞ্জে একটি মহিলা কলেজ স্থাপিত হবে। রাজ্যে ২০০ জনকে নিয়ে একটি উচ্চ প্রশিক্ষিত দুর্যোগ মোকাবিলা দল তৈরী করা হবে। অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিও দেওয়া হবে তাঁদের হাতে। এই ২০০ জনের মধ্যে ৫০ জন আসবেন সুন্দরবন এলাকা থেকে এবং ৫ জন আসবেন পার্বত্য অঞ্চল থেকে। বাকি ১০০ জন রাজ্যের অন্যান্য জায়গা থেকে। এই দলকে নানারকম প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই বছর দুর্গাপূজার আগেই রাজ্য সরকার বেশ কিছু নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চলেছে ।”
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক] কারাকাস, ভেনেজুয়েলা, ২৫/০৬/২০২৬ : ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃত্যুর সংখ্যা এক লক্ষ ছুঁতে পারে। পাশাপাশি আজ জোরালো ভূমিকম্প হয়েছে জাপানেও। ভূকম্পনে কেঁপে উঠেছে নেপাল।
পর পর দুটি জোরালো ভূমিকম্পে তছনছ হয়ে যায় ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস। প্রথম কম্পনটির রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৭.২; এই প্রথম কম্পনটি অনুভূত হয়েছিল রাজধানী কারাকাস থেকে ২৮৪ কিলোমিটার দুরে সান ফেলিপে শহরে। এরপর এক মিনিটের মধ্যেই দ্বিতীয় ভূকম্পন অনুভূত হয় কারাকাসের ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারে নামক জায়গায়, রিখটার স্কেলে এই দ্বিতীয় কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৫;
ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে ভেঙে পড়ে বাড়িগুলি, ভেঙে ফাঁক হয়ে যায় রাস্তাঘাট। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে মানুষ। নিমেষে লন্ডভন্ড হয়ে যায় ভেনেজুয়েলা। মানুষের আর্তনাদে ভরে যায় আকাশ বাতাস। ভয়ঙ্কর এই পরিস্থিতিতে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে ভেনেজুয়েলা সরকার। বন্ধ সব বিমানবন্দর। শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ, তবে হাসপাতাল ভবনগুলিও ভেঙে পড়েছে বলে খবর। ভূমিকম্পের ঘটনায় অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে মৃতের সংখ্যা এক লক্ষ ছুঁতে পারে এমন আশংকাও করা হচ্ছে।
এদিকে ভেনেজুয়েলার পর আজ সকালে তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে জাপানেও। সূর্যোদয়ের দেশ জাপানের উত্তর পূর্ব অঞ্চলে আজ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৯; সেখানে বাড়ি ঘরদোর ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেলেও হতাহতের কোনো খবর এখনো আসেনি। অন্যদিকে আজ ভোর ৫:২১ মিনিট নাগাদ নেপালেও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৮; ভূমিকম্পের জেরে নেপাল থেকেও আজ কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ২৪/০৬/২০২৬ : কলকাতার তারাতলার কাছে। বেস ব্রিজ অঞ্চলে একটি নির্মীয়মান গুদামের ছাদ ভেঙে বড়সড় বিপর্যয় নেমে আসে। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকের চাপা পড়ে থাকার আশংকা দেখা দেয়।
আজ বেলা সাড়ে বারোটার একটু পরে তারাতলার কাছে বেস ব্রিজ এলাকার একটি গুদামের ছাদ ভেঙে পরে নিচে। ঐ গুদামের ছাদের বর্গাগুলি ছিল ভাৱি লোহার, সেই সব বর্গাগুলি দুমড়ে মুচড়ে যায়। গোটা জায়গা জুড়ে ধুলোর ঝড় উঠতে দেখা যায়। বিপদের আশঙ্কা করে দ্রুত উদ্ধারকারী দল ও এনডিআরএফকে পাঠানো হয়। এরপরেই সেনাকে তলব করা হয়। সেনাবাহিনীও উপযুক্ত সরঞ্জাম নিয়ে পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে। এক এক করে বাইরে বের করে নিয়ে আসা হয় আহতদের। দ্রুত তাদের এসএসকেএম হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৩ বলে জানানো হয়েছে।
পোর্ট এলাকার ঐ জমিতে লিজ নেওয়া ঐ গুদামে একটি চায়ের ওয়্যারহাউস তৈরী করা হচ্ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। নির্মীয়মান ঐ বিল্ডিংটিই ভেঙে পড়েছে, বাড়িটির ডিজাইনে গণ্ডগোল ছিল বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। উদ্ধারকাজ দেখতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান গ্রাম উন্নয়ন ও পুর মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখার্জী। পরে ঘটনাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিভাবে এতবড় একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেলো তা জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। সেনাবাহিনী তীব্র আলো ও অন্যান্য অত্যাধুনিক সরঞ্জামের মাধ্যমে এখনও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যদি ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে বাঁচার জন্যে কেউ শেষ অর্জিটুকু জানায় !
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৪/০৬/২০২৬ : তৃণমূল কংগ্রেস নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, “যত দ্রুত এই দলটা উঠে যায় ততই মঙ্গল।”
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই অন্তর্কলহ এবং বিদ্রোহের মাশুল দিতে হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস দলটাকে। একে একে বিধায়করা সরে দাঁড়িয়েছেন, সাংসদরা সরে দাঁড়িয়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছেন, এমনকি পুরসভার কাউন্সিলররাও একে একে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন। মেয়ররা নিজেদের পদ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। এর মধ্যেই পূর্ব মেদিনীপুরে জেলা সভাধিপতির আসনটিও বিজেপি দখল করে নিতে পেরেছে। দলীয় বহু কর্মীকে জেলে যেতে হয়েছে।
ঠিক এই রকম একটা অবস্থায় বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জির নেতৃত্বে তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়করা নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য তাঁরাই আসল তৃণমূল কংগ্রেস। তাই সেই নাম, অফিসিয়াল লোগো এবং দলের ফান্ড তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হোক। বিদ্রোহী তৃনমূলের বিধায়করা ইতিমধ্যেই দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে, চেয়ারম্যান পোস্টে নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও।
আজ বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “যা কিছু ঘটছে তা তৃণমূলের অন্দরে ঘটছে, তাই সেসব নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই. এবার নির্বাচন কমিশন সিন্ধান্ত নিক যে, কে ওদের নেতা হবে ? দলটা কতগুলো ভাগ হবে ? পার্টির নাম কি হবে ? লোগো কি হবে ? এসব নিয়ে বিধানসভার ভিতরেও জোর চর্চা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ সেসব জানতে পারছে না, জানতে চাইছেন না। দলটা যত তাড়াতাড়ি উঠে যায় ততই মঙ্গল।