বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন কুনাল ঘোষ
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২২/১১/২০২৫ : এসআইআর নিয়ে এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং নির্বাচন কমিশননকে তোপ দাগলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুনাল ঘোষ.
রাজ্যে চলতি মাসের ৪ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে এস আই আর প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে বিস্তর অভিযোগ উঠে এসেছে। এবার এই প্রক্রিয়াকে নির্বাচন কমিশনের ওপর বিজেপির রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি হিসেবে দেখাঁতে চাইলেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ। এই তত্ব তুলে ধরতে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করতেও ছাড়েন নি।
কুনাল ঘোষ বলেছেন যে এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসলে প্রকৃত ভোটারদেরকেই টার্গেট করা হচ্ছে। হতাশাগ্রস্ত হয়ে প্রকৃত ভোটার এবং বিএলও আধিকারিকরা আত্মহত্যা করছেন। ভোটার তালিকা থেকে কোনো প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ যাওয়া উচিত নয়, আবার কোনো অবৈধ বা ভুয়ো ভোটারের নামও তালিকায় থাকা উচিত নয় বলে মনে করেন তিনি।
৫ লক্ষ টাকারও বেশি দিয়ে কেনা হয়েছিল এ কে ৪৭ বন্দুক
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২২/১১/২০২৫ : দিল্লী বিস্ফোরণ তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই দেখা যাচ্ছে শুধুই আত্মঘাতী বিস্ফোরণ নয়, বরং আরও বড় নাশকতার ছক কষেছিল জঙ্গীরা। আরও বেশ কিছু মানুষকে হত্যাকরার পরিকল্পনা ছিল নরাধম জঙ্গীদের।
নভেম্বর মাসের ১০ তারিখে লাল কেল্লার সামনে যে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল, সেই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ১৫ জন মানুষের।জখম হয়েছিলেন আরও বেশ কিছু মানুষ। দেশের রাজধানীর রাজপথে বোমা ভর্তি গাড়ি নিয়ে এসে নিজেকে উড়িয়ে দিয়েছিল সন্ত্রাসবাদী ড. উমর নবী. এই ঘটনায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের নাম ড. মুজাম্মিল শাকিল গানই, কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা, ড. আদিল আহমেদ রাঠের , অনন্তনাগের বাসিন্দা, ড. শাহীন সাঈদ , উত্তরপ্রদেশের লখনৌ এর বাসিন্দা এবং মুফতি ইরফান আহমেদ, কাশ্মীরের সোপিয়ান অঞ্চলের বাসিন্দা। এছাড়াও জম্মু ও কাশ্মীর থেকে আরও কয়েকজন ডাক্তারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জন্য গিয়েছে।
ধৃত ডাক্তারদের মধ্যে মুজাম্মিল হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল প্রায় ২৫০০ কিলোগ্রাম এমোনিয়াম নাইট্রেট। এই বিপুলপরিমান এমিনিয়াম নাইট্রেট বোমা তৈরি কাজে লাগানোর পরিকল্পনা ছিল, এগুলি উদ্ধার করা হয়েছিল ফরিদাবাদ থেকে। মুজাম্মিলকে জেরাকরে জানা যাচ্ছে, সে ৫ লাখেরও বেশি টাকা দিয়ে একটি একে ৪৭ স্বয়ংক্রিয় বন্দুক কিনেছিল। এই বন্দুকটি উদ্ধার করা হয়েছিল আদিলের লকার থেকে। যেভাবে ঐ বন্দুক কেনা হয়েছিল, তাতে যে মডিউলের নাম উঠে আসছে তা থেকেই বোঝা যায় এই সন্ত্রাসবাদীরা আরও বড় কোনো নাশকতার ছক কষেছিল. এদেরকে সাহায্য করার জন্যে আরও কোনো বড় শক্তি কাজ করেছিল।
তদন্তে এও জানা গিয়েছে যে ধৃতেরা প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা মডিউলের সাথে যোগাযোগ রাখছিল, এরা স্থানীয় স্লিপিং সেলকে সক্রিয় করে তোলার চেষ্টা করছিল। তদন্তকারী আধিকারিকরা তদন্ত করতে গিয়ে নিশ্চিত হয়েছেন যে ধৃতদের মধ্যে মুজাম্মিল, আদিল ও আর এক অভিযুক্ত মুজাফ্ফর আহমেদ ২০২২ সালে তুর্কিতে গিয়েছিল এবং এরা সেখানে গিয়ে ওসাকা নামে একজনের সাথে যোগাযোগ করেছিল যে কিনা তেহেরিক ই তালিবান (পাকিস্তান) এর সক্রিয় সদস্য। উমর নবী ছিল বোমা বিশেষজ্ঞ। সে বোমা বানানোর নানারকম ভিডিও দেখতো এবং দিল্লী বিস্ফোরণের যাবতীয় সামগ্রী সেই জোগাড় করেছিল বলে জানা যাচ্ছে।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ২১/১১/২০২৫ : আজ বলিউডের ডান্সার কুইন হেলেনের ৮৭ তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলেন প্রাক্তন অভিনেত্রী ওয়াহিদা রহমান, আশা পারেখ এবং রেখা।
আজ সকাল থেকেই জন্মদিনের শুভেচ্ছা আসতে শুরু করেছিল হেলেনের কাছে। আজ তাঁর ৮৭ তম জন্মদিন। সকালবেলাতেই শুভেচ্ছা জানিয়ে দিয়েছেন সলমন খান। এরপর তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে এসে উপস্থিত হলেন ওয়াহিদা রহমান, আশা পারেখ ও রেখা। এই তিন জনের সাথে হেলেনের দীর্ঘদিনের অটুট বন্ধুত্ব।
এদিন আশা পারেখ এবং ওয়াহিদা রহমান এসেছিলেন ট্র্যাডিশনাল শাড়িতে। তবে রেখার পরনে ছিল কালো আউটফিট। তার ওপরে রেখা পড়েছিলেন একটি ডেনিম জ্যাকেট। আজ দুর্দান্ত মুডে ছিলেন রেখা। তিনি ফটো শিকারিদের সাথে সাবলীলভাবে কথা বলেছেন, এমনকি এক সময় একজনের থেকে ক্যামেরা নিয়ে ছবিও তুলতে শুরু করেছিলেন। অন্যান্যদের ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে নানারকম পোজও দেন তিনি।
হেলেনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাঁর স্বামী সেলিম খান এবং সোহেল খান। কেক কেটে সুন্দর একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এদিন নিজের জন্মদিন পালন করলেন বলিউডের ডান্স কুইন হেলেন। শুভেচ্ছা কুড়োলেন অসংখ্য অনুরাগীর।
এটা কি নিছক দুর্ঘটনা ? নাকি অন্তর্ঘাত হতে পারে ! উঠছে প্রশ্ন
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক] দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, ২১/১১/২০২৫ : আরবের আকাশে প্রদর্শনীর সময় আচমকাই ভেঙে পড়লো ভারতের তেজস যুদ্ধবিমান। মৃত পাইলট।
শুক্রবার দুবাই মিডিয়া হাউস জানিয়েছে দুবাই এয়ার শো ২০২৫ এ অংশগ্রহণকারী একটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়েছে। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে দুপুর ২:১০ মিনিট নাগাদ। এটি ছিল ভারতের অত্যাধুনিক তেজস যুদ্ধবিমান। প্রদর্শনীর সময় এই বিমানটি দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়। পাইলটকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা গেলেও বাঁচানো যায় নি।
দুর্ঘটনার পর পরই দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যায় উদ্ধারকারী দল; হেলিকপ্টারে করে দ্রুত অকুস্থলে পৌঁছে যাওয়া গিয়েছিল। দ্রুত পৌঁছে গিয়েছিল দমকল বাহিনী, তারাই দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা বিমানটির আগুন নিভিয়ে ফেলে। এই ঘটনায় আজ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সেনাবাহিনীর সিডিএস অনিল চৌহান থেকে শুরু করে অন্যান্য কর্তারা। তেজস যুদ্ধবিমান ভারতে তৈরি অত্যাধুনিক একটি যুদ্ধবিমান। কিভাবে এই যুদ্ধবিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ল, তা নিয়ে একটি তদন্ত শুরু করেছে ভারতীয় বায়ু সেনা। এটা কি নিছক দুর্ঘটনা ? নাকি অন্তর্ঘাত হতে পারে ! উঠছে প্রশ্ন।
রামাফোসার আমন্ত্রণে তিনদিনের জন্যে মোদী গেলেন জোহানেসবার্গে, উদ্দেশ্য জি ২০ সম্মেলন
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ২১/১১/২০২৫ : দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঐতিহাসিক জি ২০ সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা যাওয়ার আগে দেশবাসীর জন্যে কি বার্তা দিয়ে গেলেন তিনি ? আসুন জেনে নেওয়া যাক –
দক্ষিণ আফ্রিকার সভাপতিত্বে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠেয় ২০তম G20 নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য আমি মাননীয় সিরিল রামাফোসার আমন্ত্রণে ২১-২৩ নভেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র সফর করছি।
আফ্রিকায় এই প্রথম G20 শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে, সেদিক থেকে এটি এক বিশেষ শীর্ষ সম্মেলন। ২০২৩ সালে G20-তে ভারতের সভাপতিত্বের সময়ে, আফ্রিকান ইউনিয়ন G20-এর সদস্য হয়েছিল।
গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বজনীন বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনার এক সুযোগ এই শীর্ষ সম্মেলন এনে দিয়েছে। এই বছরের G20 এর মূল ভাবনা হল ‘সংহতি, সমতা এবং সুস্থিতি’, যার সূত্রপাত হয়েছিল ভারতের নয়াদিল্লি এবং ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে অনুষ্ঠিত পূর্ববর্তী শীর্ষ সম্মেলনগুলিতে। ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ এবং ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার এবং এক ভবিষ্যৎ’-এর ভাবনার মধ্য দিয়ে আমাদের যে মানসিকতার প্রতিফলন ঘটেছে, তার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে আমি এই শীর্ষ সম্মেলনে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করব।
আমি অংশীদার দেশগুলির নেতাদের সঙ্গে আমার মতবিনিময় এবং শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি ষষ্ঠ IBSA শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
এই সফরের সময়ে, আমি দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে আমার আলাপচারিতার জন্যও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। প্রবাসী ভারতীয়রা যেসব দেশে বিপুল সংখ্যায় রয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকা সেই দেশগুলির অন্যতম।
আসাম ও ডুয়ার্স ভুটানের সাথে যুক্ত হয়ে যাবে নতুন রেলপথে
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ২১/১১/২০২৫ : ভারত ও ভুটান দুই প্রতিবেশী এবং বন্ধু দেশ। এই দুই দেশ বর্তমানে যোগাযোগ ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে নিজেদের মধ্যে রেল যোগাযোগ গড়ে তোলার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ভারত ভুটান সীমান্তপর্যন্ত রেল যোগাযোগ গড়ে তুলতে আগ্রহী এবং ভুটান তাতে সহমত প্রকাশ করেছে।
গত সেপ্টেম্বর মাসেই ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রী ভারত-ভুটান রেল যোগাযোগের প্রকল্পগুলি নিয়ে কথা বলেছিলেন। ভারতের সাথে ভুটানের দুটি রেল প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। একটি প্রকল্পে আসাম থেকে ভুটান চলে যাওয়া যাবে এবং অপরটি পশ্চিমবঙ্গের দিক থেকে ভুটানে চলে যাওয়া যাবে।
প্রথম প্রকল্পটি তৈরি হচ্ছে আসামের কোকড়াঝোর ও ভুটানের গেলেফুর মধ্যে। এই রেলপথ আসামের কোকড়াঝো র ও চিরাং জেলাকে ভুটানের সারপাং অঞ্চলের সাথে যুক্ত করবে। আসাম-ভুটানের মধ্যে এই প্রকল্পটির জন্যে খরচ হবে মোট ৩,৪৫৬ কোটি টাকা। এই রেলপথ শুধু যে মানুষ ও পণ্য পরিবহন করবে তা নয়, বরং এশিয়া মহাদেশের এই অঞ্চলে কর্ম সংস্থান, বাণিজ্য তথা সম্পূর্ণ অর্থনীতির উন্নতি ঘটাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
দ্বিতীয় প্রকল্পটি পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলাকে সরাসরি যুক্ত করবে ভুটানের সমাতসির সাথে। পশ্চিমবঙ্গের বানারহাট থেকে ট্রেন ছুটবে ভুটানের সামাতসির পথে। চা বাগানের মধ্যে দিয়েই ছুটবে রেল। এই রেলপথে শুধু যে বাণিজ্যের অগ্রগতি হবে তা নয়, উন্নতিসাধন করা হবে দুই দেশের পর্যটনকে। ভুটান সরকার এই সামাতসি জায়গাটিকে একটি শিল্প অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে চলেছে। এই দ্বিতীয় প্রকল্পের জন্যে খরচ করা হবে ৫৭৭ কোটি টাকা।
প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ভারত – ভুটান রেলপথ দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করে গড়ে তুলবে। দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা আরও সুদৃঢ় করবে। ভারতীয় বন্দরগুলি থেকে পণ্য পরিবহনের ওপর দুই দেশেরই গুরুত্ব বাড়বে। এ ছাড়াও বৃদ্ধি পাবে পর্যটন। বাড়বে দুই দশের সাংস্কৃতিক আদান প্রদান।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/১১/২০২৫ : জোরালো ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ। আজ রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রায় সব জেলা থেকেই এই ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে কলকাতাতেও।
শুক্রবার সকাল ১০:০৯ নাগাদ আচমকাই ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ। রিখটার স্কেলে এই ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৭ বলে জানা গিয়েছে। এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে, ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। এই ভূকম্পনের ফলে সমগ্র বাংলাদেশেও জোরালো ভূকম্পন হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব জেলা থেকেই ভূমিকম্প অনুভূত করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, আলিপুর দুয়ার এবং শিলিগুড়ি থেকে ভূকম্পন স্পষ্ট বোঝা গিয়েছে। কলকাতায় ভূকম্পন হতেই বহুতল থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন বাসিন্দারা। তবে এই ভূকম্পনের ফলে পশ্চিমবঙ্গের কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে নি. মোট ১৯ সেকেন্ড স্থায়ী ছিল এই ভকম্পন।
ভারত ও বাংলাদেশ ছাড়া আজ ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় এবং কিরঘিস্তানে। কিরঘিস্তানে ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৪.২ বলে জানা গিয়েছে। পাকিস্তানে ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৯।
এক কোটি নাম বাদ হয়ে গেলে উনি জিতবেন কিভাবে ? প্রশ্ন শুভেন্দুর
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/১১/২০২৫ : “রাজ্যে চলতে থাকা এসআইআর থামানোর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে ?” প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।
রাজ্যে এই মুহূর্তে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে। তবে সেই এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনকে লিখিতভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “বিএলওদের প্রশিক্ষণে যথেষ্ট ফাঁক থেকে গিয়েছে। বাধ্যতামূলক নথিপত্রের ব্যাপারে স্পষ্টতার অভাব রয়ে গিয়েছে। গোটা বিষয়টির পরিকাঠামো ত্রুটিযুক্ত রয়েছে। এই কারণে গোটা প্রক্রিয়াটাই অকার্যকর হয়ে উঠেছে।” এসআইআর জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই ধরনের প্রক্রিয়াকে ‘অপরিকল্পিত’, ‘বিশৃঙ্খল’ এবং ‘বিপজ্জনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
এই মুহূর্তে দিল্লী থেকে রাজ্যে এসআইআর এর এর কাজ কর্ম নিরীক্ষণ করতে এসেছেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। আজ তাঁরা একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন। নিউ টাউনে ইভিএম নিয়ে একটি কর্মশালাও করা হয়েছে। এই বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া চিঠি নিয়ে আলোচনাও হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইছেন যাতে এসআইআর বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু এসআইআর থামানোর তিনি কে ? এটি সাংবিধানিক একটি সংস্থার ওপর এক ধরনের আক্রমণ ছাড়া আর কিছুই নয়। এসআইআর কোনো নতুন ঘটনা নয়, এই ধরনের ঘটনা দেশে নবমবারের মত ঘটছে। প্রথম দিন থেকেই তিনি মানুষকে ভয় দেখিয়ে চলেছেন। প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানারকম কথা বলছেন, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে গালি দিচ্ছেন।”
শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ” যদি ৭ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন ভোটার তালিকা প্রকাশিত না হয়, তাহলে এপ্রিলে নিশ্চয়ই ভোট হবে না। মৃত, ভুয়ো এবং অবৈধ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতা হারানোর ভয়ে হট্টগোল করছেন। যখন এক কোটিরও বেশি ভুয়ো, অবৈধ, বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী ভোটারদের নাম বাদ হয়ে যাবে, তখন তিনি কিভাবে জিতবেন ? তৃণমূলের সাথে বিজেপির ভোট পার্থক্য মাত্র ২২ লক্ষের কাছে।”
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২১/১১/২০২৫ : কয়লা মাফিয়াদের সুবিশাল নেটওয়ার্ককে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে বিশাল অভিযান চালালো এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ঝাড়খন্ড ও পশ্চিমবঙ্গের মোট ৪০টি জায়গায় অভিযান চালিয়েছে কেদ্রীয় সংস্থা ইডি।
ঝাড়খন্ড অপশ্চিমবংগের বাহিনীর সাথে যৌথভাবে ঝাড়খণ্ডের রাঁচি এবং পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় শুক্রবার ভোর রাত্রি থেকেই মোট ৪০টি জায়গায় বিশাল তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ইডি। ভোর রাত্রি থেকেই একের পর এক বাড়ি, অফিস, গুদাম এবং সংশ্লিষ্ট জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাতে শুরু করে দুই রাজ্যের পুলিশ, নেতৃত্ব দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
বেআইনিভাবে কয়লা উত্তোলন এবং তা পাচারের অভিযোগে এই তল্লাশি চালিয়েছে ইডি , বছরের পর বছর এই পাচার চক্র সক্রিয় হয়ে রয়েছে। এতে করে সরকারের শত শত কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। এই নিয়ে মামলাও হয়েছে, সেই মামলায় বেশ কিছু নাম উঠেও এসেছে, সেই নামগুলি হল অনিল গোয়েল, এল বি সিং, অমর মন্ডল, সঞ্জয় উদ্যোগ ইত্যাদি। অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু সামগ্রী আটক করেছে ইডি , বাজেয়াপ্ত করা সেইসব দেখছে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি।
অবৈধ কয়লা খনন ও পাচার রুখতে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, দুর্গাপুর, পুরুলিয়া ও হাওড়ায় বেশ কিছু জায়গায় এখনও তল্লাশি চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এবং রাজ্যপুলিশ। এই রাজ্যের ২৪টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/১১/২০২৫ : রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্য অভিযোগ করে জানিয়েছেন “তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে চলতে থাকা এসআইআরের দায়িত্বে থাকা বিএলও আধিকারিকদের ভুল তথ্য এবং ভুল নামে ফর্ম পূরণের জন্যে চাপ দিচ্ছে।”
এই মুহূর্তে রাজ্যে এসআইআর চলছে। গোটা বিষয়টির ওপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। চলতি মাসের ৪ তারিখে শুরু হয়েছে এই এসআইআর, চলবে ডিসেম্বর মাসের ৪ তারিখ পর্যন্ত। বিএলও আধিকারিকরা বাড়িতে বাড়িতে যাচ্ছেন এবং ভোটার তালিকায় সংযোজন ও বিয়োজনের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করাচ্ছেন। এবার সেই ফর্মেই নাকি ভুল নাম এবং ভুল তথ্য দিতে চাপ দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা, এমনি অভিযোগ করছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্য।
ইতিমধ্যেই এসআইআর এর জন্যে প্রায় সব ফর্ম বিতরণ করা শেষ হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। এর আগে রাজ্যের কয়েকটি জেলায় অভিযোগ উঠেছিল সেই জেলাগুলির জেলাশাসকরা নাকি বিএলও আধিকারিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন ওটিপি নম্বর বলে দেওয়ার জন্যে। বিষয়টি জানানো হয়েছিল নির্বাচন কমিশনকে। এবার ফের বিএলও আধিকারিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠলো। বিজেপির এই অভিযোগের তীর শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে।
বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য্য বলেন, “আমাদের অবস্থান একেবারেই স্পষ্ট, আমরা বলছি শনাক্ত করুন, মুছে ফেলুন আর নির্বাসিত করুন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, যদি কেউ ভুল করে থাকেন, তাদের নাম ভোটার তালিকায় থাকা উচিত। রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারী সকলের নাম ভোটার তালিকায় থাকা উচিত …এটা তাদের এজেন্ডা হতে পারে। ওরা এটা নিশ্চয়ই জানে যে সেটা আর সম্ভব নয়।”
শমীক ভট্টাচার্য্য আরও বলেন, “উনি আগে বলতেন এসআইআর-এর মাধ্যমে কিছুই হবে না। আর এখন বলছেন এসআইআর কিছুতেই হতে দেবেন না। তৃণমূল বিএলওদের ওপর ভুল ভোটার এবং ভুল নথী আপলোড করার জন্যে চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁদের ওপর চাপ বাড়িয়ে তুলছে। এই মুহূর্তে দেশে মোট ১২টি রাজ্যে এসআইআর করা হচ্ছে। কিন্তু অন্য কোনো জায়গায় এতো হট্টগোল হচ্ছে কি ? আর কোথাও এতো হট্টগোল হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া।”