এক কোটি নাম বাদ হয়ে গেলে উনি জিতবেন কিভাবে ? প্রশ্ন শুভেন্দুর

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/১১/২০২৫ : “রাজ্যে চলতে থাকা এসআইআর থামানোর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে ?” প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।
রাজ্যে এই মুহূর্তে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে। তবে সেই এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনকে লিখিতভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “বিএলওদের প্রশিক্ষণে যথেষ্ট ফাঁক থেকে গিয়েছে। বাধ্যতামূলক নথিপত্রের ব্যাপারে স্পষ্টতার অভাব রয়ে গিয়েছে। গোটা বিষয়টির পরিকাঠামো ত্রুটিযুক্ত রয়েছে। এই কারণে গোটা প্রক্রিয়াটাই অকার্যকর হয়ে উঠেছে।” এসআইআর জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই ধরনের প্রক্রিয়াকে ‘অপরিকল্পিত’, ‘বিশৃঙ্খল’ এবং ‘বিপজ্জনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
এই মুহূর্তে দিল্লী থেকে রাজ্যে এসআইআর এর এর কাজ কর্ম নিরীক্ষণ করতে এসেছেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। আজ তাঁরা একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন। নিউ টাউনে ইভিএম নিয়ে একটি কর্মশালাও করা হয়েছে। এই বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া চিঠি নিয়ে আলোচনাও হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইছেন যাতে এসআইআর বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু এসআইআর থামানোর তিনি কে ? এটি সাংবিধানিক একটি সংস্থার ওপর এক ধরনের আক্রমণ ছাড়া আর কিছুই নয়। এসআইআর কোনো নতুন ঘটনা নয়, এই ধরনের ঘটনা দেশে নবমবারের মত ঘটছে। প্রথম দিন থেকেই তিনি মানুষকে ভয় দেখিয়ে চলেছেন। প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানারকম কথা বলছেন, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে গালি দিচ্ছেন।”
শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ” যদি ৭ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন ভোটার তালিকা প্রকাশিত না হয়, তাহলে এপ্রিলে নিশ্চয়ই ভোট হবে না। মৃত, ভুয়ো এবং অবৈধ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতা হারানোর ভয়ে হট্টগোল করছেন। যখন এক কোটিরও বেশি ভুয়ো, অবৈধ, বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী ভোটারদের নাম বাদ হয়ে যাবে, তখন তিনি কিভাবে জিতবেন ? তৃণমূলের সাথে বিজেপির ভোট পার্থক্য মাত্র ২২ লক্ষের কাছে।”
![]()