আচমকাই অসুস্থ বোধ করেন গায়ক কুমার শানুকে ছেলে জান কুমার শানু, রক্ত পরীক্ষা করা হলে জানা যায় তিনি কোবিদ পজিটিভ। তাঁকে মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে আইসোলেশন সেকশানে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়েছে। ছেলের স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ চিন্তায় আছেন গায়ক শানু।
হাসপাতালে যথেষ্ট হাসিখুশি আছেন বিগবস ১৪এর প্রতিযোগী যান কুমার শানু, নিজে গানও করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ছবি পোস্ট করে মজার ছলে লিখেছেন “চায়না সে আয়া মেরা দোস্ত”। জানে দ্রুত আরোগ্যপকামনা করে প্রচুর কমেন্ট করেছেন ফলোয়াড়রা।
অরণ্য সপ্তাহে ৭ কোটি ২০ লক্ষ গাছ লাগানোর টার্গেট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
আজ খবর (বাংলা), [পশু বসুন্ধরা] কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ১৪/০৭/২০২৬ : আজ থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে অরণ্য সপ্তাহ, এই উপলক্ষে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সল্ট লেকের বনবিতানে গিয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করেছেন।
sunglass @Rs. 999/- (Click on the image)
এদিন বৃক্ষরোপনের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছাত্র ছাত্রীদেরকে গাছের চারা বিলি করেন। তারপর বলেন, “আমরা যখন কলকাতার ওপর দিয়ে বিমানে যাতায়াত করি, তখন এই কংক্রিটের জঙ্গলকে দেখে আতঙ্কিত হয়ে উঠি। কলকাতায় নতুন বিল্ডিং প্ল্যান পাশের সময় বলে দেওয়া হয় দুই ভাগে বাড়ি হবে আর এক ভাগে গাছ লাগাতে হবে, কিন্তু কেউ লাগান না। তাই এই শহর কংক্রিটের জঙ্গল হয়ে উঠেছে। এবার থেকে সর্বত্র বৃক্ষরোপন করা হবে। মায়ের নামে একটি গাছ লাগাতে হবে। জঙ্গলমহলে গাছ কমে গিয়েছে। বাঁকুড়া উরুলিয়ায় গাছ কমে গিয়েছে। ডুয়ার্সও গাছ কমে গিয়েছে। এই জায়গাগুলিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে গাছ লাগাতে হবে। ”
শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য রাজ্যে ৭ কোটি ২০ লক্ষ গাছ লাগানো, কিন্তু এই গাছ লাগালেই তো শুধু হবে না, এই গাছগুলোকে অন্তত দুই বছর ধরে রক্ষনাবেক্ষন করতে হবে। ” বনকর্মীদের উৎসাহ প্রদান করে মুখ্যমন্ত্রী বনদপ্তরে আরও কর্মী নিয়োগের করে বার্তা দেন। বন্য পশুদের এবং বনের গাছগাছালীদের রক্ষা করার বার্তা দেন। অরণ্যে আরও নজরদারি বাড়াতে বলেন।
আজ খবর (বাংলা) [দেশ} হায়দ্রাবাদ, তেলেঙ্গানা, ১১/০৭/২০২৬ : হায়দ্রাবাদকে দেশের স্পিড হাব হিসেবে তৈরী করতে চাইছে কেন্দ্র সরকার। হায়দ্রাবাদ পেতে চলেছে তিনটি রুটের বুলেট ট্রেন।
বিজেপির শাসনে এবার চূড়ান্ত গতিবেগ পেতে চলেছে হায়দ্রাবাদ। দক্ষিণের সিনেমা শিল্প বেশ উন্নত এখানে। এই হায়দ্রাবাদকেই দেশের স্পিড হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছে কেন্দ্র সরকার। এতে হায়দ্রাবাদের জমজ শহর সেকেন্দ্রাবাদেরও সুবিধা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। তিনটি রুটে বুলেট ট্রেন এসে গেলে হায়দ্রাবাদ থেকে অন্যান্য জায়গাগুলিতে যেতে অনেক কম সময় লাগবে।
কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে আজ দেশের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা করেছেন যে হায়দ্রাবাদ পেতে চলেছে তিনটি বুলেট ট্রেন। এই বুলেট ট্রেনগুলি হায়দ্রাবাদ শহর ছেড়ে প্রথমটি পৌঁছাবে পুনে, দ্বিতীয়টি পৌঁছাবে চেন্নাই এবং তৃতীয়টি পৌঁছাবে ব্যাঙ্গালুরুতে। সুতরাংহায়দ্রাবাদি থেকে পুনে, চেন্নাই ও ব্যাঙ্গালুরুর দূরত্ব কমছেই। হায়দ্রাবাদ স্পিড হাবে পরিণত হলে অন্যান্য উন্নয়নগুলিও গতি পাবে।
দেশের প্রথম বুলেট টেন ছুটতে করেছে মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের মধ্যে, দ্বিতীয় বুলেট ট্রেন ছুটবে দিল্লী ও শিলিগুড়ির মধ্যে। তারপর এই তিনটি বুলেট ট্রেনের কথা ঘোষণা করল ভারতীয় রেল হায়দ্রাবাদে তিনটি বুলেট ট্রেনের জন্যে মোট ৫৪০০ কোটি টাকা বাজেট ধার্য করা হয়েছে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। হয়রাবাদের এই তিনটি বুলেট ট্রেন রুট ও বাজেটের জন্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
আজ খবর (বাংলা) [জন্য রুট] বদ্রীনাথ, উত্তরাখন্ড, ১১/০৭/২০২৬ : প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করেই উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার মানা গ্রামে পর্যটকদের ভীড় বাড়ছে ।
উত্তরাখন্ড রাজ্যের চামোলি জেলাতেই অবস্থান বিখ্যাত তীর্থক্ষেত্র বদ্রীনাথের। বর্তমানে মন্দির খোলা থাকায় এমনিতেই তীর্থযাত্রীদের ভীড় রয়েছে। বদ্রীনাথ থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরেই রয়েছে ওই অঞ্চলের শেষ গ্রাম মানা গ্রাম, তারপর আরও এগোলেই তিব্বত শুরু হয়ে যাচ্ছে। কাছাকাছিই রয়েছে শতপন্থ তাল, এই পথ ধরেই স্বর্গে যাত্রা করেছিলেন পান্ডবরা।
অপূর্ব দৃশ্যপট চামোলি জেলার এই অংশের। সুউচ্চ পাহাড়, সবুজ উপত্যকা, আবার আকাশের একদিক আড়াল করে দাঁড়িয়ে থাকা নীলকণ্ঠ পর্বতের চূড়া। এর সাথেই রয়েছে বদরী বিশাল দর্শন। এই টানেও মানুষ ছুটে আসেন এখানে। এবছরও ব্যতিক্রম হয় নি. অসংখ্য মানুষ ছুটে এসেছেন এই অঞ্চলে, তবে ভীড় সবচেয়ে বেশি মানা গ্রামে।
সমতল থেকে প্রচুর মানুষের ভীড় দেখা যাচ্ছে মানা গ্রামে। খুশি স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তবে চিন্তিত প্রশাসন। কারন প্রবল বর্ষণ শুরু হয়ে গিয়েছে উত্তরাখন্ডের বিভিন্ন জায়গায়। পাহাড়ি নদীগুলি ফুঁসতে শুরু করে দিয়েছে। ঝোরাগুলিও জলপ্রপাতের চেহারা নিয়েছে। গোটা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে প্রশাসন। তৈরী রাখা হয়েছে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট গ্রূপকে।
এই বছর সমতলের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চামোলি জেলায় বেড়াতে এসেছেন সাধারণ মানুষ। তবে পর্যটকদের সংখ্যা বেশি এবার রাজস্থান থেকে। রাজস্থানের মানুষরাই এই মুহূর্তে বেশি ভীড় করেছেন উত্তরাখন্ডের চামোলি জেলায়।
@ Rs. 6099/- (Click the image)
Safari Pentagon Pro 8 Wheels Set of 3, (Cabin + Medium + Large) Trolley Bag, Hard Case Polypropylene, 360º Wheeling Luggage, Suitcase for Travel, Trolley Bags for Travel, Luxury Beige
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৯/০৭/২০২৬ : তৃণমূল কংগ্রেসের তিন সাংসদ যোগ দিলেন বিজেপিতে। এই তিনজন হলেন সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বারাইক এবং সুখেন্দু শেখর রায়।
আজ কলকাতার নিউ টাউনে বিজেপির দপ্তরে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তিন সাংসদ ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিলেন। তাঁরা হলেন সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বারাইক ও সুখেন্দু শেখর রায়। তাঁদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দিয়ে দলে স্বাগত জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তৃণমূল থেকে আসা সাংসদেরা।
কিন্তু বিজেপি বার বার ঘোষণা করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে কাউকেই বিজেপিতে জায়গা দেওয়া হবে না। বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই তিন সাংসদ নিজেরাই দিল্লীতে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। মোদীজির সাথেও তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছিল। এই তিন সাংসদ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে নিজেদের বিশ্বস্ততা প্রমান করতে সক্ষম হয়েছেন। সুখেন্দু শেখর রায় অমিত শাহের সাথেও দেখা করেছিলেন। এরপরেই এই তিন সাংসদের জন্যে দরজা খুলে দিয়েছে বিজেপি শিবির।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,০৮/০৭/২০২৬ : অপরাধীদের এনকাউন্টার করা নিয়ে পুলিশের পক্ষকেই সমর্থন জানিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বললেন, “যা হয়েছে ঠিক হয়েছে। ”
বারুইপুর ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের অন্যতম মূল অপরাধী পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পালাতে গিয়েছিল, সেই সময় পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যু হয়। এই এনকাউন্টারকে ঘিরে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসা যেমন করা হচ্ছে, তেমন সমালোচনাও করা হচ্ছে পুলিশকে। সমাজ মাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। গোটা ঘটনার তদন্ত করবে সিআইডি।
Sofa Cover @ Rs. 475/-
মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ কিন্তু এই ধরনের এনকাউন্টরকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেছেন , “অন্যান্য রাজ্যেও পুলিশকে এই স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, আসাম, বিহার, মহারাষ্ট্র সব রাজ্যেই পুলিশকে এই স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। অপরাধ ও অপরাধীদের জন্যে এই রাজ্যে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। অপরাধ সংঘটিত করে অপরাধীরা রেহাই পাবে না। আইন শৃঙ্খলাকে সঠিকপথে চালিত করতেই হবে। ”
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে এনকাউন্টার নিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশের তীব্র সমালোচনা করেছেন বাম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্য্য। ধর্ষক হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তি প্রভাসকে “আপনি” বলে সম্বোধন করে তাকে “ভদ্রলোক” বলেছেন বিকাশ ভট্টাচার্য। এনকাউন্টার নিয়ে দ্বিধা বিভক্ত বাংলা, সমাজ মাধ্যমেও এনকাউন্টারকে কেউ প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন আবার কেউ শ্লেষাত্মক উক্তি করতেও ছাড়েন নি. এই ব্যাপারে দিলীপ ঘোষ বলেন,” আমাদের রাজ্যে কিছু বুদ্ধিজীবী মানুষ আছেন, যাঁরা ধর্ষকদের অনুপ্রাণিত করেন। যেখানে সেখানে ডিম খরচ না করে এদেরকেই ডিম খাওয়ানো উচিত।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা , ০৮/০৭/২০২৬ : বারুইপুর ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের অন্যতম মূল অপরাধী প্রভাস মন্ডলকে এনকাউন্টার করল পুলিশ। পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে সে গুলি চালিয়ে পালতে গিয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে, তখনই পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ।
মধ্যরাতে জেরা পর্বের পর বারুইপুর সূর্যপুর স্টেশনের কাছে যেখানে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও হত্যার মত ঘটনা ঘটেছিল, সেই জায়গায় ঘটনা ঠিক কিভাবে ঘটেছিল তা পুনর্নির্মাণ করতে নিয়ে যাওয়া হয় প্রভাস মন্ডলকে। সেখানেই পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পালতে চেষ্টা করে প্রভাস। সে ঐ বন্দুক থেকে গুলিও চালায়। এরপরেই এনকাউন্টার করে পুলিশ। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।
আইনের শাসন ঠিক কেমন হয় তাবাস্তবে করে দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে তিনি সর্বোচ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা বলেছিলেন আগেই। এই ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে প্রস্তুত হয়েই আছেন তিনি। প্রভাস মণ্ডলের মৃতদেহ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন তার মা।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৭/০৭/২০২৬ : আগামীকাল ফের একবার রাজপথে নেমে রাজনৈতিক আন্দোলন সংঘটিত করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আগামীকাল বারুইপুর ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে আন্দোলোনে সামিলহতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই উপলক্ষে তৃণমূল নেতা কর্মী, তৃণমূল যুবা এবং সমর্থকদের পাশে পাওয়ার আহবান জানিয়েছেন নেত্রী। সুতরাং আগামীকাল ফের একবার নিজের রাজনৈতিক অস্ত্রে শান দেওয়ার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছেন নেত্রী। তাঁরই দলে বিক্ষুব্ধরা যখন দলের বিরুদ্ধেই বিক্ষোভ প্রদর্শনে ব্যস্ত থাকছেন, তখন আক্রান্ত বাঘের মত ফের একবার রাজনীতির ময়দানে সর্ব শক্তি নিয়ে ঝাঁপাতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
নির্বাচনে শোচনীয় হার ও দলে ভরাডুবির পরেও এতটুকু শংকিত নন মমতা, বরং ফের সমস্ত শক্তি একত্রিত করে লড়াইয়ের ময়দানে ফেরত আসতে চাইছেন তিনি। গতকাল তিনি বারুইপুরে নির্যাতিতার বাড়িতে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর বাড়ি ঘিরে রেখেছিল পুলিশ। সে প্রসঙ্গে মমতা বলেছেন, “আমাকে যেন গৃহবন্দী করে রেখে দেওয়া হয়েছে!” সেই ঘটনার প্রতিবাদে মমতা গতকাল রাতেই মোমবাতি মিছিল করতে পথে নেমেছিলেন। আর আগামীকাল বারুইপুর ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বড়সড় আন্দোলনে নামতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কিছুদিন আগেই তাঁর জমানায় যেমন বিজেপিকে আন্দোলন করার অনুমতি পেতে আদালতের দ্বারস্থ হতে হত, তেমন আজ তৃণমূলকেও আন্দোলন করার জন্যে হাইকোর্টের শরণাপন্ন হতে হয়েছিল। তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “৮ তারিখে কলকাতার রাজপথে নেমে আন্দোলন করার অনুমতি পাওয়া গিয়েছে। আগামীকাল দুপুর আড়াইটা থেকে সাড়ে চারটে পর্যন্ত বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি রোডের মুখ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মিছিল করবে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা।”
আগামীকাল এই মিছিল করে এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চাইছেন মমতাপন্থীরা। প্রথমত রাজ্যের বিরোধী দল হিসেবে রাজ্য সরকারের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে ধরা যাবে। যদি আগামীকাল কর্মী সমর্থকদের ভীড় টেনে নেওয়া যায়, তাহলে রাজনৈতিক মন্দার বাজারেও পালে হাওয়া লাগিয়ে নিতে পারবেন মমতা। নিজের শক্তি প্রদর্শন করার ক্ষেত্রেও সাফল্য পাবেন তিনি। এক্ষেত্রে তাঁদের আন্দোলনের বিরোধিতা করতে বিজেপি কোনো ভুলকরে বসে কিনা সেদিকেও নজর রাখবেন নেত্রী। দ্বিতীয়ত, আগামীকালের মিছিল আগামী দিনে তৃণমূলের নাম, প্রতীক, তহবিল নিয়ে নতুন বার্তা বিক্ষুব্ধদেরকে প্রদান করতে সক্ষম হবে। শুধু তাই নয় আগামীকালের মিছিলের সাফল্যদেখে নিয়েই আগামী ২১শে জুলাই শহীদ দিবস নিয়ে ঠিক কি কর্মসূচী নেওয়া হবে, সেই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন নেত্রী। কমেন্টে লিখুন আপনার মতামত।
আজ খবর (বাংলা) রাজ্য, বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা , ০৭/০৭/২০২৬ : বারুইপুরের ঘটনায় জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলবে রাজ্য সরকার। ঐ ঘটনায় কাউকে রেয়াত করা হবে না বলে ফের একবার সাফ জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার ব্যাপারে রাজ্য সরকার যে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলবে তা মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেই জানিয়ে দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই আর জি কর হাসপাতালে অভয়া কাণ্ডের তদন্ত নতুন করে শুরু করতে গিয়ে উচ্চ পদস্থ তিন পুলিশ কর্তাদেরকে সাসপেন্ড করে দিয়েছিলেন তিনি।
আজ বারুইপুর কাণ্ডে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ সুপারের সাথে গুরুত্ত্বপূর্ণ বৈঠক সেরে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বারুইপুর ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছেন রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা নিজেই। তাঁকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। সেই রিপোর্ট মত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার। শুভেন্দু অধিকারী আজ বলেন, “কাউকে রেয়াত করা হবে না। কাউকে ছেড়ে কথা বলা হবে না। এমনকি যদি দেখা যায় এই ধরনের ঘটনায় প্রশাসনের কারোর বিন্দুমাত্র গাফিলতি আছে, তাহলে তাকেও ছেড়ে দেওয়া হবে না। আজকের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি, বাম, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক সাংসদেরা। ছিলেন রুপা গাঙ্গুলি, প্রাক্তন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষরা।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “বারুপুরের ঘটনার পরেই ইন্দ্রাজিতমণ্ডল নামে যাকে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল , পুলিশ জানিয়েছে সে ছিল নির্দোষ। যারা সেদিন অশান্তি করেছিল, পুলিশকে আক্রমণ করেছিল, রেললাইন উপড়ে দিয়েছিল, পুলিশের গাড়ি ভাংচুর করেছিল, সেরকম ২০০জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এদের প্রত্যেককেই গ্রেপ্তার করা হবে। ের বিচ্ছিন্নবাদী হতেও পারে। মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় নাম কেনার জন্যে সেদিন যারা পিছন থেকে উস্কানি দিয়েছিল, তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না। এই ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের সব থানার ওসি এবং আইসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”