
আজ খবর (বাংলা) রাজ্য, বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা , ০৭/০৭/২০২৬ : বারুইপুরের ঘটনায় জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলবে রাজ্য সরকার। ঐ ঘটনায় কাউকে রেয়াত করা হবে না বলে ফের একবার সাফ জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার ব্যাপারে রাজ্য সরকার যে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলবে তা মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেই জানিয়ে দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই আর জি কর হাসপাতালে অভয়া কাণ্ডের তদন্ত নতুন করে শুরু করতে গিয়ে উচ্চ পদস্থ তিন পুলিশ কর্তাদেরকে সাসপেন্ড করে দিয়েছিলেন তিনি।
আজ বারুইপুর কাণ্ডে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ সুপারের সাথে গুরুত্ত্বপূর্ণ বৈঠক সেরে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বারুইপুর ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছেন রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা নিজেই। তাঁকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। সেই রিপোর্ট মত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার। শুভেন্দু অধিকারী আজ বলেন, “কাউকে রেয়াত করা হবে না। কাউকে ছেড়ে কথা বলা হবে না। এমনকি যদি দেখা যায় এই ধরনের ঘটনায় প্রশাসনের কারোর বিন্দুমাত্র গাফিলতি আছে, তাহলে তাকেও ছেড়ে দেওয়া হবে না। আজকের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি, বাম, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক সাংসদেরা। ছিলেন রুপা গাঙ্গুলি, প্রাক্তন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষরা।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “বারুপুরের ঘটনার পরেই ইন্দ্রাজিতমণ্ডল নামে যাকে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল , পুলিশ জানিয়েছে সে ছিল নির্দোষ। যারা সেদিন অশান্তি করেছিল, পুলিশকে আক্রমণ করেছিল, রেললাইন উপড়ে দিয়েছিল, পুলিশের গাড়ি ভাংচুর করেছিল, সেরকম ২০০জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এদের প্রত্যেককেই গ্রেপ্তার করা হবে। ের বিচ্ছিন্নবাদী হতেও পারে। মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় নাম কেনার জন্যে সেদিন যারা পিছন থেকে উস্কানি দিয়েছিল, তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না। এই ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের সব থানার ওসি এবং আইসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

![]()