
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] মহিষবাথানি,মালদা ২৯/০৯/২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই মালদা জেলার মহিষ বাথানি এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙনের দাবি ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। স্থানীয় সূত্র ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৃণমূল কংগ্রেসের শতাধিক নেতা ও কর্মী কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৩ জন পঞ্চায়েত সদস্য, একজন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, আঞ্চলিক স্তরের দলীয় সভাপতি এবং ব্লক সহ-সভাপতিও রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

রবিবার বলরামপুরে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে কংগ্রেসের পতাকা তুলে দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা কংগ্রেসের সভাপতি, রাজ্য কংগ্রেসের সহ-সভাপতি এবং প্রাক্তন বিধায়ক বি. হালদার-সহ স্থানীয় নেতৃত্ব। এই দলবদলকে ঘিরে মালদার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মহিষ বাথানি এলাকায় একসময় কংগ্রেসের সাংগঠনিক প্রভাব ছিল বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেসের উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন আসে। এবার তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের একাংশ কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় কংগ্রেসের সংগঠন ফের শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া শরফত আলী তাঁর দলবদলের কারণ হিসেবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই আরও কার্যকরভাবে চালানোর লক্ষ্যেই তিনি কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। যদিও দলবদলকারীদের এই বক্তব্য তাঁদের নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই দলবদলের ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিভিন্ন দলের সাংগঠনিক তৎপরতা বেড়েছে। ফলে মালদার মহিষ বাথানি এলাকায় তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের কংগ্রেসে যোগদানের ঘটনাকে ঘিরে আগামী দিনে স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব পড়ে, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।



