
আজ খবর (বাংলা) [আন্তর্জাতিক] ইরান ২৯/০৯/২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে চলা সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়লেও ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে নিউজিল্যান্ডের অর্থনীতি। দেশটির সরকারি অর্থনৈতিক মূল্যায়নেও বলা হয়েছে, সংঘাতের কারণে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কিছুটা পিছিয়ে গেলেও মাঝারি মেয়াদে ফের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের অর্থনীতি ২০২৫ সালের শেষ দিকে এবং ২০২৬ সালের শুরুতে দুর্বল পরিস্থিতি থেকে ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের পথে এগোচ্ছিল। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়। এর ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যায় এবং জ্বালানি ও পরিবহণ খাতে খরচ বৃদ্ধি পায়।

এই পরিস্থিতির প্রভাব নিউজিল্যান্ডের বাজারেও পড়ে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যবসায়িক খরচ বেড়ে যায় এবং সাধারণ মানুষের খরচ করার প্রবণতাতেও চাপ তৈরি হয়। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে নিউজিল্যান্ডের রফতানিতেও উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছিল।

তবে সরকারি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, তেলের দামের চাপ ধীরে ধীরে কমলে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিস্থিতির উন্নতি হলে নিউজিল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপ আবার বাড়তে পারে। অর্থাৎ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে ধীর করলেও দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ীভাবে অর্থনীতির উৎপাদনক্ষমতার ওপর বড় প্রভাব পড়বে না—এমনটাই বর্তমান সরকারি পূর্বাভাস।

অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি এখনও বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হয়ে রয়েছে। ফলে সংঘাতের গতিপ্রকৃতি এবং তেলের দামের ওঠানামার ওপরই আগামী দিনে নিউজিল্যান্ড-সহ বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটাই নির্ভর করবে।




