
আজ খবর, চোপড়া, উত্তর দিনাজপুর, ২৯/১০/২০২৬ : চোপড়ায় জনসভা করতে গিয়ে চোপড়ার বিধায়ককেই গুন্ডা, মাফিয়া বলে অভিহিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
আজ উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর মহকুমার চোপড়ায় একটি জনসভায় যোগ দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মূলত তিনি কর্ণজোড়ায় জল প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। সেই উপলক্ষে তিস্তা ময়দানে অন্তত ৫০ হাজার মানুষের অভিবাদন গ্রহণ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য শুনতে জনসভার মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ ছিল। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রকল্পের কথা জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী প্রাক্তন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি জানান ‘প্রাক্তন শাসক দলের কারণেই উত্তরবঙ্গ অবহেলিত থেকে গিয়েছে। বর্তমান ডাবল ইঞ্জিন সরকার উন্নয়নের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের সেই ক্ষত পূরণ করবে’।

এদিন জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, চোপড়ার মাফিয়া বিধায়ক কত বড় গুন্ডা, তা তিনি দেখবেন। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা সব অভিযোগের ফাইল পুনরায় খোলা হবে। পুলিশ সুপার এবং ডিজিকে এই ব্যাপারে তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়ে যাবেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল দল এই অঞ্চলে যে অত্যাচার চালিয়েছিল, তার জন্যে দুঃখ প্রকাশ করেন শুভেন্দুবাবু। এদিন অপরাধমূলক ঘটনার ক্ষেত্রে পুলিশকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

জনসভার মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “চোপড়ার বিধায়ক কত বড় গুন্ডা হয়েছে তা আমরা দেখবো। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা পুরোনো সব ফাইল খোলা হবে। কেউ তাঁকে বাঁচাতে পারবে না। গতকাল চোর ইন্দ্রনীলকে যেভাবে জেলে যেতে হয়েছে, সেভাবেই এখানকার বিধায়ককেও জেলে যেতে হবে। কোনোভাবেই তিনি রেহাই পাবেন না।’

চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমান অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের কোনো জবাব দেন নি. তিনি সম্প্রতি তৃণমূলের ঋতব্রত শিবির ত্যাগ করে মমতা ব্যানার্জিকে নেত্রী মেনে তৃণমূলের কালীঘাট শিবিরে যোগ দিয়েছেন। আর তার পরেই আজ চোপড়া গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নাম না করে তৃণমূলের বিধায়ককে রাজনৈতিক আক্রমণ করে এলেন। তিনি বলেন, “খুব শীঘ্রই তিনি মেডিকেল কলেজ ও এইমসের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কালিম্পঙ ও রায়গঞ্জে আসবেন।”







