Aaj Khabor

বাংলায় কে এগিয়ে ঘাস ফুল না পদ্ম ফুল ? ভোট যুদ্ধের গোপন অঙ্ক

 ভোট যুদ্ধের গোপন অঙ্ক

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কি এবার জিততে পারবে ? নাকি বিজেপি গড়বে  নতুন সরকার ? 

এবং তারপর, (আজ খবর) [রাজনীতি] , ২৪/০৩/২০২৬ :  আর কিছুদিন পরেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। আর এই  নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্যে উত্তেজনার পারদ রোজই চড়তে শুরু করেছে।  বিজেপি দাবী করছে যে এবার হারতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস, পরাজিত হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।  বিজেপির প্রথম যুক্তিটি হল যেহেতু রাজ্যে এসআইআর করা হয়েছে, তাই তৃণমূল কংগ্রেসকে যে ভুয়ো ভোটাররা এতদিন জিতিয়ে এসেছে তারা আর ভোট দেওয়ার সুযোগই পাবে না।  ফলে এবার আর সেভাবে ছাপ্পা ভোটের ভয় নেই। ভোটের ফলাফল শাসক দলের বিরুদ্ধে যাবে।

দ্বিতীয়ত,  প্রশাসনিক কাজে তৃণমূলের ফেভারিট আধিকারিকদের  অনেককেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।  প্রশাসনের আধিকারিক, আমলা,  পুলিশ কর্তাদের কেউ এবার আর শাসক দলকে অতিরিক্ত সুবিধা দিতে  পারবে না। তৃতীয়ত, সংখ্যালঘু ভোট এবার আর তৃণমূল দলের সাথে সেভাবে নেই। তৃণমূল দল থেকে  বহিস্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর তৃণমূল ছেড়ে নতুন দল ঘোষণা করে ওবেইসির  মিম দলের সাথে হাত মিলিয়েছেন, ওদিকে নওয়াজ সিদ্দিকী সাহেবের আইএসএফ দলটি নিজের শক্তি বৃদ্ধি করেছে। সুতরাং সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হচ্ছেই। এক্ষেত্রেও তৃণমূলের ভোট কমছে।

চতুর্থত, নির্বাচন কমিশন এবার অনেক বেশি কঠোর। অনেক নতুন নিয়ম এসেছে। একটা বুথে ভোটারের সংখ্যাও সীমিত। এবার মাত্র দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে।  কেন্দ্রীয় বাহিনীও থাকছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। তার ওপর সরকারি কর্মী, শিক্ষক  সমাজ, চিকিৎসক সমাজ অনেকেই শাসক দলের বিরুদ্ধ  মনোভাবাপন্ন হয়ে রয়েছে।  রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই বার কয়েক ধাক্কা খেয়েছে হাইকোর্ট আর সুপ্রীম কোর্টে।  বিরোধী ইন্ডি জোটের শক্তিও কমেছে। আরজিকর হাসপাতালে অভয়া নিয়েও চূড়ান্ত ক্ষোভ রয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে আরজিকর হাসপাতালেই লিফ্ট কাণ্ড নিয়ে নতুন ঝড় উঠেছে। সব দিক থেকেই এবার নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যথেষ্ট ব্যাকফুটে রয়েছেন।

কিন্তু সত্যিই কি তাই ?  বিজেপি কি সত্যিই বুদ্ধির জোরে তৃণমূলকে টেক্কা দিতে পারবে ?  জন সমর্থন কি সত্যিই এবার রাজ্যে গেরুয়া শিবিরকেই চাইছে ? রাজ্যে বিজেপির সংগঠন কি সত্যিই এতটা মজবুত যে শেষ হাসিটা হাসতে পারবে পদ্ম শিবির ? আসুন দেখে নিই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কি কি কারনে তিনি নির্বাচনে জিততে পারেন, আর কি কি কারণে তিনি হারতে পারেন !

প্রথমে দেখে নেওয়া যাক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস যদি জিতে যায়, তাহলে কোন কোন বিষয় তাদেরকে জিতিয়ে দিতে পারে ?

১. শক্তিশালী গ্রাসরুট সংগঠন (Booth Level Strength)

তৃণমূল কংগ্রেস-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের বুথ-স্তরের সংগঠন।
গ্রাম থেকে শহর—প্রতিটি এলাকায় কর্মী নেটওয়ার্ক থাকলে ভোট ম্যানেজমেন্ট সহজ হয়। পশ্চিমবঙ্গে এই নেটওয়ার্ক এখনও অনেক জায়গায় শক্তিশালী।

২. নারী ভোটব্যাঙ্ক (Women Voters)

মমতা সরকারের প্রকল্পগুলো—যেমন:

  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডার
  • কন্যাশ্রী
  • রূপশ্রী

এই স্কিমগুলো নারী ভোটারদের মধ্যে বড় প্রভাব ফেলে। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, নারী ভোটই তৃণমূলের “game changer”।

৩. ওয়েলফেয়ার পলিটিক্স (Direct Benefit Schemes)

ফ্রি রেশন, স্বাস্থ্যসাথী, ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ—এইসব সরাসরি সুবিধা ভোটারদের মধ্যে একটা “security feeling” তৈরি করে।যারা সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন, তারা সাধারণত সরকারকে সমর্থন করতে চান।

৪. বিরোধীদের বিভক্তি

প্রধান বিরোধী হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টি থাকলেও—

  • স্থানীয় স্তরে নেতৃত্ব সমস্যা
  • কংগ্রেস ও বামেদের সঙ্গে ভোট ভাগ হওয়া

এতে anti-incumbency vote একজোট নাও হতে পারে।

৫. “বাংলা বনাম বহিরাগত” ন্যারেটিভ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার আঞ্চলিক পরিচয় (Bengali identity) তুলে ধরেন।এই আবেগ অনেক ভোটারকে প্রভাবিত করে, বিশেষ করে গ্রামীণ ও মধ্যবিত্ত অংশে।

৬. ব্যক্তিগত ইমেজ (Strong Leadership Image)

মমতার ইমেজ:

  • “মাটি থেকে উঠে আসা নেতা”
  • সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ

 

অনেক ভোটার এখনও তাঁকে “accessible leader” হিসেবে দেখেন।

৭. সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক

সংখ্যালঘু ভোট পশ্চিমবঙ্গে বড় ফ্যাক্টর।

যদি এই ভোট একদিকে যায়, তাহলে ফলাফল অনেকটাই প্রভাবিত হয়।

৮. নির্বাচনী কৌশল (Campaign Strategy)

  • Door-to-door campaign
  • Local issue-based messaging
  • Social media + ground mix strategy

এই hybrid model এখন বেশ কার্যকর।

তবে জয়ের পথে বাধাও আছে 

Balanced analysis হিসেবে বলি—সবকিছু একপাক্ষিক নয়:

  • দুর্নীতির অভিযোগ (SSC, coal scam ইত্যাদি)
  • anti-incumbency (দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ক্লান্তি)
  • কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত
  • বেকারত্ব ইস্যু

 এগুলো যদি বড় ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে, তাহলে ফল বদলাতেও পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিততে পারেন যদি:

  • নারী + সংখ্যালঘু ভোট ধরে রাখতে পারেন
  • গ্রাসরুট সংগঠন সক্রিয় থাকে
  • বিরোধীরা একজোট না হয়

 কিন্তু ভোটের ফল পুরোপুরি নির্ভর করবে ground sentiment + last-mile campaign execution-এর ওপর .

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে হারতেও পারেন—এটা সম্পূর্ণই নির্ভর করছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতিবাচক ফ্যাক্টরের ওপর। বাস্তবভিত্তিকভাবে এগুলো বোঝা জরুরি —

১. Anti-Incumbency (দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ক্লান্তি)

২০১১ থেকে টানা শাসন করছে তৃণমূল কংগ্রেস

অনেক ভোটারের মধ্যে “পরিবর্তন চাই” মনোভাব তৈরি হতে পারে
গ্রামীণ এলাকায় এই ফ্যাক্টর বেশি কাজ করে

২. দুর্নীতির অভিযোগ (Corruption Factor)

  • SSC নিয়োগ কেলেঙ্কারি
  • কয়লা ও গরু পাচার ইস্যু

বিরোধীরা এই ইস্যুগুলোকে বড় করে তুললে “clean image” ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে

৩. কর্মসংস্থান সমস্যা (Unemployment)

যুব সমাজের বড় অংশ চাকরি ও সুযোগ নিয়ে অসন্তুষ্ট।

“চাকরি নেই” ইস্যু যদি ভোটের কেন্দ্রে আসে, সেটা বড় ক্ষতি করতে পারে

৪. আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে অসন্তোষ

কিছু ক্ষেত্রে:

  • রাজনৈতিক হিংসা
  • স্থানীয় দাদাগিরি
  • নারী নিরাপত্তা ইস্যু

এই বিষয়গুলো মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি ছড়ালে negative perception তৈরি হয়

৫. বিরোধীদের শক্তিশালী সংগঠন (Rise of BJP)

ভারতীয় জনতা পার্টি গত কয়েক বছরে বাংলায় সংগঠন অনেক শক্ত করেছে।

যদি তারা:

  • booth-level শক্তি বাড়ায়
  • শক্তিশালী মুখ তুলে ধরে

তাহলে সরাসরি প্রতিযোগিতা কঠিন হয়ে যাবে

৬. বিরোধীদের একজোট হওয়া

যদি:

  • BJP + Congress + Left tacit understanding করে
    অথবা ভোট বিভাজন কমে যায়

তাহলে anti-TMC vote একত্রিত হয়ে যেতে পারে

৭. গ্রামীণ অসন্তোষ (Rural Distress)

  • পঞ্চায়েত স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ
  • স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

গ্রামীণ ভোট swing করলে ফল দ্রুত বদলায়

৮. সংখ্যালঘু ভোটে ভাঙন

তৃণমূলের বড় শক্তি সংখ্যালঘু ভোট।

যদি:

  • নতুন কোনো দল প্রভাব ফেলে
  • ভোট ভাগ হয়ে যায়

তাহলে বড় ধাক্কা লাগতে পারে

৯. কেন্দ্রীয় এজেন্সির চাপ

CBI, ED তদন্ত নিয়ে বিরোধীরা narrative তৈরি করে।

এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে “government under pressure” ইমেজ তৈরি হতে পারে

এবার বিজেপি নির্বাচনে জেতার জন্যে মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, নিজেদের শাসন ধরে রাখতে বদ্ধ পরিকর তৃণমূল কংগ্রেসও. এরপর আমরা দেখে নেবো কোন জেলার কি কি পরিস্থিতি সাম্প্রতিক অবস্থাকে কতটা চাপে রেখেছে। কোন জেলায় কে এগিয়ে থাকছে, কে কতটা পিছিয়ে থাকছে। (আগামীকাল)

ভোটের টাটকা খবর পেতে ফলো করুন ‘আজ খবর’কে — www.aajkhabor.in 

অথবা ইয়েস লিখে what’s app করুন আমাদের 8420807020

(কমেন্ট করে আপনাদের মতামত জানান)

Loading

বিজেপিতে যোগ প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো , সিআরপিএফ জওয়ান ও ক্ষিতি গোস্বামীর মেয়ের

বিজেপিতে যোগ প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো , সিআরপিএফ জওয়ান ও ক্ষিতি গোস্বামীর মেয়ের

এসআইআর, ইডি , কেন্দ্রীয় বাহিনী বন্ধ করলেও আর তৃণমূল জিততে পারবে না : শমীক ভট্টাচার্য্য 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৭/০২/২০২৬ :   আজ বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন এনএসজি  কমান্ডো  দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। তাঁর হাতে আজ বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়।

আজ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারি ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্যের উপস্থিতিতে বিজেপি  দলে  যোগ দিলেন প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো  দীপাঞ্জন চক্রবর্তী।  বিজেপিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রবাদী ছিলাম তাই রাষ্ট্রবাদী দলেই যোগ দিলাম।”   এদিন বিজেপি দলে যোগ দিলেন আরএসপি নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর মেয়ে কস্তুরী গোস্বামী।  এই দুজন ছাড়াও বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন রিটায়ার্ড সিআরপিএফ কর্মী বিপ্লব বিশ্বাস।  আজ এই তিনজনকেই স্বাগত জানানো হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টিতে।

এদিন সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির রাজ্য সাভাপতি শমীক ভট্টাচাৰ্য্য স্পষ্ট করে  বলেন, “এসআইআর এখনই বন্ধ করে দিন. কেন্দ্রীয় বাহিনী লাগবে না, ইডির দরজায় তালা লাগিয়ে দিন, এবার রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করান , তাহলেও তৃণমূল কংগ্রেস আর এই বিধানসভা নির্বাচনে জিততে পারবে না. আমরা এই ব্যাপারে নিশ্চিত।”


Loading

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ লংঘন করছে রাজ্য সরকার : শুভেন্দু

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ লংঘন করছে রাজ্য সরকার : শুভেন্দু

“কমিশন চাইছে গ্রেড এ, রাজ্য সরকার পাঠাচ্ছে গ্রেড বি ও গ্রেড সি অফিসার”
 
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১০/০২/২০০২৯ :  কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের থেকে ‘গ্রেড এ’ ডাবলু বিসিএস  অফিসার চাইলেও রাজ্য সরকার গ্রেড বি এবং গ্রেড সি আধিকারিকদের নিয়োগ করতে চেয়েছিল বলে তৃণমূল সরকারকে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
 নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের কাজে রাজ্য সরকারের থেকে ২৯৪ জন আইএএস এবং ডাবলু বিসিএস অফিসার চেয়ে পাঠিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার ২২৫ জনের নামের তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছিল, তাও আবার তাঁরা প্রত্যেকেই গ্রেড বি এবং গ্রেড সি তালিকাভুক্ত ডব্লুবিসিএস আধিকারিক। এই অফিসারদেরকে ই আরও হিসেবে নিয়োগ করার কথা। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ‘গ্রেড এ’ আই এ এস অথবা ডব্লুবিসিএস অফিসার চেয়েছিল, তাই সেই নির্দেশ রাজ্য সরকার লংঘন করেছে বলে অভিযোগ তুললেন শুভেন্দু অধিকারী।
বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নির্বাচন কমিশন ই আর ও হিসেবে ‘গ্রেড এ’ অফিসারদেরকে চাইছে আর রাজ্য সরকার সেখানে ‘গ্রেড বি’ এবং ‘গ্রেড সি’ অফিসারদেরকে পাঠাতে চাইছে। এভাবেই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে লংঘন করা হচ্ছে।”  এর আগে বিহার সরকার নির্বাচন কমিশনকে ১০০০ ডেটা অপারেটর দিয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গ সরকার নির্বাচন কমিশনকে এত  সংখ্যক ডেটা অপারেটর দিতেই পারে নি।

Aaj Khabor Desk, Kolkata, West Bengal, 10/02/2026 : The Leader of the Opposition in West Bengal, Suvendu Adhikari, accused the Trinamool Congress-led state government of violating the Election Commission’s directives regarding officer deployment for election duties. He claimed that although the Election Commission had requested Grade ‘A’ IAS and WBCS officers, the state government attempted to appoint only Grade ‘B’ and Grade ‘C’ WBCS officers.

According to Adhikari, the Election Commission had sought 294 IAS and WBCS officers for election-related work. However, the state government submitted a list of only 225 officers, all of whom belonged to Grade ‘B’ and Grade ‘C’. These officers were proposed to be appointed as Electoral Registration Officers (EROs), despite the Commission’s explicit demand for Grade ‘A’ officers.

Suvendu Adhikari stated that this move amounted to a direct violation of the Election Commission’s instructions. He further pointed out that while the Bihar government provided 1,000 data operators to the Election Commission, the West Bengal government failed to supply a sufficient number of data operators for the same purpose.

Loading

বিজেপিকে এই রাজ্যে ক্ষমতায় আনা দরকার : শুভেন্দু

bjp-news-shubhendu-adhikari

প্রধানমন্ত্রী ৬ মাসে ৬বার এসেছেন এই রাজ্যে 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বীরভূম,পশ্চিমবঙ্গ :  ০৯/০২/২০২৬ :   বীরভূমে বেশ কিছু রেল প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে তুলোধোনা করলেন রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু  অধিকারী।

সাংবাদিকদের শুভেন্দু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী গত ছয় মাসে ছ’বার  এসেছেন এই রাজ্যে। তিনি বেশ কিছু প্রকল্প নিয়ে এসেছেন, বেশ কিছু প্রকল্পের শিলান্যাস করে গিয়েছেন।  সেই সব প্রকল্পে উপকৃত হবেন বাংলার মানুষ। কিন্তু এই রাজ্যে রেল প্রকল্পগুলি সম্পন্ন হতে গেলে জমির দরকার হয়, সেই জমি দিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। আর এই কারণেই এই রাজ্যে পরিবর্তন হওয়াটা খুবই প্রয়োজন। এই রাজ্যে বিজেপি শাসিত সরকার এলে প্রকল্পগুলি দ্রুত রূপায়ন করা যাবে। এবং সেগুলি থেকে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। ”

শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “এই রাজ্যে আগামী এপ্রিল মাসেই সাধারণ নির্বাচন হতে চলেছে। সেই নির্বাচনে এবার পরিবর্তন দরকার। বিজেপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসা দরকার।  বিজেপি এই রাজ্যে ক্ষমতায় এলে শুধু রেলই  নয়, রূপায়িত হবে অন্যান্য থেমে  থাকা  প্রকল্পগুলিও. বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা উচিত। একমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টি  এই রাজ্যে ক্ষমতায় এলেই এই রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন হওয়া  সম্ভব হবে।”

Aaj Khabor Desk, Birbhum, West Bengal, 09/02/2026 : Leader of the Opposition in West Bengal, Suvendu Adhikari, strongly criticised the Trinamool Congress while attending the inauguration of several railway projects in Birbhum. He alleged that railway projects in the state are being delayed because the state government is refusing to provide land. Adhikari said that the Prime Minister has visited West Bengal multiple times in the last six months and laid foundation stones for several development projects, which would benefit the people of the state. However, due to lack of cooperation from the state government, these projects remain incomplete. Referring to the upcoming general elections, he stressed the need for political change, claiming that if the BJP comes to power, not only railway projects but other stalled development works will be implemented swiftly, leading to overall development of the state.

Loading

এপ্রিল মাস শেষ, তো শাসক দলও শেষ : শুভেন্দু অধিকারী

নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে হুঙ্কার শুভেন্দু অধিকারীর

নন্দীগ্রামে ৪ কিলোমিটার পথ হাঁটলেন শুভেন্দু, স্লোগান দেন “হিন্দু হিন্দু এক হও”

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নন্দীগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, ২২/০১/২০২৬ : “এপ্রিল মাস শেষ হলেই এই সরকারেরও শেষ, জনগণ জেগেছে” বলে রামমন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবসে নন্দীগ্রামে হুঙ্কার রাজ্যের  বিরোধী দলের নেতা নেতা শুভেন্দু অধিকারীর।

বৃহস্পতিবার রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে নন্দীগ্রামের  সিদ্ধেশ্বর বাজার থেকে রেয়াপাড়া শিব মন্দির প্রাঙ্গণ পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার পদযাত্রায় নন্দীগ্রামে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

SIR শুনানিতে বিডিও অফিসে তাণ্ডবে ধৃতদের জামিনের পর বীরের সম্বর্ধনা শাসকের! জেল থেকে বেরোতেই ৬ জনকে মালা পরিয়ে বরণ তৃণমূলের। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন “তৃণমূল করিয়েছিল, রাজ্য সরকার করিয়েছিল, পুলিশ করিয়েছিল এটা প্রমাণ হয়েছে।”

নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে হুঙ্কার শুভেন্দু অধিকারীর

SSC-র শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা, মিডল ম্যান প্রসন্ন রায় সহ কয়েকজনের প্রায় ৫৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ED. এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট জানিয়েছে, বাজেয়াপ্ত করা বিপুল সম্পত্তির তালিকায় রয়েছে রেসিডেনসিয়াল অ্যাপার্টমেন্ট,ভিলা, এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “সঠিক করেছে ইডি, জীবন কৃষ্ণ যাদের টাকা পাঠিয়েছে তাদের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা উচিত। একা টাকা জীবন খায় নি,  ওপর তলার লোক এবং নিচের তলার লোকও খেয়েছে। সবার টাকা বাজেয়াপ্ত করে সরকারি ট্রেজারিতে জমা করা উচিত।”

বিরোধী বিধায়কের নাগরিক পরিষেবার কাজে নিরন্তর বাধাদানের অভিযোগ তুলে ২৪ ঘণ্টার অনশনে শঙ্কর ঘোষ। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন এই সরকার কাউকে কাজ করতে দেয় না। নন্দীগ্রামে অভিষেক ব্যানার্জি এসে শুভেন্দু অধিকারীর রিপোর্ট কার্ড চেয়েছিলেন। কোন বিরোধী দলের লোককে কাজ করতে দেয় না। যারা মেরুদন্ড সোজা রেখে বিরোধী দলের কাজ করতে চায়,তাদের আর কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে । জনগণ জেগেছে , এপ্রিল মাস শেষ তো এই শাসক দলেরও শেষ।

 

Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor