অন্তত ১০০ থেকে ১২০ জঙ্গী ভারতে অনুপ্রবেশ করতে প্রস্তুত হয়ে রয়েছে

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ০১/১২/২০২৫ : জম্মু ও কাশ্মীরের লাইন অফ কন্ট্রোল বরাবর ৬৯টি জঙ্গী ঘাঁটি বা লঞ্চ প্যাডের দিকে দিবারাত্রি নজরদারি বজায় রেখেছে ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বা বিএসএফ।
দিল্লীতে বিস্ফোরণের আগে থেকেই জম্মু ও কাশ্মীরের LOC বরাবর সীমান্তের ওপারে মোট ৬৯টি লঞ্চ প্যাডের দিকে নজর রেখেছে বিএসএফ। বলা হচ্ছে, ঐ লঞ্চপ্যাড বা জঙ্গী ঘাঁটিগুলিতে প্রায় ১২০ জন জঙ্গী লুকিয়ে সীমান্ত পার করে ভারতে প্রবেশ করার অপেক্ষায় রয়েছে। এরা আমাদের দেশে অনুপ্রবেশ করে কি ধরনের নাশকতা করবে সেটা তারাই জানে। বিএসএফ জানিয়েছে তাদের ‘জি’ ইউনিট ২৪ ঘণ্টা ঐ জঙ্গীদের ওপর কড়া নজর রেখেছে।
বর্তমানে সীমান্তে বিএসএফকে সহায়তা দিচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। তাদের মিলিত প্রয়াসে জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্ত অঞ্চলে মোট ৪টি অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনায় ৮ জঙ্গীকে নিকেশ করা হয়েছে চলতি বছরেই। বিএসএফ-এর ‘জি’ ইউনিট ইন্টেলিজেন্স এবং নজরদারিতে অসম্ভব পেশাদার এবং অভিজ্ঞ। তুখোড় নজরদারি চালিয়ে তারা সীমান্তের ওপারে থাকা জঙ্গিদেরকে নড়তেও দিচ্ছে না। এই ‘জি’ গ্ৰুপই খবর দিয়েছে যে সীমান্তের ওপারে ৬৯টি জঙ্গী ঘাঁটি বেশ সংবেদনশীল এবং সেই ঘাঁটিগুলিতে জঙ্গীদের রীতিমতো প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে ভারতের মাটিতে চরম নাশকতা চালানোর জন্যে। এই মুহূর্তে সেইসব ঘাঁটিগুলিতে ১০০ থেকে ১২০ জঙ্গী লুকিয়ে ভারতে ঢোকার জন্যে প্রস্তুত হয়ে রয়েছে।
অপারেশন সিঁদুরের সময় মিসাইল দেগে বেশ কিছু জঙ্গী ঘাঁটি একেবারে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছিল ভারত। কিন্তু সেই ঘটনা থেকে একটুও শিক্ষা নেয় নি পাক মদতপুষ্ট জঙ্গীরা। তারা ভারতে নিরীহ মানুষদের হত্যা করতে ফের গড়ে তুলেছে জঙ্গী ঘাঁটি। বিদেশী অনুদানকেও তারা জঙ্গী কার্যকলাপের জন্যে ব্যবহার করছে বলে জানা গিয়েছে। বিএসএফ জানিয়েছে পহেলগাঁওতে বৈসরণ উপত্যকায় জঙ্গীরা যে নিরপরাধ পর্যটকদের হত্যা করেছিল সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে বিএসএফ C1/C2 দল তৈরি করে মোতায়েন রেখেছে কাশ্মীরের গুলমার্গ অঞ্চলে। যাতে সেখানে আর পহেলগাঁওএর মতো নাশকতার ঘটনা ঘটতে না পারে।
![]()