আমাদের শান্তিপূর্ণ ও আইনি বিক্ষোভে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন বিজেপি কর্মীরা
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৫/০২/২০২৬ : তাঁদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ প্রদর্শনের সময় শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও হেনস্থার প্রতিবাদে শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এক মহিলা বিএলও।
গতকাল কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের সামনে কিছু ব্লক লেভেল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিলেন, সেই সময় বিজেপি সমর্থকেরা সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং বিক্ষোভকারীদের হেনস্থা করেছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। পুলিশের কাছে অভিযোগে নাম রয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
ওই মহিলা বিএলও জানিয়েছেন, “২৪ তারিখে বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ আমরা যখন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসের সামনে শান্তিপূর্ণ এবং সম্পূর্ণ আইনি বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিলাম, ঠিক সেই সময় বিজেপির বেশ কিছু সমর্থক দলীয় পতাকা নিয়ে সেখানে আসেন এবং হৈ হট্টগোল শুরু করেন। তাঁরা পতাকার লাঠি দিয়ে আমাদের হেনস্থা করেছেন। রাজ্যে অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যেভাবে এসআইআর করা হয়েছে, এবং সেই কারণে বেশ কিছু মানুষ ও বিএলও মারা গিয়েছেন। আমরা এই বিষয়টির প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। কিন্তু বিজেপি সমর্থকদের হাতে হেনস্থা শিকার হব ভাবি নি। তাই এই বিষয়টি জানিয়ে থানায় এফআইআর করেছি। ”
হেনস্থা করার বিষয়টি বিজেপির তরফ থেকে অস্বীকার করা হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৩/০২/২০২৬ : প্রয়াত পশ্চিমবঙ্গের “রাজনীতির চাণক্য” মুকুল রায় !! আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলার প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায়।
১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্নের অন্যতম প্রধান কারিগর এবং প্রায় দুই দশকের বেশি বঙ্গ রাজনীতির ইতিহাসে মুষ্টিমেয় ব্যক্তিত্বর মধ্যে এক নক্ষত্র এবং বর্ণময় চরিত্র, যেখানে UPA আমলে ৬ মাসের রেলমন্ত্রী এবং প্রায় ৩ বছরের কাছাকাছি কেন্দ্রীয় জাহাজ ও বন্দর মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন মুকুল রায়। ২০১২ সালে রেল বাজেট নিয়ে মুকুল বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিলেন যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাত্রী ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ এবং তৎকালীন রেলমন্ত্রী তথা ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীর পদত্যাগ দাবি করেছিলেন।
দীনেশ পদত্যাগ করার পর মুকুল ভারতের রেলমন্ত্রী হন এবং তিনি প্রাক্তন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীর প্রবর্তিত ভাড়া বৃদ্ধি প্রত্যাহার করেন যেই ঘটনা তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হয়। পরবর্তীতে খুচরো ব্যবসা এবং বিমানযাত্রার খাতে ৫১% FDI অনুমোদনের কারণে UPA-2 জোট থেকে তৃণমূল কংগ্রেস বেরিয়ে যাওয়ার পর মুকুল রায়ের রেলমন্ত্রীর মেয়াদ ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শেষ হয়ে যায়। ২০১৭ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর তৃণমূল কগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন মুকুল রায় এবং তারপর তৎকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এবং বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের মতন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাদের সাথে সাক্ষ্যাতের অভিযোগে মুকুল রায়কে ৬ বছরের জন্য তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বরখাস্ত করা হয়!
দীর্ঘ ১১ বছরের বেশি সময় ধরে দায়িত্ব সামলানোর পর ১১ অক্টোবর ২০১৭ সালে তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগ করেন এবং ২০২১ সালের ১১ই জুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তার ছেলে শুভ্রাংশুর সাথে তৃণমূল কংগ্রেসে ঘর-ওয়াপসি করেন মুকুল রায়। ২০২১ সালের জুন মাসের ২৫ তারিখ মুকুল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত PAC কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন এবং আগামীতে ৩ সপ্তাহ পর ১৪ই জুলাই তারিখে PAC কমিটির চেয়ারম্যান হন।
২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারী তার আইনজীবী স্পিকারকে জানান, যে তিনি এখনও বিজেপিতে আছেন এবং তিনি তৃণমূল কংগ্রেস দলে যোগ দেননি, সেই অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় দলত্যাগ বিরোধী আইনের অধীনে মুকুলের বিধায়ক-পদ বাতিল করে দেন। কলকাতা হাই কোর্টের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশু রায়। সুপ্রিম কোর্ট চলতি বছরের ১৬ই জানুয়ারি মুকুল রায়ের বিধায়কপদ খারিজের মামলায় প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।
দীর্ঘ রাজনীতির কেরিয়ারে ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৫ পর্যন্ত দীর্ঘ ১৭ বছরের বেশি তৃণমূলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং ১ বছর বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন মুকুল রায়। দীর্ঘ সেই রাজনৈতিক জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটলো রবিবার গভীর রাতে। বাংলার রাজনীতিতে রেখে গেলেন তাঁর হাতে রাজনীতির হাতে খড়ি হওয়া অগণিত রাজনৈতিক ভক্ত ও অনুগামীদের।রবিবার গভীর রাতে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। আজ তাঁর নিজের বাড়ি কাঁচরাপাড়ার ঘটক রোডের বাড়ীতে সোমবার সকাল থেকেই নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস। এই উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে বিজেপকে তুমুল আক্রমন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “তোমরা কেন্দ্র সরকার শাসন করছো, বাংলা দখলের এতলোভ কেন ? এসআইআর করে তোমরা বলপ্রয়োগ করে বাংলা দখল করতে চাও ? আমি এই সব কিছুর প্রতিবাদ জানাবো।”
এদিন ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের ব্যাপক নিন্দা করেন তিনি। তিনি বলেন, “এভাবে বাংলা দখল করতে দেওয়া হবে না. এভাবে বল প্রয়োগ করে লাভ হবে না। আমি প্রাণ বিসর্জন দিতে রাজি আছি, কিন্তু মাথা নত করতে পারবো না।”
মমতা এদিন অভিযোগ করেন, “বাংলার বাইরে বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে বাংলাদেশী বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাকে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাংলার এই অপমান আমরা মেনে নেবো না। গোটা দেশে কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা চলছে। আমি বলছি আপনারা এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন। আমরা সকল ভাষাকে সন্মান করি। অন্য কোনো ভাষাভাষী কেউ বিপদে পড়লে আমরা তার পাশে দাঁড়াই, আমাদের প্রতিশ্রুতি মত। একটা কথা মনে রাখবেন, বাঙালি কারোর ওপর নির্ভরশীল নয়।”
তিনি জোর দিয়ে বলতে পারলেন না, তৃণমূলের হয়েই প্রচারে নামবেন কিনা !
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] বেহালা, কলকাতা, ২১/০২/২০২৬ : জেলমুক্তির পর প্রথমবার বেহালায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ভোটের আগে এবার নিজের কেন্দ্রে সক্রিয় হয়ে উঠলেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মহাসচিব।
জেল থেকে মুক্তির পর এই প্রথম বেহালায় দেখা গেল প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র পরিদর্শনে বেরোলেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন তিনি এলাকায় ঘুরে সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। দীর্ঘদিন পর তাঁকে সামনে পেয়ে অনেকেই কৌতূহলী হয়ে ভিড় জমায়। কেউ কেউ তাঁর সাথে এগিয়ে গিয়ে কোথাও বলেন।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এই সক্রিয়তা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা উসকে দিয়েছে। ভোটের আগে তাঁর এই সফর কতটা তাৎপর্যপূর্ণ, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে বড় কোনও মন্তব্য করেননি তিনি।
এসআইআর করে পাহাড়ে অনেক মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে : বিষ্ণু
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], দার্জিলিং ও কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৯/০২/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বিধায়ক বিষ্ণু প্রসাদ শর্মা।
এদিন কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসের দপ্তরে গিয়ে তৃণমূল দলে যোগ দিলেন বিষ্ণু প্রসাদ শর্মা। তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য্য। দল বদল সম্বন্ধে এদিন বিষ্ণু প্রসাদ বলেন, “পাহাড়ের মানুষ কি চায়, তা আমি জানি। দীর্ঘ অনেক বছর ধরে তারা কি চেয়ে এসেছে তা আমি জানি। বিজেপি পাহাড়ের মানুষকে কিচ্ছু দেবে না। টর্চের আলো দেখিয়ে বলবে, এটাই সূর্য। দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ হোটেল ভাড়া দিচ্ছে।”
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কার্শিয়াঙের বিধায়ক বলেন, “কর্শিয়াংয়ের জনগণ যারা আমাকে কাজ করতে পাঠিয়েছেন তাদের কিছু বলতে চাই। আপনারা আমাকে যে রাজনৈতিক চিহ্নে ভোট দিয়েছিলেন আপনাদের রায় আজ পর্যন্ত রাখলাম । আমার জনগণ যারা আমার উপর বিশ্বাস করেছিলেন আপনাদের যে স্বপ্ন আছে, একটা উন্নত সমাজ, উন্নত ভবিষ্যত, উন্নত প্রজন্ম। সেগুলো পূরণ করতেই তৃণমূলে এলাম। যে দলে ছিলাম, তারা কেন্দ্র থেকে টাকা পাঠায় না।”
তিনি আরও বলেন, “ভারতে একটা বিশৃঙ্খল রাজনীতি আছে। কুণ্ঠা নিয়ে ছিলাম বিজেপিতে। ১৭ বছর ধরে গোর্খা জনগণ অন্ধকারে আছে টর্চ লাইট দেখিয়ে বলেছে এটা সূর্য।ভারতীয় জনতা পার্টি গোর্খা জাতিকে কিছু দেবে না। সরকারি ইন্টারলোকেটার হোটেল ভাড়া দিচ্ছে দার্জিলিংয়ের সাংসদ। পুরো রাজনৈতিক ভাবে এসেছে। পাহাড়ের অনেক জনগণ বঞ্চিত হবে SIR এ। আমি লড়াই লড়ব। একটা সুস্থ সরকারকে নীল ডাউন করার জন্য SIR, গুণ্ডা রাজনীতি থেকে গোর্খা জনগণকে বাঁচাতে হবে।”
দলের বিধায়ক তৃণমূলে গিয়ে যোগ দেওয়ায় দলের কতটা ক্ষতি হল তা জানতে চাওয়ায় শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “বিষ্ণু অনেক দিন ধরেই কোনো কাজ করছিল না। সে বসে ছিল. তাই তার দল ত্যাগের ঘটনায় বিজেপিতে কোনো প্রভাব পড়বে না।”
বিজেপি নেত্রী লকেট চ্যাটার্জি বলেন, “যে দল থেকে লোকে বাঁচতে চাইছে, যে শাসন পরিত্রাণ চাইছে, সেই দলে গিয়ে বিষ্ণু প্রসাদ শর্মা যে কত বড় ভুল করলেন, তা কিছুদিন পরেই তিনি বুঝতে পারবেন। তিনি আক্ষেপ করবেন।”
Aaj Khabor Desk, Darjeeling & Kolkata, West Bengal,19/02/2026 : , Ahead of the West Bengal Assembly elections, Kurseong MLA Bishnu Prasad Sharma resigned from the Bharatiya Janata Party (BJP) and joined the Trinamool Congress (TMC) at the party office in Kolkata. He was formally welcomed by Education Minister Bratya Basu and Minister of State for Health Chandrima Bhattacharya.
Sharma criticized the BJP, alleging that the party failed to address the aspirations of the hill people and the Gorkha community. He claimed that the BJP had not delivered financial support from the Centre and accused the party of misleading the people of Darjeeling. He said he joined TMC to fulfil the dreams of development and a better future for his constituents.
Responding to the development, Siliguri BJP MLA Shankar Ghosh said Sharma had been inactive for a long time and his exit would not impact the party. BJP leader Locket Chatterjee criticized Sharma’s move, stating that he would soon realize his mistake.”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ১৮/০২/২০২৬ : “এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উচিত হবে বাংলাদেশে শান্তি ফিরিয়ে আনা” বললেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
বুধবার সকালে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন,” আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই অশান্তির আগুনে পুড়েছে। হিংসা ছড়িয়েছে সর্বত্র। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ শান্তি চান, উন্নয়ন চান, তাঁরা শান্তিতে থাকতে চান. সেই কারণেই তাঁরা বিএনপিকে ভোট দিয়ে জিতিয়ে এনেছেন। বৈদেশিক শক্তিগুলি চায় না বাংলাদেশে স্থিতিশীল পরিস্থিতি আসুক। বাংলাদেশ শান্ত হোক, উন্নয়নের পথে চলুক। এই ব্যাপরটা খুব ভালো করেই জানেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে ব্যাহত করতে অনেক শক্তি সক্রিয় আছে। বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীর উচিত সেই শক্তিগুলিকে নিয়ন্ত্রণে এনে বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে চালিত করা।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকালই বাংলাদেশ তাঁদের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমনকে পেয়েছে। গতকাল তিনি শপথ গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের তরফ থেকে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। যদিও এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। কিন্তু তিনি অন্যকাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁর জায়গায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ওম বিড়লা। তারিক রহমানকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
Aaj Khabor Desk, Kolkata, West Bengal, 18/02/2026 : BJP leader Dilip Ghosh has stated that the newly appointed Prime Minister of Bangladesh should focus on restoring peace and stability in the country. He remarked that Bangladesh has experienced significant unrest and violence in recent times, but its people desire peace and development. According to him, voters supported the Bangladesh Nationalist Party in hopes of achieving stability and progress.
Ghosh also alleged that certain foreign forces are trying to prevent stability in Bangladesh and hinder its overall development. He emphasized that it is now the responsibility of the new Prime Minister, Tarique Rahman, who recently took oath, to control such forces and guide the nation toward growth and peace.
At the swearing-in ceremony, India was represented by Lok Sabha Speaker Om Birla. Although Prime Minister Narendra Modi had been invited, he could not attend due to prior commitments. Modi has also extended an invitation to Tarique Rahman to visit India.
এসআইআর, ইডি , কেন্দ্রীয় বাহিনী বন্ধ করলেও আর তৃণমূল জিততে পারবে না : শমীক ভট্টাচার্য্য
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৭/০২/২০২৬ : আজ বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। তাঁর হাতে আজ বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়।
আজ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারি ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্যের উপস্থিতিতে বিজেপি দলে যোগ দিলেন প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। বিজেপিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রবাদী ছিলাম তাই রাষ্ট্রবাদী দলেই যোগ দিলাম।” এদিন বিজেপি দলে যোগ দিলেন আরএসপি নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর মেয়ে কস্তুরী গোস্বামী। এই দুজন ছাড়াও বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন রিটায়ার্ড সিআরপিএফ কর্মী বিপ্লব বিশ্বাস। আজ এই তিনজনকেই স্বাগত জানানো হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টিতে।
এদিন সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির রাজ্য সাভাপতি শমীক ভট্টাচাৰ্য্য স্পষ্ট করে বলেন, “এসআইআর এখনই বন্ধ করে দিন. কেন্দ্রীয় বাহিনী লাগবে না, ইডির দরজায় তালা লাগিয়ে দিন, এবার রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করান , তাহলেও তৃণমূল কংগ্রেস আর এই বিধানসভা নির্বাচনে জিততে পারবে না. আমরা এই ব্যাপারে নিশ্চিত।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ১৭/০২/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গে যখন রাজ্য সরকার রাজ্যের বেকার যুবকদের বিশেষ ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে, সেই সময় বিজেপি বেকার যুবকদের চাকরি চাই’ স্লোগান তুলতে শুরু করেছে। এই দাবী নিয়ে সরব হয়েছেন দার্জিলিং এর সংসদ রাজু বিস্তা।
দার্জিলিং এর বিজেপি সংসদ রাজু বিস্তা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের যুবকরা ভাতা নয়, চাকরি চায়। পশ্চিমবঙ্গে কাজ নেই, চাকরি নেই। সব শিল্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, বেকারত্ব বাড়ছে। পশ্চিমবঙ্গের যুবকরা অন্য রাজ্যে চাকরি খুঁজবেন না তো আর কি করবে? তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প খোলা নেই। উত্তরবঙ্গে রোহিঙ্গা আর অনুপ্রবেশকারীদের ভীড় বাড়ছে। আমরা আমাদের বাড়িতেই সংখ্যালঘু হয়ে পড়ছি। এই ব্যাপারে আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপধ্যায়কেও বেশ কয়েকটি চিঠি লিখেছি। আমি বলতে চেয়েছি বাংলার যুবকরা চাকরি চায়. ভাতা নয়।”
ভোটের আগে বিজেপি এই দাবী নিয়ে সোচ্চার হতে চলেছে। উত্তরবঙ্গে এই দাবী নিয়ে জোরদার আন্দোলনের পথে হাঁটবে পদ্ম শিবির, নেতৃত্ব দেবেন রাজু বিস্তা।
এদিকে আগামী ১৮ তারিখে ফের পশ্চিমবঙ্গে আসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ. গতকাল দিল্লীতে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সাথে জরুরি বৈঠক করেছেন অমিত শাহ। কিছুদিন আগেই তিনি কলকাতায় এসেছিলেন, রাজ্য নেতৃত্বকে ভোটের দায়িত্ব এবং অন্যান্য সব কিছু বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। ১৮ তারিখে তিনি ফের কলকাতায় আসবেন, বিমানবন্দরে এসে তিনি দুপুর দেড়টা নাগাদ মায়াপুরে পৌঁছাবেন। সেখানে ইসকন মন্দিরে প্রায় দুই ঘণ্টা কাটাবেন তিনি।
জনতা উন্নয়ন পার্টির সভাপতি হুমায়ুন কবীর , মধ্য হাওড়ার টিকরাপাড়ায় একটি নতুন দলীয় অফিস উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি শহরের বাইরে ছিলাম। আজ হাওড়ায় এসেছি এবং আগামীকাল কলকাতায় যাব। নবান্ন দখল করব এটাই আমার পরিকল্পনা।”
হুমায়ন বলেন, “২০১১ সালে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশাল জনগোষ্ঠীর সাথে মিলে বামফ্রন্ট সরকারকে উৎখাত করার জন্য একটি দল গঠন করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস। এই দলটি এখন দুর্নীতিতে ডুবে আছে। মানুষ এটা বুঝতে পেরেছে, তাই এখন এই সরকারকে উৎখাত করতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেস কে উৎখাতের প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তাঁর দল একা প্রার্থী দেবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি বেশ কয়েকটি ছোট দলের সাথে আলোচনা করেছি। আমি মোহাম্মদ সেলিম, ওবেইসি এবং নওশাদের সাথে কথা বলেছি। তবে যাঁরা নিজেরাই একত্রিত হয়ে দলকে বিভক্ত করতে চান, তাদের জন্য আমরা সবাই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব এবং শীঘ্রই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করব। যেসব দলের কোনও সমর্থন নেই, তারা বলে যে তারা ২০টি আসন নেবে, ২৫টি আসন পাবে, এটা বলে কাজ হবে না। আমার আরও বেশি আসন দরকার, তবেই আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে পারব। আমি ১৮২টি আসনে আমার প্রার্থী দেব।”
তিনি আরও বলেন যে “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেবল মিথ্যা বলছেন এবং ক্ষমতায় ফিরে আসার জন্য মিথ্যার সাহায্য নিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন যে এবার আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে ক্ষমতায় আসব। তিনি আরও বলেন যে যদি বিজেপিকে থামাতে আসতে গেলে রুখতে হয়, তবে আমি ১৪০টি আসন নেব এবং আপনি ১০০টি আসন নিন, আপনি দেখতে পাবেন যে বিজেপি শূন্য হয়ে যাবে।”
তাঁকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় যে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বলেছেন যে ‘বাবরি মসজিদ তৈরি হলে ভেঙে দেবে’ তিনি বলেন “যদি ক্ষমতা হয় এসে ভেঙে দেখাক, মসজিদ ভাঙার আগে ১০ ফুট মাটির গর্ত খুঁড়ে পুঁতে দেওয়া হবে।”
কাকুলিয়ার দুষ্কৃতী তান্ডবের ১২ দিন পরেও অধরা সোনাপাপ্পু, ইতিমধ্যে ছাড়াও পেয়ে গেলো ১৭জন। অন্যদিকে আইনি পথে মৃতা মায়ের চক্ষুদান করে ৩দিন শ্রীঘরে নদিয়ার আমির। একই পুলিশের দুইরূপ কেন রাজ্যে? সাধারণের জন্য হাতকড়া, আর শাসক আশ্রিত দুষ্কৃতীদের জন্য সব ছাড় পুলিশের?
নির্বাচন কমিশনে আধিকারিক প্রেরণ প্রসঙ্গে —
৮৫০৫ অফিসার নিয়ে এখনো গড়িমসি রাজ্যের। নির্দেশ অনুযায়ী কমিশনের কাছে পৌঁছোচ্ছে না সম্পূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ তালিকা। কমিশনের নিয়োগ করা লোক নিয়েও সমস্যা, কমিশনকে লোক দিতে হলেও সমস্যা! রাজ্যের এতো অনীহা কেন SIR নিয়ে?
পরিযায়ী শ্রমিক প্রসঙ্গে —
বাংলাভাষী মানুষ ভিন রাজ্যে গিয়ে সমস্যায় পড়লে তা নিয়ে অনেক বড় ইস্যু তৈরি করা হয়। কিন্তু আয়ুষ্মান ভারত-সহ কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাংলায় চালু হলে মানুষকে যেতে হতো না রাজ্য ছেড়ে। ফের কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ নির্মলার। ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের হেনস্থা কি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে মেটানো সম্ভব?
পুনেতে বাঙালি শ্রমিক হত্যা সম্বন্ধে —
পুনেতে খুন পুরুলিয়ার সুখেন মাহাতো। তৃণমূলের দাবি বাংলা ভাষায় কথা বলাতে খুন ,আসরে অভিষেক। অন্যদিকে পুনে পুলিশের বক্তব্য খুন কারণ কোনো সম্প্রদায় নয়। ভাতা-র বদলে রাজ্যে কাজ থাকলে এই সমস্যা সমাধান সহজ হতো না? নাকি শুধু রাজনৈতিক কারণে পরিযায়ী ইস্যু বাঁচিয়ে রাখতে চাইছে শাসকদল?
রাজ্যে জোট প্রসঙ্গে —
জোটের জোট আটকে আসন সমঝোতায়? বেশি আসনে লড়াইয়ের দাবি পূর্ব শরিক ISF এর, ISFকে সেই সংখ্যক আসন দিতে চাইছেনা বামেরা। এতো দীর্ঘমেয়াদি জোট প্রক্রিয়ার যদি সত্যিই কোনো ফলাফল আসেও, তাতে কি আদেও কোনো লাভ হবে?