আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ০৯/০৪/২০২৫ : প্রতিবেশী শত্রু দেশগুলির হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে ভারত ফের রাফায়েল যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে ফ্রান্সের থেকে।
ভারত ফ্রান্সের থেকে আরও ২৬টি অত্যাধুনিক রাফায়েল যুদ্ধ বিমান কিনতে চলেছে। আজ ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি এই পরিমান যুদ্ধবিমান কেনার ব্যাপারে ছাড়পত্র দিয়েছে। ২৬টি রাফায়েলের মধ্যে চারটি হবে ডাবল পাইলট সিট এবং বাকিগুলি সিঙ্গল পাইলট সিট্ যুক্ত। এই পরিমান রাফায়েল যুদ্ধ বিমান কিনতে ভারতের খরচ হবে ২৬ হাজার কোটি টাকা। এই পরিমান অর্থ খরচের জন্যে যাবতীয় অনুমোদন আজ কেন্দ্র সরকার দিয়ে দিয়েছে।
এই মুহূর্তে ভারতের কাছে মোট ৩৬টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান রয়েছে। সেগুলিকে রাখা আছে আম্বালা ও হাসিমারা বায়ুসেনা শিবিরে। নতুন যুদ্ধবিমানগুলো এসে গেলে ভারতের ভাণ্ডারে রাফায়েল যুদ্ধবিমানের সংখ্যা হবে ৬২টি. তবে ফ্রান্স নতুন অর্ডার অনুযায়ী যুদ্ধবিমানগুলো সরবরাহ করবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে।
রাফায়েল যুদ্ধবিমান এমনিতেই প্রচন্ড শক্তিশালী যুদ্ধবিমান। এই বিমানে রয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও কৌশল। রয়েছে নানারকম সুযোগ সুবিধা। আকাশে রাফায়েল থাকলে শত্রুপক্ষ এমনিতেই বেশ চাপে থাকে। ভারতের কাছে ৬২টি রাফায়েল থাকা মানে সে যে শত্রুপক্ষের কাছে কতটা চাপের তা একমাত্র শত্রুপক্ষই জানে। আকাশপথে এসে তারা অন্তত আর ভারতকে চটাতে চাইবে না । .
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৯/০৪/২০২৫ : ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে গতকাল মুর্শিদাবাদে যে তাণ্ডব করা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গোটা ঘটনার জন্যে রাজ্য সরকারের মনোভাবকেই দায়ী করেছেন তিনি। তার সাথে সাথে তৃণমূলের ভোট ব্যাংক রক্ষার কোথাও তুলে ধরেছেন।
গতকাল মুর্শিদাবাদে ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে ব্যাপক অশান্তি ছড়িয়েছিল। একদল মানুষ জাতীয় সড়কের ওপর গাড়িগুলিতে ভাংচুর চালাচ্ছিল। পুলিশ আটকাতে গেলে পুলিশকেই আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল। পুলিশের দিকে পাথর বৃষ্টি করা হয়েছিল। পুলিশের দুটি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছিল উত্তরদিনাজপুরের রঘুনাথগঞ্জ এবং নদীয়া জেলার কিছু জায়গাতেও। শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা যাওয়ার জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। গতকাল পুলিশকে রক্তাক্ত হতেও দেখা গিয়েছিল ।
গতকালের এই ঘটনায় পুলিশ লাঠিচার্জ করেছিল, প্রচুর কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়েছিল। RAF নামানো হয়েছিল, এরপরেই তাণ্ডবের মাত্রা কিছুটা কমেছিল। এই অঞ্চলে উত্তেজনা রয়েছে আজও। এলাকায় পুলিশ পিকেটিং করা হয়েছে। এলাকায় ১৬৩ ধারা হয়েছে। একসাথে পাঁচ জনের বেশি কেউ থাকতে পারবে না, গোটা এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। গোটা এলাকার ওপর কড়া নজরদারি রেখেছে পুলিশে বিশাল বাহিনী। রঘুনাথগঞ্জ ও সুতিতে আগামী তিন দিনের জন্যে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। ইন্টারনেট বন্ধই থাকছে। এই জায়গাগুলিতে নতুন করে আর অশান্তি না ছড়ালেও দোকানপাট বাজার সবই ছিল বন্ধ।
বিধায়ক খলিলুর রহমান
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকাল থেকেই ওয়াকফ সংশোধনী বিল আইন হিসেবে বলবৎ করা হয়েছে। তার প্রতিবাদেই গতকাল মুর্শিদাবাদের মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছে। কিন্তু এই কি প্রতিবাদের ভাষা ? সাধারণ মানুষের দেওয়া করের টাকায় কেনা সরকারি সম্পত্তি পুড়িয়ে প্রতিবাদ দেখানো হবে ? গতকাল রাজ্য সরকারেরই এক মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী প্রতিবাদের নাম বলেছিলেন এই আইন তিনি মানেন না। মন্ত্রী হয়ে তিনি বলছেন দেশের আইন তিনি মানেন না ! গোটা বিষয়টি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে বয়ান করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী চিফ সেক্রেটারি ও মুর্শিদাবাদের জেলাশাসকের কাছেঅনুরোধ করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে অনুরোধ করে এলাকায় আধা সেনাবাহিনী নিয়োগ করার জন্যে। শুভেন্দু বলেছেন, “এই অশান্তির দায় রাজ্য সরকারকেই নিতে হবে। ভোট ব্যাংকের নাম রাজ্য সরকার একটি সম্প্রদায়কে দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ সুবিধা দিয়ে এসেছেন। আজ তার পরিণামেই এই ঘটনাগুলি ঘটছে।”
গতকালের ঘটনার পর তৃণমূলের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আন্দোলনকারী জনগণের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন “এই আইনের প্রতিবাদ করুন শান্তিপূর্ণভাবে। যেমন আমি নিজে এই আইনের রিভিউ পিটিশন দায়ের করতে চলেছি সুপ্রীম কোর্টে। আপনারাও শান্তিপূর্ব আলোচনা করুন কিন্তু সরকারি বা বেসরকারি সম্পদ নষ্ট করবেন না.” জঙ্গীপুরের মানুষের কাছে শান্তি বজায় রাখার আবেদন করলেন তৃণমূলের আর এক বিধায়ক খলিলুর রহমান। তিনি আন্দোলনকারীদের হিংসা না ছড়ানোর আবেদন করেছেন করজোড়ে।”
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ০৮/০৪/২০২৫ : ভারত সফরে আসা দুবাইয়ের যুবরাজ তথা সংযুক্ত আরব আমির শাহীর উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মাননীয় শেখ হামদান বিন মহম্মদ বিন রশিদ আল মাকতৌম-কে আজ সাদর অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী।
দুবাইতে ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিট উপলক্ষে গতবছর তাঁর সংযুক্ত আরব আমির শাহী সফরের উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সংযুক্ত আরব আমির শাহীর প্রেসিডেন্ট মাননীয় মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং সেদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক মাননীয় মহম্মদ বিন রশিদ আল মাকতৌম-এর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা বার্তা প্রেরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ধারাবাহিকতার প্রতিফলন। দু-দেশের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব দাঁড়িয়ে রয়েছে আস্থা এবং ভবিষ্যতের দিশায় অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গীর ওপর ভিত্তি করে।
ভারত – সংযুক্ত আরব আমির শাহীর সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করা, বিশেষত বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, প্রযুক্তি, শিক্ষা, ক্রীড়া এবং জনসংযোগের পরিসর নিবিড়তর করা নিয়ে দুই নেতার আলোচনা হয়।
সংযুক্ত আরব আমির শাহীতে বসবাসরত প্রায় ৪৩ লক্ষ ভারতীয় নাগরিকের কল্যাণ নিশ্চিত করতে সেদেশের নেতৃত্বের উদ্যোগকে কুর্ণিশ জানান প্রধানমন্ত্রী। দু-দেশের প্রাণবন্ত সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে এঁদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
আজ খবর (বাংলা), [খেলা] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৮/০৪/২০২৫ : আজ ফের একবার কে কে হার। আইপিএল ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েও নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে পারলো না কেকেআর। লখনৌ-এর কাছে মাত্র ৪ রানে হেরে গেলো তারা ।
টসে জিতে কেকেআর লখনৌকে ব্যাট করতে পাঠায়। লখনৌ সুপার জায়ান্টসের ব্যাটাররা প্রথম থেকেই দাপট দেখতে শুরু করেন । মাক্রম (২৮ বলে ৪৭), মার্শ (৪৮বলে ৮১)এন পূরণ (৩৬ বলে ৮৭) . সামাদ (৪ বলে ৬) ও মিলারের (৪ বলে ৪) ব্যাটে ভর করে লখনৌ স্কোর করে ৩ উইকেটে ২৩৮ রান।
রান তাড়া করতে গিয়ে কেকেআর-এর ডি কক (৯ বলে ১৫), নারাইন (১৩ বলে ৩০), রাহানে (৩৫ বলে ৬১), আইয়ার (২৯ বলে ৪৫), সিং-এর (১৫ বলে অপরাজিত ৩৮) রানের চেষ্টায় টোটাল স্কোর প্রতিপক্ষের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারলেও শেষ রক্ষা করতে পারে নি।২৩৪ রানেই খেলা শেষ করতে হয় শারুখের দলকে। ঘরের ম্যাথ ইডেন গার্ডেনসে আজ মাত্র ৪ রানে হেরে যায় কেকেআর।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], করণদিঘি, উত্তর দিনাজপুর, ০৮/০৪/২০২৫ : ওয়াকফ বিল প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল, প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ, ঘটনা মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জ রাজ্য সড়কে।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগে ওয়াকফ বিল পাস হয়েছে , আর তারপরেই ওয়াকফ আইন প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল চলছে বিভিন্ন জায়গায়। এদিন মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জ এলাকায় ওয়াকফ বিল প্রত্যাহারের দাবীতে চলছিল পথ অবরোধ। আর তাকে ঘিরেই পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। প্রতিবাদীদের দাবী ছিল সংশোধিত ওয়াকফ আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , অনেক বোঝানোর পরেও যখন পথ অবরোধ কারীরা কোনো কথাই মানছিল না। তখন বাধ্য হয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং অবরোধ তোলার চেষ্টা করে। মধ্যেই মুর্শিদাবাদ ও নদীয়া জেলার বিভিন্ন গণ্ডগোলের খবর আসতে থাকে। মুর্শিদাবাদের জঙ্গীপুর ও নিমতিতা এলাকায় গন্ডগোল ছড়িয়ে পড়ে।
গন্ডগোলের খবর পেয়ে পুলিশের আরও বিশাল বাহিনীকে নামানো হয়. নামে RAF. কিন্তু ততক্ষনে ইঁটবৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। ইঁটের আঘাতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। কয়েকটি গাড়িতে ভাংচুর করা হয়েছে,পুলিশের দুটি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে হয়েছে। সেগুলো সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়. পুলিশ লাঠিচার্জ করতে থাকে। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটাতে থাকে। এরপর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে.
এই মুহূর্তে উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও নদীয়া জেলার একটা অংশে ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। শিলিগুড়ি যাওয়ার জাতীয় সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে। যারা আজ ভাংচুর চালালো, গণ্ডগোল করল তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আজ থেকেই গোটা দেশে সংশোধিত ওয়াকফ বলবৎ করা হল।
মুর্শিদাবাদের জঙ্গীপুরে ওয়াকফ আইন প্রত্যাহার দাবিতে উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রঘুনাথগঞ্জ ও সুতি- দুই জায়গায় ১৬৩ ধারা আইন জারি করা হ’ল জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য- কেন্দ্র সরকারের এই কালা আইন প্রত্যাহারের দাবিতে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে অবশেষে পুলিশের সামনে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয় একটি পুলিশ গাড়ি সহ একাধিক গাড়িতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল চালায় পুলিশ। সব মিলিয়ে ঘটনাস্থলে আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে শুরু হয় রীতিমতো খণ্ডযুদ্ধ। অন্যদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রঘুনাথগঞ্জ ও সুতিতে ১৬৩ ধারা আইন জারি করা হয় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। পাশাপাশি আজ থেকে আগামী ১১ তারিখ পর্যন্ত জেলার ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকবে জানানো হয় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ০৮/০৪/২০২৫ :পেলিং থেকে শিলিগুড়ি ফেরার পথে গাছ ভেঙে পরলো পর্যটকদের গাড়ির উপর।
পেলিং থেকে শিলিগুড়ি ফেরার পথে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যখন হঠাৎ করে একটি গাছ পর্যটকদের গাড়ির উপর ভেঙে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন পর্যটক আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আবহাওয়া খারাপ ছিল না, তবে তবুও কেন গাছটি ভেঙে পড়ল তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
ঘটনাটি ঘটার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেন। তবে এখনও জানা যায়নি, মোট কতজন পর্যটক জখম হয়েছেন বা গাড়িটিতে কতজন ছিলেন। গাছটি ভেঙে পড়ার কারণে সড়কটি কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, ফলে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কিছুক্ষণ পর সড়কে যান চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়।
জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়িতে রাম নবমীর মিছিলের পরের দিনই বড়সড় ভাঙ্গন দেখা দিলো বিজেপিতে। ১৬ নং ওয়ার্ডে প্রায় শতাধিক বিজেপি কর্মী সমর্থক তৃণমূল বিধায়কের হাত ধরে যোগদান করলেন তৃনমূল কংগ্রেসে।
উপস্থিত ছিলেন ধুপগুড়ির বিধায়ক ড: নির্মলচন্দ্র রায়, তৃণমূল নেতা রাজেশ কুমার সিং সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতা কর্মীরা। যোগদান শিবিরে উপস্থিত প্রত্যেকেই তৃণমূলের নাম স্লোগান দিতে শুরু করেন।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ০৮/০৪/২০২৫ : পার্লামেন্ট থেকে পাস্ হওয়ার পর ওয়াকফ বিল আইন নিয়ে অশান্ত হয়ে উঠল জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা। এতটাই অশান্ত হয়ে উঠল যে আধ ঘন্টার জন্যে সভা মুলতুবি রাখতে হল।
জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভায় পিপলস ডেমোক্রেটিভ পার্টি, আওয়ামী ইত্তেহাদ পার্টি সহ বিরোধী দলগুলি ওয়াকফ আইন নিয়ে আলোচনার জন্যে এডজার্ন মোশন ডাকতে চায়। কিন্তু ৫৮ ধারা অনুযায়ী স্পিকার তা খারিজ করে দেন। এরপর পিডিপির বিধায়ক ওয়াহিদ পারাকে মার্শাল দিয়ে বাইরে বের করে দেওয়া হয়।এর আগে অন্তত ২০ জন বিধায়ক ওয়াকফ আইন নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিলেন।
৫৮ ধারা অনুযায়ী কোনো বিল যদি আদালতে বিচারাধীন হয়, তাহলে সেটা নিয়ে বিধানসভায় আলোচনা করা যাবে না। ওয়াকফ বিল নিয়ে ইতিমধ্যেই AIMIM সহ দেশের অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি সুপ্রীম কোর্টে বিচারের জন্যে আবেদন জানিয়েছে। সেই কারনে বিধানসভায় এই বিল নিয়ে আলোচনা করতে দেন নি স্পিকার। কিন্তু এরপরেই ওয়াকফ বিল নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে বিধানসভা কক্ষের মধ্যেই বাকবিতন্ডা শুরু হয়ে যায়। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], নতুন দিল্লী, ভারত, ০৮/০৪/২০২৫ : রেশম তলোয়ার সর্বদাই কন্ঠস্বরের শক্তিতে বিশ্বাস করতেন। একজন দৃষ্টিহীন শিল্পী হিসেবে তিনি জানতেন যে, তাঁর কন্ঠস্বর শব্দের চেয়েও বেশি কিছু বহন করে। এতে আবেগ, অভিব্যক্তি এবং চরিত্রগুলিকে জীবন্ত করে তোলার ক্ষমতা রয়েছে। তিনি প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে কন্ঠস্বরের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক জগতে নিজের স্থান তৈরি করে নিয়েছেন।
দিল্লিতে আয়োজিত ওয়েভস্ অ্যানিমি অ্যান্ড ম্যানগা কন্টেস্ট (ডব্লিউএএম) – এ ভয়েস অ্যাক্টিং বিভাগে জয়লাভ করেছেন তিনি। প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, শিল্পী সত্ত্বা যে কোনও বাধা অতিক্রম করতে পারে। রেডিও জকি, ভয়েস ওভার এবং অডিও এডিটিং – এ রেশম তাঁর দক্ষতা ইতিমধ্যে প্রমাণ করেছেন। ডব্লিউএএম-তে জয়লাভ তাঁকে আরও বড় মঞ্চ করে দিয়েছে। তাঁর প্রতিভা শিল্প নেতৃত্বদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। এর থেকে বোঝা যায়, ডব্লিউএএম শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, সৃজনশীল প্রতিভা তুলে ধরার মাধ্যম।
মিডিয়া অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (এমইএআই)এর সহযোগিতায় কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক ম্যানগা অ্যান্ড অ্যানিমি ক্ষেত্রে উৎসাহ যুগিয়েছে। এর লক্ষ্যই হ’ল – ভারতের উদীয়মান প্রতিভাকে তুলে ধরা, যাতে এক্ষেত্রে স্রষ্ঠারা তাঁদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ পান। ১১টি শহরে রাজ্যস্তরের এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে, যার সমাপ্তি ঘটবে মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারে পয়লা থেকে ৪ মে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড অডিও ভিজ্যুয়াল এন্টারটেইনমেন্ট সামিট (ওয়েভস্) ২০২৫ – এর মধ্য দিয়ে। ম্যানগা হ’ল – এক ধরনের কমিক বই বা গ্রাফিক উপন্যাস, যা জাপানে শুরু হয়েছিল। ম্যানগা’কে যা বিশেষ করে তোলে তা হল এর চরিত্রগুলি। আর অন্যদিকে, অ্যানিমি হ’ল – ম্যানগা’কে জীবন্ত করে তোলার মতো কার্টুন সংস্করণ, যা পর্দায় দেখা যায়। ভারতে গত ১০ বছরে ম্যানগা ও অ্যানিমি ক্রমশই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশে প্রায় ১৮০ মিলিয়ন অ্যানিমি ভক্ত রয়েছেন। ভারত হল চীনের পরেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অ্যানিমি বাজার। নারুতো, ড্রাগন বল, ওয়ান পিস, অ্যাটাক অন টাইটান এবং মাই হিরো অ্যাকাডেমিয়ার মতো অনুষ্ঠানগুলি ব্যাপক জনপ্রিয়। ভারত জুড়ে এর বিপুল অনুরাগী রয়েছেন। ২০২৩ সালে ভারতে অ্যানিমির বাজার মূল্য ছিল ১,৬৪২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০৩২ সালের মধ্যে তা বেড়ে ৫০৩৬.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে। নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও, ডিজনি প্লাস হটস্টার – এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলি ভারতীয় দর্শকদের জন্য অ্যানিমি দেখা সহজ করে তুলেছে।পাশাপাশি ম্যানগা খুব সহজেই পাওয়া যায় অ্যামাজন ও ফ্লিপকাটের মতো ই-বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্মগুলিতে।
বারাণসীর এক ছাত্রী অ্যাঞ্জেল যাদব ডব্লিউএএম বারাণসীতে ম্যানগা বিভাগে যেভাবে তাঁর সৃজনশীল প্রতিভা তুলে ধরেছেন, তা বিচারকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাঁর শিল্পকর্ম কলকাতার বৈভবী স্টুডিও-কে এতটাই মুগ্ধ করেছিল যে, তারা তাঁকে চাকরির প্রস্তাব দিয়েছিল। এর পাশাপাশি, ভুবনেশ্বর ডব্লিউএএম – এ পেশাদার ম্যানগা শিল্পী রণদীপ সিং – এর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায়। এর থেকে বোঝা যায় যে, ডব্লিউএএম কিভাবে জীবন বদলে দিচ্ছে এবং এখানে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাজারে নিজেদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ পাচ্ছেন।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ০৮/০৪/২০২৫ : মহিলাদের শিক্ষা, দক্ষ করে তোলা এবং কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের অবিরত উদ্যোগের ফলে মহিলাদের সামনে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। আরও বেশি সংখ্যায় এখন ঘরে-বাইরে লাভজনক কাজে তাঁরা যুক্ত হতে পারছেন। গত কয়েক দশকে নিউক্লিয়ার ফ্যামিলির দ্রুত বৃদ্ধি ঘটেছে। ফলে কর্মরতা মহিলারা যাঁরা আগে যৌথ পরিবারের সাহায্য পেতেন, সন্তানদের ভালো যত্ন এবং সুরক্ষার জন্য তাঁদের এখন ডে-কেয়ার সার্ভিসের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। পালনা কর্মসূচির মাধ্যমে ডে-কেয়ার ক্রেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
২০২২-এ তদানীন্তন ন্যাশনাল ক্রেশ স্কিম পুনর্গঠিত হয় এবং তার নাম দেওয়া হয় পালনা কর্মসূচি, মিশন শক্তির সামর্থ্য উপকর্মসূচির অধীনে। কেন্দ্রীয় সরকারি পালনা কর্মসূচি ঠিক মতো রূপায়িত হচ্ছে কি না, তার দেখভাল করার দায়িত্ব থাকে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ওপর। ৬০ শতাংশ অর্থ দেয় কেন্দ্র এবং ৪০ শতাংশ অর্থ দেয় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি। উত্তরপূর্ব এবং বিশেষ শ্রেণীর রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে এই অনুপাত ৯০:১০। বিধানসভা নেই এমন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ক্ষেত্রে কেন্দ্র পুরোপুরি ১০০ শতাংশ আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকে।
পালনা কর্মসূচির লক্ষ্য, ৬ মাস থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুদের জন্য সুরক্ষিত নিরাপদ পরিবেশ দেওয়া, পুষ্টির ব্যবস্থা করা, স্বাস্থ্য এবং সার্বিক বিকাশে সাহায্য করা এবং বৃদ্ধির প্রতি নজর রাখা ও টিকাকরণের ব্যবস্থা করা। মা যে কোনো কাজেই যুক্ত হন না কেন, পালনায় ক্রেশের সুবিধা তিনি পাবেন।
যে প্রধান পরিষেবাগুলি দেওয়া হয়ে থাকে, সেগুলি হল-
ডে-কেয়ারের সুবিধা, যার মধ্যে থাকবে শয়নের ব্যবস্থা ৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য আগাম উদ্দীপনা কার্যাবলী ৩-৬ বছর বয়সী শিশুদের জন্য বিদ্যালয়-পূর্ব শিক্ষাদান স্থানীয় স্তরে অতিরিক্ত পুষ্টির ব্যবস্থা বৃদ্ধির প্রতি নজর রাখা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং টিকাকরণ
চাইল্ড কেয়ার সুবিধার সুযোগ বৃদ্ধি করার অঙ্গ হিসেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক মাতৃত্বকালীন সুবিধা আইন সংশোধন করে ৫০ অথবা অধিক কর্মচারী আছে এমন সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্রেশের সুবিধা রাখা বাধ্যতামূলক করেছে।
দু-ধরনের ক্রেশ আছে। শুধুমাত্র ক্রেশ অর্থাৎ যেগুলি স্ট্যান্ড অ্যালোন ক্রেশ এবং অঙ্গনওয়াড়ী-কাম-ক্রেশ(এডাব্লুসিসি)। মিশন শক্তির নীতি-নির্দেশিকা অনুযায়ী স্ট্যান্ড অ্যালোন ক্রেশের জন্য একজন কর্মী এবং একজন সহায়ক রাখার সংস্থান আছে। তেমনই এডাব্লুসিসি-র জন্য ইতিমধ্যে কর্মরত অঙ্গনওয়াড়ী কর্মী এবং সহায়কদের পাশাপাশি একজন ক্রেশ সহায়ক এবং একজন ক্রেশ কর্মী রাখার সংস্থান করা হয়েছে। নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক পালনা কর্মসূচিতে ২০২৪-২৫-এ ১৭০০০টি নতুন অঙ্গনওয়াড়ী কাম ক্রেশ স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েছে। ২০২৫-এর মার্চ পর্যন্ত ৩৪টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ১১৩৯৫টি এডাব্লুসিসি-র অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অঙ্গনওয়াড়ী কর্মীদের তত্ত্বাবধানে ক্রেশ কর্মীরা নজর রাখবেন শিশুদের ঘুম ও বিশ্রামের ওপর। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করবেন। শিশুদের পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস তৈরি করতে প্রশিক্ষণ দেবেন, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করবেন এবং আশা, এডাব্লুডাব্লু, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, এডাব্লুসি-র সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন। খাবার স্বাস্থ্যকরভাবে ও বয়স অনুযায়ী রান্না হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করবেন। শিশুদের খেলনা দেওয়ার আগে তার গুণমান পরীক্ষা করবেন বিধি অনুযায়ী।
২০২৫-এর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১,৭৬৭টি এডাব্লুসিসি কাজ করছে। বর্তমান সুবিধাপ্রাপকদের সংখ্যা ২৮,৭৮৩। এর পাশাপাশি ১,২৮৪টি স্ট্যান্ড অ্যালোন ক্রেশ আছে দেশজুড়ে যার বর্তমান সুবিধাপ্রাপকের সংখ্যা ২৩,৩৬৮।
মিশন শক্তির নীতি নির্দেশিকা অনুযায়ী স্থানীয় প্রয়োজন অনুসারে ক্রেশের সময় নির্ধারণ করতে হবে। মাসের মধ্যে ২৬ দিন খুলে রাখতে হবে। এলাকার বেশিরভাগ মায়ের কাজের নির্ঘণ্ট অনুযায়ী দৈনিক সাড়ে ৭ ঘণ্টা খোলা রাখতে হবে।
ক্রেশ কর্মী এবং ক্রেশ সহায়িকাদের সাম্মানিক দেওয়া হয়ে থাকে। স্ট্যান্ড অ্যালোন ক্রেশের ক্ষেত্রে ক্রেশ কর্মীদের ৬৫০০ টাকা, সহায়কদের ৩২৫০ টাকা এবং এডাব্লুসিসি-র ক্ষেত্রে ক্রেশ কর্মীদের ৫,৫০০ টাকা এবং ক্রেশ সহায়কদের ৩০০০ টাকা সাম্মানিক দেওয়া হয়ে থাকে। এক একটি ক্রেশে অন্যূন ২৫ জন শিশু রাখা যেতে পারে। শিশুদের বাড়ির কাছে অথবা মায়েদের কর্মস্থলের কাছাকাছি ক্রেশের অবস্থান হওয়া বাঞ্ছনীয়।
৬ মাস থেকে ৬ বছর পর্যন্ত শিশুদের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে পালনা কর্মসূচি শিশুদের সার্বিক যত্ন, পুষ্টি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করে। একাধিক মন্ত্রকের সহযোগিতা এবং স্থানীয় প্রয়োজনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টি থাকায় পালনা স্বাস্থ্যকর, আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং লিঙ্গ সংবেদনশীল কর্মসূচি।