আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য] শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ১২/০১/২০২৬ : বিশ্বের সর্ববৃহৎ মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস হতে চলেছে শিলিগুড়িতে।
আগামী ১৬ তারিখে বিশ্ব তথা দেশের বৃহত্তম মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে সোমবার শিলিগুড়িতে জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এসডিও অফিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মেয়র গৌতম দেব, দার্জিলিং জেলার জেলা শাসক, এসডিও, SJDA চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা।
বৈঠকে অনুষ্ঠান পরিচালনার চূড়ান্ত প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে এখনও কিছু বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
এদিকে, মেয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত দিয়ে শিলান্যাস অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে আপাতত তা সর্বজনীনভাবে নিশ্চিতভাবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়।
শিলান্যাসের মাত্র কয়েকদিন বাকি—দার্জিলিংবাসী এখন উত্তেজনার সঙ্গে অপেক্ষা করছে পবিত্র মহাকাল মন্দিরের এ বিশেষ মুহূর্তের জন্য।
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ১২/০১/২০২৬ : জার্মানির চ্যান্সেলর মার্টজ এর মাধ্যস্থতায় জার্মান ব্যবসায়ীদের সাথে বাণিজ্যের নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রশংসা করলেন ইনতুন বন্ধুত্বের।
এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার বন্ধু, চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মার্ৎজ, দুই দেশের প্রতিনিধিরা, সংবাদমাধ্যমের বন্ধুরা, নমস্কার! গ্যুটেন টাগ (শুভদিন)!
আজ স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে চ্যান্সেলর মার্ৎজ-কে ভারতে স্বাগত জানাতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এ এক দারুণ সুযোগ। স্বামী বিবেকানন্দ ভারত এবং জার্মানির মধ্যে দর্শন, জ্ঞান ও আত্মার এক সেতুবন্ধ গড়ে তুলেছিলেন। আজ চ্যান্সেলর মার্ৎজ-এর এই সফর সেই সেতুকেই আরও শক্তিশালী করেছে, নতুন বিশ্বাস এবং নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। চ্যান্সেলর হিসেবে এটি ওঁর শুধু প্রথম ভারত সফর নয়, এশিয়াতেও প্রথম সফর। এর থেকে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয় যে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে উনি কতটা গুরুত্ব দেন। ওঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও অঙ্গীকারের জন্য আমি ধন্যবাদ জানাই। ভারত, জার্মানির সঙ্গে তার সৌহার্দ্য ও অংশীদারিত্বের সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। গুজরাটি ভাষায় আমরা বলি – ‘আবকারো মিঠো আপজে রে’ অর্থাৎ, ভালোবাসা এবং আন্তরিকতার মাধ্যমে স্বাগত জানানো। এই ভাবনাকে পাথেয় করে আমরা চ্যান্সেলর মার্ৎজ-কে ভারতে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
বন্ধুগণ,
চ্যান্সেলর মার্ৎজ-এর এই সফর বিশেষ এক সময়ে হচ্ছে। গত বছর আমরা আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্কের ২৫ বছর পূর্ণ করেছি। আর এ বছর আমরা কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর উদযাপন করছি। কালের সময়ে এই মাইলফলক আমাদের অংশীদারিত্বকে প্রকৃত অর্থে গুরুত্বপূর্ণ, পারস্পরিক বিশ্বাস, আস্থা এবং প্রতিনিয়ত ক্ষমতায়নের সঙ্গে শক্তিশালী করার প্রতীক হয়ে উঠেছে। ভারত ও জার্মানির মতো দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণি্জ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন শক্তি অর্জন করেছে। আমাদের দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। এর পরিমাণ ৫ হাজার কোটি ডলার অতিক্রম করেছে। দু’হাজারের বেশি জার্মান সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তাদের অটুট বিশ্বাস ও আস্থা প্রতিফলিত হয়েছে। পাশাপাশি, এ দেশের সঙ্গে সুসম্পর্কও প্রতিফলিত হচ্ছে। আজ সকালে ভারত-জার্মানির মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিকদের ফোরামে সেই ছবিই ফুটে উঠেছে।
ভারত এবং জার্মানির মধ্যে প্রযুক্তি সংক্রান্ত সহযোগিতা প্রতি বছর শক্তিশালী হচ্ছে। আজ তার প্রভাব তৃণমূলস্তরে স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে। পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রকে ভারত ও জার্মানি সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য আমরা ইন্ডিয়া-জার্মানি সেন্টার অফ এক্সেলেন্স গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই কেন্দ্র অর্জিত জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের এক শক্তিশালী মঞ্চ হয়ে উঠবে। আমরা জলবায়ু, শক্তি, নগরোন্নয়ন এবং শহরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার মতো ক্ষেত্রে নতুন নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরিবেশ-বান্ধব হাইড্রোজেন নিয়ে উভয় দেশের সংস্থাগুলি নতুন এক মেগা প্রোজেক্ট করবে। এই প্রকল্প ভবিষ্যতে জ্বালানির ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী বলে বিবেচিত হবে। ভারত এবং জার্মানি সুরক্ষিত, ভরসাযোগ্য এবং প্রাণবন্ত এক সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তুলতে একযোগে কাজ করছে। এইসব বিষয় নিয়ে আজ যেসব সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার মধ্য দিয়ে আমাদের দুই দেশের সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে এবং তা নতুন গতি পাবে।
প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা আমাদের পারস্পরিক আস্থার প্রতীক। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংক্রান্ত ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত প্রক্রিয়াগুলিকে সহজ-সরল করার জন্য আমি চ্যান্সেলর মার্ৎজ-এর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য নতুন একটি রোডম্যাপ নিয়ে কাজ করছি, যেখানে একসঙ্গে পরিকল্পনা এবং উৎপাদনের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
ভারত এবং জার্মানির জনসাধারণের মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে যোগসূত্র রয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর লেখার মাধ্যমে জার্মানির বুদ্ধিজীবী মহলকে আমাদের কাছে নতুনভাবে পরিচয় করিয়েছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দের ভাবনা জার্মানি সহ পুরো ইউরোপকে প্রভাবিত করেছিল এবং ম্যাডাম কামা জার্মানিতে প্রথমবার ভারতের স্বাধীনতার জন্য পতাকা তুলেছিলেন। এর মধ্য দিয়ে আমাদের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে সারা বিশ্ব পরিচিত হয়েছিল। আজ আমরা ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতাকে যুক্ত করতে উদ্যোগী হয়েছি। অভিবাসন, যাতায়াত এবং দক্ষতা বৃদ্ধির মতো ক্ষেত্রগুলিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভারতের প্রতিভাবান যুবশক্তি জার্মানির আর্থিক ব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক স্তরে দক্ষতা সংক্রান্ত অংশীদারিত্বের জন্য যে যৌথ ইচ্ছাপত্র ঘোষিত হয়েছে, তা আসলে ভারতের প্রতি আস্থার প্রতীক। এর ফলে, স্বাস্থ্যক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত পেশাদার ব্যক্তিদের বিশেষ সুবিধা হবে। আজ আমরা ক্রীড়াক্ষেত্রে আরও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য উদ্যোগী হয়েছি। এটি যুবশক্তির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠবে। আজ উচ্চশিক্ষার জন্য সর্বাঙ্গীণ এক রোডম্যাপ তৈরির মধ্য দিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে আমাদের অংশীদারিত্ব নতুন দিশা দেখাবে। আমি জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ভারতে তাদের ক্যাম্পাস খোলার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা-ফ্রি ট্রানজিটের যে ঘোষণা করা হয়েছে, তার জন্য আমি চ্যান্সেলর মার্ৎজ-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করছি। এর ফলে, দু’দেশের জনসাধারণের মধ্যে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে। গুজরাটের লোথালে ন্যাশনাল মেরিটাইম হেরিটেজ কমপ্লেক্স তৈরি করা হচ্ছে। এখানে জার্মানি মেরিটাইম মিউজিয়াম যুক্ত হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। দুটি দেশের সামুদ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যের ইতিহাসকে যুক্ত করার এ এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। চিরায়ত ওষুধ ও চিকিৎসার বিষয়ে গুজরাট আয়ুর্বেদিক ইউনিভার্সিটি জার্মানির সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা গড়ে তুলেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আজ যে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে তার ফলে আমাদের সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে।
ভারত এবং জার্মানি সব সময়েই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলে। আমাদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আন্তর্জাতিক স্তরে প্রতিফলিত হয়। ঘানা, ক্যামেরুন এবং মালাউয়ি-র মতো দেশগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ আমাদের ত্রিপাক্ষিক উন্নয়ন সংক্রান্ত অংশীদারিত্বকে সারা পৃথিবীর কাছে এক সফল মডেল হিসেবে পরিচিত করেছে। আমরা, দক্ষিণী বিশ্বের দেশগুলির উন্নয়নের জন্য আমাদের নিজস্ব উদ্যোগ নিয়ে নানা ধরনের কাজ করে চলেছি। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে উভয় দেশই অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য আমরা একটি মতবিনিময় ব্যবস্থাপনা শুরু করতে চলেছি। আজ আমরা ইউক্রেন এবং গাজা সহ আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। ভারত প্রতিটি সমস্যা ও বিবাদের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে, আর এই লক্ষ্যে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়, সেই সমস্ত উদ্যোগকে আমরা সমর্থন করি। জঙ্গিবাদ মানবজাতির কাছে একটি বড় সমস্যা – এই বিষয়টিতে আমরা সহমত পোষণ করি। ভারত এবং জার্মানি এর বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই অব্যাহত রাখবে। ভারত এবং জার্মানি আন্তর্জাতিক স্তরের নানান চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংস্কারের বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে থাকে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের জন্য জি-৪-এর মাধ্যমে আমরা যৌথভাবে উদ্যোগী হয়েছি।
১৪০ কোটি ভারতবাসীর পক্ষে আমি আরও একবার আপনাকে ভারতে আন্তরিক স্বাগত জানাই। আমি মনে করি, আজ আমাদের মধ্যে যে আলোচনা হয়েছে তা ভারত-জার্মানি অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে নতুন শক্তি যোগাবে এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে। আপনার সফর, ব্যক্তিগতভাবে আপনার উদ্যোগ এবং ভারতের প্রতি আপনার আন্তরিক বন্ধুত্বের জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ জানাই।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০১/২০২৬ : 49 তম কলকাতা বই মেলা আগামী 22 জানুয়ারি থেকে 8 ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে। বই মেলার উদ্বোধন করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
হাওড়া শহর দিয়েও ছুটছে মেট্রো রেল, তাই এবার হাওড়া থেকে সরাসরি সল্টলেকে বই মেলাতে পৌঁছে যাওয়া যাবে। এছাড়া বইমেলা প্রাঙ্গণ থেকেই টিকিট কাটা যাবে মেট্রোর। বই মেলায় বয়স্কদের জন্য থাকছে হুইল চেয়ার এর ব্যবস্থা, থাকবে মেডিকেল ডেস্ক, গুগল কানেক্টেড থাকবে পুরো মেলা।
আর্জেন্টিনা হল এবছরের থিম। আয়োজকদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে এ বছরে বাংলাদেশ থেকে এবারের এই বই মেলায় অংশগ্রহণ করার কোন সবুজ সংকেত পাওয়া যায়নি। কোন রাজনৈতিক সংগঠনকে মেলাতে জায়গা দেওয়া হয় না, কিন্তু তাদের মুখপত্রকে জায়গা দেওয়া হবে।
এবারে একটা নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে স্টল বিতরণের ক্ষেত্রে , দোকানদারদের অর্থাৎ বই বিক্রেতাদের ইন্সুরেন্স করা হয়েছে, দোকানের মাপ অনুযায়ী ও বই এর মূল্য অনুযায়ী।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], রামনগর, পূর্ব মেদিনীপুর, ১২/০১/২০২৬ : প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে ‘হাড়গোড় গুঁড়ো’ ও ‘বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার’ হুমকি—তৃণমূল নেতার বক্তব্যে চাঞ্চল্য রামনগরে!
প্রকাশ্য রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে হুমকিমূলক বক্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল রামনগর–২ ব্লকে। অভিযোগ, মৈতানা অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ওয়াসিম রহমান প্রকাশ্যে বিরোধীদের উদ্দেশে “হাড়গোড় গুঁড়ো করে দেওয়া” এবং “বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া”-র মতো মন্তব্য করেন। এই বক্তব্যের ভিডিও ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে এবং তা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়েই ওই নেতা এ ধরনের হুমকিমূলক ভাষা ব্যবহার করেন। ভিডিওতে শোনা যায়, তিনি কড়া ভাষায় প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করছেন। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
বিরোধীদের তরফে অভিযোগ, এই ধরনের বক্তব্য আইনশৃঙ্খলার পরিপন্থী এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তারা দোষীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে, শাসকদলের অন্দরেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
ঘটনাটি নিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। ভিডিওটি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। কিন্তু এই ঘটনা প্রসঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে জানিয়েছেন, রামনগর থানায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা প্রাথমিকভাবে ওয়াসিম রহমানকে এরেস্ট করেছি। আমরা কোর্টের কাছে তাঁকে ফরওয়ার্ড করছি। পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] , হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০১/২০২৬ : লরেন্স বিশ্নোই আন্তর্জাতিক গ্যাংস্টার চক্রের ৩ সদস্য পাকড়াও হাওড়া স্টেশন থেকে।
কুখ্যাত আন্তর্জাতিক গ্যাংস্টার লরেন্স বিশ্নোই দলের ৩ সদস্যকে পাকড়াও করল পুলিশ। হাওড়া সিটি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পঞ্জাবের তিন দুষ্কৃতিকে গ্রেফতার করেছে গোলাবাড়ি থানা। ধৃতরা হল করণ পাঠক, তরুণ দ্বীপ সিংহ এবং আকাশ দীপ সিংহ। পঞ্জাবের অপরাধ চক্রের সঙ্গে জড়িত ওই তিনজনের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ রয়েছে।
ধৃত তিনজনের বাড়ি পঞ্জাবে। সেখানে কবাডি খেলোয়াড় রানাবালা চৌর খুনে এরা প্রত্যেকে যুক্ত। দীর্ঘদিন থেকে এই তিনজনকে পঞ্জাব পুলিশের এসটিএফ টিম খুঁজছিল। ১৫ ডিসেম্বর কবাডি খেলোয়াড় খুনের পর তিন দুষ্কৃতী গ্যাংটক হয়ে কলকাতায় গোপন ডেরায় আশ্রয় নিয়েছিল। এখান থেকেও তাদের পালানোর পরিকল্পনা ছিল।রবিবার রাতে তারা হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেন ধরে অন্যত্র যাওয়ার জন্য যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিল সেই সময় গোলাবাড়ি থানার সঙ্গে পঞ্জাব এস টি এফ টিম যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তিন দুষ্কৃতিকে গ্রেফতার করে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী হাওড়া সিটি পুলিশ রাতে স্টেশন চত্বরে সাদা পোশাকে নজরদারি জোরদার করে। যাত্রীর ভিড়ের মধ্যে নজর দারি শুরু হয়। অবশেষে তিন দুষ্কৃতী হাওড়া স্টেশনে ট্রেনে অন্যত্র পালানোর আগে ধরা পড়ে যায়। ধৃতদের বিরুদ্ধে পঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসে ওয়ালা হত্যাকাণ্ড থেকে অভিনেতা সালমান খানকে খুন করার হুমকির অভিযোগ রয়েছে।পঞ্জাব থেকে পালিয়ে এরা আশ্রয় নেয় কলকাতার হোটেলে। সেখান থেকে কয়েকদিন কাটায় সিকিমের গ্যাংটকে। সেখান থেকে ফের কলকাতার হোটেলে আশ্রয় নেয়। হাওড়া স্টেশনে টাকা নিতে এসেই ধরা পরে তিনজন।
আজ অভিযুক্তদের পেশ করা হল হাওড়া আদালতে। সেখান থেকে পঞ্জাব পুলিশ আজই ট্রানজিস্ট রিমান্ডে তিন অভিযুক্তকে নিয়ে যাবে পঞ্জাবে। বিগত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল এই তিন দুষ্কৃতী। বছরের পর বছর এরা তোলাবাজি চোরাকারবারি এবং সুপারি কিলারের কাজ করত। লরেন্স বিশ্নোই নিজে জেলে থাকা সত্ত্বেও সে সেখান থেকেই অপরাধ নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছিল। সুদূর কানাডাতেও তাদের সদস্যরা সেখানকার বিশিষ্ট লোকজনদের খুন করার হুমকি দিয়েছে এবং গুলিও চালিয়েছে। কিছুদিন আগে কপিল শর্মাকেও খুনের হুমকি দিয়েছে এই চক্র। এমনকি বিদেশে কপিলের ক্যাফেতেও হামলা চালিয়েছে এই দুষ্কৃতী চক্র।
প্রশ্ন উঠেছে, কিভাবে এই কুখ্যাত দুষ্কৃতীরা কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গকে সেফ করিডোর এবং শেল্টার হিসেবে ব্যবহার করছিল ? পুলিশের কাছে আগে থেকে কি কোনো তথ্য ছিল না ? কলকাতা ও হাওড়া কি দুষ্কৃতীদের কাছে অত্যন্ত নিরাপদ জায়গা ?
আজ খবর (বাংলা) [ দেশ], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০১/২০২৬ : আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৪ তম জন্মজয়ন্তী পালন করছে গোটা দেশ. পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র শ্রদ্ধার সাথে পালন করা হয়েছে আজকের দিনটিকে।
সোমবার স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিজেপি যুব মোর্চার তরফ থেকে ‘বিবেক যাত্রা’-র আয়োজন করা হয়েছে। সিমলা স্ট্রিটে স্বামীজির মূর্তিতে মাল্যদান করে বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্বরা। হেদুয়া থেকে মিছিল করে সিমলা স্ট্রিটে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী।
পাশাপাশি, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকেও মন্ত্রী শশী পাঁজা সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা স্বামীজির মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীরাও স্বামীজীর মূর্তিতে মাল্যদান করেছেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি ] , নতুন দিল্লী, ভারত, ০৯/০১/২০২৫ : কলকাতায় গতকাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের সাথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র সংঘাতের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে আজ কেন্দ্রীয় স্বরষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অফিসের সামনে তৃণমূলের সাংসদরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে গিয়ে আটক হন।
আজ সকালেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দপ্তরের সামনে পৌঁছে যান তৃণমূলের সাংসদরা। সেখানে গিয়ে হাতের প্ল্যাকার্ড দেখিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা, তার সঙ্গে স্লোগান দিতে থাকেন। এই সময় দিল্লী পুলিশ তাঁদেরকে আটকান এবং এই সময় তৃণমূল সংসদ কর্মীরা পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি করতে থাকেন। পুলিশ তাঁদেরকে বলপূর্বক চ্যাংদোলা করে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে চলে যান থানায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরের সামনে পুলিশ প্রহরা আরও জোরদার করা হয়।
গতকাল কলকাতায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেখানে তদন্ত চলাকালীনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাজির হয়েছিলেন সাদা পোশাকের পুলিশ নিয়ে, ঘটনাস্থলে তদন্ত করতে থাকা ইডি আধিকারিকদের সাথে তীব্র তাঁর বাদানুবাদ হয়, এবং ইডির বাজেয়াপ্ত করা ফাইল ও হার্ড ডিস্ক তিনি সঙ্গে থাকা পুলিশের সাহায্যে ছিনিয়ে নিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। গোটা বিষয়টি আজ আদালতেও উঠতে চলেছে।
দিল্লীতে আজ এই ঘটনারই প্রতিবাদে বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন শতাব্দী রায়, ডেরেক ও ব্রায়ান, মহুয়া মৈত্র ও কীর্তি আজাদের মত সাংসদেরা। ছিলেন আরও কিছু তৃণমূল কর্মীরা। পুলিশ এই সাংসদদের টেনে হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যায় থানায়। সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, “নির্বাচিত সাংসদদের সাথে এদের পুলিশ কি ব্যবহার করছে আপনারা দেখুন । এই বিজেপিকে আমরা হারাবোই।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৯/০১/২০২৬ : ফের একবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পেলেন প্রাণ নাশের হুমকি। বিস্ফোরণ করে তাঁকে উড়িয়ে দেওয়া হবে, এমনটাই হুমকি পেয়েছেন তাঁর কর্তব্যরত নিরাপত্তা রক্ষীরা।
এর আগেও তাঁকে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল, আর এবারেও তার কাছে এলো প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি। কে বা কারা এই ধরনের হুমকি রাজ্যপালকে দিচ্ছেন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ব্যাপারে তদন্ত করা হচ্ছে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে। প্রাণ নাশের হুমকির জেরে রাজ্যপালের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। এমনিতেই তিনি জেড প্লাস নিরাপত্তা পান। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকেন কলকাতা পুলিশ ও সিআরপিএফ জওয়ানরা।
আগামীকাল একটি অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল সকলের সঙ্গে সাধারণভাবে হেঁটে যাবেন, নিরাপত্তার বলয় থাকবে না সেখানে। রাজ্যপাল সেই অনুষ্ঠান বাতিল করছেন না। তিনি জানিয়েছেন জনগণই তাঁর ঢাল, আর সাধারণ মানুষই তাঁকে রক্ষা করবেন। তাই তিনি এই ব্যাপারে আদৌ চিন্তিত নন।
গতকাল ইডি এবং মুখ্যমন্ত্রীর সংঘাতের ঘটনায় রাজ্যপাল বলছেন, “সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ঠিক নয়। সরকারি কাজে বাধা দিলে বা সরকারি কর্মচারীকে হুমকি দিলে তার সর্বোচ্য ২ বছর জেল হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের কাজে লিপ্ত হাওয়া ঠিক নয়।”
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,০৮/০১/২০২৬ : বৃহস্পতিবার যখন আইপ্যাকের অফিসে একটি ভুয়ো চাকরির অভিযোগের ভিত্তিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তল্লাশি ওই অফিসে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এরপরেই চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়. পৌঁছেছেন।আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতেও পৌঁছেছেন ইডি আধিকারিকরা।
আইপ্যাকের অফিসে ইডি হানা সাত সকালে। কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতেও পৌঁছেছেন অফিসাররা। সূত্রের খবর, এই খবর কানে আসা মাত্রই তাঁর বাড়িতে পৌঁছেছেন পুলিশ কমিশনার, গেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
ভোর হতেই নড়েচড়ে বসে কলকাতার একাধিক এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক-এর কর্ণধার প্রতীক জৈন-এর বাড়ি ও দফতরে একযোগে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সল্টলেক-এ আইপ্যাকের দফতর এবং শহরের লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে শুরু হয় তল্লাশি। ইডি সূত্রে খবর, দিল্লির একটি পুরনো কয়লা পাচার মামলার সূত্র ধরেই এই অভিযান।
জানা গিয়েছে, বুধবার রাতেই দিল্লি থেকে ইডির একটি বিশেষ দল কলকাতা আসে। বৃহস্পতিবার সকাল হতেই একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশি শুরু করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। প্রতীক জৈনের বাড়ির পাশাপাশি পোস্তা এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চলছে। এই অভিযান পুরোপুরি একটি পুরনো মামলার সঙ্গে যুক্ত, যা এর আগে দিল্লিতে তদন্তাধীন ছিল।
ইডি সূত্রে জানা যাচ্ছে, কয়েক বছর আগে এই মামলার তদন্তে ঝাড়খণ্ড এবং কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় কয়লা পাচার মামলায় অনুপ মাঝি ওরফে লালা-কে দিল্লিতে ডেকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। শুধু অনুপ মাঝিই নন, এই মামলার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে আরও বেশ কয়েকজনকে জেরা করা হয়। পাশাপাশি টাকার লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক নথি খতিয়ে দেখেন ইডির আধিকারিকরা।
সূত্রের দাবি, সেই জেরার সূত্র ধরেই উঠে আসে প্রতীক জৈনের নাম। তদন্তকারীদের হাতে আসে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত কিছু তথ্য, যা যাচাই করতেই ফের সক্রিয় হয় ইডি। দীর্ঘদিন ধরেই মামলাটি নিয়ে নীরবে তথ্য সংগ্রহ চলছিল বলে ইডি সূত্রের খবর। সবকিছু মিলিয়ে তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছনোর পরই এই তল্লাশির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপধ্যায় এদিন অভিযোগ করেন যে আই প্যাকের অফিস থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন নথী বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি কোন নির্দেশ বলে ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের যদি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যাচ্ছে ? দুষ্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশেই কি ইডি এই ধরনের কাজ করছে ?
একটি ভুয়ো চাকরি চক্রের খোঁজ চালাতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট আজ দেশের ১৫টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল, সেই তল্লাশি অভিযান চলছিল আইপ্যাকের অফিসেও। প্রতীক জাইনের বাড়ি ও অফিস দুই জায়গাতেই তল্লাশি চালানো হয়েছে। . মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যদি ঠিক এভাবেই বিজেপি পাইরটি অফিসগুলিতেও পুলিশের অভিযান চালানো হয়, সেটা কি বিজেপির পক্ষে ভালো হবে ? কোন অধিকারে ওরা তৃণমূলের তথ্য সম্বলিত নথী, হার্ড ডিস্ক বাজেয়াপ্ত করছে ? নির্বাচনের জন্যেই আমাদের সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।”
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ০৭/০১/২০২৫ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীতে সমুদ্র প্রতাপ জাহাজটি অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে সমুদ্র যাত্রায় এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। তিনি বলেছেন, এই উন্নত জলযানটির অন্তর্ভুক্তি বেশ কয়েকটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এবং সমুদ্রযাত্রায় আত্মনির্ভর ভারতের উদ্যোগ আর-ও শক্তিশালী হল। এর ফলে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে, উপকূল অঞ্চলে নজরদারী বৃদ্ধি পাবে এবং ভারতের বিপুল সামুদ্রিক বাণিজ্যের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে। এর মধ্য দিয়ে পরিবেশ বান্ধব পরিচালনগত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য সুস্থায়ীভাবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে ভারতের অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে শ্রী রাজনাথ সিং-এর এক বার্তার প্রত্যুত্তরে শ্রী মোদী লিখেছেনঃ
“ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীতে সমুদ্র প্রতাপ জাহাজটি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি বেশ কয়েকটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ।এর ফলে আত্মনির্ভর ভারতের উদ্যোগ যেমন আর-ও শক্তিশালী হবে, পাশাপাশি দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে, উপকূল অঞ্চলে নজরদারী বৃদ্ধি পাবে এবং ভারতের বিপুল সামুদ্রিক বাণিজ্যের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে।