আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], পাণ্ডুয়া, হুগলী,১৯/০৮/২০২৬ : একটি কংক্রিট সেতুর জন্য ২০ বছরের অপেক্ষা ১৫টি গ্রামের দৈনিক জীবনযাত্রা বেহাল।
পান্ডুয়ার হরাল দাসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শিয়ালাগুড়ী গ্রাম সহ প্রায় ১৫ টি গ্রাম ( কুলবারুই , মোবারক পাড়া, বিলসড়া,বারুল, পীরেতলী, বাঁশদো, কাঁটাপুর, হরাল হাটতলা ) যাতায়াত করার জন্য কেবলমাত্র একটি কাঠের ব্রিজ রয়েছে। ভোট আসে ভোট যায় বারংবার সরকার পরিবর্তন হয় শুধু প্রতিশ্রুতি থেকে যায়। বছরের পর বছর ঘুরে গেলও কংক্রিট সেতু তৈরি আর হয় না।আগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দেয়া হয় পরে সেটি ভেঙে গেলে কাঠের ব্রিজ তৈরি করে দেওয়া হয়।
আধুনিকতার যুগেও থমকে গিয়েছে ১৫টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের জীবন। যাতায়াতের একমাত্র ভরসা বলতে রয়েছে তিনবার জোড়াতালি দেওয়া একটি নড়বড়ে কাঠের সেতু। বিগত ২০ বছর আগে এখানে একটি কংক্রিট ব্রিজ থাকলেও, তা ভেঙে যাওয়ার পর আজও নতুন কোনো পাকা সেতু তৈরি হয়নি। ফলে চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন গ্রামবাসীরা।
পরিস্থিতি এতটাই করুণ যে, গ্রামে কেউ গুরুতর অসুস্থ হলে বা কোনো জরুরি অবস্থার সৃষ্টি হলে অ্যাম্বুলেন্স গ্রামের ভেতরে ঢুকতে পারে না। অ্যাম্বুলেন্সকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় কাঠের ব্রিজের এপারে। ওপার থেকে গ্রামবাসীরা কোনোক্রমে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, অসুস্থ ব্যক্তিকে কোলে করে বা টোটো মাধ্যমে সেই নড়বড়ে কাঠের ব্রিজ পার করিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। যেখানে ব্রিজের ওপর দিয়ে যাতায়াত জন্য ৩০০ মিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। সেখানেই ভিন্ন সড়ক পথ রয়েছে যা যাতায়াতের জন্য দীর্ঘ পাঁচ কিলোমিটারের অধিক ঘুর পথঅতিক্রম করতে হয়।এতে অনেকটাই বেশি সময় লাগে যাতায়াতের জন্য।
এখানেই শেষ নয়, ভাঙা কংক্রিট সেতুর অবশিষ্টাংশ এখনও নদীর বুকেই পড়ে রয়েছে। সেই ভেঙে পড়া অংশের কারণে নদীর স্বাভাবিক জলপ্রবাহ অধিকাংশই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলে কুন্তী নদীর নদী বক্ষে জল জমে রয়েছে সাথে পানা ও আবর্জনাও।ভাঙা ব্রিজের ধ্বংসাবশেষের কারণে এলাকার জলনিকাশি ব্যবস্থা একেবারে বেহাল হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি বা অতিবৃষ্টি হলেই নদীর জল উপচে চারপাশের চাষের জমিগুলি জলমগ্ন হয়ে পড়ছে।
বর্তমানে ভাঙা সেতুর পাশ দিয়ে যাতায়াতের জন্য যে কাঠের অস্থায়ী সেতুটি বানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেটিও এখন অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় পরিণত হয়েছে। সামান্য ভার পড়লেই সেতুটি টলমল করে ওঠে। যেকোনো মুহূর্তে এটি ভেঙে পড়ে বড়সড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।
২০ বছর ধরে প্রশাসনের এই উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ ১৫টি গ্রামের মানুষ। দ্রুত একটি স্থায়ী কংক্রিট সেতু নির্মাণের আবেদন করেছেন গ্রামবাসীরা নতুন সরকারের কাছে ।
বিগত দিনের সরকারের কাছে একাধিকবার গ্রামবাসীরা আবেদন করলেও তার কোন সমাধান মেলেনি । প্রশাসনের শীর্ষ মহল কবে এই প্রান্তিক মানুষগুলোর দিকে নজর দেবে, এখন সেটাই দেখার।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ, ১৯/০৮/২০২৬ : হুগলির ভূমি সমস্যা সমাধানে প্রশাসনিক পর্যালোচনা, শিল্পের জন্য জমি চিহ্নিতকরণে জোর মন্ত্রী দীপংকর জানার।
হুগলি জেলার বিশেষ প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক এবং বিভিন্ন বিধায়কদের নিয়ে জেলা রিভিউ মিটিং শেষে চুঁচুড়ার বিধায়কের কার্যালয়ে এসে উপস্থিত হন রাজ্যের ভূমি ও রাজস্ব দপ্তরের মন্ত্রী দীপংকর জানা। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নতুন সরকারের ১০০ দিন পূর্তি এবং জেলার ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।
নতুন সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হওয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নতুন সরকার কী কাজ করছে, তা ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষ কমবেশি অবগত। এদিন হুগলি জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে পাট্টাদার ও বর্গাদারদের জমি, মিউটেশন-কনভার্সনসহ ভূমি দপ্তরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার শিল্পের প্রসারের দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। আগামী দিনে বেকারত্বের সমস্যা সমাধান এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হলে শিল্পের প্রয়োজন, আর শিল্প স্থাপনের জন্য জমিও প্রয়োজন। সেই কারণে জেলার কোথায় কোথায় সরকারি জমি রয়েছে, কোথায় বেস্টেড ল্যান্ড রয়েছে এবং প্রয়োজনে কোন জমি সরকার অধিগ্রহণ করতে পারে—সেগুলি চিহ্নিত করার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
পাশাপাশি, বিভিন্ন এলাকায় জলাজমি ভরাট এবং ভূমি সংক্রান্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও প্রশাসনের নজরে আনার কথা জানান তিনি। এ ধরনের অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের ঘটনা না ঘটে, সেদিকেও প্রশাসনিক স্তরে নজরদারি বাড়ানো হবে বলে জানান মন্ত্রী।
ছোট ব্যবসায়ী এবং সীমিত পুঁজির উদ্যোক্তাদের জমির প্রয়োজনের বিষয়টিও সরকার গুরুত্ব সহকারে দেখছে বলে জানান দীপংকর জানা। তাঁর কথায়, নতুন সরকারের কাছে কোনও ছোট ব্যবসায়ী জমির জন্য আবেদন করলে অথবা কম পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করার জন্য যাঁদের ছোট পরিমাণ জমির প্রয়োজন, তাঁদের বিষয়টি সরকার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিবেচনা করবে।
এছাড়াও হুগলির সিঙ্গুর এবং ডানলপ কারখানার জমি নিয়েও সরকার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানান মন্ত্রী। এই জমিগুলি নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে এবং সেই অভিযোগগুলি তদন্ত করে আগামী দিনে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানান।
দীপংকর জানা আরও বলেন, হুগলি জেলায় জমি সংক্রান্ত একাধিক সমস্যা রয়েছে এবং প্রশাসনও সেই সমস্যাগুলির বিষয়টি স্বীকার করেছে। ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের সমস্যা আর না হয়, তার জন্য প্রশাসনিক স্তরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে পাট্টাদার ও বর্গাদারদের জমি যাতে কোনওভাবে সমস্যার মুখে না পড়ে, সেদিকেও সরকার বিশেষ নজর দিচ্ছে।
সব মিলিয়ে, হুগলি জেলায় ভূমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান, অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি এবং শিল্পের জন্য উপযুক্ত জমি চিহ্নিত করার পাশাপাশি ছোট ব্যবসায়ী ও প্রান্তিক জমি-প্রয়োজনকারীদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তাই এদিন স্পষ্ট করে দেন রাজ্যের ভূমি ও রাজস্ব দপ্তরের মন্ত্রী দীপংকর জানা।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] ৰিষরঃ, হুগলী, ১৯/০৮/২০২৬ : রিষড়ায় এসটিএফের অভিযান, পাকিস্তানি নাগরিক ওয়াহাব আলমের তৃতীয় স্থানীয় সহযোগী গ্রেফতার
হুগলির রিষড়ায় অভিযান চালিয়ে পাকিস্তানি নাগরিক ওয়াহাব আলমের কথিত আইএসআই-যোগ মামলায় তৃতীয় স্থানীয় সহযোগীকে গ্রেফতার করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। ধৃতের নাম জাফর শামস ওরফে সানি। বুধবার রিষড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব কলকাতার টপসিয়ার বাসিন্দা সানি ওয়াহাব আলম গ্রেফতারের পর থেকেই পলাতক ছিল। তদন্তকারীদের দাবি, ওয়াহাব আলমের কথিত গোপন নেটওয়ার্কে সানির ভূমিকা ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আইএসআই-এর সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগ এবং নেটওয়ার্কের বিস্তার সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
এর আগে এই মামলায় ওয়াহাব আলমের দুই সহযোগী মহম্মদ ইজাজ এবং ইমরান হুসেনকে টপসিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। তদন্তে অভিযোগ উঠেছে, ২০১২ সালে নেপাল হয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা ওয়াহাব আলমকে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করতে সাহায্য করেছিলেন ইজাজ।
এসটিএফ জানিয়েছে, ওয়াহাব আলম, ইজাজ এবং ইমরানকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় সানির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। সেই সূত্র ধরেই রিষড়ায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
অন্যদিকে, ১৪ আগস্ট কোচবিহারের সাহেবগঞ্জ সীমান্ত এলাকা থেকে আরও তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের নাম রশিদুল হক, নূর নাসিরুদ্দিন আলি এবং শফিকুল ইসলাম। তারা ভারতীয় নাগরিক বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে, জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-ও এই মামলার তদন্তে আগ্রহ দেখিয়েছে। এসটিএফের তদন্তে ওয়াহাব আলমের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর কথিত যোগাযোগের বিষয়টি সামনে আসার পর এনআইএ তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছে। প্রয়োজনে ওয়াহাব আলম, ইজাজ, ইমরান এবং অন্যান্য ধৃতদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে এনআইএ। মামলার তদন্ত এখনও চলছে।
Advt. Boroline 100 Gm. @ Rs. 40/- [Click on the image]
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] নিউ টাউন, কলকাতা, ১৯/০৮/২০২৬ : প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে রাজ্য রাজনীতি নিয়ে আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বেশ কিছু বার্তা দিলেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ. আসুন দেখে নেওয়া যাক কোন কোন বিষয়ে আজ তিনি বলেছেন —
মসজিদ থেকে মাইক খোলার মামলা খারিজ হাইকোর্টে
দিলীপ ঘোষ বলেন, “বহু মসজিদ থেকেই মাইক নামিয়ে নেওয়া হয়েছে। অনেকেই নামিয়ে নিয়েছে। বিভিন্ন মন্দিরেও যে আওয়াজ হতো, তাও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে ততটুকুই হচ্ছে। সরকার নীতিগত ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিনা কারণে শব্দদূষণ নয়। সবাই মেনে নিয়েছে। কোথাও অধিকার দেওয়া হয়নি কাউকে মাইক বাজাবার। কোন মসজিদে পুলিশের সাথে কথা বলে অনুমতি নিয়ে করা হয়েছে ! তারপর কেউ কোর্টে গেলে স্বাভাবিক , সেতো হারবেই। সরকারকে চ্যালেঞ্জ করা, যারা করছে ঠিক করছে না।”
ঘুষখোর ধরো, জেল ভরো
দিলীপ ঘোষ বলেন, “দুর্নীতি কোথাও থেমে নেই। পশ্চিমবঙ্গে বাতাস যতদূর পৌঁছয়, সেখানে দুর্নীতি আছে। আর সমস্যা শুরু হয়েছে পুলিশ থেকে, পুলিশ সবথেকে বেশি করাপ্ট হয়েছে। করা হয়েছে। পুলিশ এর কাজ ছিল টাকা তুলে দেওয়া। সরকার কাউকে ছাড়বেনা।”
ঋতব্রত বিরোধী দলনেতা
মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “কোর্ট যেমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেমন চলবে। আদালতে যখন কেস গেছে, আদালত যেমন ঠিক করবে, তেমন হবে। কিন্তু স্পিকারের ক্ষমতা আছে, বিধানসভায় তিনি ডিসিশন নিতে পারেন। অনেক তথ্য তাঁর কাছেও আছে। সব তথ্য এক্সপোজ করাও হয় না। অনেক কিছুই গোপন থাকে, সেই অধিকার স্পিকারের আছে। বাকিটা বিচার্য।”
আজ খবর (বাংলা) [অন্য রুট], বিজাপুর, ছত্তিশগড়,১৯/০৮/২০২৬ : মাওবাদীদের হঠিয়ে ছত্তিশগড়ের নামবি জলপ্রপাত খুলে দেওয়া হল পর্যটকদের জন্যে। এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক শোভা দেখতে ভীড় করছেন সাধারণ মানুষ।
একটা সময় ছিল যখন এই সব অঞ্চলে আসার কথা স্বপ্নেও কেউ ভাবতে পারতেন না। হাজার হাজার কিলোমিটার গভীর অরণ্যে ছিল মাওবাদীদের দৌরাত্ম ও দাপাদাপি। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি বছরের মার্চ মাসের মধ্যেই কেন্দ্র সরকার দেশকে মাওবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করার ঘোষণা করে দিয়েছেন। ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চল ছিল মাওবাদীদের ডেরা। গভীর জঙ্গলে তাদের বসবাস ছিল. সরকারি উদ্যোগে ছত্তিশগড়ের বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে নিঃশেষ হয়ে গিয়েছে মাওবাদ। গোলাগুলির বদলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে উন্নয়নের বাতাবরণ উজ্জীবিত করেছে সাধারণ গ্রামবাসিদের।
ছত্তিশগড়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় ঘন সবুজ অরণ্যে প্রাকৃতিক শোভায় ভরপুর। পাহাড়, জলপ্রপাত, ঝর্না কি নেই সেখানে ! এবার থেকে এই অঞ্চলে শুরু হল পর্যটন। আশেপাশের গ্রামবাসীরাই পর্যটনের ব্যবসাকে আঁকড়ে ধরে এলাকার উন্নতি চাইছে। এখানকার নামবি জলপ্রপাত খুলে দেওয়া হয়েছে ভ্রমন প্রিয় মানুষের জন্যে। সরকারি বার্তা সম্পূর্ণ নিরাপত্তার বার্তা দিচ্ছে।
বিজাপুর থেকেও ঘুরে নেওয়া যায় নামবি জলপ্রপাত। নামবি জল প্রপাত ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলার উসুর ব্লকের নামবি গ্রামে অবস্থিত। জায়গাটা গভীর অরণ্যে। পাহাড়ের প্রায় ৬০০-৭০০ ফুট উঁচু থেকে জলপ্রপাত নেমে আসছে নিচে। গভীর সবুজ বনের মাঝে রুপোলি ফিতার মত বিপুল জলরাশি আছড়ে পড়ছে দেখতে ভীড় করছেন প্রকৃতি প্রেমিক মানুষ।
আজ খবর (বাংলা), [খেলা] নতুন দিল্লী, ভারত, ১৯/০৮/২০২৬ : দিল্লিতে চলা বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠলেন ভারতের তারকা শাটলার লক্ষ্য সেন।
এই মুহূর্তে দিল্লীতে চলছে বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ। সেই টুর্নামেন্টেই এক ধাপ এগোলেন ভারতীয় শাটলার লক্ষ্য সেন।
প্রথম গেমে কিছুটা পিছিয়ে পড়লেও পরে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান লক্ষ্য। পরের দুই গেমে আগ্রাসী খেলায় প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে মাত্র ৪৫ মিনিটে ম্যাচ জিতে নেন ভারতীয় এই শাটলার। আজ ১৯ আগস্ট, দ্বিতীয় রাউন্ডে আমেরিকার গ্যারেট ট্যানের মুখোমুখি হবেন তিনি।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৯/০৮/২০২৬ : তারাপীঠের পর এবার খোদ কলকাতার হোটেলে অগ্নিদগ্ধ হয়ে পুড়ে মারা গেলেন ৯ জন. মঙ্গলবার গভীর রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে জেরে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে আগুন লাগে, আর প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়েই হোটেলের আবাসিকদের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে বলে খবর। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।
দমকল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি হোটেলের ভিতরে কেউ আটকে আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে।
মির্জা গালিব স্ট্রিটের এই হোটেলে আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটেছে রাত্রি দুটো নাগাদ, সেই সময় ওই ২হোটেলের অতিথিরা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সবাই বাংলাদেশের নাগরিক বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, এরা কলকাতায় এসেছিলেন চিকিৎসা করাতে। রাত্রে ছিলেন মির্জা গালিব স্ট্রিটের ঐ অভিশপ্ত হোটেলে।
প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, ঘিঞ্জি হোটেল-পরিসর ও ধোঁয়ার কারণে বিপর্যয় আরও ভয়াবহ আকার নেয়। হোটেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে। পুরো ঘটনার তদন্তে প্রশাসন ও দমকল বিভাগ যৌথভাবে কাজ করছে।
মেষ রাশি : ব্যবসায়ে ভালো দিন কাটবে, আর্থিক উপার্জনের কিছু নতুন সুযোগ এসে যেতে পারে। অনেকের সম্বন্ধে আপনার পুরোনো দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যেতে পারে। ব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন নেওয়া কোনো পরিকল্পনা কাজে লেগে যেতে পারে। কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপ ও দায় দায়িত্ব খুব বেড়ে যাবে।
বৃষ রাশি : আজ আপনার মান ও যশ দুইই বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসায়ে অতিরিক্ত লাভের কারণে সঞ্চয় বৃদ্ধি পাবে। এমন কিছু কাজ কর্মে লিপ্ত থাকবেন যা সমাজে আপনার প্রভাব বৃদ্ধি করে। রাজনৈতিক কাজের সাথে যাঁরা যুক্ত আছেন, তাদের উন্নতি হবে। নতুন সহযোগী আপনাকে সাফল্য এনে দেবে।
মিথুন রাশি : আজ বিভিন্ন উপায়ে আপনার উপার্জন আসতে পারে। তবে তার জন্যে আজ আপনাকে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হতে পারে। আদালতে মামলা আজ নিস্পত্তি হয়ে যেতে পারে। পরিবারের সহায়তা পাবেন, পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। কোথাও বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন।
কর্কট রাশি : আজ কাজের চাপ এতটাই বেড়ে যাবে যে, পরিবার এমনকি নিজেকেও সময় দিতে .পারবেন না। মানসিক চাপও বাড়তে থাকবে। এর ফলে আপনি অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। পরিবারের সহায়তায় মনের অবসাদ কিছুটা দূর হবে, তবে সন্তানকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকবেন।
সিংহ রাশি : আজ ব্যবসা ও পেশা দুই ক্ষেত্রেই সাফল্য আসবে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে নিজেকে সংযত রাখতে হবে। ক্রোধ হলেও তার বহিঃপ্রকাশ করা চলবে না। কর্মস্থলে সহকর্মীর সাহায্যপাবেন, তাতে সাফল্য ত্বরাহ্ণিত হবে। বিকেলের পর কোনো আত্মীয় বাড়িতে আসতে পারে। পরিবারে শান্তি থাকবে।
কন্যা রাশি : ব্যবসার ক্ষেত্রে ভালো সময় কাটবে। কারোর সাথে কোনো চুক্তি করতে হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে আপনার গুরুত্ব বাড়বে। সামাজিক কাজে প্রশংসা পাবেন। আজ আপনাকে দান ধ্যান জাতীয় কাজ করতে হতে পারে। ভাই বোনেরা সহায়ক থাকবে। বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করুন।
তুলা রাশি : ব্যবসা ও পেশার ক্ষেত্রে লাভ বাড়বে। কর্মক্ষেত্রে চাপ থাকলেও তা উপভোগ করতে পারবেন। নতুন কিছু শিখতে পারবেন। বাড়ির বয়স্ক কারো পরামর্শে সন্তান সম্বন্ধে নতুন কোনো পদক্ষেপ নিলে তা সফল হবে। ভাই বা নিকট কোনো বন্ধুর থেকে অর্থ ঋণ নিতে হতে পারে।
বৃশ্চিক রাশি : ব্যবসা এবং নিজের কর্মকাণ্ড সঠিক গতিতে এগিয়ে যাবে। আর্থিক উপার্জন বাড়বে, তবে ব্যবসা ও চাকরির ক্ষেত্রে কেউ কেউ শত্রুতা করতে চাইবে। নিজের বুদ্ধিবলে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। ভাইয়ের শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। অবিলম্বে চিকিসকের পরামর্শ নিন।
ধনু রাশি : ব্যবসার ক্ষেত্রে ভালোভাবেই দিন কাটবে। আজ হঠাৎ করে প্রচুর অর্থ হাতে চলে আসতে পারে, যে ধনরাশি আপনার গোটা পরিবারের ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করতে পারে। অর্থ বিনিয়োগ করার আগে কাগজ পত্র বুঝে নিন। সন্তানকে নিয়ে দুশ্চিন্তা লেগেই থাকবে। পরিবারকে আরও সময় দিন।
মকর রাশি : বেশ ব্যস্ততায় কেটে যাবে আজকের দিন, তবে নিজের জরুরি কাজ দুপুরের মধ্যেই শেষ করতে হবে, না হলে বাকি কাজ আটকে যাবে। সেটা লোকসানের কারন হয়েও উঠতে পারে। আত্মীয়দের কাছে আপনার কদর বাড়বে। কর্মক্ষেত্রেও আপনি প্রশংসিত হবেন। প্রেমের ক্ষেত্র উত্তম।
কুম্ভ রাশি : আজ ভাগ্য আপনার সহায়ক থাকবে, স্রেফ ভাগ্যের জোরেই আজ অনেক কিছু আপনার হাতে চলে আসতে পারে। সন্তানের তরফ থেকে সুসংবাদ পেতে পারেন। আজ বিনিয়োগ করার জন্যে খুব ভালো দিন। সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা আপনার জীবনে সাফল্য নিয়ে আসবে।
মীন রাশি : ব্যবসার ক্ষেত্রে কারো পরামর্শ আপনার কাজে লেগে যেতে পারে। আজ আপনার সব রকম মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হতে চলেছে। দীর্গদিন যে ধরনের প্রাপ্তি আশা করে চলেছেন, সেইসব আজ পেয়ে যেতে পারেন। পূজা ও আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রে মনোনিবেশ করতে পারেন। পরিবারে শান্তি বজায় থাকবে।