আজ খবর (বাংলা), খড়্গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর , ২৮/০৩/২০২৬ : নকশালবাড়ির স্কুলের মাঠে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ভাষণ দিয়েছেন, সেই ভাষণের অডিও রেকর্ডিং চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর তার পরেই বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, যে “রাজ্য থেকে এবার জঙ্গলরাজ দূর হবে।”
নকশালবাড়ির নন্দপ্রসাদ গার্লস হাই স্কুল এর মাঠে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলা ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেছেন “সমস্ত মহিলারা যেন ভোটকেন্দ্রে থাকেন এবং দরকারে রান্না করার সরঞ্জাম হাতের কাছে রাখেন এবং পরিস্থিতি সামাল দেন।” মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে উস্কানি হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন।
এই ভাষণের অডিও রেকর্ডিং চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই ঘটনার পর আজ বিজেপি নেতা ও খড়্গপুরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ বলেন, “ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের খুশি করতে চাইছেন। কিন্তু সেটা আর হবে না। এই রাজ্য থেকে জঙ্গল রাজ শেষ হবেই। অমিত শাহ আসছেন, তিনি এসে যখন আমাদের সংকল্প পত্র প্রকাশ করবেন, তখন বিজেপির স্বরূপ দেখতে পাবে তৃণমূল কংগ্রেস।”
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৮/০৩/২০২৬ : নির্বাচন কমিশনের অভিনব উদ্যোগ। নির্বাচনের প্রচারের জন্যে এবার কলকাতায় ট্রাম এর উদ্বোধন করল নির্বাচন কমিশন। এই ট্রামটি নির্বাচনের প্রচারের জন্যে সেজেগুজে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়াবে।
আর কিছুদিন পরেই রাজ্যে ভোট। মোট দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হবে পশ্চিমবঙ্গে। নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে, ততই তুঙ্গে উঠছে নির্বাচন কমিশনের তৎপরতা। এবার নির্বাচনের প্রচারের জন্যে একটি সুসজ্জিত ট্রামের উদ্বোধন করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের নানান পোস্টার সম্বলিত হয়ে এই ট্রাম শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়াবে। আজ এই ট্রামের উদ্বোধন করেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগারওয়াল।
নির্বাচন কমিশন এবার নির্বাচনের প্রচারের জন্যে কার্টুন চরিত্র ‘ছোটা ভীমে’র সাথে অংশীদার হয়েছে। তাই সব জায়গায় নির্বাচনের প্রচারে ছোটা ভীমকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এবার নির্বাচনের সময় নানারকম কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে, শুধুমাত্র সুষ্ঠুভাবে ভোট পরিচালনা করার জন্যে। গতকাল বাসন্তীতে একটি ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিককে বরখাস্ত করতেও দেখা গিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে।
নির্বাচনী পরিবেশে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কড়া বার্তা, ঘটনার রিপোর্ট তলব কমিশনের
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য] বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ২৭/০৩/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বাসন্তী বাজারে ঘটে যাওয়া ঘটনার জেরে এক পুলিশ আধিকারিককে বরখাস্ত করল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না—এমনই বার্তা দেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর, বাসন্তী বাজার এলাকায় ঘটে যাওয়া ঘটনায় ওই পুলিশ আধিকারিকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা নেননি। এরপরই বিষয়টি নজরে আসে নির্বাচন কমিশনের।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে কমিশন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ওই আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি পুরো ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্টও তলব করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করানো তাদের প্রধান লক্ষ্য। তাই কোনওরকম অব্যবস্থাপনা বা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠলে সঙ্গে সঙ্গে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত,১৮/০৩/২০২৬ : ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) ১৫ই মার্চ আসাম, কেরল, পুদুচেরী, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন এবং ৬টি রাজ্যের উপ-নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে।
এই ৫টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নির্বাচনের বিভিন্ন ধাপের সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, ২৫ লক্ষেরও বেশি নির্বাচন আধিকারিক নিয়োগ করা হয়েছে। এই নির্বাচনে মোট ভোটদাতার সংখ্যা ১৭.৪ কোটিরও বেশি। অর্থাৎ, প্রতি ৭০ জন ভোটারের জন্য প্রায় ১ জন নির্বাচন আধিকারিক নিযুক্ত।
নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার শ্রী জ্ঞানেশ কুমার জানান, নির্বাচন যাতে হিংসা ও প্ররোচনামুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করতে এবং ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, তা দেখতে আধিকারিকদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত কর্মীদের মধ্যে প্রায় ১৫ লক্ষ ভোটগ্রহণ কর্মী, ৮.৫ লক্ষ নিরাপত্তা কর্মী, ৪০ হাজার ভোটগণনা কর্মী, ৪৯ হাজার মাইক্রো অবজার্ভার, ২১ হাজার সেক্টর অফিসার এবং ভোটগণনার জন্য ১৫ হাজার মাইক্রো অবজার্ভার সহ অন্যান্য আধিকারিকরাও থাকছেন।
২.১৮ লক্ষেরও বেশি বিএলও সহ নির্বাচনী কর্মীবাহিনী থাকছেন ভোটারদের সুবিধার্থে। ফোন নম্বরের মাধ্যমে এবং ECINet অ্যাপে ‘Book-a-call to BLO’ সুবিধাও ভোটদাতাদের জন্য থাকছে। ডিইও/আরও পর্যায়ে যেকোনও অভিযোগ বা জিজ্ঞাসার স্বার্থে কল সেন্টার নম্বর +91 (STD Code) 1950-ও খোলা থাকছে।
জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২৮A ধারা অনুযায়ী, ভোটের কাজে নিযুক্ত সকল কর্মীকে নির্বাচন কমিশনের অধীনে কর্মরত বলে গণ্য করা হবে। বিধানসভা নির্বাচন ও উপ-নির্বাচন চলাকালীন কমিশনের ‘চোখ ও কান’ হিসেবে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে ৮৩২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ১,১১১ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন থাকছেন। এঁদের মধ্যে ৫৫৭ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ১৮৮ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ৩৬৬ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক। এই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের অধিকাংশই ইতিমধ্যেই তাঁদের নির্ধারিত বিধানসভা কেন্দ্রে পৌঁছে গেছেন।
নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা তাঁদের যোগাযোগের বিবরণ দেবেন এবং তাঁরা প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রার্থী, রাজনৈতিক দল বা তাঁদের প্রতিনিধি কিংবা সাধারণ জনগণের সঙ্গে সাক্ষাতে নির্বাচন-সংক্রান্ত অভিযোগ শুনবেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৬/০৩/২০২৬ : বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পরপরই এবার রাজ্যের প্রশাসনের কর্তা এবং আমলাদের মধ্যে ব্যাপক রদবদল শুরু করে দিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই বদলে দেওয়া হল রাজ্যের মুখ্য সচিব \নন্দিনী চক্রবর্তী এবং স্বরাষ্ট্র সচিব জগদীশ প্রসাদ মিনাকে। নন্দিনী চক্রবর্তীর জায়গায় রাজ্যের নতুন মুখ্য সচিব হয়ে এলেন দুষ্মন্ত নারিয়ালা। জগদীশ প্রসাদ মিনার জায়গায় রাজ্যের নতুন স্বরাষ্ট্র সচিব হয়ে এলেন সংঘমিত্রা ঘোষ।
রাজ্যের পুলিশেও বদল আনতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের বর্তমান ডিজি পীযুষ পান্ডের জায়গায় রাজ্যের নতুন ডিজি হয়ে আসতে চলেছেন সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। জেলের ডিজি হিসেবে আসছেন নটরাজন রমেশ বাবু। এডিজি আইবিপি হতে চলেছেন অজয় মুকুন্দ রানাডে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার হতে চলেছেন অজয় কুমার নন্দা।
তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তা ও আমলাদের বদলি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার কীর্তি আজাদ। তিনি বলেছেন, “নির্বাচন কমিশন যতই বদলি করুন পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বদলে দেওয়া যাবে না।”
“নির্বাচন কমিশন বলছে ভোটারের বৈধতা বিচার করছে বিচার বিভাগ তারা নয় ”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০২/০৩/২০২৬ : ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনের ফলে বৈধ ভোটারের নাম বাদপ্রসঙ্গটি তুলে আজ কলকাতার রাজপথে নেমে প্রতিবাদে সোচ্চার হল প্রদেশ কংগ্রেস।
‘এসআইআর এর পর গত ২৮ তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। যদিও এখনও সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয় নি। তথাপি যে তালিকাপ্রকাশ করা হয়েছে, সেই তালিকা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে রাজ্যের বৈধ ভোটাররা বাদ পড়ে যাচ্ছেন’, এই অভিযোগ তুলছেন রাজ্যের কংগ্রেস নেতারা। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে প্রদেশ কংগ্রেস আজ কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতের সামনে থেকে বিবাদী বাগে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের সামনে পর্যন্ত মিছিল করেন এবং প্রতিবাদে সোচ্চার হন।
কংগ্রেস নেতা আশুতোষ চ্যাটার্জি রাজ্যের ভোটার তালিকা থেকে বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার পরেও নির্বাচন কমিশনের নীরব থাকাকে সমালোচনা করেছেন। আশুতোষ চ্যাটার্জি বলেন, “একজন বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে না. তিনি ভোট দেবেন না. নির্বাচন কমিশন বলছে এই বিষয়টা তাঁরা জানেন না. এটা বিচার বিভাগ জানে। বিচারকরাই যাচাই বাছাই করছেন। আমরা প্রতিবাদ জানাচ্ছি, আদালতের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যাতে একজন বৈধ ভোটারের নামও বাদ না যায়। “
ভোটার তালিকা থেকে নতুন করে নাম বাদ গেলো প্রায় ২১ লক্ষ
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৬/০২/২০২৬ : আরও কড়া নির্বাচন কমিশন, এবার তারা ৭ বাঙালি AERO কে সাসপেন্ড করে দিল.
SIR এর কাজে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করার অপরাধে ৭ বাঙালি AERO কে সাসপেন্ড করা হল। সংশ্লিষ্ট অফিসাররা হলেন- জয়দীপ কুন্ডু ক্যানিং পূর্ব, ডালিয়া রায়চৌধুরী ময়নাগুড়ি, সেফাউর রহমান সামসেরগঞ্জ, নীতিশ দাস ফারাক্কা, সেখ মুর্শিদ আলম সুতি, দেবাশীষ বিশ্বাস ডেবরা, সত্যজিৎ দাস ক্যানিং পূর্ব।
এঁদের মধ্যে ময়নাগুড়ির ডালিয়া চৌধুরী তাঁকে সাসপেন্ড করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি জেলা শাসকের সঙ্গে দেখা করে যা কিছু তিনি করেছেন উদ্বোধন ও কর্তৃপক্ষের নির্দেশে করেছেন বলে দাবি করেছেন। তাকে কেন সাসপেন্ড করা হলো, সেই নিয়ে তিনি এই ঘটনায় সরব হয়েছেন। সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিইও মনোজ আগরওয়াল জানান যে ৭ জন AERO-কে সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁরা SIR-এর গাইডলাইন ভঙ্গ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কনসাল্ট করেই একমাত্র রাজ্য সরকার এই ৭ জন AERO-দের সাসপেশন তুলে নিতে পারে। অন্য কোনও পদ্ধতি নেই। তবে তিন মাস তাদের সাসপেন্ড থাকতে হবে।
গোটা দেশে একমাত্র রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ যেখানে সরাসরি নির্বাচন কমিশন সাসপেন্ডের নির্দেশ দিয়েছে।যাঁরা আবাস যোজনা বা বাংলার বাড়ির সঙ্গেও যদি অন্য নথি দিয়ে থাকেন, তবে সেই নথি যদি ERO আপলোড না করে থাকেন, আর সেটি যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে সেই ERO-র বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করবে কমিশন।
অন্য দিকে, যাঁরা এই নথি দিয়েছেন হিয়ারিং-এ তাঁদের নাম বাদ পড়বে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে। তাঁরা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর প্রথমে DEO-র কাছে আপিল করবেন এবং সেখানে নিষ্পত্তি না হলে রাজ্যের CEO-র কাছে আপিল করতে পারবেন। পূর্ণাঙ্গ ভোটার খসড়া তালিকা প্রকাশ করার আগে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে স্কুটনি চলছে। তাতে জানানো হয়েছে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২০ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭০ জন ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে নতুন করে।
“কমিশন চাইছে গ্রেড এ, রাজ্য সরকার পাঠাচ্ছে গ্রেড বি ও গ্রেড সি অফিসার”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১০/০২/২০০২৯ : কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের থেকে ‘গ্রেড এ’ ডাবলু বিসিএস অফিসার চাইলেও রাজ্য সরকার গ্রেড বি এবং গ্রেড সি আধিকারিকদের নিয়োগ করতে চেয়েছিল বলে তৃণমূল সরকারকে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের কাজে রাজ্য সরকারের থেকে ২৯৪ জন আইএএস এবং ডাবলু বিসিএস অফিসার চেয়ে পাঠিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার ২২৫ জনের নামের তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছিল, তাও আবার তাঁরা প্রত্যেকেই গ্রেড বি এবং গ্রেড সি তালিকাভুক্ত ডব্লুবিসিএস আধিকারিক। এই অফিসারদেরকে ই আরও হিসেবে নিয়োগ করার কথা। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ‘গ্রেড এ’ আই এ এস অথবা ডব্লুবিসিএস অফিসার চেয়েছিল, তাই সেই নির্দেশ রাজ্য সরকার লংঘন করেছে বলে অভিযোগ তুললেন শুভেন্দু অধিকারী।
বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নির্বাচন কমিশন ই আর ও হিসেবে ‘গ্রেড এ’ অফিসারদেরকে চাইছে আর রাজ্য সরকার সেখানে ‘গ্রেড বি’ এবং ‘গ্রেড সি’ অফিসারদেরকে পাঠাতে চাইছে। এভাবেই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে লংঘন করা হচ্ছে।” এর আগে বিহার সরকার নির্বাচন কমিশনকে ১০০০ ডেটা অপারেটর দিয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গ সরকার নির্বাচন কমিশনকে এত সংখ্যক ডেটা অপারেটর দিতেই পারে নি।
Aaj Khabor Desk, Kolkata, West Bengal, 10/02/2026 : The Leader of the Opposition in West Bengal, Suvendu Adhikari, accused the Trinamool Congress-led state government of violating the Election Commission’s directives regarding officer deployment for election duties. He claimed that although the Election Commission had requested Grade ‘A’ IAS and WBCS officers, the state government attempted to appoint only Grade ‘B’ and Grade ‘C’ WBCS officers.
According to Adhikari, the Election Commission had sought 294 IAS and WBCS officers for election-related work. However, the state government submitted a list of only 225 officers, all of whom belonged to Grade ‘B’ and Grade ‘C’. These officers were proposed to be appointed as Electoral Registration Officers (EROs), despite the Commission’s explicit demand for Grade ‘A’ officers.
Suvendu Adhikari stated that this move amounted to a direct violation of the Election Commission’s instructions. He further pointed out that while the Bihar government provided 1,000 data operators to the Election Commission, the West Bengal government failed to supply a sufficient number of data operators for the same purpose.
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নতুন দিল্লী, ভারত, ০৪/০২/২০২৬ : আজ সুপ্রীম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানিতে উপস্থিত থাকতে চান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই তিনি ইতিমধ্যেই দেশের শীর্ষ আদালতে পৌঁছে গিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়া নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস বিস্তর অভিযোগ তুলেছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে যে, এসআইআর প্রক্রিয়া পদ্ধতিগতভাবে ত্রুটিযুক্ত এবং এই প্রক্রিয়ার চাপে ব্লক লেভেল অফিসার এবং নাগরিকরা আতঙ্কিত হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। এসআইআর এর নানারকম পদ্ধতিগত ভুল ত্রুটি নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল। মামলা হয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতেও। তারই শুনানি রয়েছে আজ। সেই শুনানিতে অংশ গ্রহণ করতে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজ সকালে দিল্লীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে মমতা সুপ্রীম কোর্টের দিকে রওনা হয়েছেন। এসআইআর নিয়ে শুনানিতে আজ তিনি একজন আইনজীবী হিসেবেও সওয়াল জবাব করতে পারেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। গত সোমবার মমতা কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের মুখ্য আধিকারিক জ্ঞানের কুমারের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তিনি সেদিন অভিযোগ করেছিলেন যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার তাঁকে হুমকি দিয়েছিলেন, যার পতিবাদ করতে সেদিন তিনি টেবিল চাপড়ে নিজের দাবী জানিয়ে এসেছিলেন।
নির্বাচন কমিশন অবশ্য তাঁর এই দাবীকে নস্যাৎ করে দিয়ে বলেছিল, যে উনি (মমতা) মিথ্যা বলছেন, উনি সেদিন চিফ ইলেকশন কমিশনারের সাথে অভব্য আচরণ করেছিলেন।
Aaj Khabor Desk, New Delhi, India, 04/02/2026 : West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee has reached the Supreme Court in New Delhi to attend the hearing of the SIR (Special Intensive Revision) case related to the voter list revision process in the state. The Election Commission is currently conducting an intensive revision of the electoral rolls in West Bengal, which has been strongly opposed by the Trinamool Congress. The party has alleged that the SIR process is procedurally flawed and has caused extreme mental pressure on block-level officers and citizens, allegedly leading to suicides. These alleged irregularities have been challenged in the Supreme Court, and the hearing is scheduled for today. Mamata Banerjee left from Abhishek Banerjee’s residence in Delhi and may personally argue in court as a lawyer. Earlier, she had accused the Chief Election Commissioner of threatening her, a claim denied by the Election Commission.