Aaj Khabor

ভোর রাতের আবছা আলোয় কি যেন উড়ে এসে পড়ল আকাশ থেকে ! চাঞ্চল্য শান্তিপুরে

আকাশ থেকে উড়ে এসেছে এই যন্ত্রটি

পুলিশ আসার আগেই রহস্যভেদ করলো ক্ষুদেরা

  
 

আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], শান্তিপুর, নদীয়া, ৩১/০১/২০২৬ : রাতের আকাশ থেকে ভোরের অন্ধকারে এলাকায় উড়ে এসে পড়ল কি যেন এক অজানা যন্ত্র যা ঘিরে চাঞ্চল্য এলাকায়, এল পুলিশ, খবর দেওয়া হল বিজ্ঞান কর্মীদে,র তবে পাড়ার ক্ষুদেরাই গুগল ব্যবহার করে এলাকাবাসী কে আশ্বস্ত করল যেটা আকাশ থেকে পড়েছে সেটা একটি  আবহাওয়া মাপার যন্ত্র।

সারারাত হয়তো অন্ধকার আকাশে ঘুরেছে অবশেষে ভোরের দিকে শান্তিপুরে পড়লো অজানা এক যন্ত্র। যন্ত্রতে জ্বলছে আলো, পাশে প্যারাসুটের মত কিছু একটা। অজানা যন্ত্র ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য নদীয়ার  শান্তিপুর পৌরসভার 23 নম্বর ওয়ার্ডের রাধাকৃষ্ণ পল্লী এলাকায়। এলাকাবাসীর দাবি আজ সকালে তারা হঠাৎ রাস্তার উপরে দেখতে পায় এই অজানা যন্ত্র যাতে কি একটা যেন লাইট জ্বলছে, সেটি পড়ে রয়েছে রাস্তার উপরে এবং পাশে প্যারাসুটের মতো কিছু একটা রয়েছে  তার সাথে।
তাদের মনে হচ্ছে হয়তোবা প্যারাসুটে করে এই অজানা যন্ত্র নামানো হয়েছে আর তাতেই তারা রীতিমতো আতঙ্কিত। যদিও ঘটনার খবর পেয়ে শান্তিপুর থানার পুলিশ এসে ওই অজানা যন্ত্র উদ্ধার করে এবং তার সঙ্গে সঙ্গে এই যন্ত্রটি কি তা নিয়ে ইতিমধ্যে বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে এলাকার মানুষ এবং পুলিশ প্রশাসন। তবে সাত সকালে অজানা যন্ত্র ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য গোটা এলাকায়।
তবে এখন তো মোবাইল শিশুদের হাতেও, তথাকথিত সোশ্যাল মিডিয়া তাদের নানান ক্ষতি করলেও এক্ষেত্রে রহস্যের উদঘাটন করল পাড়ার ক্ষুদেরাই। গুগল লেন্স এবং নানান তথ্য ঘেঁটে তারাই দেখল এটা আবহাওয়া মাপার যন্ত্র, যার ব্যবহারিক প্রয়োগ হয়তো মনিটারিং হয়ে গেছে। এটা বর্তমানে পরিত্যক্ত ছাড়া আর কিছু না। সুতরাং বিপদের কোনো সম্ভাবনা নেইই।
Aaj KhaborDesk, Shantipur, Nadia, 31/01/2026 : An unidentified device fell from the night sky into the early morning darkness in Shantipur, Nadia, triggering panic and curiosity among residents. The object, which had lights on it and a parachute-like attachment, was found on a road in Ward No. 23 of Shantipur municipality. Locals feared it might have been deliberately dropped, prompting police to arrive and secure the device while contacting science forum members for clarification. The mysterious object created widespread excitement in the area. However, the mystery was eventually solved by local children using Google Lens and online research, who identified it as a discarded weather monitoring instrument. Authorities and residents were reassured that the device posed no danger.

Loading

ডাম্পারের ভরে ভেঙে পড়লো গোটা সেতু !

সেতুতে ছিল না কোনো সতর্কীকরণ নোটিশ 

 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] শীতলকুচি, কোচবিহার, ৩০/০১/২০২৬ :  ওভারলোডেড একটি ডাম্পারের ভারে ভেঙে পড়লো আস্ত একটা সেতু, ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার জেলার শীতলকুচি গ্রামের কাছে বারোমাসি এলাকায়।

শীতলকুচি লালবাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের বারোমাসি এলাকায় একটি মালবাহী  ডাম্পারের ভারে ভেঙে পড়ল গিরিধারী সেতু। এই ঘটনায় বেশ উত্তেজনা  ছড়ায় ওই এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে একটি ডামপার শীতলকুচি থেকে সিতাইয়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। ব্রীজে ওঠার মুখেই আচমকাই সেই সেতুটি ভেঙে পড়ে। ডাম্পার শুদ্ধ সেতুটি নিচে নেমে যায়।  এই ঘটনাটি দেখতে প্রচুর মানুষ সেখানে ভীড় করে।
এদিকে স্থানীয় মানুষরা জানান, দীর্ঘদিনের পুরনো এই গিরিধারী সেতুটি একেবারেই দুর্বল হয়ে পড়েছিল। তবে সেতুটি দুর্বল হয়ে পড়লেও  সতর্কীকরণ বা নিষেধাজ্ঞার কোনো রকম নোটিশ কিন্তু  টাঙিয়ে দেওয়া হয়নি ওই ব্রীজে। ফলে ক্ষোভ জন্মেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

Loading

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাথে দেখা করতে চান অভয়ার বাবা মা

অমিত শাহের সাথে দেখা করতে চান অভয়ার বাবা মা

ভোটে দাঁড়ানোর প্রস্তাব আর চার কোটি টাকা দিতে চেয়েছিল ওরা 

 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], পানিহাটি,উত্তর ২৪ পরগনা,৩০/০১/২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন আর জি কর হাসপাতালের নির্যাতিতা মেডিকেল ছাত্রী অভয়ার বাবা ও মা।

আগামীকাল ব্যারাকপুর আনন্দপুরি মাঠে কর্মীসভা করতে আসছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন অভয়ার বাবা-মা। তাদের বক্তব্য অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করে তাঁরা জানাতে চান সিবিআই ঠিকঠাক ইনভেস্টিগেশন করছেন না। তাঁরা চান সিবিআই যথাযথভাবে কাজ করুক এবং তাঁদের মেয়ের ওপর যারা অত্যাচার করেছিল তাদের খুঁজে বের করুক। এছাড়াও তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি নিয়েও অভিযোগ জানাবেন তাঁরা।
অভয়ার বাবা-মা সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা এখনঁও  আশাবাদী, আমাদের আশাবাদী থাকতেই হবে। আমরা মনে করি বিচার এখনো পুরো হয় নি, এই বিচার আমরা গ্রহণ করি না। আদালত কক্ষে আমাদের প্রবেশাধিকার ছিল না। সাক্ষীর সাক্ষ্যেও ছিল পরস্পর বিরোধী কথাবার্তা। বন্ধ ঘরে শুনানি হয়েছিল, আমাদের প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়াও  হয় নি।  আমরা অমিত শাহের সাথে দেখা করে এটাই বলতে চাই যে সিবিআই ঠিকমত তদন্ত করে নি। তারা যদি ঠিকমত তদন্ত করতো, তাহলে এতদিনে সত্যিটা সামনে আসতো।  মাত্র একজন দোষী সাব্যস্ত হত না।”
এদিন অভয়ার বাবা মা অভিযোগ করেন রাজ্যের বেশ কিছু রাজনৈতিক দল তাঁদেরকে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তাঁরা সে সব প্রত্যাখ্যান করেছেন ।  ওরা চার কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। তাও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেছেন।  তাঁরা আর কিছুই চান না, তাঁরা শুধু চান তাঁদের মেয়ের অপরাধীরা যেন শাস্তি পায়।
Aaj Khabor Desk, Panihati, North 24 Parganas, 30/01/2026 : The parents of Abhaya, the medical student allegedly assaulted at RG Kar Hospital, have expressed their desire to meet Union Home Minister Amit Shah during his visit to Barrackpore on January 30. They want to convey their dissatisfaction with the CBI investigation, alleging it has not been conducted properly and has failed to uncover the full truth or identify all those responsible for their daughter’s suffering. They also plan to raise allegations of corruption against the Trinamool Congress government. Abhaya’s parents said they still hope for justice, claiming the trial process lacked transparency and fair access. They further revealed that several political parties offered them money and assembly election tickets, which they firmly rejected, stating their only demand is punishment for the culprits.

Loading

লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু বৃদ্ধের

লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বৃদ্ধের

FCI এর চাল বোঝাই লরিটিকে আটক করেছে পুলিশ

  
 

আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], রানাঘাট, নদীয়া, ৩০/০১/২০২৬ :  মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক বৃদ্ধর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো রানাঘাটে.

নদীয়ার রাণাঘাট শহর সংলগ্ন জগপুর রোডে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক বৃদ্ধের। শুক্রবার দুপুরে আনুলিয়া স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম চন্দ্রনাথ বর্মন (৬৫), বাড়ি রাণাঘাট থানার লোকনাথ নগরে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাইকেল নিয়ে রাণাঘাটের দিকে যাওয়ার সময় পায়রাডাঙ্গার দিক থেকে আসা একটি লরি তাঁকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে। সেই সময় ধাক্কা লেগে তিনি রাস্তায় পড়ে যান এবং লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।
ঘটনার পর পুলিশ ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে। জানা গিয়েছে, এফসিআই-এর চাল বোঝাই ওই লরিটি গোডাউন থেকে রাণাঘাটের দিকে যাচ্ছিল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সংবাদদাতা : অঞ্জন শুকুল,নদিয়া

Loading

এবার যিনি শুনানিতে ডাকছেন তাঁকেও তলব কমিশনের

শুনানিতে রোজ যিনি ডাকেন এবার সেই বিডিওকেই শুনানিতে তলব কমিশনের

কেন তাঁকে ডাকা হয়েছে তা বোধগম্য হচ্ছে না ARO / BDO র 

 

আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য] দাঁতন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৩০/০১/২০২৬ : ভোটার তালিকায় গরমিলের অভিযোগ, শুনানিতে তলব খোদ দাঁতন–২ ব্লকের বিডিও— চরম অস্বস্তিতে প্রশাসন।

ভোটার তালিকায় নাম বা তথ্যের গরমিল নিয়ে এতদিন সাধারণ মানুষকেই শুনানিতে ডাকতেন তিনি। কিন্তু এবার সম্পূর্ণ উল্টো ছবি। নিজের ও পরিবারের নামের অসঙ্গতির অভিযোগে শুনানির নোটিশ পেলেন খোদ দাঁতন–২ ব্লকের বিডিও অভিরূপ ভট্টাচার্য। ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র শোরগোল।
বিষয়টি আরও চমকপ্রদ কারণ, অভিরূপ ভট্টাচার্য নিজেই পদাধিকার বলে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক (এআরও)। অথচ শুক্রবার তাঁকে কলকাতার বেলেঘাটায় হাজির হয়ে শুনানিতে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সেখানকার এআরও বিজনকুমার সরকার। সমস্যা হল, ওই দিনই দাঁতনে প্রায় ২০০ জন সাধারণ মানুষের ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি নেওয়ার কথা রয়েছে বিডিওর। ফলে কলকাতায় গিয়ে নিজের শুনানিতে যোগ দেওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
বিডিও জানিয়েছেন, তাঁর বাবা ভারত সরকারের প্রাক্তন পদস্থ আধিকারিক এবং মা বিএসএনএল-এর অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার। ২০০২ সাল থেকেই তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় রয়েছে। তা সত্ত্বেও এই তলব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বর্তমানে কলকাতা থেকে বহু দূরে দাঁতনে কর্মরত এই ডব্লিউবিসিএস অফিসার গোটা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। নিজের ব্লকের প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাতে সামলাতেই এবার নিজের ঠিকানায় আসা ‘সমন’ নিয়ে বিব্রত অভিরূপবাবু—যা প্রশাসনের অন্দরেও আলোচনার কেন্দ্রে।

Aaj Khabor Desk, Dantan, West Medinipur, 30/01/2026 :  A controversy has erupted in West Midnapore’s Dantan after allegations of discrepancies in the voter list led to an unusual development—the Block Development Officer (BDO) of Dantan-2, Abhirup Bhattacharya, has himself been summoned for a hearing. Ironically, Bhattacharya usually conducts such hearings for the public, but this time he received a notice regarding inconsistencies in his own and his family members’ voter details. The matter is more sensitive as he is an Assistant Returning Officer by virtue of his post. He has been asked to appear in Kolkata on the same day he is scheduled to hear around 200 voter cases in Dantan, creating administrative embarrassment. The issue has drawn widespread attention within official circles.


Loading

সেবক করোনেশন ব্রিজ থেকে তিস্তায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা বিএলওর

সেবক করোনেশন ব্রিজ থেকে তিস্তায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা বিএলওর

অত্যাদিক কাজের চাপের ফলেই এই আত্মহত্যা ;এ গৌতম দেব 

 

আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], সেবক, কার্শিয়াং, ৩০/০১/২০২৬ : সেবক এর করোনেশন সেতু থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করলেন শিলিগুড়ির এক নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পেশায় শিক্ষক শ্রবণ কুমার কাহার।
একজন শিক্ষক হওয়ার পাশাপাশি তিনি এক নম্বর ওয়ার্ডের বিএলওর  দায়িত্বেও  ছিলেন। জানা গিয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেলে কার্শিয়াং মহাকুমার অন্তর্গত করোনেশন সেতু থেকে ঝাঁপ দেয় ওই ব্যক্তি। এরপরই আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে শিলিগুড়ির উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে হাসপাতলে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।
অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পৌঁছে যান শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব ও এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সঞ্জয় পাঠক। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। অন্যদিকে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এস আই আর এর জন্য BLOর  উপর চাপ তৈরি হচ্ছে। সেই চাপের কারণে অনেকেই আত্মহত্যা করে নিচ্ছেন। একইভাবে ওই ব্যক্তিও এস আই আর এর চাপেই এই পথ বেছে নিয়েছেন।”

Loading

ঘন কুয়াশার চাদরে মুখ ঢেকেছে উত্তরবঙ্গ

ঘন কুয়াশার চাদরে মুখ ঢেকেছে উত্তরবঙ্গ

পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণেই শিট এখনো যেতে পারে নি 

 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], জলপাইগুড়ি,পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/০১/২০২৬ : ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা জলপাইগুড়ি সহ  অন্যান্য জেলাগুলিও। শীতকালের  শেষ মুহূর্তে রীতিমত কাঁপছে উত্তর বঙ্গ।

শীতের শেষ ইনিংস। শুক্রবার কুয়াশার চাদরে মোড়া গোটা জলপাইগুড়ি। শীতের দাপট অব্যাহত। শীতল হাওয়া এবং ঠান্ডায় কাঁপছে, জবুথবু অবস্থা । জলপাইগুড়ির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রীর আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। গত বেশ কয়েকদিন ধরে সেভাবে ঘন কুয়াশার দেখা মেনে নি। কিন্তু আজ ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা রয়েছে জলপাইগুড়ি। একটু বেশিই যেন ঠাণ্ডার অনুভূতি রয়েছে আজ। যানবাহন চলাচল করছে অত্যন্ত ধীর গতিতে।
শুধু জলপাইগুড়ি নয়, ঘন কুয়াশার চাদরে মুখ ঢেকেছে শিলিগুড়ি শহরও।  এই শহরেও একই পরিস্থিতি। বেশ ঠাণ্ডা রয়েছে আজ, সকাল থেকে সূর্যের দেখা নেই।  তাপমাত্রাও কমেছে অনেকটাই। আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কবার্তা আগেই জানিয়েছিল উত্তরবঙ্গের এই অঞ্চলে আজ ও কাল বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং এর উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাত হওয়ার সম্ভানার কোথাও বলা হয়েছে।

Loading

শুনানিতে ডাক পেয়ে সপরিবারে লাইনে এসে দাঁড়ালেন রাজ্যের মন্ত্রী

eci-hearing-news

“তিনবারের বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রী হয়েও শুনানিতে ডাক দেওয়া হয়েছে” 

 আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], হরিশ্চন্দ্রপুর, মালদা, ২৯/০১/২০২৬ : নির্বাচন কমিশনের পাঠানো হেয়ারিংয়ের নোটিস হাতে নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়ালেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বিধায়ক তাজমুল হোসেন

আজ নির্ধারিত শুনানির দিনে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। শুধু মন্ত্রী নন, তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যকেও একইভাবে লাইনে দাঁড়াতে হয়। জানা গিয়েছে,গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাঁকে SIR সংক্রান্ত হেয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো হয়। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই আজ তিনি শুনানি কেন্দ্রে হাজির হন। তাজমুল হোসেন মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার তিনবারের নির্বাচিত বিধায়ক। তাঁর বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বাংরুয়া গ্রামে। তিনি ২০২ নম্বর বুথের ভোটার, বুথ কেন্দ্র বাংরুয়া হিজরি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তাঁর বাবার নাম দিদার বক্স।

মন্ত্রীর দাবি, ২০০২ সাল থেকেই তাঁর নাম ও বাবার নাম সমস্ত সরকারি নথিপত্রে একই রয়েছে। সমস্ত কাগজপত্র যাচাই করেই তিনি পরপর তিনবার বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং বর্তমানে রাজ্যের মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। তা সত্ত্বেও তাঁকে হেয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তোলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্যের মন্ত্রী।

আজ শুনানি কেন্দ্রে হাজির হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাজমুল হোসেন বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই নোটিস পেয়ে নির্ধারিত দিনেই শুনানিতে হাজির হয়েছি। আমার ও আমার পরিবারের সব নথি সঠিক আছে। সত্যিটা সামনে আসবেই।”

উল্লেখ্য,তিনবারের বিধায়ক ও বর্তমান রাজ্যের মন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও হেয়ারিংয়ের নোটিস পাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও এই নোটিসের পিছনের কারণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

 
Aaj Khabor Desk, Harishchandrapur, Malda, 29/01/2026 :  West Bengal minister and Harishchandrapur MLA Tajmul Hossain appeared at a hearing center in Malda after receiving a notice from the Election Commission regarding an SIR-related hearing. On the scheduled day, he was seen standing in a queue for a long time along with several members of his family. The notice was issued on January 18, prompting his appearance. A three-time elected MLA, Hossain claimed that his name and his father’s details have remained unchanged in all official records since 2002 and were verified during previous elections. He alleged a conspiracy behind the notice and expressed dissatisfaction with the Election Commission’s role. However, he stated that he respects the law and is confident that the truth will emerge after document verification.

Loading

আনন্দপুরের মৃত্যুপুরী থেকে প্রাণ নিয়ে ফিরে এসে যা জানালেন ওঁরা

মৃত্যুপুরী থেকে প্রাণ নিয়ে ফিরে ....

‘প্রাণ নিয়েছে বেঁচে ফিরেছি সেটাই এখনও  বিশ্বাস হচ্ছে না’

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর, ২৮/০১/২০২৬ :  ওঁরা যে বেঁচে আছেন তাই যেন ওঁদের বিশ্বাস হচ্ছে না। আগুন ওঁদেরকে  স্পর্শ করেও গ্রাস করতে পারে নি। মৃত্যুপুরী থেকে প্রাণ নিয়ে কোনোরকমে পালিয়ে এসেছেন ওঁরা নিজেদের বাড়িতে।

আনন্দপুর কারখানায় জতুগৃহের মত অবস্থা হয়েছিল। ঘুমের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হয়েছে অনেককে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন কেউ কেউ। পুলিশ বা দমকল কেউই জানাতে পারে নি সেদিন কিভাবে আগুন লেগে গিয়েছিল। যাঁরা সেই কারখানায় রাতে শুয়ে ঘুমোচ্ছিলেন, তাঁরাও কেউ কিচ্ছু জানতে বা জানাতে পারেন নি কিভাবে আগুন লেগে গিয়েছিল। কিভাবেই বা তাঁরা নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে পেরেছিলেন।  তাঁদের কাছে শুধু এটুকুই বাস্তব যে এখনো তাঁরা বেঁচে আছেন।

আনন্দপুর কারখানা থেকে আহত অবস্থায় কোনোক্রমে প্রাণ বাঁচিয়ে তমলুকের গ্রামে ফিরে এসেছেন শান্তনু, বিমলরা। আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নে তাঁরা সেদিনের ভয়াল অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। আগুনে পোড়ার  চিহ্ন তাঁদের শরীরে রয়েছে। আর চোখে মুখে স্পষ্ট রয়েছে আতঙ্কের ছাপ। কত দিনে তাঁরা ফের স্বাভাবিক হতে পারবেন তা তাঁরা জানেন না।

Aaj Khabor Desk, Tamluk, Purba Medinipur, 28/01/2026 — Survivors of the devastating fire at the Anandapur factory are still struggling to believe they are alive after narrowly escaping death. The factory reportedly turned into a death trap during the night, claiming several lives as workers were asleep, while some remain missing. Neither the police nor the fire department has been able to determine how the blaze started, and survivors say they have no memory of how the fire broke out or how they managed to escape. Injured survivors like Shantanu and Bimal have returned to their village in Tamluk and shared their horrific experiences with the media. Burn marks remain on their bodies, and fear is clearly visible on their faces as they try to recover from the trauma.


 

Loading

এসআইআর শুনানির জন্যে ফিরে এসে গণপিটুনির শিকার, মৃত্যু

এসআইআর শুনানির জন্যে বাড়ি ফিরে এসে গণপিটুনির শিকার, মৃত্যু

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শ্যামপুর , হাওড়া, ২৮/০১/২০২৬ : এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়ে বাড়ি ফিরতেই এলাকার মানুষের হাতে আক্রান্ত হলেন এক ব্যক্তি।  গণপিটুনিতে মৃত্যু হলো তাঁর।

এস আই আর এর শুনানির জন্য বাড়ি ফেরা এক ব্যক্তিকে এলাকার মানুষ ধরে বেধড়ক মারধর করেছে,  পুলিশ গণপিটুনির হাত থেকে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধর করে নিয়ে যাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় হাওড়ার শ্যামপুর থানা এলাকার মধ্য ডিহি মন্ডলঘাট এলাকায়। কেউ কেউ অভিযোগ করতে থাকে যে  পুলিশ  হেফাজতেই  ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। যদিও এই কথা মানতে একেবারেই রাজি হয় নি পুলিশ।

মৃতের নাম শেখ আজগার আলী বয়স ৩৫। জানা গিয়েছে, ডিহি মন্ডল ঘাটের ওই এলাকায় বছরখানেক আগে একটি অশান্তি হয়েছিল। সেই অশান্তির ঘটনায় আজগার এলাকার বাসিন্দা জানে আলমকে নৃশংস ভাবে অস্ত্র দিয়ে মারধর করে পালিয়ে গিয়েছিলেন । এরপর থেকেই তিনি  পলাতক ছিলেন।  কিন্তু এসআইআর শুনানির জন্য তিনি বাড়ি ফিরে আসেন।  এলাকার মানুষ তাঁকে দেখতে পেয়েই ঘিরে ধরে এবং বেধড়ক মারধর করতে থাকে। পরে পুলিশ গণপিটুনির হাত থেকে তাঁকে উদ্ধার করে।

এরপর পুলিশে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় এবং হাসপাতালেই  তিনি মারা যান। যদিও এই কথা মানতে নারাজ আজগরের পরিবার।  আজগরের পরিবারের অভিযোগ মারধরের পর পুলিশ হেফাজতেও  বেধড়ক  মারধর করা হয়েছে এবং তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।

Aaj Khabor Desk, Shyampur, Howrah, 28/01/2026 — A man was killed in an alleged mob lynching after returning home following a summons for an SIR hearing in Howrah’s Shyampur area. The deceased, identified as 35-year-old Sheikh Azgar Ali, was reportedly attacked by local residents in the Middle Dihi Mandalghat area. Police rescued him from the mob and took him into custody, after which he was admitted to hospital, where he later died. His death triggered tension, with some locals alleging custodial death, a claim strongly denied by police. According to sources, Azgar had been absconding for nearly a year after allegedly assaulting a local resident during a previous dispute. His family, however, has accused the police of beating him in custody, leading to his death.


Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor