
পুলিশ আসার আগেই রহস্যভেদ করলো ক্ষুদেরা
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], শান্তিপুর, নদীয়া, ৩১/০১/২০২৬ : রাতের আকাশ থেকে ভোরের অন্ধকারে এলাকায় উড়ে এসে পড়ল কি যেন এক অজানা যন্ত্র যা ঘিরে চাঞ্চল্য এলাকায়, এল পুলিশ, খবর দেওয়া হল বিজ্ঞান কর্মীদে,র তবে পাড়ার ক্ষুদেরাই গুগল ব্যবহার করে এলাকাবাসী কে আশ্বস্ত করল যেটা আকাশ থেকে পড়েছে সেটা একটি আবহাওয়া মাপার যন্ত্র।
সারারাত হয়তো অন্ধকার আকাশে ঘুরেছে অবশেষে ভোরের দিকে শান্তিপুরে পড়লো অজানা এক যন্ত্র। যন্ত্রতে জ্বলছে আলো, পাশে প্যারাসুটের মত কিছু একটা। অজানা যন্ত্র ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য নদীয়ার শান্তিপুর পৌরসভার 23 নম্বর ওয়ার্ডের রাধাকৃষ্ণ পল্লী এলাকায়। এলাকাবাসীর দাবি আজ সকালে তারা হঠাৎ রাস্তার উপরে দেখতে পায় এই অজানা যন্ত্র যাতে কি একটা যেন লাইট জ্বলছে, সেটি পড়ে রয়েছে রাস্তার উপরে এবং পাশে প্যারাসুটের মতো কিছু একটা রয়েছে তার সাথে।তাদের মনে হচ্ছে হয়তোবা প্যারাসুটে করে এই অজানা যন্ত্র নামানো হয়েছে আর তাতেই তারা রীতিমতো আতঙ্কিত। যদিও ঘটনার খবর পেয়ে শান্তিপুর থানার পুলিশ এসে ওই অজানা যন্ত্র উদ্ধার করে এবং তার সঙ্গে সঙ্গে এই যন্ত্রটি কি তা নিয়ে ইতিমধ্যে বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে এলাকার মানুষ এবং পুলিশ প্রশাসন। তবে সাত সকালে অজানা যন্ত্র ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য গোটা এলাকায়।তবে এখন তো মোবাইল শিশুদের হাতেও, তথাকথিত সোশ্যাল মিডিয়া তাদের নানান ক্ষতি করলেও এক্ষেত্রে রহস্যের উদঘাটন করল পাড়ার ক্ষুদেরাই। গুগল লেন্স এবং নানান তথ্য ঘেঁটে তারাই দেখল এটা আবহাওয়া মাপার যন্ত্র, যার ব্যবহারিক প্রয়োগ হয়তো মনিটারিং হয়ে গেছে। এটা বর্তমানে পরিত্যক্ত ছাড়া আর কিছু না। সুতরাং বিপদের কোনো সম্ভাবনা নেইই।Aaj KhaborDesk, Shantipur, Nadia, 31/01/2026 : An unidentified device fell from the night sky into the early morning darkness in Shantipur, Nadia, triggering panic and curiosity among residents. The object, which had lights on it and a parachute-like attachment, was found on a road in Ward No. 23 of Shantipur municipality. Locals feared it might have been deliberately dropped, prompting police to arrive and secure the device while contacting science forum members for clarification. The mysterious object created widespread excitement in the area. However, the mystery was eventually solved by local children using Google Lens and online research, who identified it as a discarded weather monitoring instrument. Authorities and residents were reassured that the device posed no danger.
![]()