আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৯/০৩/২০২৬ : আরও দুই জাহাজ এলপিজি ভর্তি কন্টেনার নিয়ে ভারতের দিকে আসছে বলে জানিয়েছে দেশের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক।
পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে যুদ্ধ পরিস্থিতি থাকায় ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল আসতে বাধা পাচ্ছিল। যদিও ইতিমধ্যেই কেন্দ্র সরকার দেশবাসীকে জ্বালানি যোগান দেওয়ার ক্ষেত্রে একাধিকবার আস্বস্ত করেছে। এর মধ্যে কয়েকটি জাহাজ তেল নিয়ে ভারতে চলেও এসেছে। কিন্তু তা সত্বেও মানুষের মন থেকে আশঙ্কা দূর হয় নি. জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে অনেকখানি।
এর আগেও ভারত সরকার বার বার বলেছে পর্যাপ্ত তেল ভারতের ভান্ডারে রয়েছে, তাই আশঙ্কার কোনো .কিন্তু তা র পরেও দেশের বাজারে কালোবাজারি হয়েই চলেছে। এর মধ্যেই আজ দেশের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়ে দিল যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে এলপিজি কন্টেনার ভর্তি আরও দুই জাহাজ (BW TYR BW ELM) ভারতের উপকূলে এসে পৌঁছে যেতে চলেছে। এই দুই জাহাজে মোট ৯৪,০০০ টন জ্বালানি তেল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই তেল ভারতে এসে গেলে কালোবাজারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্র সরকার।
\আজ খবর (বাংলা) [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৬/০৩/২০২৬ : অবশেষে স্বপ্ন সত্যি হল. দেশের চা শ্রমিকরা জমির মালিকানা সত্বা পেতে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।
ইংরেজ শাসন আবাসন হওয়ার পর আরও ৭৫ বছর কেটে গেলেও জমির মালিকানা পান নি দেশের চা শ্রমিকরা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তৎপরতায় এবার জমির মালিকানা পেলেন চা শ্রমিকরা। চা বাগানে যে সব শ্রমিকরা কাজ করেন, তাঁরা দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করেন। তাঁরা বিভিন্ন রকম নাগরিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকতেন। এমনকি স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য জরুরি পরিষেবাও তাঁরা পেতেন না. কিন্তু এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সহায়তায় দেশের অসংখ্য চা শ্রমিক জমির মালিকানা পেলেন।
দেশে বহু চা শ্রমিক আছেন যাঁরা হয়তো কয়েক প্রজন্ম ধরে চা শ্রমিক হিসেবে চরম দারিদ্রের সাথে লড়াই চালাচ্ছেন। এই শ্রমিকদের নিজস এ জমি বলতে কিছুই ছিল না. এবার প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতায় তাঁর নিজেদের মালিকানায় জমি পেলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা। এবার এই চা সমীকরা একটি করে বাড়ি পাওয়ার আশা করছেন। নরেন্দ্র মোদীর ওপর সমম্পূর্ণ ভরসা রেখেছেন তাঁরা।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৩/০৩/২০২৬ : দেশের সর্বোচ্য আদালতে ফের একবার মুখ পোড়ালো রাজ্য সরকার। এবার মেট্রো রেলের নির্মাণ নিয়ে জোর ধাক্কা দিল সুপ্রীম কোর্ট। সেই সঙ্গে রাজ্য সরকারকে প্রবল ভর্ৎসনাও করা হয়েছে।
মেট্রো অরেঞ্জ লাইনের কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মাত্র ৩০০ মিটার জায়গায় কাজ শেষ করতে পারলেই মেট্রো অরেঞ্জ লাইনের কাজ শেষ হয়ে যেতে পারতো। কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে অনির্দিষ্ট কালের জন্যে মেট্রো কর্তৃপওক্ষকে কাজ বন্ধ করে দিতে হয়েছে। কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে ঐ অঞ্চলে মেট্রোর কাজ হলে ট্র্যাফিক সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
ইস্টার্ন বাইপাসের ওপর চিংড়িহাটার কাছে মেট্রো রেলের সামান্য কাজ বাকি আছে। এই অসম্পূর্ণ অংশটি নিয়ে কেন্দ্র রাজ্য সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। একাধিকবার মেট্রো কর্তৃপক্ষের সাথে পুলিশের বৈঠকে হয়েছে এই ব্যাপারে। কিন্তু জট কাটে নি। অথচ ঐটুকু জায়গার কাজ শেষ হয়ে গেলে কলকাতার অরেঞ্জ লাইন মেট্রোপরিষেবা শুরু করে দেওয়া যেত বলে জানিয়েছে কলকাতা মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ।
এই ব্যাপারে মেট্রোর তরফ থেকে দেশের সর্বোচ্য আদালতে মামলা করা হয়েছিল। আজ সেই মামলাটি ওঠে, ডিভিশন বেঞ্চের তিন বিচারপতি সূর্যকান্ত, জয়মাল্য বাগচী ও এম পাঞ্চোলি এই মামলাটি শোনেন। এর আগে হাইকোর্টে রাজ্য সরকার এই মামলাটি সম্পর্কে জানিয়েছিল যে তাদের বিভিন্ন উৎসব নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়, তাই এই জট কাটে নি। এদিন সুপ্রীম কোর্ট রাজ্য সরকারের এই ‘একগুঁয়েমিকে’ চরম ভর্ৎসনা করেছে।
সুপ্রীম কোর্ট রাজ্যকে জানিয়েছে, উৎসব করার সময় পান অথচ গণ পরিবহনের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি দেখার সময় পান না ? গণ পরিবহনের থেকেও কি উৎসব বেশি গুরুত্বপূর্ণ ? সুপ্রীম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে কোনো নির্বাচিত সরকার সুপ্রীম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে এই বিষয়টিকে উপেক্ষা করতে বলবে এটা আমরা মানি না. এভাবে উন্নয়নকে আটকে রাখা যায় না।”
সুপ্রীম কোর্টের গুঁতো খেয়ে এবার যদি রাজ্য সরকার মেট্রো কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক করতে রাজিও থাকে, ততদিনে নির্বাচন এসে যাবে, ফলে নির্বাচনের পর নতুন সরকার না এলে এই জট খুলবে বলে মনে হয় না। সেক্ষেত্রে নতুন রাজ্য সরকার আসার পরেই সম্ভবত মেট্রো কর্তৃপক্ষের সাথে এই বৈঠকটি করা হবে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], তিনসুকিয়া, আসাম, ২৩/০৩/২০২৬ : আসামে আর কিছুদিন পরেই নির্বাচন। আর তার আগেই তিনসুকিয়া থেকে উদ্ধার করা হল প্রচুর বিস্ফোরক।
রবিবার মধ্যরাত্রে তিনসুকিয়া জেলার জাগুমে পুলিশ কমান্ড ক্যাম্পের কাছে জঙ্গীরা নাশকতার কোনো ঘটনা ঘটাতে চেয়ে ছিল কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতায় জঙ্গীদের সেই ছক বাস্তবায়িত হয় নি. মনে করা হচ্ছে রবিবার রাত্রি দুটো নাগাদ উলফা জঙ্গীরা পুলিশের কমান্ডো ক্যাম্পের পিছন দিকে বিস্ফোরণ ঘটাতে চেয়েছিল। কিন্তু আসাম রাইফেলস এবং শিল্ড শ্যাপারসের যৌথ উদ্যোগে জঙ্গীরা সেখানে আর বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ওখানে উলফা (আই) বোমা বিস্ফোরণ করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বিস্ফোরণের আগেই তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। ঘটনাস্থলে বম্ব স্কোয়াডের দল পাঠানো হয়েছিল, তারা গিয়ে বোমা নিষ্ক্রিয় করে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গোটা ঘটনাটির নিন্দা করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২২/০৩/২০২৬ : নির্বাচন কমিশন ভোটের সময় ভোটারদের ন্যূনতাঙ সুযোগ ও সুবিধাগুলি দিতে বদ্ধপরিকর। সেই ন্যূনতম সুযোগ সুবিধাগুলি হল —
১. ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) ১৫ মার্চ, ২০২৬ তারিখে আসাম, কেরালা, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভাগুলোর সাধারণ নির্বাচন এবং ৬টি রাজ্যের উপ-নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে।
২. ইসিআই সংশ্লিষ্ট রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (সিইও) নির্দেশ দিয়েছে যেন মোট ২,১৮,৮০৭টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতেই ‘নিশ্চিত ন্যূনতম সুবিধা’ (এএমএফ) এবং নির্বাচনের দিন ভোটারদের সহায়তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।
৩. এই ‘নিশ্চিত ন্যূনতম সুবিধা’-র (এএমএফ) অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো—পানীয় জল, ছায়াযুক্ত অপেক্ষাগার, জলের সুবিধাসহ শৌচাগার, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, দিব্যাঙ্গ ভোটারদের (পিডব্লিউডি) জন্য সঠিক ঢালযুক্ত র্যাম্প, ভোটদানের জন্য একটি মানসম্মত প্রকোষ্ঠ এবং যথাযথ নির্দেশিকা বা সাইনেজ। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের আরও অনুরোধ জানানো হয়েছে যেন ভোটকেন্দ্রে অপেক্ষমাণ ভোটারদের সারিতে নির্দিষ্ট দূরত্ব অন্তর বসার বেঞ্চের ব্যবস্থা রাখা হয়, যাতে ভোট দেওয়ার জন্য নিজেদের পালা আসার অপেক্ষায় থাকাকালীন ভোটাররা বসে বিশ্রাম নিতে পারেন।
৪. ভোটার সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে, সমস্ত ভোটকেন্দ্রে চারটি অভিন্ন ও মানসম্মত ‘ভোটার সহায়তা পোস্টার’ (ভিএফপি) স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করা হবে। এই পোস্টারগুলোতে ভোটকেন্দ্রের বিস্তারিত তথ্য, প্রার্থীদের তালিকা, করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ, ভোটদানের জন্য অনুমোদিত পরিচয়পত্রগুলোর তালিকা এবং ভোটদানের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য সন্নিবেশিত থাকবে।
৫. প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের স্থানেই ‘ভোটার সহায়তা বুথ’ (VAB) স্থাপন করা হবে। এই বুথগুলোতে ‘বুথ স্তরের আধিকারিক’ (বিএলও) বা অন্যান্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল উপস্থিত থাকবে, যাদের কাজ হবে ভোটারদের তাদের নির্দিষ্ট ভোটকক্ষের নম্বর এবং সংশ্লিষ্ট বুথের ভোটার তালিকায় তাদের ক্রমিক নম্বরটি খুঁজে পেতে সহায়তা করা। এই ভিএবি-গুলোর সামনে সুস্পষ্ট নির্দেশিকা বা সাইনবোর্ড থাকবে এবং ভোটাররা ভোটকেন্দ্রের প্রাঙ্গণে পৌঁছানোর সাথে সাথেই যেন সেগুলো সহজেই দেখতে পান, সেই ব্যবস্থা রাখা হবে।
৬. ভোটারদের সুবিধার্থে নির্বাচন কমিশন (ইসিআই ) যেসব বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তার অন্যতম একটি হলো ভোটকেন্দ্রের প্রবেশপথের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রাখার সুব্যবস্থা করা। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পূর্বে ভোটাররা তাদের মোবাইল ফোনটি (অবশ্যই বন্ধ অবস্থায়) একজন নির্দিষ্ট স্বেচ্ছাসেবকের কাছে জমা দিতে পারবেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করার পর সেটি পুনরায় সংগ্রহ করে নিতে পারবেন।
৭. কমিশন পুনরায় জোর দিয়ে জানাচ্ছে যে, ‘মৌলিক ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা’ (এএমএফ) এবং আনুষঙ্গিক প্রবেশগম্যতা সংক্রান্ত ব্যবস্থাগুলোর সংস্থান করা বাধ্যতামূলক; এবং সমস্ত ভোটকেন্দ্রে এই নির্দেশিকাগুলো কঠোরভাবে পালিত হচ্ছে কি না, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। সকল ভোটারের জন্য একটি নির্বিঘ্ন ও আনন্দদায়ক ভোটদানের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, মাঠপর্যায়ের সকল আধিকারিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন ভোটগ্রহণের নির্ধারিত তারিখের অনেক আগেই প্রয়োজনীয় সমস্ত কাজ সম্পন্ন করে ফেলা হয়।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত,১৮/০৩/২০২৬ : ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) ১৫ই মার্চ আসাম, কেরল, পুদুচেরী, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন এবং ৬টি রাজ্যের উপ-নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে।
এই ৫টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নির্বাচনের বিভিন্ন ধাপের সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, ২৫ লক্ষেরও বেশি নির্বাচন আধিকারিক নিয়োগ করা হয়েছে। এই নির্বাচনে মোট ভোটদাতার সংখ্যা ১৭.৪ কোটিরও বেশি। অর্থাৎ, প্রতি ৭০ জন ভোটারের জন্য প্রায় ১ জন নির্বাচন আধিকারিক নিযুক্ত।
নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার শ্রী জ্ঞানেশ কুমার জানান, নির্বাচন যাতে হিংসা ও প্ররোচনামুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করতে এবং ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, তা দেখতে আধিকারিকদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত কর্মীদের মধ্যে প্রায় ১৫ লক্ষ ভোটগ্রহণ কর্মী, ৮.৫ লক্ষ নিরাপত্তা কর্মী, ৪০ হাজার ভোটগণনা কর্মী, ৪৯ হাজার মাইক্রো অবজার্ভার, ২১ হাজার সেক্টর অফিসার এবং ভোটগণনার জন্য ১৫ হাজার মাইক্রো অবজার্ভার সহ অন্যান্য আধিকারিকরাও থাকছেন।
২.১৮ লক্ষেরও বেশি বিএলও সহ নির্বাচনী কর্মীবাহিনী থাকছেন ভোটারদের সুবিধার্থে। ফোন নম্বরের মাধ্যমে এবং ECINet অ্যাপে ‘Book-a-call to BLO’ সুবিধাও ভোটদাতাদের জন্য থাকছে। ডিইও/আরও পর্যায়ে যেকোনও অভিযোগ বা জিজ্ঞাসার স্বার্থে কল সেন্টার নম্বর +91 (STD Code) 1950-ও খোলা থাকছে।
জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২৮A ধারা অনুযায়ী, ভোটের কাজে নিযুক্ত সকল কর্মীকে নির্বাচন কমিশনের অধীনে কর্মরত বলে গণ্য করা হবে। বিধানসভা নির্বাচন ও উপ-নির্বাচন চলাকালীন কমিশনের ‘চোখ ও কান’ হিসেবে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে ৮৩২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ১,১১১ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন থাকছেন। এঁদের মধ্যে ৫৫৭ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ১৮৮ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ৩৬৬ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক। এই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের অধিকাংশই ইতিমধ্যেই তাঁদের নির্ধারিত বিধানসভা কেন্দ্রে পৌঁছে গেছেন।
নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা তাঁদের যোগাযোগের বিবরণ দেবেন এবং তাঁরা প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রার্থী, রাজনৈতিক দল বা তাঁদের প্রতিনিধি কিংবা সাধারণ জনগণের সঙ্গে সাক্ষাতে নির্বাচন-সংক্রান্ত অভিযোগ শুনবেন।
আজ খবর (বাংলা) [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১৬/০৩/২০২৬ : দেশের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের তরফ থেকে আজ জানিয়ে দেওয়া হল যে এই মুহূর্তে দেশে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের কোনো সঙ্কট নেই।
দেশের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক এর যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা এই বিষয়ে পরিস্কার করে দিয়েছেন যে এই মুহূর্তে দেশে অপরিশোধিত তেল পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। দেশের পেট্রল পাম্পগুলি আর পাঁচটা সাধারণ দিনের মতোই তেল বিক্রি করতে পারবে। দেশে এই মুহূর্তে তেলের সঙ্কট নেই। এখন আমাদের দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেলের ভান্ডার মজুদ রয়েছে।
পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে যুদ্ধ চলছে, এই কারণেই ভারতে সাধারণ মানুষ ভাবতে শুরু করেছিলেন আমাদের দেশেও তেলের সঙ্কট দেখা দেবে কি না ! যদি দেখা দিত, তাহলে সব জিনিসের দাম অগ্নিমূল্য হয়ে যেত। কিন্তু তা হয় নি। আর এর মধ্যেই কেন্দ্র সরকার আজ স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল যে দেশে কোনো রকম তেল সঙ্কট নেই, দেশে পর্যাপ্ত তেল আছে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নিতু দিল্লী, ভারত, ১৫/০৩/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গ সহ ৪ রাজ্যের ভোটের দিনক্ষণ জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। মোট দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে।
পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় ভোট হতে চলেছে। এপ্রিল মাসের ২৩ ও ২৯ তারিখে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে এই রাজ্যে। অন্যান্য বারের মত পাঁচ বা ছয় দফা নয়,মোট দুই দফাতেই ভোট হতে চলেছে এই রাজ্যে। উত্তর বঙ্গে ও পশ্চিম জেলাগুলিতে ভোট হবে ২৩ তারিখে আর বাকি জেলাগুলিতে ২৯ তারিখে ভোট গ্রহণ করা হবে.
পশ্চিমবঙ্গে মোট ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ বলে জানানো হয়েছে। ৭০০ থেকে ৮৫০ ভোটার একটি বুথে ভোট দেবেন। প্রত্যেক বুথে ওয়েব কাস্টিং থাকছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোটের গণনা তবে মে মাসের ৪ তারিখে। আসাম, কেরালা ও পুদুচেরিতে ভোট গ্রহণকরা হবে এপ্রিলের ৯ তারিখে। ভোট গণনা মে মাসের ৪ তারিখে।
তিন ট্রেনের একটি ছাড়বে পশ্চিমবঙ্গের নিউ জলপাইগুড়ি থেকে
\
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] গুয়াহাটি, আসাম, ১৩/০৩/২০২৬ : ডাবল ইঞ্জিন সরকারের দৌলতে আসাম পেলো তিনটি নতুন ট্রেন। শুধু তাই নয়, আসামের উন্নয়নের জন্যে কেন্দ্র সরকার দিলো মোট ৪,৫৭০ কোটি টাকার বাজেট।
আজ সবুজ পতাকা নাড়িয়ে নতুন তিনটি ট্রেনের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আসামের এই তিন নতুন ট্রেনগুলি হল কামাখ্যা-চার্লাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। এই ট্রেনটি আসাম থেকে তেলেঙ্গানা রাজ্যের হায়দ্রাবাদের শিল্পতালুক চার্লাপল্লিতে পৌঁছে যাবে। আর একটি ট্রেন হল গুয়াহাটি – নিউ জলপাইগুড়ি এক্সপ্রেস। এই ট্রেনটি চালু হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের নিউ জলপাইগুড়িও একটি ট্রেন পেলো, যা শিলিগুড়ির কাছে এনজেপি স্টেশন থেকে গুয়াহাটিকে জুড়বে। কেন্দ্র সরকারের দেওয়া আর একটি ট্রেন হল নারাঙ্গি আগরতলা এক্সপ্রেস। এই ট্রেনটি পূর্ব আসামের নারাঙ্গি থেকে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলাকে জুড়বে।
বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুদিনের সফরে আসামের গুয়াহাটি শহরে গিয়েছেন। ইতিমধ্যেই আসাম উন্নয়নের সাজে সাজতে শুরু করে দিয়েছিল। চওড়া রাস্তাঘাট, হাইওয়ে করিডোর, নতুন নতুন ফ্লাই ওভার, এশিয়ার অন্যতম দীর্ঘ সেতু, ব্রম্ভপুত্রের নিচে টানেল এক্সপ্রেস ওয়ে , এইসব নিয়ে উন্নয়নের শীর্ষে পৌঁছাতে চলেছে আসাম।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত,০৯/০৩/২০২৬ : সংস্কৃতি মন্ত্রকের গ্লোবাল এনগেজমেন্ট কর্মসূচির অধীনে আন্তর্জাতিক স্তরে দুর্গাপুজোর প্রসারে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিকে অনুদান দেওয়া হয়েছে।
২০২৩-এ মন্ত্রক ২২ লক্ষ ২৯ হাজার ২৪৪ টাকা বরাদ্দ করেছিল ইউনেস্কোর কাছে আবহমান সাংস্কৃতিক মনোনয়ন পেশের জন্য গবেষণা এবং নথি তৈরির কাজে।
২০২৫-এর সেপ্টেম্বরে সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি টোকিওর ভারতীয় বাঙালি সম্প্রদায়ের অ্যাসোসিয়েশন ইপ্পন সাদান হুজিন ইন্দোজিনো সুদোই-এর সঙ্গে দুর্গাপুজো উৎসবের একটি ভিডিও ভাগ করে নিয়েছিল। এই প্রতিষ্ঠানটি উৎসবটির দিকে নজর রাখছিল গভীর ভক্তি এবং সাংস্কৃতিক দিকটি বিচার করে। এছাড়া ২০২৫-এ দিল্লির লালকেল্লায় ৮-১৩ ডিসেম্বর আয়োজিত আন্তঃসরকারি কমিটির বৈঠকে চিরাচরিত ধুনুচি নাচ প্রদর্শিত হয়েছিল ইউনেস্কো আধিকারিকদের পাশাপাশি ১৯০টির বেশি অংশগ্রহণকারী দেশের প্রতিনিধিদের সামনে।
সরকার তাদের ‘ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া-২’ অভিযানটির বিস্তৃতি ঘটাচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটনের প্রসারে। তাতে বিশেষভাবে আলোকপাত করা হয়েছে দুর্গাপুজোর ওপর যেটি আবহমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কো স্বীকৃত।
নোডাল এজেন্সি সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি করেছিল, তারাই সব ধরনের সমীক্ষা চালায় এই উৎসবের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সম্প্রদায়, গোষ্ঠী, ব্যক্তির সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে পুরো উৎসবটি নথিবদ্ধ করা হয়। এর মধ্যে বিচার্য ছিল ঐতিহাসিক বিবর্তন, শৈল্পিক উৎকর্ষ, আচার প্রথা এবং দুর্গাপুজোর সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট।
আজ লোকসভায় লিখিত জবাবে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী শ্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত।