আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/১১/২০২৫ : রাজ্যে এসআইআর নিয়েই বেশ কিছু অভিযোগ জানাতে আজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এসআইআরের কাজ করতে গিয়ে কয়েকটি জায়গা থেকে বার্থ সার্টিফিকেট নিয়ে সমস্যার অভিযোগ আসছিল। এই নিয়ে রাজ্যের বিরোধ দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কোনো ভাবেই এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না।” জন্মের শংসাপত্র নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ জানাতে আজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
রাজ্যে এসআইআর নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই ব্যাপারে তিনি রাজ্য নির্বাচন কমিশনেও অভিযোগ জানিয়ে এসেছেন। রাজ্যে এসআইআর নিয়ে বঙ্গ বিজেপি একটি হেল্প লাইন নম্বর চালু করেছে জনসাধারণের জন্যে। আজ শুভেন্দু অধিকারী সেই খবরটিও দিলেন সাংবাদিকদের।
এসআইআর এর কাজ রাজ্যে শুরু হতেই বিভিন্ন জেলা থেকে বিজেপি কর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার খবর আসতে শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এই অভিযোগ তুলে ধরেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] গুয়াহাটি, আসাম, ০৪/১১/২০২৫ : এসআইআর আসলে এনআরসির আর একটা রূপ. প্রকৃতপক্ষে দুটোই এক জিনিস। যা বিজেপি সরকার আসামে করাতে চাইছে না. অভিযোগ তৃণমূলের।
আসামের তৃণমূল কংগ্রেস সংসদ সুস্মিতা দেব এসআইআর নিয়ে সুর চড়ালেন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। সুস্মিতা দেব বলেন, “এসআইআর হল এনআরসির আর একটা রূপ, আসলে দুটোই এক. যেটা তেজস্বী যাদব, মমতা দিদি এবং খারগেজি বার বার বলে এসেছেন। এসআইআর বিজেপি শাসিত আসামে কেন হচ্ছে না ? এটাই তো স্বচরির বড় প্রমাণ যে এসআইআর এবং এনআরসি একই বস্তু। আসামে ২০১৩ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ৩ কোটি মানুষ নিজেদের কাগজ দেখিয়েছে। যদি আসামেও এসআইআর হত তাহলে বিজেপিকে বলতে হাত এনআরসিতে আসামে এই সব মানুষের সাথে ঠিক কি হয়েছিল ? বেনারসি আসামে ইতিমধ্যেই ব্যর্থ হয়েছে।”
তৃণমূল সাংসদ বলেন, “যেহেতু এসআইআর এক ধরনের বেনারসি, আর আসামের মত রাজ্যে বেনারসি ব্যর্থ হয়েছে, তাই বিজেপি আসামে আর এসআইআর করাচ্ছে না. যদি করাতো তাহলে একগাদা বিরক্তিকর প্রশ্নের মুখে তাদের পড়তে হত. যেটা ওরা চায় নি. আসামে বিজেপি ক্ষমতায় থাকলেও এনআরসি কেন সমাপ্ত করা গেলো না ? যদি বেনারসি দিয়ে দেশে অবৈধভাবে থাকা বিদেশিদের চিহ্নিত করাটাই মুল্লখ্যে হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমতায় থেকেও োর এই কাজটা শেষ করলো না কেন ? আমি জানতে চাইছি।”
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], কাঠমান্ডু, নেপাল , ০৪/১১/২০২৫ : নেপালে শৃঙ্গ জয় করতে গিয়ে সাত পর্বতারোহীর তুষার সমাধি হয়েছে। আহত আরও ৪ জন. নিখোঁজ বেশ কয়েকজন।
মঙ্গলবার সকালে নেপালের দোলমা খাং এর ইয়ালুং রি (৬৩৩২ মিটার), পর্বতশৃঙ্গ জয় করতে গিয়ে অভেনসের কবলে পড়ে মারা যান সাত পর্বত আরোহী। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চার পর্বতারোহী। পাশাপাশি আরও বেশ কয়েক জনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না. তাঁরা সম্ভবত তুষার স্তুপে চাপা পড়ে রয়েছেন। তাঁদের সন্ধানে উদ্ধারকারী দল পাহাড়ের বিভিন্ন কোনায় খুঁজে বেড়াচ্ছে। সাহায্য নেওয়া হয়েছে উন্নত প্রযুক্তিরও. কিন্তু কাউকে এখনো পর্যন্ত উদ্ধার করা যায় নি.
তুষার ধ্বসে চাপা পড়ে আজ যে পর্বতারোহীদের মৃত্যু হয়েছে তাঁদের মধ্যে তিনজন আমেরিকান, একজন কানাডিয়ান, একজন ইতালি ও দুজন নেপালের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। মৃতদেহ হিমালয়ের উচ্চ শিখর থেকে নিচ্ছে নামিয়ে আনার জন্যে হেলিকপ্টার ব্যবহার করার চেষ্টা চালানো হয়েছে, বেশ কয়েকবার আকাশপথে রাউন্ড দিয়ে এসে হেলিকপ্টার এখনো পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে শুধুমাত্র খারাপ আবহাওয়ার জন্যে। আবহাওয়ার উন্নতি হলেই আজ ফের হেলিকপ্টার উড়িয়েই নিয়ে যাওয়া হবে দুর্ঘটনাস্থলের দিকে।
উল্লেখ্য, পূর্ব নেপালের দোলাখাং জেলার রোলওয়ালিং ভ্যালিতে অবস্থিত ইয়ালুং রি শৃঙ্গটি বেশ দুর্গম নয়। অনেকেই এখানে পর্বতাভিযানের প্রাথমিক অভিজ্ঞতা নিতে আসেন। ১৫ জন অভিযাত্রীদের এই দলটি সোমবার ভোর ৫টা নাগাদ শৃঙ্গের দিকে এগোতে শুরু করেছিল। কিন্তু বেশ ক্যাম্পের কাছেই সোমবার সকল সাড়ে আটটা নাগাদ এভেলেন্স নামে এবং অভিযানকে উড়িয়ে নিয়ে যায়. দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে উদ্ধারকারী আর একটি অভিযাত্রী দল রওনা হয়েছে।
BLO দের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা উচিত নির্বাচন কমিশনেরই
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/১১/২০২৫ : তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের মূল সমস্যা থেকে অন্যদিকে চালিত করতে চাইছে সাধারণ মানুষকে, বলে অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, “তৃণমূল মানুষের নজর অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে চাইছে। তৃণমূল চাইছে মানুষ এখন এসআইআর নিয়ে ব্যস্ত থাকুক। কিন্তু এটাই তো আর রাজ্যের আসল সমস্যা নয়, পশ্চিমবঙ্গের মূল সমস্যা হলো বেরোজগার বা বেকারত্ব। এছাড়া রাজ্যের আর এক সমস্যা হলো মহিলাদের সাথে অপরাধ। এই দুই মূল সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতেই তৃণমূল এসআইআর নিয়ে শঙ্কা আশংকার কথা শোনাচ্ছে সাধারণ মানুষকে।”
সুকান্ত মজুমদার এদিন বলেন, “রাজ্যের আসল সমস্যা অল পশ্চিমবঙ্গ বেকার ও বেরোজগার হয়ে পড়েছে। এখানে মহিলাদের ধর্ষণ করা হয়. সেইসব সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতেই তৃণমূল সরকার এসআইআর নিয়ে জূজূ দেখাতে চাইছে রাজ্যবাসীকে।
রাজ্যে বিএলওদের নির্বিঘ্নে কাজ করা নিয়ে সুকান্তবাবু বলেন, ব্লক লেভেল অফিসারদের নিরাপত্তা দেওয়ার কাজ নির্বাচন কমিশনের। এই রাজ্যের বিএলওদের নিরাপত্তা তাই নির্বাচন কমিশনেরই সুনিশ্চিত করা উচিত। তাঁদের যাতে চাপের মুখে কাজ করতে না হয়, সেটা দেখা উচিত কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনেরই।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/১১/২০২৫ : “একজন বৈধ ভোটারের নামও যদি বাদ যায় ভোটার লিস্ট থেকে, তাহলে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমরা দিল্লী যাবো। বৃহত্তর আন্দোলন করব।” বললেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিষেক বলেন, “আমরা প্রথম থেকেই বলছি, একজন বৈধ ভোটারের নামও যদি বাদ যায়, তাহলে সেই লড়াইটা তৃণমূল কংগ্রেস দিল্লীতে নিয়ে যাবে। যারা কেন্দ্রের পুতুলের মতো আচরণ করছে, যারা পশ্চিমবাংলাকে দাবিয়ে রাখতে চাইছে, বাংলায় কথা বলার জন্যে যারা পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশের সমান জায়গায় দেখাতে চাইছে, তারা কিন্তু বড়সড় একটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।”
এদিন অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, তিনি বলেন, “এসআইআর ঘোষণার পর পরই যিনি মারা গিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের তালিকায় সেই সব ভোটাররা কি বৈধ ? না অবৈধ ? আপনার কেউই সিটিজেন্টশীপ এমেন্ডমেন্ট শিবিরের শিকার হবেন না, তাহলেই আসামের মানুষদের মত পরিস্থিতি তৈরি হবে এই পশ্চিমবঙ্গেও। ইতিমধ্যেই এই রাজ্যে এসআইআর-এর আতঙ্কে একাধিক মানুষ আত্মহত্যা করেছেন। আমাদের একজোট হয়ে থাকতে হবে।”
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/১১/২০২৫ : আজ থেকে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হল এসআইআর-এর কাৰ্যকলাপ। পশ্চিমবঙ্গ সমেত দেশের মোট ১২টি রাজ্যে আজ থেকেই শুরু হয়েছে এসআইআর-এর কাজকর্ম।
পশ্চিমবঙ্গে যাঁরা ব্লক লেভেল অফিসার হিসেবে কাজ করছেন, গতকালই তার ট্রেনিং শেষ হয়ে গিয়েছে। আজ থেকে বিএলও আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম বিলি করার কাজ করছেন। কিভাবে দুই ফর্ম ভর্তি করতে হবে তার নিয়ম কানুন জানিয়ে আসছেন। এরপর ঐ বিএল আধিকারিকরা কোন কোন দিন বাড়িতে আসবেন সেটা জানিয়ে দেবেন। মোট তিনবার এই বিএলও-দের বাড়িতে বাড়িতে আসতে হতে পারে।
এর আগে এসআইআর-এর কাজ হয়েছিল ২০০২ সালে , সুতরাং যাঁদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিল, তাঁদের আর নতুন করে কোনো তথ্য প্রমান জমা দিতে হচ্ছে না। তবে যাঁদের নাম ছিল না, তাঁদের জন্যে এগারো দফার মধ্যে যে কোন একটা প্রমাণ জমা দিতে হবে (যা ইতিমধ্যেই প্রচার মাধ্যমে বার বার জানানো হয়েছে)। যাঁদের নাম ছিল, তাঁদেরকে শুধুমাত্র নতুন ও সাম্প্রতিককালের দুটি ফটোগ্রাফ জমা দিতে হবে।
রাজ্যে ব্লক লেভেল আধিকারিকদের ট্রেনিং শেষে গতকালই সমস্ত ফর্ম এবং পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়েছে। তাঁরা এগুলিই বাড়িতে বাড়িতে নিয়ে যাবেন। তবে এই আধিকারিকরা নিজেদের নিরাপত্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই আধিকারিকদের রাজনৈতিক দলগুলির হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে ইতিমধ্যেই। তাই এঁরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও এই ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন রাজ্য সরকারের পুলিশ প্রশাসনের ওপরেই ভরসা করছে বলে জানিয়ে দিয়েছে। তবু এসআইআর-এর কাজ করতে কোনো বিএল একা কোনো বাড়িতে যাবে না বলে জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। এই ব্যাপারে সাধারণ মানুষকেই সহযোগিতা করার কথা বলা হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] দ্বারভাঙা, বিহার, ০৩/১১/২০২৫ : ইন্ডি মহাজোটকে সমালোচনার নামে রীতিমত ব্যঙ্গ করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা যোগী আদিত্যনাথ। তিনি মহাজোটের তিন নেতাকে ‘তিন বাঁদর’ বলে কটাক্ষ করলেন।
এদিন বিহারে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে এসে যোগী আদিত্যনাথ ইন্ডি মহাজোটের তিন নেতাকে তিন বাঁদর বলে উল্লেখ করেন। এই তিন নেতা হলেন কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, রাষ্ট্রীয় জনতা দলের তেজস্বী যাদব এবং সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব। এই তিন নেতাকে কটাক্ষ করে যোগী আদিত্যনাথ পাপ্পু আপ্পু আর টাপ্পু নামে অভিহিত করেন।
যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “গান্ধীজির কাছে যেমন তিনটি বাঁদর ছিল, যারা কখনোই খারাপ কিছু দেখতো না, খারাপ কিছু শুনতো না এবং খারাপ কিছু বলতো না। ঠিক তেমনি ইন্ডি মহাজোটের কাছে রয়েছে তিন বাঁদর। এরা হল পাপ্পু অর্থাৎ রাহুল গান্ধী, টাপ্পু অর্থাৎ তেজস্বী যাদব এবং আপ্পু অর্থাৎ অখিলেশ যাদব। এরা বিহারের প্রকৃত উন্নয়নের ক্ষেত্রে কখনোই কিছু দেখতে পারেন না,শুনতে পারেন না এবং বলতেও পারেন না।”
আজ খবর (বাংলা), [খেলা] , নতুন দিল্লী, ভারত ০৩/১১/২০২৫ : ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের বিশ্বজয়কে ঘিরে উন্মাদনা শুরু হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে এমনকি গোটা দেশে। দক্ষিণ আফ্রিকায় মহিলাদের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে জয়লাভের জন্যে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটাররা।
প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার মদনলাল বলেন, “হরমণপ্রীতের অধিনায়কত্ব অসাধারণ, তবে আমি তাঁকে বলব তিনি যেন নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখেন। খেলার সময় তাঁর একাগ্রতা দেখার মত। এই বিশ্বকাপে তাঁকে ভারতীয় দলে অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হয়েছে।”
বিশ্বকাপ ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা টসে জিতে ভারতকে ব্যাটিং করতেপাঠিয়েছিল। ব্যাট করতে নেমে স্মৃতি মান্ধানা এবং শেফালী ভার্মার জুটির সেঞ্চুরি দলকে আলাদা শক্তি যোগায়। শেফালী ৭৮ বলে ৮৭ রান করেন। স্মৃতি ৫৮ বলে ৪৫ রান তোলেন। জেমাইমা রড্রিগেজের ৩৭ বলে ২৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস ভারতকে আরও অক্সিজেন যোগায়। শেষমেশ ভারত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে মোট ২৯৮ রান তুলতে সমর্থ হয়. দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে আয়বঙ্গ খোকা সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন, তিনি ৫৮ রান দিয়ে ৩টি উইকেট তুলে নিয়েছিলেন।
এরপর রান তাড়া করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাট হাতে প্রথমেই দক্ষিণ আফ্রিকা ৫০ রান তুলে নেয়. তবে ভারতের দীপ্তি দক্ষিণ আফ্রিকার দুই সেট উইকেট তুলে নেন। আর তাতেই ভীত নড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার। শেফালীও দুটি উইকেট তুলে নেন মাত্র ৩৬ রান দিয়ে। শেষ পর্যন্ত ২৪৬ রানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বেঁধে রেখে দেয় ভারত এবং ২০২৫ বিশ্বকাপ পকেটে পুরে নেয়। ভারতীয় মহিলা দলের বিশ্বকাপ জয়ের ক্ষেত্রে হ্যাট্রিক করল ভারত। আজ গোটা দেশ শুভেচ্ছা জানাচ্ছে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলকে। দেশকে গর্বিত করেছে এই মহিলা ক্রিকেট দল।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] পাটনা, বিহার, ০২/১১/২০২৫ : পাটনায় মোদীর রোড শো’তে রহস্যজনকভাবে অনুপস্থিত থেকে গেলেন নীতিশ কুমার, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
আরা ও নওয়াদায় নির্বাচনী সমাবেশের পর আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিহারের রাজধানী পাটনায় একটি রোড শো’তে অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু সেই রোড শো’তে অনুপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার নিজেই। পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাটছাঁট করেই রোড শো শেষ করে দেওয়া হয়। যদিও মোদীর পাশে এদিন ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ জয়সোয়াল এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও জেডি (ইউ) নেতা রাজীব রঞ্জন সিং (লালন)। এছাড়াও ছিলেন বিহার বিজেপির প্রথম সারির নেতারা।
প্রধানমন্ত্রী মোদীর রোড শো’তে মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের অনুপস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করতে ছাড়েন নি আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। লালুপুত্র তেজস্বী এবার বিরোধী মহাজোটের তরফ থেকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদের প্রধান দাবিদার। তেজস্বী বলেন, “বিজেপি এবারের ইস্তেহারে কি কি বলেছিল, তা সম্ভবত নীতিশ কুমারই জানেন না। বিজেপি ক্রমেই নীতিশ কুমারকে পাশে সরিয়ে রাখছে।” নীতিশ কুমারের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তেজস্বী যাদব।
আজ ঠিক কি কারণে নরেন্দ্র মোদীর রোড শো’তে নীতিশ কুমারের অনুপস্থিতি, তা অবশ্য জানা যায় নি। বিষয়টি এখনো খোলসা করে জানায় নি এনডিএ। এদিন নরেন্দ্র মোদী হরিমন্দিরজি মন্দির পাটনা সাহেব দর্শন করতে যান, সেখানে গিয়ে প্রার্থনা করেন এবং উপস্থিত ভক্তদের শুভেচ্ছা জানান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি উপস্থিত ছিলেন তাঁর সাথে।
ভারত থেকে পলাতক অপরাধী জাকির নায়েক , রয়েছে ইন্টারপোলের রেড কর্নার নোটিশ
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ০২/১১/২০২৫ : বিতর্কিত জাকির নায়েককে বাংলাদেশের একটি সংগঠন সে দেশে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। যদিও মহম্মদ ইউনুস তাকে এখনো বাংলাদেশে আসার অনুমতি দেয় নি। তবে বাংলাদেশে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের তদারকি সরকার যিনি পরিচালনা করছেন, সেই মহম্মদ ইউনুস জানিয়েছেন, “আমরা জাকির নায়েককে আমন্ত্রণ জানাই নি। যারা আমন্ত্রণ জানিয়েছে তারা অনুমতির জন্যে আমার সাথে দেখা করেছে।” এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হুসেন বলেছিলেন বিতর্কিত জাকির নায়েকের বাংলাদেশ সফর সম্পর্কে তিনি অবগত নন।
বাংলাদেশে জাকির নায়েকের সফরের আয়োজক স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট গ্রূপ। এই সংস্থাটি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষেই জাকির নায়েককে নিয়ে অনুষ্ঠান করছে তারা। যদিও জাকির নায়েককে এখনো বাংলাদেশ সফরের জন্যে বাংলাদেশের তদারকি সরকার অনুমতি দেয় নি বলেই জানা যাচ্ছে।
এই ব্যক্তি ভারতীয় হলেও ভারত থেকেপলাতক। ধর্মীয় দিক থেকে এই ব্যক্তি ইসলাম ধর্মে মানুষকে পরিবর্তন বা দীক্ষিত করার কাজ করতো। জাকির ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন এবং পিস্ টিভি তৈরি করেছিল। ২০১৬ সালে নরেন্দ্র মোদী এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঘৃণার প্রচার ও অর্থ পাচারের অভিযোগ আনেন। ইন্টারপোলের সাহায্য নিয়েও তাকে ধরা যায় নি। তার ফাউন্ডেশন এবং পিস্ টিভি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বেশ কয়েকটি দেশ। বাংলাদেশও তার মধ্যে অন্যতম, যদিও সেই সময় ছিল শেখ হাসিনার শাসন। ভারত থেকে পলাতক এই ধরনের এক ব্যক্তিকে আগামী মাসে বাংলাদেশে স্বাগত জানানো হচ্ছে।
স্বাভাবিকভাবেই ভারত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। জাকিরের পাকিস্তান সফর নিয়ে ভারত জানিয়েছে জাকিরের পাক সফর নিয়ে ভারত আদৌ অবাক হয় নি। তবে যেহেতু এই ব্যক্তি ভারত থেকে পলাতক এক অপরাধী, এবং ইন্টারপোলের রেড নোটিশপ্রাপ্ত অপরাধী, তাই অন্যান্য দেশ যেখানেই এই ব্যক্তি যাক না কেন, তাকে সেই দেশের সরকারের গ্রেপ্তার করতে সহায়তা করা উচিত। ভারতের এই বক্তব্য শুনে নড়ে চড়ে বসেছে বাংলাদেশ, গোটা বিষয়টির ওপর নজর রাখছে তারা। আগামী মাসে জাকির নায়েকের বাংলাদেশ সফর করার কথা রয়েছে। এখন দেখার বাংলাদেশের তদারকি সরকার তাকে বাংলাদেশে সফর করার অনুমতি দেয় কি না !