আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,১৪/০১/২০২৬ : কলকাতায় ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মধ্য কলকাতার বিপিন বিহারী গাঙ্গুলি স্ট্রিটে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
কলকাতায় ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। এবার আগুন লাগে শহরের ব্যস্ত এলাকা বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে। প্রথমে একটি কাঠের দোকানে আগুন লাগলেও, মুহূর্তের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে পাশের আরও একাধিক দোকানে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নেভানোর কাজ চলে। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনে একের পর এক দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়াও, ওই এলাকায় একটি বহুতল বিল্ডিংয়েও আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দমকল কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও নিশ্চিত খবর না মিললেও, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক অনুমান। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দমকল ও পুলিশ। প্রচুর দাহ্য পদার্থ থাকার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে বেশ খানিকটা বেগ পেতে হচ্ছে দমকল কর্মীদের। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে গোটা এলাকা। ব্যস্ততম এলাকা প্রচুর মানুষের বসবাস এখানে।
শহরের বুকে পরপর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নতুন দিল্লী, ভারত, ১৪/০১/২০২৬ : একটি খ্যাতনামা সংবাদদাতা সংস্থাকে পশ্চিমবঙ্গ সম্বন্ধে অভিমত জানাতে গিয়ে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে তুলোধুনা করলেন বিজেপি নেতা তথা সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।
সুকান্তবাবু প্রশ্ন তুলেছেন, “কিভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস প্রতীক জৈনের বাড়িতে যেতে পারে ? যদি বাংলায় ৬০% মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ থেকে থাকে, তাহলে কোনো চ্যাটার্জি বা ব্যানার্জি কি মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন ?” সুকান্ত মজুমদার বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে কোনো গণতন্ত্র নেই. মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইছেন এই রাজ্যটাকে দ্বিতীয় কাশ্মীর তৈরি করতে।”
প্রখ্যাত অর্থনীতিবীদ অমর্ত্য সেনকে এসআইআর এর শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “অমর্ত্য সেন কি আইনের উর্দ্ধে ? যে তাঁকে ডাকা যাবে না ?” তিনি অভিযোগ করে বলেন যে বামেরা হল তৃণমূলের ‘বি টিম’ ; তারা সেভাবেই কাজ করছে। তবে যত যাই হোক না কেন, ২০২৬এ বিজেপি বাংলায় একজন বাঙালি মুখ্যমন্ত্রীকে বসাবে, যিনি মাছ ভাত খেতেই পছন্দ করেন।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, ১৪/০১/২০২৬ : এসআইআর এর কাজ করে ফেরার পথে প্রাণ হারালেন এক মহিলা বিএলও কর্মী, তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করেই তীব্র বিতর্ক ময়নাগুড়িতে। মৃত কর্মীর নাম সুশীলা রায় (৪৫)।
মহিলার পরিবারের অভিযোগ, প্রশাসনের হয়ে কাজ করলেও বিপদের সময় সরকারি তরফে ন্যুনতম চিকিৎসাটুকু মেলেনি। পরিকাঠামোর অভাবে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন সহকর্মী ও আত্মীয়রা। গত ৯ তারিখ, শুক্রবার রামশাই অঞ্চল অফিস থেকে বিএলও-র কাজ সেরে বাড়িতে ফিরছিলেন সুশীলা। পথে বাইক থেকে কোনভাবে পড়ে যান। ঘটনায় মাথা সহ শরীরে বিভিন্ন অংশে আঘাত পান তিনি।
তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু আঘাত গুরুতর থাকায় পরবর্তীতে তাকে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সুশীলাকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করে পরিবার। অভিযোগ, সেখানে ভর্তির পর দীর্ঘ সময় কাটলেও মেলেনি জরুরি আইসিইউ (ICU) বেড।
মৃতার আত্মীয় পীযূষ রায়ের দাবি, “আমরা ব্লক প্রশাসনের কাছে বারবার অনুরোধ জানিয়েছিলাম সাহায্যের জন্য। কিন্তু একজন বিএলও হিসেবে তিনি কোনো বিশেষ সুবিধা পাননি। সরকারি কোনো তৎপরতা আমরা দেখতে পাইনি।” অবশেষে সোমবার সন্ধ্যায় হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।সহকর্মীদের মধ্যে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডু। তিনি জানান, “আমরা ওই বিএলও-র পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলাম। জেলা স্তর থেকেও মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। আমাদের পক্ষ থেকে সবরকম চেষ্টা করা হয়েছে।
ছিনতাইয়ের পর কোনো প্রমাণ না রাখার পরিকল্পনা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত একটিমাত্র ডিজিটাল তথ্যতেই ভেঙে পড়ল দুষ্কৃতিদের সব ছক। ফোন-পে-তে টাকা মেটানোর সূত্র ধরেই সাত দিনের মাথায় গ্রেফতার করা হলো পাঁচ ছিনতাইকারীকে।
গত ৬ জানুয়ারি জাম্বনীর চুটিয়া এলাকায় সিএসপি-র জন্য জাম্বনী থেকে ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে যাচ্ছিলেন সুব্রত সিংহ। ঘন জঙ্গল রাস্তার মধ্যে ঝাড়খন্ড থেকে অ্যাপাচি বাইকে আসা তিন দুষ্কৃতি তাঁকে আটকায়। বন্দুকের বাট দিয়ে মাথায় আঘাত করে নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পরে জঙ্গল পথ ধরে চন্দ্রি হয়ে ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক ব্যবহার করে ঝাড়খন্ডে পালানোর রাস্তাও দেখিয়ে দেয় স্থানীয় বাসিন্দা শম্ভু পাল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ছিনতাইয়ের পর ঝাড়খন্ডের বড়শোল থানার এলাকায় একটি দোকানে খাওয়া-দাওয়া করে দুষ্কৃতিরা। সেখানেই প্রথমবার ফোন অন করে ফোন-পে-র মাধ্যমে টাকা মেটানো হয়। আর এতেই পুলিশের হাতে প্রথম বড় তথ্য চলে আসে। তদন্তে উঠে আসে, গোটা ঘটনার মূল মাথা হল ব্যাঙ্কের লোন এজেন্ট শুভজিৎ সরকার, যিনি একজন বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রিধারী। ভিকটিমকে চেনানোর দায়িত্বে ছিল জাম্বনী থানার মুড়াকাটি এলাকার বাসিন্দা শম্ভু পাল। অপারেশনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল ঝাড়খন্ডের যদুগোড়ার বাসিন্দা সুনিল কৈবত্য, মোহন কিস্কু এবং বাড়মা মাইনস এলাকার রোহিত কুমার শর্মা।
এই সূত্র ধরেই ঝাড়খন্ড যাওয়ার রাস্তায় প্রায় ৩০টি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। শেষমেশ গতকাল রাতে ঝাড়গ্রাম, জাম্বনী ও ঝাড়খন্ডে একযোগে তিনটি আলাদা দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে। গোটা অভিযানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন ঝাড়গ্রামের এসডিপিও শামিম বিশ্বাস ও জাম্বনী থানার আইসি। আজ ধৃতদের আদালতে তোলা হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র সহ পুরো ঘটনার বিস্তারিত জানার জন্য পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কৃষ্ণনগর, নদীয়া, ১৩/০১/২০২৬ : অভয়ার স্মৃতিতে হাসপাতালের জন্য জমি দানের সিদ্ধান্ত নদিয়ায় বর্ষীয়ান নেতার
কলকাতার আর জি কর হাসপাতালে নির্যাতিত ও নিহত চিকিৎসকের স্মৃতিতে হাসপাতাল করার জন্য নদীয়ার কৃষ্ণনগরের ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে জমি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন তাঁর বাবা-মা। নদিয়ার সদর শহরের সন্নিকটে, মায়াকোল এলাকায় ওই জমিতে একটি অর্ধনির্মিত বাড়ি তাঁদের বিনামূল্যে দেবার জন্য আগ্রহী হয়েছেন কৃষ্ণনগরের প্রবীণ পুরপ্রতিনিধি অসিত সাহা।
জমি দেখতে গিয়ে নিহত চিকিৎসকের মা বলেন, “আমার মেয়ে মানুষের সেবা করতে চেয়েছিল। তার কাছে ছিল মানব সেবাই আসল ধর্ম । সেই মানব সেবা করার সুযোগ ওকে যারা দিল না, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে। সেই সঙ্গে তিনি জানান মেয়ের জনসেবার ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দিতেই তারা অভয়ার নামে হাসপাতাল করার এই উদ্যোগ নিয়েছেন।” চিকিৎসকের বাবা অশ্রুকন্ঠে বলেন, “দেশ-বিদেশের বহু মানুষ আমাদের পাশে থাকতে চেয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন। আমরা আজ পর্যন্ত কারও কাছ সে অর্থে কোনও সাহায্য নিইনি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবার মানুষের সাহায্যেই নদীয়ার পূর্ণভূমিতে অভয়ার নামে হাসপাতাল গড়ে তুলব।”
হাসপাতাল তৈরি করতে গেলে যে জমির প্রয়োজন সেই জমি খোঁজার ব্যাপারে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের বাসিন্দা কৃষি সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ও সমাজকর্মী স্বপন ভৌমিক। স্বপন বাবু বলেন “আগে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘিতে, পাশাপাশি কৃষ্ণগঞ্জের মতো কিছু জায়গায় জমি দেখা হয়েছিল হাসপাতাল তৈরি করার জন্য । কিন্তু নানা কারণে সেগুলো নির্বাচিত হয়নি। স্বপন বাবুর কথায় কিছু দিন আগে, অসিতবাবুর কাছে আর্জি জানাই।”
কৃষ্ণনগরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নির্দল পুরপ্রতিনিধি অসিত সাহা বলেন, অভয়ার নামে যদি হাসপাতাল করা হয়, এ ধরনের সমাজসেবা মূলক কাজের জন্য তিনি নিঃশর্তে জমি ও অর্ধনির্মিত বাড়ি দান করতে চান ।
তিনি বলেন, “ওখানে মোট সাত শতক জমি এবং একটি অর্ধনির্মিত তিনতলা বাড়ি হাসপাতাল তৈরির জন্য ওঁদের দিচ্ছি।” চিকিৎসকের বাবা-মা জানান, “সাত জনের একটি ‘ট্রাস্টি বোর্ড’ হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়টি তত্ত্বাবধান করবে এবং পরে তা পরিচালনা করবে। তাঁরা দু’জন ছাড়াও, তাঁদের এক নিকটাত্মীয়, স্বপন ভৌমিক, অসিত সাহা ও তাঁর পরিবারের দু’জন সেই বোর্ডে থাকছেন। ‘ট্রাস্টি বোর্ড’ গড়ার প্রাথমিক কাজও এ দিন শুরু হয়েছে।” বলা যেতেই পারে, নদীয়ার পুণ্য ভূমিতে অভয়ার নামে হাসপাতাল তৈরি এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা ।
কলকাতায় ফিরে যাওয়ার আগে চিকিৎসক অভয়ার বাবা-মা কৃষ্ণনগর আইএমএ ভবনে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সাহায্য প্রার্থনা করেন। আইএমএ কৃষ্ণনগর শাখার সহ-সভাপতি অনির্বাণ জানা বলেন, “আমরা আর জি কর আন্দোলনের গোড়া থেকেই পথে নেমেছি। ‘অভয়া ক্লিনিক’ নামে বিনামূল্যে একটি সাপ্তাহিক চিকিৎসা কেন্দ্রও চালাচ্ছি। তাঁর স্মৃতিতে যদি হাসপাতাল হয়, আমাদের অনেক চিকিৎসকই সাহায্যেরহাত বাড়িয়ে দেবেন।”
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], মোথাবাড়ি , মালদা, ১৩/০১/২০২৬ : নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে ততই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। রাজ্যের অন্যান্য জায়গার মত মালদার মোথাবাড়িও উত্তপ্ত। এখানে তৃণমূল নেত্রী তথা বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছে বিজেপি।
মোথাবাড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে মোথাবাড়ি থানায় লিখিত অভিযোেগ দায়ের। অভিযোগ দায়ের করল কালিয়াচক-২নং ব্লকের বিজেপি নেতৃত্ব। উল্লেখ্য, গত ১০ ই জানুয়ারি ‘স্বৈরাচারী’ আখ্যা দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের উদ্যোগে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় মালদার মোথা বাড়িতে।
সেদিন সেই মিছিলে দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কুশ পুতুল দাহ করেন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন এবং তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই সঙ্গে ধর্মীয় বিভাজনের বক্তব্য রাখেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এর প্রতিবাদে মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৩/০১/২০২৬ : এবার মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করল নির্বাচন কমিশন। প্রবীণ ও অসুস্থদের শুনানির হাজিরা থেকে মিললো রেহাই।
আজ নির্বাচন কমিশনারের উদ্যোগে মানবিকতার এক অনন্য ছবি সামনে এসেছে। সমাজের সেই সব প্রবীণ ও অসহায় মানুষ, যাঁরা শারীরিক অসুস্থতা বা বার্ধক্যজনিত কারণে শুনানিতে উপস্থিত হতে পারছেন না বা ধীরে চলাফেরা করছেন, তাঁদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে SIR–এর সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন করছেন। শুধু নথি যাচাই নয়, সেখানেই সম্পূর্ণভাবে হেয়ারিং প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করা হচ্ছে। ফলে প্রবীণ ও অসহায় মানুষদের আর কষ্ট করে বাইরে আসতে হচ্ছে না।
নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক করে তুলতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা। সাধারণ মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে।
এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], ইংরেজবাজার, মালদা, ১৩/০১/২০২৬ : তৃণমূলের পর এবার বিজেপি। হুংকার কুকথার কথার রাজনীতি অব্যাহত মালদায়। এবার তৃণমূল নেতৃত্বকে 2026 এর ভোটের পরে জেলে বা বাংলাদেশে পাঠানোর হুংকার বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতির। পাল্টা ভোটের পর দেশ ছাড়া করার হুংকার তৃণমূল নেতৃত্বের।
যুব দিবস উপলক্ষে মালদার ইংরেজবাজার শহরে যুব মোর্চার পক্ষ থেকে, মিছিল ও সভার আয়োজন করা হয়। মাল্লার ইংরেজি বাজার শহরের পোস্ট অফিস মোরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপির যুব মোর্চার দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শুভঙ্কর চম্পটি বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন একদিকে গীতা পড়তে এক দিকে ফুটবল খেলতে। আমরা গীতা পোড়ী আবার ফুটবল খেলি। তৃণমূল এই রাজ্যে মনীষীদের থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষদের বারবার অপমান করেছে। ওরা বলে খেলা হবে খেলা হবে। ২০২৬ এ খেলা হবে। ওরা এত দুর্নীতি করেছে । ওদের বলতে চাই মাত্র আর দু’মাস। আমরা যেমন গীতা পড়তে পারি ডান্ডা নিয়ে লড়াই করতে পারি। ভোটের পরে তৃণমূল দলটাকে কিক মেরে বাংলাদেশে পাঠাবো।
কেন তুমি এ কথা বললেন এ প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন সঠিক কথা বলেছি, এরা দুর্নীতিবাজ। এদের ভোটের পরে জেলের ভাত খাওয়াবো। নাহলে কিক মেরে বাংলাদেশে পাঠাবো।
জেলা তৃণমূলের সম্পাদক, বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙ্গা বিজেপির কাছ থেকে মনীষীদের সম্মান দেওয়া তৃণমূলকে শিখতে হবে না।
তৃণমূল কংগ্রেস ২০২১ সালেও খেলেছে। ২০২৬ ও খেলবে। ভোটের পরেই ওরা বাংলাদেশ যাবে না পাকিস্তান যাবে, তারা তখন টের পাবে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], জলপাইগুড়ি, পশ্চিমবঙ্গ, ১৩/০১/২০২৬ : করলা ভ্যালি চা বাগানে আটকে পড়াএকটি বুনো হাতি গতরাতে ঢুকে পড়ে জলপাইগুড়ি শহরে। সারারাত দাপিয়ে বেড়ায় সে। একটি কুটিরও ভেঙে ফেলে। এক মহিলা আহত হয়েছেন হাতি দেখে পালাতে গিয়ে। শেষ পর্যন্ত বন দপ্তরের হাতে ধরা পড়ে ঐ হাতিটি। তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় বন দপ্তর।
জলপাইগুড়ি শহরের মধ্যে ঢুকে পড়া বুনো হাতিটিকে শেষ পর্যন্ত ট্রাঙ্কুলাইজড করে কাবু করল বনদপ্তরের কর্মীরা। করলাভ্যালি চা-বাগানে এসে গর্তের মধ্যে পড়ে গিয়েছিল মাঝ বয়সী বুনো হাতিটি। পরবর্তীতে সঙ্গীহীন হয়ে দিশেহারা অবস্থায় রাতের দিকে শহরের ভেতরে ঢুকে পড়ে সে। করলা নদীর ধার দিয়ে হাতিটি জলপাইগুড়ি শহরের আনন্দচন্দ্র কলেজ চত্বরে চলে আসে। কলেজে মেয়েদের হোস্টেলে পাশে ঘোরাঘুরি করে কিছুক্ষণ। এর আগে জলপাইগুড়ি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পাশে একটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে একজন মহিলাকে আহত করে। দুটি ঘরও ভাঙচুর করে হাতিটি।
অন্ধকারের মধ্যে হাতিটি শহরে ঢুকে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। গভীর রাতে হাতিটি জলপাইগুড়ির বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির পাশে থাকা সেগুন গাছের বাগানে চলে আসে। সেখানেও বনকর্মীরা পিছু নেয় তার। অবশেষে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় হাতিটিকে ভোররাতের দিকে ট্রাঙ্কুলাইজড করে কাবু করতে সক্ষম হন বনকর্মীরা। পরবর্তীতে ক্রেনের সাহায্যে একটি লরিতে চাপিয়ে জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয় হাতিটিকে।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য] শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ১২/০১/২০২৬ : বিশ্বের সর্ববৃহৎ মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস হতে চলেছে শিলিগুড়িতে।
আগামী ১৬ তারিখে বিশ্ব তথা দেশের বৃহত্তম মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে সোমবার শিলিগুড়িতে জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এসডিও অফিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মেয়র গৌতম দেব, দার্জিলিং জেলার জেলা শাসক, এসডিও, SJDA চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা।
বৈঠকে অনুষ্ঠান পরিচালনার চূড়ান্ত প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে এখনও কিছু বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
এদিকে, মেয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত দিয়ে শিলান্যাস অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে আপাতত তা সর্বজনীনভাবে নিশ্চিতভাবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়।
শিলান্যাসের মাত্র কয়েকদিন বাকি—দার্জিলিংবাসী এখন উত্তেজনার সঙ্গে অপেক্ষা করছে পবিত্র মহাকাল মন্দিরের এ বিশেষ মুহূর্তের জন্য।