ইউনিয়ন রুমে মদ্যপান, নেশা, অশ্লীলতার পর এবার গা টেপানোর অভিযোগ।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, ১২/০৭/২০২৫ : মহা বিদ্যালয় বা কলেজের ইউনিয়ন রুমে শুয়ে গা টেপানোর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
সোনারপুর মহাবিদ্যালয়ের পর এবার কাকদ্বীপের সুন্দরবন মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের রুমের ভিতরে গা টেপার ভিডিও ভাইরাল হল। তবে এই ভিডিও নিয়ে আজ খবর সততা যাচাই করে নি।
এদিকে এই ভিডিওকে কেন্দ্র বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। বিরোধীদের দাবি, এই ভিডিওতে ছাত্র সংসদের ভিতরে যাদের দেখা গিয়েছে, তাঁরা এই কলেজের ছাত্র নয়। তাহলে এরা কিভাবে কলেজের ছাত্র সংসদের রুমের ভিতরে ঢুকল। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক হওয়ার কারণে প্রতিদিনই বহিরাগতরা কলেজের ভিতরে দাদাগিরি করত ও আড্ডা মারত।
হাতির দলের তাণ্ডবে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্কুলটির। এখনই সরানো না গেলে বিপদ বাড়বে পড়ুয়াদের।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য] ধূপগুড়ি, জলপাইগুড়ি, ১১/০৭/২০২৫ : মিডডে মিলের লোভে বৃহস্পতিবার রাত দশটা নাগাদ বুনো হাতির হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হল ধুপগুড়ি ব্লকের পূর্ব দুরামারিতে খুট্টিমারি ফরেস্ট ভিলেজ প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এএ ঘটনায় ঐ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গিয়েছে, রাত দশটা নাগাদ পার্শ্ববর্তী খুট্টিমারি জঙ্গল থেকে একটি বুনো হাতি বেড়িয়ে এসে ঐ স্কুলের সামনে চলে আসে। এসেই হাতিটি স্কুলের দেওয়াল ভেঙ্গে দেয়। দেওয়াল ভেঙ্গে স্কুলে মজুত রাখা চাল ডাল খেয়ে সব নষ্ট করে রাত এগারোটা নাগাদ ফের জঙ্গলে ফিরে যায় হাতিটি।
শুক্রবার দুপুর একটা নাগাদ বনকর্মিঅনাকর্মীরা এসে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলটি পরিদর্শন করে যায়।
বার বার অভিযোগ উঠছে তৃণমূলের এই বিধায়কের বিরুদ্ধে, পর্যবেক্ষণ দলের।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১০/০৭/২০২৫ : অভিনেতা তথা তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের বিরুদ্ধে চিকিৎসকদের ওপর দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠল। কলকাতার স্কুল অফ ট্রপিক্যাল ইনস্টিটিউটের এক ডাক্তারের সাথে কাঞ্চন মল্লিকের ও তাঁর স্ত্রী শ্রীময়ী মল্লিক দুর্ব্যবহার করেছেন, এমনটাই অভিযোগ উঠেছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে কোনো একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয় দ্রুত করে দেওয়ার নির্দেশ কাঞ্চন দিয়েছিলেন কর্তব্যরত চিকিৎসককে। তখন ঐ চিকিৎসক প্রতিবাদের সুরে বলেন, কাঞ্চন মল্লিক এভাবে তাঁকে নির্দেশ দিতে পারেন না। অভিযোগ, তখন কাঞ্চন নাকি তাঁকে বদলি করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন এর রেসিডেন্ট ডাক্তারদের সংগঠন প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠে। ঐ হাসপাতাল ক্যাম্পাসের ভিতর পোস্টার পড়ে। কাঞ্চন মল্লিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করার দাবি ওঠে। এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা কালো ব্যাজ পড়ে ডিউটি করেন।
পহেলগাঁওয়ের হত্যাকাণ্ডের পর বাঙালি পর্যটকেরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন কাশ্মীর থেকে, ফলে স্বভাবতই প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে কাশ্মীর পর্যটনে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ]কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১০/০৭/২০২৫ : পর্যটন মরসুমে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য পর্যটকে ভরা থাকছে বললেও, সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন পর্যটকের খোঁজেই। অপেক্ষাকৃত ফাঁকা কাশ্মীরকে পর্যটনে ভরাতে।
জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুজনেই বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার সদস্য। তাই রাজনৈতিক কিছু বাধ্যবাধকতা থাকলেও মূলত এই রাজ্যে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ছুটে এসেছিলেন পর্যটকের খোঁজেই। অবশ্য এটা ঠিক যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে পর্যটন ছাড়াও অন্যান্য বিষয়গুলি নিয়ে পারস্পারি সহযোগিতার কথাবার্তাও হয়েছে দুজনের মধ্যে। মমতাকে জম্মু ও কাশ্মীর যাওয়ার জন্যে আমন্ত্রণও জানিয়ে গিয়েছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।
ওমর আবদুল্লা বলেন, “আমি পর্যটকে ভরা কাশ্মীর উপত্যকা যেমন দেখেছি, তেমন ফাঁকা কাশ্মীরকেও দেখেছি। পর্যটকে ভরা ডাল লেক দেখেছি, আবার একেবারে ফাঁকা ডাল লেকও দেখেছি। তবে এই মুহূর্তে কাশ্মীর উপত্যকা ফাঁকা নেই. আপনারা মনে করবেন না, যে ফাঁকা কাশ্মীর নিয়ে আমি আপনাদের সামনে এসেছি। এই মুহূর্তে কাশ্মীরে অমরনাথ যাত্রীরা রয়েছেন, এছাড়াও আছেন বেশ কিছু পর্যটক। পহেলগাঁওয়ের কিছু জায়গা ছেড়ে ( যেখানে নিরাপত্তার কারণে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে), সেই জায়গাগুলি ছাড়া কাশ্মীরের সর্বত্রই পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করা হয়েছে। সুতরাং আপনারা নিশ্চিন্তে কাশ্মীর ভ্রমন করতে পারেন। ফের একবার আবিষ্কার করুন জম্মু ও কাশ্মীরকে।”
দুটি ইস্যুই যথেষ্ট সিরিয়াস ইস্যু, তাই এই মিছিল শিলিগুড়িবাসীর কাছে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ১০/০৭/২০২৫ : দার্জিলিং জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিবাদ মিছিল শনিবার, দুই ইস্যুকে কেন্দ্র করে পথে নামছে শাসকদল।
শনিবার দার্জিলিং জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শিলিগুড়িতে আয়োজিত হতে চলেছে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিল। বাঘাযতীন পার্ক থেকে শুরু হয়ে মিছিল পৌঁছাবে এয়ার ভিউ মোড় পর্যন্ত। দলের তরফে জানানো হয়েছে, দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে সামনে রেখে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি।
প্রথমত, দিনহাটায় এক রাজবংশী ব্যক্তিকে এনআরসি-র নামে নোটিশ দিয়ে “বিদেশি” তকমা দেওয়ার প্রতিবাদেই এই মিছিল। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, এই ধরনের পদক্ষেপ রাজ্যের আদিবাসী এবং রাজবংশী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত আঘাত। তৃণমূল কংগ্রেস এর তীব্র বিরোধিতা করে।
দ্বিতীয়ত, সম্প্রতি শিলিগুড়ি শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে বিরোধী দলের প্ররোচনায় যেভাবে অশান্তি এবং গোষ্ঠী সংঘর্ষের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তারও প্রতিবাদ জানাতে পথে নামছে শাসকদল। দলীয় নেতৃত্বের দাবি, এই ঘটনাগুলি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও বিভাজন তৈরির ষড়যন্ত্র।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], গয়েশপুর, নদীয়া, ০৯/০৭/২০২৫ : আজ সকালটা ছিল একটু অস্বাভাবিক। পাড়ার পরিচিত পথকুকুর ‘কালু’র আজ শেষ দিন। সাধারণত শান্ত স্বভাবের প্রাণীটি।
হঠাৎ আজ যা ঘটলো সভ্য সমাজে মানা যায় না। আচমকা কালু ঢুকে পড়ে আমাদের পাড়ার পাশের স্কুলে। তখন চলছে ক্লাস, শিক্ষকরা আশেপাশেই। কালুকে দেখে আতঙ্ক ছড়ায়, কিন্তু ওকে ধরা বা রক্ষা করার কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
বরং সিদ্ধান্ত হয়, ‘ওকে মেরে ফেলতে হবে’। আর সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে স্কুলের ছাত্ররাই—শিক্ষকদের উপস্থিতিতে, বলা যায় শিক্ষকদের সাপোর্টেই এটা করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা গেছে গয়েশপুর নেতাজি বিদ্যামন্দিরের, স্কুল ইউনিফর্ম পরা ছাত্ররা ঘিরে ধরে কালুকে এবং বারবার আঘাত করে মাথায়, শরীরে। শিক্ষকদের ব্যবহার দেখে আজ সত্যি বলতে লজ্জা করছে যে এই এলাকার বহু প্রতিষ্ঠিত মানুষ একসময় এই স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন।
এই ঘটনা শুধুই একটি কুকুর হত্যার নয়। এটি সেই ভয়ঙ্কর শিক্ষা ব্যবস্থার নগ্ন প্রকাশ, যেখানে সহানুভূতির পরিবর্তে শিখানো হচ্ছে হিংসা। যেখানে শিক্ষক আর আদর্শ নন, বরং নীরব দর্শক। যেখানে ছাত্রদের খুন করানো শেখানো হচ্ছে। আজ কুকুর মারছে কাল তো মানুষ খুন করবে!
আজ কালু মরে গেছে। কাল হয়তো আরেকটা কালু মরবে, অন্য কোথাও, অন্য কোনও ‘শিক্ষিত’ হাতে। প্রশ্ন একটাই—এই যে স্কুল প্রাঙ্গণেই সহিংসতার চর্চা চলছে, তার ভবিষ্যৎ কী?
আমরা কি বাঁচতে চাই এক এমন সমাজে, যেখানে শিক্ষা নয়, মৃত্যুই সহজ সমাধান?
একটু থামুন। ভাবুন।
পথের প্রাণীরাও আমাদের পৃথিবীর বাসিন্দা। সহানুভূতি হারালে মানুষও একদিন ‘পশু’র চেয়েও হিংস্র হয়ে উঠবে। যেটা স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ হয়ে উঠেছে।
একদিকে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন, আর একদিকে সেতুর ভগ্নদশা।
ছবি এএনআই সৌজন্যে
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], ভাদোদরা, গুজরাট, ০৯ / ০৭/২০২৫ : গুজরাটের ভাদোদরার কাছে আজ একটি সেতু ভেঙে পড়েছে, এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কিছু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।
গুজরাটের আনন্দ ও ভাদোদরার মধ্যে সংযোগকারী গম্ভীরা সেতুটি আজ ভেঙে পড়েছে। ঐ সেতুর ওপর দিয়ে ছুটে যাওয়া প্রায় চার পাঁচটি গাড়ি নিচে মহিসাগর নদীতে গিয়ে পড়েছে। একটি তেলের ট্যাংকারকে বিপজ্জনকভাবে ঝুলে থাকতে দেখা গিয়েছে। বেশ কিছু গাড়ি অল্পের জন্যে বেঁচে গেলেও নিজেদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি করেছে বেশ কয়েকটি গাড়ি।
আজ সকালে গম্ভীরা সেতুটির একাংশ হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে। এই ঘটনায় আজ মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে। আহত হয়েছেন বেশ কিছু মানুষ। তাঁদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েকজনের আঘাত গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে এবং নিহতদের পরিবারের জন্যে ২ লক্ষ টাকা বলে ঘোষণা করেছেন। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।
বিভিন্ন দাবী তুলে ভোটের আগে রাজনৈতিক শক্তি ঝালিয়ে নেওয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় কৌশলটি হল বনধ ডাকা।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা ,পশ্চিমবঙ্গ, ০৯/০৭/২০২৫ : বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়নগুলোর ডাকা ভারত বনধে আজ রাজ্য জুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। কোথাও যানবাহন চলাচল মোটামুটি স্বাভাবিক থেকেছে, আবার কোথাও প্রবলভাবে পালিত হচ্ছে হরতাল।
অশোকনগর বিল্ডিং মোড়ে যশোর রোড ও হাবড়া এক নম্বর রেলগেটের কাছে যশোর রোড অবরোধ করলো বামপন্থী কর্মী সমর্থকরা । শ্রমকোড বাতিলসহ একাধিক ইস্যু নিয়ে বামপন্থী শ্রমিক ইউনিয়নের তরফে আগেই বুধবার ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। তারই অঙ্গ হিসাবে সকাল থেকে চলছে বিভিন্ন জায়গায় মিছিল ও অবরোধ।
শ্রম কোড বাতিল, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের বেসরকারিকরণ বন্ধ সহ বিভিন্ন দাবিতে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকা ১২ ঘন্টা সাধারণ ধর্মঘটের আংশিক প্রভাব পড়ল বাঁকুড়া শহরের বাস চলাচলে। সকালের দিকে বাঁকুড়া শহরের কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড গোবিন্দনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে, যে সমস্ত বাস বিভিন্ন রুটে ছেড়ে যায় তার একাংশ ছেড়ে গেলেও বহু বাস এদিন নিজস্ব রুটে বের হয়নি। যে সমস্ত বাস নিজস্ব রুটে বেরিয়েছে সেগুলিতেও একদিকে ধর্মঘট আর অন্যদিকে লাগাতার বৃষ্টির জেরে যাত্রীর সংখ্যা রয়েছে হাতেগোনা।
আজ সকাল আটটা নাগাদ বালি বাদাম তলার কাছে কেন্দ্রীয় সরকারের শ্রম বিরোধী নীতির প্রতিবাদে ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশন গুলির ডাকা সর্বভারতীয় সাধারণ ধর্মঘট। উদ্দেশ্যে এবং গোটা পশ্চিমবঙ্গে আইন- শৃঙ্খলার লাগামহীন অবনতির প্রতিবাদে সাধারণ ধর্মঘট। রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।
ডোমজুড়ে সিপিএম কর্মীদের জোর করে রাস্তায় বাস এবং লরি থামানোর পাশাপাশি দোকান বন্ধের চেষ্টা চোখে পড়েছে। আজ সকালে ডোমজুড় বাজারে সিপিএম কর্মীরা স্লোগান দিতে দিতে বাস এবং লরি থেকে চালকদের নামিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিরাট পুলিশ বাহিনী এবং রাফ। পুলিশ লাঠি চালাতে শুরু করলে সিপিএম কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এই ঘটনায় দুজন আহত হয়। ডোমজুড় থানার পুলিশ আটক করে দুজন সিপিএম কর্মীকে। ধর্মঘট এর সমর্থনে সল্টলেক করুণাময়ী মোড় অবরোধ করল সিপিআইএম ধর্মঘট সমর্থকরা। পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি বনধ সমর্থকদের। ধর্মঘট সমর্থকদের আটক করল বিধান নগর পুলিশ।
রিষড়া ও কোন্নগর স্টেশনের মাঝে ট্রেন অবরোধ করা হয় । ধর্মতলা কে সি দাসের সামনে বাস আটকানোর চেষ্টা করা হয়, পুলিশের উদ্যোগে বড় কোনো ঘটনা ঘটে নি।
বৃষ্টি উপেক্ষা করেই বনধের সমর্থনে নবদ্বীপের রাস্তায় নেমেছিলেন বন্ধ সমর্থনকারীরা। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিভিন্ন জনবিরোধী মূলত শ্রমিক বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে বাম সহ সমস্ত শ্রমিক সংগঠন মিলে আজ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে দেশ জুড়ে। আর এদিন এই ধর্মঘটের প্রভাব পড়তে দেখা গেল নবদ্বীপেও। এদিন বন্ধ থাকতে দেখা গেলো নবদ্বীপ বাসস্ট্যান্ডের বাস পরিষেবা। পাশাপাশি নবদ্বীপ ফেরিঘাটও বন্ধ করে দেয় বন্ধ সমর্থনকারীরা, ধর্মঘটের জেরে বন্ধ থাকে নবদ্বীপ ঘাট বাসস্ট্যান্ড থেকে কৃষ্ণনগরের সকল বাস পরিষেবাও। এছাড়াও ধর্মঘটের সমর্থনে শহর জুড়ে মিছিল করতে দেখা যায় বনধ সমর্থনকারীদের।
মালদার মানিকচক ব্লকে বনধের ব্যাপক প্রভাব। বনধের জেরে বুধবার সকাল থেকেই মানিকচক, মথুরাপুর সহ বিভিন্ন হাট-বাজার বন্ধ। খোলেনি দোকানপাট। রাস্তায় সেভাবে দেখা মেলেনি যানবাহনের। তারমধ্যেই চলছে বনধ সমর্থনকারীদের পিকেটিং। পুলিশের সামনেই বনধ সফল করতে হাট-বাজার, দোকানপাটে সর্বাত্মক বনধের রূপ দিতে মরিয়া বনধ সমর্থনকারীরা। নরমে-গরমে চলছে বনধ সফল ক্রার মরিয়া চেষ্টা।
আজ বুধবার দেশ জুড়ে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে একাধিক বাম শ্রমিক সংগঠন সহ কেন্দ্রীয় বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশন সমূহের ডাকে। সেই মোতাবেক আজ সকাল থেকে এই বন্ধের মিশ্র প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুর জুড়ে। সকাল গড়ালেও বাজারের বেশিরভাগ দোকান রয়েছে বন্ধ, এছাড়াও স্কুল, কলেজ সহ শহর জুড়ে সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানেও ঝোলানো রয়েছে বন্ধ সমর্থনকারীদের ঝান্ডা। অন্যদিকে এই বন্ধের জেরে রাস্তায় যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে রীতিমতো সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে যাত্রী সাধারণ। সকাল থেকে কিছু সরকারি বাস ও হাতেগোনা কিছু বেসরকারি বাস ছাড়া বেশিরভাগ বাসই রয়েছে বন্ধ। ফলে আজ সকাল থেকে প্রতিপদে নানাবিধ সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
সিটু, আইএনটিইউসি সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে বুধবার সাত সকালেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল মালদায়। মালদা শহরের বনধ সফল করতে রাস্তায় নামলেন বনধ সমর্থনকারীরা। পিকেটিং করলেন শহরের বিভিন্ন এলাকায়। পাল্টা বনধ ব্যর্থ করতে রাস্তায় নেমে জনজীবন সচল রাখার আহ্বান জানালেন তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির নেতাকর্মীরা। ফলে দুপক্ষই শহরের রাস্তায় মুখোমুখি হন। যার জেরে ব্যাপক উত্তেজনাময় পরিস্থিতি তৈরি হয়। পাশাপাশি পুলিশের সঙ্গেও বনধ সমর্থনকারীদের বচসার ছবি নজরে আসে। সব মিলিয়ে বুধবার সকাল থেকেই ধর্মঘটের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায় মালদা শহরের বুকে।
১৭ দফা দাবির ভিত্তিতে সারা ভারত জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বামফ্রন্ট আর ধর্মঘট সফল করতে পুরাতন মালদার মঙ্গলবাড়ী চৌরঙ্গী এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখান বামফ্রন্টের নেতাকর্মীরা। এদিন সরকারি বাস থেকে বিভিন্ন লরি ও অন্যান্য যানবাহন বন্ধ করার আবেদন জানিয়ে সরব হন তাঁরা। এদিন এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন বামফ্রন্ট নেতা প্রবীর লাহিড়ী, সাধন দাস সহ আরও বামফ্রন্টের নেতা কর্মীরা। অন্যদিকে যাতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সে উপস্থিত ছিল মালদা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।
হলদিয়ায় রেল অবরোধের চেষ্টা ধর্মঘটিদের, লাঠি উঁচিয়ে অবরোধকারীদের দিকে তেড়ে গেলো পুলিশ, রেল পুলিশের সাথে বচসায় জড়ালেন ধর্মঘটিরা। শিল্প শহরে সকালে ট্রেন অবরোধ করে বাম সমর্থকরা। হটিয়ে দেয় পুলিশ । ৯ই জুলাই ধর্মঘটের সমর্থন করে ,ট্রেন অবরোধ করছেন বাম সমর্থকরা। পুলিশ প্রশাসন ধর্মঘটিদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন! হলদিয়া বন্দর রেল স্টেশনে ,ট্রেন অবরোধ করে বাম সমর্থকরা। রেল পুলিশের সাথে বচসায় বাম সমর্থকরা। ধর্মঘটীদের সরিয়ে দেয় পুলিস। এরপরেই রাজ্য সড়কে হলদিয়ায় বাস আটকানোর চেষ্টা করে ধর্মঘটী বাম সমর্থকরা ।
কোলাঘাটে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ বাম কর্মী সমর্থকদের,রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে ,পুলিশের সাথে বচসার পরে বিক্ষোভ তুললেন বামকর্মীরা। বামেদের ডাকে ধর্মঘটের ব্যাপক প্রভাব কিছুটা পড়লো পূর্ব মেদিনীপুরে। সকাল সকাল সরকারী বেসরকারী কিছু বাস চললেও পরে জেলার বিভিন্ন জায়গায় বাম কর্মীসমর্থকেরা বিক্ষোভ অবরোধে সামিল হয়।সেরকমই পাঁশকুড়ার মেছোগ্রামে ১৬ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বাম কর্মী সমর্থকরা।প্রায় মিনিট ১ ঘণ্টা অবরোধ করে বাম কর্মীসর্থকেরা।চলে পুলিশের সাথে বচসা। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ উঠে যায়।
হাওড়া শহরের চিত্রটা আর অন্যদিন কর্মব্যস্ত কাজের মতনই দেখা গেল। একদিকে যেমন হাওড়া স্টেশন হাওড়া ব্রিজ হাওড়া লঞ্চঘাট সর্বত্রই স্কুল কলেজ অফিস যাত্রীদের ভিড়। বিভিন্ন জায়গায় বামপন্থী সংগঠনের কর্মীরা, জোর করে বন্ধ সফল করবার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয় দু’ এক জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া মোটের মধ্যে স্বাভাবিক ছন্দেই ছিল হাওড়া শহর; কার্যত বন্ধকে সফল করতে দেয়নি প্রশাসন। বা সাধারণ মানুষ সব মিলিয়েই আজকে বন্ধ অসফল বলেই মনে করছে সাধারণ মানুষ। বামপন্থী সংগঠনের ট্রেড ইউনিয়নের ডাকে সাধারণ ধর্মঘটে আজ হাওড়া উলুবেরিয়া স্টেশনের অদূরে, উলুবেরিয়া ব্রিজের নিচে রেললাইন অবরোধ করেন বামফ্রন্টের কর্মীরা। এর ফলে বোন প্রায় ১৫ মিনিট বন্ধ হয়ে যায় দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ট্রেন চলাচল। পরে ঘটনাস্থলে আরপিএফ জিআরপি এসে বন সমর্থনকারীদের সরিয়ে দেন ট্র্যাক থেকে স্বাভাবিক হয় ট্রেন চলাচল।
সারা ভারত সাধারণ ধর্মঘট। বাম সমর্থিত ট্রেড ইউনিয়নগুলি একত্রিতভাবে এবং অবিজেপি ট্রেড ইউনিয়নগুলি একত্রিতভাবে এই আন্দোলনে ডাক দেয়। সেরকমই সকাল থেকেই রাজ্য তথা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বনধকে সমর্থন করতে উদ্যোগী হয়েছে বাম সমর্থিত ট্রেড ইউনিয়ন গুলি। এদিন নদীয়ার কৃষ্ণনগরে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই বাম ট্রেড ইউনিয়ন সি আই টি ইউ পক্ষ থেকে বনধকে সফল করার ডাক দিয়ে মিছিল করে এবং রাস্তায় যে সমস্ত সরকারি বাস চলাফেরা করছে সেগুলিকে আটকে দিয়ে যাত্রীদেরকে নামিয়ে দেয়া হয়। কৃষ্ণনগর শহরের একাধিক জায়গায় এই মিছিল বার করে সি আই টি ইউ কর্মী সমর্থকরা।
শিলিগুড়ি হিলকার্ট রোড এলাকায় পুলিশের টুপি ছিনিয়ে নিল বন্ধ সমর্থককারীরা। মাটিগাড়া ও শিব মন্দির অঞ্চলে দোকানপাট একরকম জোর করেই বন্ধ কর দেয় বনধ সমর্থনকারীরা। বনধকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল শিলিগুড়ি মহকুমার নকশালবাড়ির সাতভাইয়া মোড় এ এশিয়ান হাইওয়েতে।বনধকে ঘিরে যান চলাচল বন্ধ করতে চাইলে শাসক দলের শ্রমিক সংগঠনের সাথে শুরু হয় বচসা শুরু হয়ে যায়। নকশালবাড়ির সাতভাইয়া এশিয়ান হাইওয়েতে বনধ সমর্থনকারীরা বলপূর্বক স্লোগান করে রাস্তা অবরোধ করে যানবাহন আটকে দেয়। পরবর্তী সেখানে উপস্থিত হয় রাজ্যের শাসক দলের শ্রমিক সংগঠন। আইএনটি টিউসি কর্মী সমর্থকরা। তারা আন্দোলনকারীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। রাস্তায় আটকোনো যানবাহন স্বাভাবিক করে দেয়। যার ফলে দুপক্ষের মধ্যে শুরু হয় ব্যাপক বচসা ও হাতাহাতি। বনধ সমর্থনকারীদের অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতে আইএনটিটিউসি কর্মীরা তাদের ওপর চরাও হয়। মারধর করা হয় তাদেরকে। ঘটনা স্থলে রয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় পুলিস একজনকে আটক করেছে ।
বুধবারের ১২ ঘণ্টার সাড়া ভারত ধর্মঘটে কার্যত বিচ্ছিন্ন জলপাইগুড়ি শহর এবং জেলার স্বাভাবিক জনজীবন। এদিন সকাল থেকেই ধর্মঘট ডাক দেওয়া বামপন্থী এবং জাতীয় কংগ্রেস দলের শাখা সংগঠন তাদের সর্ব শক্তি নিয়ে বিভিন্ন স্থানে পিকেট শুরু করে যার মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা জেলা ডাক ঘর ,রেল স্টেশন, দুরভাষ অফিস গুলো প্রমুখ, এছাড়াও রাজ্যে সরকারের অধীন উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার ডিপোতে বাস চালক দের এই সাধারণ মানুষের স্বার্থে আহ্বান করা এই ধর্মঘটকে সফল করতে সহযোগিতার আবেদ করেন । যদিও রাজ্যে পুলিশ জলপাইগুড়ি শহরের শান্তি পাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে সকালেই ৭ জন ধর্মঘটিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে, এছাড়াও শহরের অন্যতম ব্যাস্ত বাজার বউ বাজার এলাকায় পুলিশ দোকান খোলা রাখার কথা বলে এবং ধর্মঘটিদের আটক করে স্বয়ং জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। বেলা গড়াতেই ধর্মঘট সফল করতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা নির্মল ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে জেলা আদালতের প্রবেশ গেটে অবস্থান শুরু করে।যদিও ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তায় মধ্যে দিয়ে জেলা আদালতের বিচারক দের আদালত চত্বরে প্রবেশে করায় পুলিশ। এই স্থানে আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা জাতীয় কংগ্রেস দলের সদস্য নির্মল ঘোষ দস্তিদার বলেন,শ্রমিকদের স্বার্থে আজকের এই ধর্মঘট ,কারন কেন্দ্রিয় সরকারের নতুন শ্রম আইন সম্পূর্ণ ভাবে শ্রমিক স্বার্থ বিরোধী, আমরা সবাই সেই কারণেই আজ ধর্মঘটের সমর্থনে পথে নামতে বাধ্য হয়েছি, অথচ রাজ্যে সরকার পুলিশ দিয়ে এই ধর্মঘট ভাঙার চেষ্টা করছে। অপরদিকে বুধবারের ধর্মঘটের ব্যাপক সাড়া পরে জলপাইগুড়ির প্রধান ব্যবসায়িক স্থান দিন বাজারে ,একমাত্র ওষুধের দোকান ছাড়া সকাল থেকেই বন্ধ অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গুলো।রাজ্যে সরকারের অফিস গুলিতে কিছু সংখ্যক কর্মচারী উপস্থিত থাকলেও বেসরকারি পরিবহন মালিকেরা রাস্তায় বাস না চলানোর কারনে জেলা শাসকের কার্যালয়ে অন্যান্য দিন বিভিন্ন কাজ নিয়ে আসা মানুষের ভিড় শূন্য ছিলো বুধবার।রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সব গুলো শাখার সামনে ধর্মঘটি বামপন্থী এবং কংগ্রেস দলের সদস্যরা অবস্থান করায় নির্দিষ্ট সময়ে ব্যাংক খোলা যায়নি বলে জানা গিয়েছে। শহরের রাস্তায় হাতে গোনা কয়েকটি টোটো চলতে দেখা গিয়েছে বুধবার।
শ্রমিকদের বনধের আগের দিন চা বাগান বন্ধে বেকার হয়ে গেলেন সহস্রাধিক শ্রমিক
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], আমবাড়ি, জলপাইগুড়ি, ০৮/০৭/২০২৫ : বিনা নোটিশে হঠাৎই বন্ধ ডুয়ার্সের আমবাড়ি চা বাগান। মাথায় হাত শ্রমিক ও কর্মচারীদের।
রাতের অন্ধকারে বিনা নোটিশে চা বাগান বন্ধ করে চলে গেল বাগান কর্তৃপক্ষ। ডুয়ার্সের বানারহাট ব্লকের আমবাড়ি চা বাগান বন্ধ হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়লেন শ্রমিকরা। আমবাড়ি চা বাগানে প্রায় ১২০০ শ্রমিক কাজ করতেন।
জানা গেছে, ২৬ শে জুন চা বাগান মালিকদের সংগঠন ডিবিআইটিএতে একটি ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছিল। কিন্তু সেখানে কোনো সুরাহা মেলেনি। সেদিন চা বাগান কতৃপক্ষ শ্রমিকদের ১০ দিনের শালছুটিতে বসতে বলে। সেটা সমস্ত শ্রমিক ইউনিয়নেরা মেনেও নেয়। এরপর গত সোমবার সেই দিনটি শেষ হয়। স্বাভাবিকভাবেই শাল ছুটির পর মঙ্গলবার থেকে ফের চা বাগানে কাজ চালুর করা কথা।কিন্তু এদিন সকালে স্প্রে ওয়ার্কাররা ফ্যাক্টরির ভিতরে গিয়ে ওষুধপত্র নিতে গিয়ে দেখে স্টোররুমে তালা মারা রয়েছে।
এরপর তারা ম্যানেজারের বাংলোতে যায়। সেখানে গিয়েও দেখে বাংলোতেও তালা ঝোলানো রয়েছে।শ্রমিকেরা বুঝে যায় চা বাগান কতৃপক্ষ বাগান ছেড়ে চলে গিয়েছে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই শ্রমিকেরা ফ্যাক্টরির গেটের কাছে এসে জড়ো হতে শুরু করে। কেননা বাগান বন্ধ হয়ে গেলে কি করবেন শ্রমিকরা। তাই শ্রমিকরা চান সমস্যা মিটিয়ে দ্রুত চা বাগানটি খুলে যাক।
উত্তর কলকাতার এই অংশটাতে জল জমার ইতিহাস বেশ পুরোন। এত বছরেও সেভাবে সমাধান মেলেনি।
ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি এলাকা
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৮/০৭/২০২৫ : কাটছে না দুর্যোগ, টানা ৫ দিন ধরে চলছে বৃষ্টি, উত্তাল সমুদ্র থেকে ফিরছে একের পর এক মাছ ধরার ট্রলার।
কাটছে না দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। প্রায় পাঁচ দিন ধরে চলছে টানা বৃষ্টি, সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে উপকূলে ফিরে আসতে হচ্ছে মৎস্যজীবীদের। সমুদ্রে মাছ থাকলেও মৎস্যজীবীরা ধরতে পারছেন না। মূলত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে কোনও ট্রলার জাল ফেলে মাছ ধরতে পারছে না। কারণ এখন গভীর সমুদ্রে নোঙর করে দাঁড়ানোর মতো পরিস্থিতি নেই। তাই সব ট্রলার গুলি বাধ্য হয়েই উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করেছে।
এদিকে মাছ না ধরে সমুদ্র থেকে বারবার ফিরে আসার কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছেন মৎস্যজীবীরা। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া কাটলে আবারও ট্রলার গুলি মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্র পাড়ি দেবে। কিন্তু সমুদ্র শান্ত না হলে কিভাবে তাঁরা মাছ ধরবেন তা নিয়ে এখন চিন্তিত। তবে সমুদ্রে মাছ ধরার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর প্রথম দুই থেকে তিন দিন জালে ভালো মাছ পড়েছিল।
এরপর থেকেই হঠাৎই সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠে। এখন বেশিরভাগ সময়েই মৎস্যজীবীরা ট্রলার নিয়ে উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছে বলে, মৎস্যজীবী সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে।
আজ সকাল ৬:০০ পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে — Maniktala – 31 mm, Duttabagan – 30 mm, Marcus Sq. – 23 mm., Ballygunge – 35 mm, Chetla – 25 mm, Mominpur – 38 mm, Kalighat – 28 mm. Jodhpur park – 133 mm, Kamdahari -53 mm, Palmer bridge- 37 mm, Thanthania -31mmBehala f.c.- 27.4 mm, Joka- 21 mm, Dhapa- 34 mm, Topsia – 31mm, Ultadanga – 26 mm.