৫ লক্ষ টাকারও বেশি দিয়ে কেনা হয়েছিল এ কে ৪৭ বন্দুক

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২২/১১/২০২৫ : দিল্লী বিস্ফোরণ তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই দেখা যাচ্ছে শুধুই আত্মঘাতী বিস্ফোরণ নয়, বরং আরও বড় নাশকতার ছক কষেছিল জঙ্গীরা। আরও বেশ কিছু মানুষকে হত্যাকরার পরিকল্পনা ছিল নরাধম জঙ্গীদের।
নভেম্বর মাসের ১০ তারিখে লাল কেল্লার সামনে যে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল, সেই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ১৫ জন মানুষের।জখম হয়েছিলেন আরও বেশ কিছু মানুষ। দেশের রাজধানীর রাজপথে বোমা ভর্তি গাড়ি নিয়ে এসে নিজেকে উড়িয়ে দিয়েছিল সন্ত্রাসবাদী ড. উমর নবী. এই ঘটনায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের নাম ড. মুজাম্মিল শাকিল গানই, কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা, ড. আদিল আহমেদ রাঠের , অনন্তনাগের বাসিন্দা, ড. শাহীন সাঈদ , উত্তরপ্রদেশের লখনৌ এর বাসিন্দা এবং মুফতি ইরফান আহমেদ, কাশ্মীরের সোপিয়ান অঞ্চলের বাসিন্দা। এছাড়াও জম্মু ও কাশ্মীর থেকে আরও কয়েকজন ডাক্তারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জন্য গিয়েছে।
ধৃত ডাক্তারদের মধ্যে মুজাম্মিল হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল প্রায় ২৫০০ কিলোগ্রাম এমোনিয়াম নাইট্রেট। এই বিপুলপরিমান এমিনিয়াম নাইট্রেট বোমা তৈরি কাজে লাগানোর পরিকল্পনা ছিল, এগুলি উদ্ধার করা হয়েছিল ফরিদাবাদ থেকে। মুজাম্মিলকে জেরাকরে জানা যাচ্ছে, সে ৫ লাখেরও বেশি টাকা দিয়ে একটি একে ৪৭ স্বয়ংক্রিয় বন্দুক কিনেছিল। এই বন্দুকটি উদ্ধার করা হয়েছিল আদিলের লকার থেকে। যেভাবে ঐ বন্দুক কেনা হয়েছিল, তাতে যে মডিউলের নাম উঠে আসছে তা থেকেই বোঝা যায় এই সন্ত্রাসবাদীরা আরও বড় কোনো নাশকতার ছক কষেছিল. এদেরকে সাহায্য করার জন্যে আরও কোনো বড় শক্তি কাজ করেছিল।
তদন্তে এও জানা গিয়েছে যে ধৃতেরা প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা মডিউলের সাথে যোগাযোগ রাখছিল, এরা স্থানীয় স্লিপিং সেলকে সক্রিয় করে তোলার চেষ্টা করছিল। তদন্তকারী আধিকারিকরা তদন্ত করতে গিয়ে নিশ্চিত হয়েছেন যে ধৃতদের মধ্যে মুজাম্মিল, আদিল ও আর এক অভিযুক্ত মুজাফ্ফর আহমেদ ২০২২ সালে তুর্কিতে গিয়েছিল এবং এরা সেখানে গিয়ে ওসাকা নামে একজনের সাথে যোগাযোগ করেছিল যে কিনা তেহেরিক ই তালিবান (পাকিস্তান) এর সক্রিয় সদস্য। উমর নবী ছিল বোমা বিশেষজ্ঞ। সে বোমা বানানোর নানারকম ভিডিও দেখতো এবং দিল্লী বিস্ফোরণের যাবতীয় সামগ্রী সেই জোগাড় করেছিল বলে জানা যাচ্ছে।
![]()