ইংলন্ডের লর্ডসের মাঠে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিয়ে সপ্তমবারের মত টি-২০ বিশ্বকাপ জিতে নিল অস্ট্রেলিয়ার মহিলা ক্রিকেট দল। ফাইনালের এই ম্যাচে জয়ের জন্যে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ১৫১ রান। সেই রান তারা ১৭.১ ওভারেই তুলে নিয়ে টুর্নামেন্ট জিতে নিয়ে যায়। ইংল্যান্ডের ১৫০ রান তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার বেথ মুনি দাপটের সাথে ব্যাটিং করে মোট ৬৪ রান তুলেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যে খুশি ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকর। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “দারুন খেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার মহিলা ক্রিকেটাররা। যোগ্য দল হিসেবেই জিতেছেন তাঁরা। ট্রফি ঘরে আনার জন্যে ফাইনাল ম্যাচে ঠিক যা কিছু করার প্রয়োজন ছিল, তা সবকিছুই যথাযথভাবে পালন করেই ট্রফি তুলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০৭/২০২৬ : শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জন্মদিন উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি দিল রাজ্য সরকার। ইকো পার্কে বসতে চলেছে শ্যামাপ্রসাদের বৃহৎ মূর্তি।
ভারতীয় জন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি। রাজ্যে ক্ষমতায় এসে প্রথমবার তাঁর জন্মদিবস পালন করছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আজ রাজ্যের সর্বত্রপালিত হবে শ্যামাপ্রসাদের জন্মদিন। কলকাতার ইকো পার্কে যেখানটায় বড় একটা ঝিল আছে, সম্ভবত তার পাশেই স্থাপিত হবে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ১২৫ ফুট উঁচু একটি মূর্তি। এই মূর্তি যেখানে বসানো হবে আজ সেখানে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করতে দিল্লী থেকে উড়ে আসছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ শ্যামাপ্রসাদের বসতবাড়িতেও যেতে পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আজ ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলীয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে যাত্রা করার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও স্মরণ করেছেন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে।
রাজ্যের বিভিন্ন = জায়গায় শ্যামাপ্রসাদের জন্মদিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠান পালন করা হচ্ছে। শিলিগুড়ির মাল্লাগুড়িতে বিজেপি দপ্তরে আজ একটি অনুষ্ঠান পালন করা হবে এবং শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে মাল্যদান করা হবে। এই প্রথম শ্যামাপ্রসাদের জন্মদিবসে সরকারি ছুটি দিয়েছে রাজ্য সরকার।
আজ খবর (বাংলা) [দেশ], পহেলগাঁও, জম্মু ও কাশ্মীর, ০৬/০৭/২০২৬ : পবিত্র অমরনাথ যাত্রার উদ্দেশ্যে আজ কাশ্মীরের পহেলগাঁও থেকে চতুর্থ দল রওনা দিল।
গত ৩রা জুলাই থেকে ২৮শে আগস্ট পর্যন্ত ৫৭ দিনের এই তীর্থযাত্রাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায় হিন্দুদের মধ্যে। অমরনাথ গুহা দর্শনের জন্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত \ তো বটেই বিদেশ থেকেও প্রতি বছর ভারতীয় হিন্দুরা ভীড় জমান। এই বছর ফের অমরনাথ যাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। প্রচুর ভক্ত ইতিমধ্যেই পহেলগাঁও থেকে শেষনাগ, পিশুটপ হয়ে অমরনাথ গুহার পথে পা বাড়িয়েছেন ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনি তুলে।
পহেলগাঁও বৈশরন উপত্যকায় পর্যটকদের ওপর পাক জঙ্গীদের নারকীয় হত্যার ঘটনার পর থেকেই অমরনাথ যাত্রার জন্যে নিরাপত্তা যথেষ্ট মজবুত করেছে সেনাবাহিনী। যাত্রার অনেক আগে থেকেই অমরনাথ যাত্রার প্রত্যেকটি জায়াগায় টহল দেওয়া ছাড়াও ডিজিটাল ম্যাপিং করেছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ড্রোনের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগানো হয়েছে। প্রচুর পরিমাণে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে অমরনাথ যাত্রা পথে. এই বছর অবশ্য হেলিকপ্টারে অমরনাথ যাত্রা বন্ধ রাখা রয়েছে নিরাপত্তার কারণেই।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৫/০৭/২০২৬ : রাজ্যের চা বাগান শ্রমিকদের জন্যে উন্নয়ন প্রকল্প ঘোষণা করলো রাজ্য সরকার।
ভোটের আগে উত্তরবঙ্গে প্রচারে গিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব কথা দিয়েছিল যে চা বাগান শ্রমিকদের উন্নয়ন কল্পে কাজ করবে রাজ্য সরকার। চা বাগান শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছিলেন “চা বাগান শ্রমিকদের” জমির পাট্টা দান করা হবে।” ভোটে জিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও দার্জিলিং সফর করে চা বাগান শ্রমিকদের উন্নয়নের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এবার সেই প্রকল্প বাস্তবের মুখ দেখতে চলেছে। চা বাগান শ্রমিকদের জন্যে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন চা শ্রমিক প্রকল্প ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ” উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের ক্রমাগত এবং মসৃন উন্নয়নের জন্যে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এই পদক্ষেপ এমন হবে যাতে বাস্তবে চা শ্রমিকদের উন্নয়ন হয়। তাঁরা যাতে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিরাপত্তাটুকু পান, এই কারনে আমরা শুরু করেছি প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিক প্রোৎসহোন যোজনা। এই প্রকল্পের জন্যে ৩১৩কোটি ৩০ লক্ষ্য টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। শ্রমিকদের শিক্ষা খাতে ১৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য উন্নয়ন খাতে খরচ করা হবে ৭২ কোটি টাকা। এছাড়াও ৬৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে গৃহহীন শ্রমিকদের আশ্রয়ের জন্যে, তৈরী করা হবে বেশ কিছু শেড। শ্রমিকদের উন্নয়ন প্যাকেজ পরিকল্পনা ও তা রূপায়ণ করার জন্যে একটি আলাদা কমিটি গঠন করা হচ্ছে।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ০২/০৬/২০২৬ : রাজ্যে তৃণমূল কর্মীদের ওপর ডিম্ থেরাপির নিন্দা করলো কলকাতা হাইকোর্ট, উচ্চ আদালতের বক্তব্যে খুশি তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
কল্যাণ ব্যানার্জিরা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে বলেছেন, “বিভিন্ন ধারায় তৃণমূল নেতা কর্মীদের পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার সময় তাদেরকে অন্যায়ভাবে অন্তর্বাস ও গেঞ্জি পরিয়ে জনসমক্ষে হাঁটতে বাধ্য করছে। জনসাধারণের সামনে কান ধরতে বাধ্য করছে, নাকে ক্ষত দেওয়াচ্ছে। বিজেপি কর্মীরা তাঁদেরকে লক্ষ্য করে ডিম ছুঁড়ে মারছে, গোবর লেপে দিচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা অনভিপ্রেত। আইনের তো”য়াক্কা না করেই এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনায় মানবাধিকার লংঘিত হচ্ছে।”
কল্যাণ ব্যানার্জির এই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট আজ একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রত্যেক থানাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, “এভাবে অভিযুক্তকে ডিম ছুঁড়ে মারা যায় না। এটা অন্যায় হচ্ছে।” হাইকোর্টের এই বক্তব্যকে হাসিমুখে স্বাগত জানিয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ ব্যানার্জি। রাজ্য সরকারকে হাইকোর্ট সতর্ক করে জানিয়েছে, “গ্রেপ্তারির ব্যাপারে সঠিক গাইডলাইন মেনে চলুন।”
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত,০১/০৭/২০২৬ : তিন দিনের ভারত সফরের জন্যে আজ টোকিও থেকে নতুন দিল্লীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। আর কিছুক্ষনের মধ্যেই তিনি ভারতে পৌঁছে যাবেন। নতুন দিল্লীতে তাঁকে স্বাগত জানাতে ভারত ও জাপানের দূতাবাস বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
জাপান ভারতের বন্ধু দেশ হিসেবে সর্বজনবিদিত। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর তিন দিনের এই ভারত সফর এবং তার সাথে ভারত-জাপান ১৬তম অ্যানুয়াল সম্মেলন দুই দেশের বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক নির্ভরশীলতাকে আরও সুদৃঢ় করে তুলবে এমনটাই আশা করছে দুই দেশ। ১ তারিখ থেকে ৩ তারিখ পর্যন্ত জাপানের প্রধানমন্ত্রী ম্যাডাম তাকাইচির সাথে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনেকগুলি বৈঠক ও কর্মসূচী রয়েছে। ভারতের সাথে জাপানের এই বার্ষিক আলোচনার টেবিলে কি বিশেষ কোনো আলোচনা উঠে আসতে চলেছে ?
দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে আলোচনায় উঠে আসতে পারে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়গুলি। আলোচিত হতে চলেছে দুই দেশের যোগাযোগ বিষয়ক পরিকল্পনা নিয়ে। সমুদ্রপথে দুই দেশের সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা হবে বৈঠকে। দুই দেশের সেনা শক্তি নিয়ে ও পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা হবে। উত্তর পূর্ব ভারত ও বঙ্গোপসাগরকে বাণিজ্যের কেন্দ্র করে তোলা বিষয়টিও উঠবে আলোচনার টেবিলে। ভারতের সাথে ১৬তম অ্যানুয়াল সামিটে জাপানের তরফ থেকেও কিছু নতুন প্রস্তাব আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যা হয়ত দুই দেশের জন্যেই আগামীদিনে মঙ্গলজনক হয়ে উঠতে পারে।
ভারতের এই মুহূর্তে যে এজেন্ডাগুলি আছে, তার মধ্যে অন্যতম হল, উত্তর পূর্ব ভারতকে এমন একটা জায়গায় প্রতিষ্ঠা করা, যাতে কলকাতা সহ সমগ্র উত্তর পূর্বাঞ্চল সমগ্র দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার শ্রেষ্ঠ এবং সর্ব বৃহৎ বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। আর সেটা করতে হলে বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরকে ঠিকমত ব্যবহার করতে জানতে হবে। এমনকি চীন বা জাপান সাগরেও নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। এক্ষেত্রে ভৌগলিক অবস্থানের বিচারে জাপানের সমর্থন ভারতের কাছে অত্যন্ত জরুরি। তাই বাণিজ্যিক এবং সেনা শক্তি দুই দিক থেকেই দুই দেশ গাঁটবন্ধন তৈরী করতে চাইছে। এতে দুই দেশেরই লাভ হবে বলে মনে করছে দুই দেশ। আবার অর্থনীতি, কূটনৈতিক এবং ভৌগলিক অবস্থানের কারণে জাপানও ভারতের মত শক্তিশালী একটি দেশের সমর্থন আদায় করতে চাইছে। তাই বন্ধু দেশ ভারতের সাথে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সফল করতে দুই দেশই আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ০১/০৭/২০২৬ : দেশের ৩১ তম সেনা প্রধান হিসেবে বুধবার দায়িত্ব গ্রহণ করেই দেশের সেনাবাহিনীকে নতুন আঙ্গিকে সাজিয়ে তোলার বার্তা দিলেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ।
আজ দেশের ৩১ তম আর্মি চিফ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ। এই দায়িত্ব গ্রহণ তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় সন্মান হিসেবে ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন “দেশ সর্বোপরি।” তাঁর এই পদোন্নতি তাঁকে আরও দায়িত্ববান এবং বিনয়ী হতে শেখাবে। এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত সম্মানের, তবে দেশ সব কিছুর আগে, দেশ সর্বোপরি।
নতুন দায়িত্ব নিয়েই জেনারেল ধীরাজ শেঠ ‘বিজয়’ নামে তাঁর একটি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। এই অনুযায়ী দেশের সেনাবাহিনীকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে মুড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। সেনাবাহিনীর প্রত্যেকটি ধাপে উন্নত প্রযুক্তি এবং সেই অনুযায়ী মানসিকতা তৈরী করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা সেনা বাহিনীগুলির অন্যতম ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেই সেনাবাহিনীকে আপা মস্তক একটি শ্রেষ্ঠ বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর হয়েছেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা ,পশ্চিমবঙ্গ, ০১/০৭/২০২৬ : রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর আজ থেকেই চালু হয়ে গেলো “জি রাম জি” প্রকল্পের ১২৫ দিনের কাজ।
ভোটের আগে থেকেই মোদীর গ্যারান্টি ছিল, রাজ্যের শ্রমিকরা ১০০ দিনের পরিবর্তে ১২৫ দিন কাজ পাবেন। সেই গ্যারান্টি অনুযায়ী রাজ্যে ১২৫ দিনের কাজ চালু হয়ে গেল আজ থেকেই। এই প্রকল্প জি রাম জি নামেই পরিচিত হল। এবার থেকে শ্রমিকদের মজুরি ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই সরাসরি তাঁদের ব্যাংক একাউন্টে পৌঁছে যাবে।
শ্রমিকদের মজুরি সরাসরি তাঁদের একাউন্টে পৌঁছে যাওয়ার ফলে মাঝখানে কেউ কাটমানি নিতে পারবে না। আর এই প্রকল্পে যাতে কোনো রকম দুর্নীতির জায়গা তৈরী না হয়, সেটা মনিটর করার জন্যে আগে থেকেই একটা কমিটি তৈরী করে দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ২ কোটি ৫৬ লক্ষ জব কার্ড হোল্ডার মানুষ উপকৃত হবেন। এই প্রকল্পের জন্যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ৬০:৪০ অনুপাতে অর্থ বরাদ্দ করেছে। কেন্দ্র সরকার দিচ্ছে ৮,৫০৮ কোটি টাকা এবং রাজ্য সরকার দিচ্ছে ৫,৬৭২ কোটি টাকা। আজ থেকেই রাজ্যে চালু হয়ে গেল জি রাম জি প্রকল্প।