
আজ খবর , নতুন দিল্লী, ভারত, ০৬/১১/২০২৬ : ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু বলপূর্বক পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মত ত্রিপুরা রাজ্যের যে অংশগুলিকে বাংলাদেশে শামিল করেছিলেন,সেই অংশগুলিকে পুনরুদ্ধার করার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে।

দুবে বলেছেন, “শুধুমাত্র পাক অধিকৃত কাশ্মীর ফেরত নেওয়াই নয়, এখন বাংলাদেশ থেকে নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধার করার সময় এসে গিয়েছে। জওহরলাল নেহেরু এই জায়গাগুলিকে জোর করে হস্তান্তর করেছিলেন।” বিজেপির এই সাংস দাবি করেছেন, ত্রিপুরার তৎকালীন রাজা বীর বিক্রম সিং ত্রিপুরা রাজ্যের জমি হস্তান্তর নিয়ে নেহেরুর সাথে অনেক আলোচনা করেছিলেন। অনেক প্রশ্ন করেছিলেন, এমনকি বিবাদেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। সেইসময় ত্রিপুরাকে টিপ্রা বলা হতো.

.বিজেপি নেতা বলেন, “জওহরলাল নেহেরু প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্যে মরিয়া প্রচেষ্টা করছিলেন, স্বাধীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্যে তাঁর মুসলিম লিগের সমর্থন দরকার ছিল। তাই মুসলিম লীগকে খুশি করতে ত্রিপুরা রাজ্যের কিছুটা অংশ পূর্ব পাকিস্তানের সাথে যোগ করে দেওয়া হয়েছিল। অথচ পূর্ব পাকিস্তানে যুক্ত হওয়া সিলেট, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ ছিল. ত্রিপুরার রাজা সেই সময় জওহরলাল নেহেরুকে বার বার প্রশ্ন করে চিঠি পাঠিয়েছিলেন,যে তিনি কিভাবে তিনি ত্রিপুরা রাজ্যের এই জায়গাগুলিকে পূর্ব পাকিস্তানেরসাথে যুক্ত করতে চাইছিলেন। ” ১৯৪৬ সালের ১৫ ই অক্টবর নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে দেওয়া হয়েছিল আর সেই ১০ হাজার হিন্দু প্রাণ হারিয়েছিলেন.”

নিশিকান্ত দুবে মনে করছেন, পাক অধিকৃত কাশ্মীর পুনরুদ্ধার করার সময় যেমন এসেছে, ঠিক তেমন নোয়াখালী, সিলেট এবং চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধার করার সময়ও এসে গিয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ব্যাপক বাণিজ্য করা যেত, সমগ্র উত্তর পূর্ব ভারতের উন্নয়ন থমকে গিয়েছিলো এই চট্টগ্রাম বন্দর হাত থেকে চলে যাওয়ার জন্যে। নিশিকান্ত বলেন, “ত্রিপুরা ভারতের সাথে যুক্ত হবে এই সিদ্ধান্ত ত্রিপুরার রাজ্ পরিবার নিয়েছিল ১৯৪৮ সালে। ১৯৪৭ এবং ১৯৪৮ এই দুই বছর ধরে ত্রিপুরার জনগণ আন্দোলন করেছিলেন, তা সত্বেও কিভাবে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী আর সিলেট হিন্দুসংখ্যা গরিথ হওয়া সত্বেও পূর্ব পাকিস্তানের সাথে জুড়ে দেওয়া হল ? এবার সময় এসেছে এই জয়গুলিকে পুনরুদ্ধার করার। ”
সৌজন্যে : এএনআই







