www.aajkhabor.in

অনলাইনের দাপটে বিপন্ন শিলিগুড়ির খুচরো ব্যবসায়ীরা পথে নেমে মিছিল করলেন

এবং তারপর – ১৮/১২/২০২৫ :  অনলাইন ব্যবসার ধাক্কায় রীতিমত বেসামাল অফলাইন বা খুচরো  ব্যবসায়ীরা। প্রতিযোগিতায়  ক্রমেই দেওয়ালে পিঠ ঠেকতে শুরু করেছে খুচরো ব্যবসায়ীদের। শিলিগুড়ির মত শহরের ব্যবসায়ীরা ব্যাপকভাবে এই সমস্যায় ভুগছেন, যার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ির খুচরো ব্যবসায়ীরা পথে নেমে মিছিল করেছেন।

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ক্রমেই চাহিদা বেড়ে চলেছে অনলাইন ব্যবসার। আজকের দিনে যে কোনো ক্রেতা যে কোনো পণ্য কেনার জন্যে আর বাজারে যেতে চাইছেন না, চোখ রাখছেন মুঠোফোনে। সেখানেই সেরে নিচ্ছেন সবরকম কেনাকাটা।  যে সামগ্রীগুলি পরে কিনবেন, সেগুলোকেও ভবিষ্যতের একাউন্টে জমা রেখে দিচ্ছেন। পেমেন্ট করছেন অনলাইনেই। তাঁর বাড়ির দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে সামগ্রী। পছন্দ না হলে ফেরতও দিয়ে দেওয়া যাচ্ছে সহজেই। কেনাকাটা করার চরিত্রটাই পাল্টে গিয়েছে। অনলাইন ব্যবসা এখন রমরমা।

অনলাইনে কেনাকাটা করে বেশ খুশি ক্রেতা সাধারণ ও উপভোক্তারা।  এভাবেই তাঁরা আধুনিক জীবনে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন ক্রমশ। কিন্তু এই অভ্যাসে সবচেয়ে বেশি মার খাচ্ছেন সেই ব্যক্তি যিনি সকালবেলায় এসে দোকান খুলেছেন, দোকানে ঝাড়ু দিয়েছেন, পণ্য সামগ্রী সাজিয়ে পুজো সেরে পরিপাটি হয়ে ক্রেতাদের জন্যে অপেক্ষা করতে শুরু করেছেন।  কিন্তু কোথায় ক্রেতা ? সারাদিন অপেক্ষা করেও হাতে গোনা কয়েকজন ক্রেতা উঁকি দিচ্ছে দোকানে।  ব্যবসা লাটে উঠতে বসেছে। দোকানগুলোতে মাছি তাড়াচ্ছেন দোকানদাররা। সমস্ত ব্যবসা চুপচাপ হয়ে চলেছে অনলাইনে। অফলাইন ব্যবসা অফ হওয়ার জোগাড়।

শিলিগুড়ি শহরে অবশ্য আরও সমস্যা রয়েছে।  ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে শিলিগুড়ি শহর আধুনিক, ব্যবসা বাণিজ্যের দিক থেকে অনেকটা এগিয়ে থাকার কথা। অপরিকল্পিতহলেও এই শহর এখন দ্রুতগতিতে বেড়ে চলেছে।  আগে এই শহরে ছিল ১৫ হাজার মানুষের বাস, সেখানে এখন এই শহরে বসবাস করেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।  কার্যত দৈর্ঘ্যে বেড়ে চলেছে এই শহর. তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন রাস্তা, ফ্লাই ওভার, বিশাল বিশাল অট্টালিকা ইত্যাদি।

শিলিগুড়ি শহরে ১০৩টি বাজারে প্রায় ২৫ হাজার দোকান রয়েছে।  অনলাইনের দাপটে তাঁরা আজ নিজেদেরকে বিপন্ন মনে করছেন।  শিলিগুড়ির শহরে পুরাসভার  ভেন্ডিং জোন ও নন ভেন্ডিং জোন  আলাদা করে দিয়েছে। নন ভেন্ডিং জোনে  কোনো হকার বসতে পারেব না। সেই এলাকাগুলিকে খালি করে দেওয়া হচ্ছে। এদিকে জায়গা খালি করতে নেমেছে রেল, হাই ওয়ে অথরিটি, পুরসভা ও পি ডব্লুডি।একদিকে ব্যবসা করার জন্যে অনলাইনের ভ্রুকুটি, প্রচন্ড প্রতিযোগিতা, তার ওপর প্রশাসনিক চাপ। সব মিলিয়ে প্রাণ ওষ্ঠাগত শিলিগুড়ি শহরের খুচরো ব্যবসায়ীদের।  দিনের বেলায় যাও বা কিছু ক্রেতাদের কয়েকটা দোকানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, বিকেল পার করতেই সব ফাঁকা। পসরা সাজিয়ে বসে কোনো লাভ হচ্ছে না দোকানিদের।

এই সমস্যার সমাধান করতে দোকানদারদেরকেও দ্রুত অনলাইন ব্যবসার পথে নামতে হবে। প্রযুক্তিকে পাথেয় করে এগোতে হবে। নিত্য নতুন কৌশল উদ্ভাবন করতে হবে। নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে, কেননা ক্রেতা সাধারণ নিজেদেরকে দ্রুত পাল্টে ফেলেছে। তাই বাজার ধরতে দোকানদারদেরকেও পাল্টে যেতে হবে এবং নতুন পরিস্থিতির সাথে নিজেদেরকে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।  গোটা দুনিয়াই  এখন অনলাইন।


 

Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor