
আজ খবর (বাংলা) অন্য রুট, ভ্রমণ সংবাদ, ২৫/০৯/২০২৬ : বর্ষা এবার বিদায় নিতে শুরু করেছে, বাতাসে শরতের মৃদু হিমেল পরশ অনুভূত হচ্ছে। আর কিছুদিন পরেই দুর্গাপূজা আর তার কিছুদিন পরেই শীতের আগমন ঘটবে দেশজুড়ে। গতকাল থেকেই হিমালয়ের উচ্চ পাহাড়ি অঞ্চলগুলিতে শুরু হয়েছে তুষারপাত।

আজ সিকিমের থাঙ্গুতে মরসুমের প্রথম তুষারপাত দেখতে পাওয়া গেলো। আগেকার মানচিত্র অনুযায়ী থাঙ্গু উত্তর সিকিম জেলার একটি গ্রাম হলেও বর্তমান মানচিত্র অনুযায়ী এটি মঙ্গন জেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রাম। লাচেন থেকে গুরুদংমার লেক যাওয়ার পথে ৩০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই গ্রাম। জায়গাটি সমুদ্রতল থেকে প্রায় ১৩ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এই মরসুমে আজ প্রথম তুষারপাত হল থাঙ্গুতে। তুষারপাত হতেই গোটা এলাকা সাদা বরফের চাদরে মুখ ঢেকে নেয়। রাস্তাঘাট ঢেকে যায় বরফে, গাড়িগুলিও দাঁড়িয়ে যায় কিছুক্ষনের জন্যে।
রাস্তা খারাপ থাকলেও এই বছর খুব সম্ভবত যাঁরা উত্তর সিকিম বা মঙ্গন জেলায় বেড়াতে যাবেন তাঁরা লাচুং এর সাথে লাচেনও ঘুরে দেখতে পারবেন। দীর্ঘদিন ধরে সেতু ভেঙে যাওয়ায় পর্যটকেরা গুরুদংমার লেক দেখতে যেতে পারেন নি। এই বছর সেই অনুমতি দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অবশ্যই যদি আবহাওয়া ভালো থাকে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকালই হিমাচল প্রদেশের জনপ্রিয়পর্যটন কেন্দ্র তথা তীর্থক্ষেত্র হেমকুন্ড সাহেবে ব্যাপক তুষারপাত হয়েছে। সেখানেও গোটা এলাকা মুখ ঢেকেছে সাদা তুষারের চাদরে। আজ কেদারনাথে তাপমাত্রা নেমেছে হিমাঙ্কের কাছাকাছি। সেখানে যেকোনো মুহূর্তে তুষারপাত শুরু হয়ে যেতে পারে। উচ্চ হিমালয় ও পঞ্চচুল্লি পর্বত শৃঙ্গগুলি ইতিমধ্যেই তুষার ধবল রূপ ধারণ করেছে।

হিমাচল প্রদেশেও একই অবস্থা। আজ রোটাং পাসে তুষারপাত হয়েছে। এছাড়া বরলাচলা ও সিংকুলা পাসে হালকা তুষারপাত হয়েছে। লাহুল, স্পিতি, কিন্নর ও কুলুর উচ্চতায় থাকা গ্রামগুলির তাপমাত্রা হিমাঙ্ক ছুঁতে চলেছে। কাশ্মীরেও একই ছবি দেখা যাচ্ছে, কার্গিল, দ্রাস এই জায়গাগুলি বরফের নিচে রয়েছে। কাশ্মীরের উচ্চতায় থাকা গ্রামগুলিতে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের কাছে রয়েছে। ধৌলাধার, পীরপাঞ্জাল পর্বত শৃঙ্গগুলি সম্পূর্ণ বরফের নিচে থেকে অপূর্ব সাজে সজ্জিত হয়েছে।




