মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত : রাজ্যপাল

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৩/১১/২০২৫ : প্রচন্ড কাজের চাপ সহ্য করতে না পেরে ব্লক লেভেল আধিকারিক মহিলা কর্মীর আত্মহত্যা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে বলে জানিয়ে দিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।
গত ১৯ তারিখে শান্তি মুনি এক্কা নামে এক মহিলা আত্মহত্যা করেন। তিনি একজন ব্লক লেভেল অফিসার হিসেবে কাজ করছিলেন। ঐ দিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মৃত্যুতে শোক জ্ঞাপন করে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানান। সেই সঙ্গে তিনি ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন যে ‘রাজ্যে এসআইআর করার মত পরিবেশ নেই, বিএলও দের ঠিক মত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় নি। তাঁদেরকে অহেতুক চাপ দেওয়া হচ্ছে। সেই চাপ তাঁরা নিতে পারছে না বলেই আত্মহননের পথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন’।
মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক নেতা নেত্রীকেই একই সুরে কথা বলতে শোনা গিয়েছে। তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ সাংবাদিক বৈঠকে একই অভিযোগ করেছেন। ইত্যবসরে দিল্লী থেকে যে নির্বাচন কমিশনের উচ্চপদস্থ দল কলকাতায় এসেছিল, সেই দলের সাদাস্যেরাও নিউ টাউনে বসে এই বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করে গিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। সুতরাং কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনও বিএলওদের এই চাপের বিষয়টা বা আত্মহত্যার বিষয়কে খাটো করে যে দেখছেন তা নয়। বরং মুখ্যমন্ত্রীর চিঠিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে সব দিক তাঁরা বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন।
আজ রাজ্যপাল হিসেবে রাজভবনে তিন বছর কাটিয়ে দিয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস বলেন,”মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন এই ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন, তিনি যখন এই বিষয়টা নিয়ে চিঠি লিখেছেন, তখন এই বিষয়টা আরও খতিয়ে দেখা উচিত। তাই ঐ মহিলার আত্মহত্যার সঠিক কারণ জানতে একটা পূর্ণঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট শক্তিশালী এবং সব দিক থেকে ভারসাম্য বজায় রেখে চলে। এই সব ব্যাপারগুলোকে নিয়েই তদন্ত হওয়া উচিত এবং সুষ্ঠূ সমাধানের পথ বের করা উচিত।”
![]()