
![]()

![]()


![]()


![]()

![]()

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এবং সমুদ্রযাত্রায় আত্মনির্ভর ভারতের উদ্যোগ আর-ও শক্তিশালী হল। এর ফলে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে, উপকূল অঞ্চলে নজরদারী বৃদ্ধি পাবে এবং ভারতের বিপুল সামুদ্রিক বাণিজ্যের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে। এর মধ্য দিয়ে পরিবেশ বান্ধব পরিচালনগত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য সুস্থায়ীভাবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে ভারতের অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে শ্রী রাজনাথ সিং-এর এক বার্তার প্রত্যুত্তরে শ্রী মোদী লিখেছেনঃ
“ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীতে সমুদ্র প্রতাপ জাহাজটি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি বেশ কয়েকটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ।এর ফলে আত্মনির্ভর ভারতের উদ্যোগ যেমন আর-ও শক্তিশালী হবে, পাশাপাশি দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে, উপকূল অঞ্চলে নজরদারী বৃদ্ধি পাবে এবং ভারতের বিপুল সামুদ্রিক বাণিজ্যের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে।
![]()

![]()

![]()

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ০৬/০১/২০২৫ : জাতীয় মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় মোবাইল নেটওয়ার্ক সংযোগের সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেলি যোগাযোগ দপ্তর ও ভারতের টেলিকম নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছে জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ।
জাতীয় মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ, বিশেষত গ্রিনফিন্ড এবং প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে নেটওয়ার্ক সংযোগের সমস্যা দূর করতে টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারীদের যথাযথ নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ দেওয়া হয়েছে। জন-নিরাপত্তা এবং কৌশলগত গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ দেশ জুড়ে জাতীয় মহাসড়ক করিডরে মোবাইল নেটওয়ার্ক সংযোগ উন্নত করার লক্ষ্যে দ্রুত ও সুসমন্বিত পদ্ধতি অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।
জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষের মূল্যায়ণে দেখা গেছে, জাতীয় মহাসড়ক নেটওয়ার্কের প্রায় ১,৭৫০ কিলোমিটার জুড়ে ৪২৪টি স্থানে মোবাইল নেটওয়ার্কের সংযোগ অত্যন্ত দুর্বল। এই স্থানগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য টেলি যোগাযোগ বিভাগ ও ভারতের টেলিকম নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় মহাসড়ক করিডরগুলি গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকার মধ্য দিয়ে যাওয়ায় সেখানে মোবাইল নেটওয়ার্কের সমস্যা জাতীয় মহাসড়ক পরিচালনা, আপৎকালীন ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রযুক্তি চালিত জনপরিষেবার ওপরে বিরুপ প্রভাব ফেলে।
ভূ-মানচিত্র সংযুক্ত দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলিতে টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারীরা যাতে ফ্ল্যাশ এসএমএস সতর্কতা প্রচার করেন, সেই নির্দেশ দিতে জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ ভারতের টেলিকম নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছে। ওইসব স্থানে পৌঁছবার আগেই মহাসড়ক ব্যবহারকারীদের কাছে এমন এসএমএস পৌঁছে গেলে তাঁরা সতর্ক থাকতে পারবেন। যেসব জায়গায় গবাদি পশুরা এলোমেলোভাবে চরে বেড়ায়, সেই স্থানগুলির একটি তালিকাও ভারতের টেলিকম নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ জাতীয় মহাসড়কগুলিকে মোবাইল সংযোগ নেটওয়ার্কের মধ্যে এনে সেগুলিকে নিরাপদ এবং স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ করে তুলতে চায়।
![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০১/২০২৬ : রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে আর তার মধ্যেই এই প্রক্রিয়াকে বিগ্নিত করতে রীতিমত নাটক করে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আজ এমনি অভিযোগ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্য।
বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য্য এদিন বলেন, “মমতা বার বার অভিযোগ করে বলতে চাইছেন যে রাজ্যে এসআইয়ের চলার জন্যেই একের পর এক নাগরিক হেনস্থার শিকার হচ্ছেন এবং মারা যাচ্ছেন।. তাই এসআইয়ের এর এইপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অমানবিক। এই অমানবিক প্রক্রিয়া এখনই বন্ধ করা দরকার বলে দাবী জানাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়টিকে তিনি দেশের শীর্ষতম আদালতে নিয়ে যেতে চাইছেন।”
সমিল ভট্টাচার্য্য বলেন, “মমতা জানেন এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযোগ করলে এবং সুপ্রীম কোর্টে নিয়ে গেলে ববন্ধ হয়ে যেতে পারে এই প্রক্রিয়া। কিন্তু তাতে কি হবে? এসআইআর বন্ধ হয়ে গেলে নির্বাচন প্রক্রিয়াও বিঘ্নিতহবে। নির্বাচন হবে না. মমতা জেনেবুঝেই সেদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন , আর তার জন্যেই তিনি নানারকম নাটক করে যাচ্ছেন।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ গঙ্গাসাগরে গিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, “শুধু দক্ষিণ ২৪ পরগনার মত একটা জেলা থেকেই ৫৪ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্য নিয়ে এখানে এই নাম বাদ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইলেকশন কমিশন যেন হোয়াটস আপ কমিশনের মত কাজ করছেন। “
![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০১/২০২৬ : বোলপুর বেহালা ফ্লাইং ক্লাব থেকে ঠিক সময়ে উড়তে পারলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জড়িয়ে পড়লেন বচসায়।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টারের অনুমতি পাওয়া নিয়ে সমস্যা। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও বেহালা থেকে হেলিকপ্টারে উঠতে পারলেন না তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক। ঘটনার পিছনে বিজেপির ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ তুলল তৃণমূল। বেহালা ফ্লাইং ক্লাবে নির্ধারিত সময়েই পৌঁছে যান অভিষেক। কিন্তু অনুমতি না মেলায় দীর্ঘ ক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় তাঁকে। কথা কাটাকাটি,তর্কাতর্কিও হয় বলে খবর। শেষে অনেকটা দেরিতেই অভিষেকের হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি পায়।
বুধবার বীরভূমে ‘রণ সংকল্প সভা’ কর্মসূচি রয়েছে অভিষেকের। রামপুরহাটের বিনোদপুর মাঠে সভা করবেন বলে ঠিক ছিল। বেলা সওয়া ১২টা নাগাদ তারাপীঠের চিলার মাঠে নামার কথা ছিল তাঁর হেলিকপ্টারের। তারাপীঠের মন্দিরে পুজো দিয়ে অভিষেক সভাস্থলে পৌঁছবেন বলে ঠিক ছিল সকাল পর্যন্তও। কিন্তু দুপুর ২টো বেজে গেলেও অভিষেকের হেলিকপ্টার উড়তে পারেনি। শেষ পর্যন্ত সওয়া ২টো নাগাদ অনুমতি মেলে। এরপরেই উড়ে যায় অভিষেকের হেলিকপ্টার। অনেক দেরিতে হলেও বোলপুরে গিয়ে নামেন তিনি।
![]()