আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ১৬/০৬/২০২৬ : প্রকাশ্য রাস্তায় ডিম আক্রান্ত হয়েও কুনাল ঘোষ জানিয়ে দিলেন, তিনি ভয় পান নি, তৃণমূলের প্রতি তাঁর আনুগত্যও কমে যায় নি, যাবেও না। ”
প্রকাশ্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে ডিম আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে তৃণমূল বিধায়ক কুনাল ঘোষকে। এভাবে প্রতিদিন তৃণমূলের নেতা কর্মীরা ডিম আক্রমণের শিকার হয়ে চলেছেন। প্রতিদিন মিডিয়া সেইসব নিউজ কভার করছে। এদিন প্রকাশ্য দিবালোকে ডিমের আক্রমন করা হল তৃণমূল থেকে জয়ী বিধায়ক কুণালকেও । যদিও একটি ডিম তাঁর গায়ে গিয়ে লেপ্টে গিয়েছিল। এরপর তিনি সটান চলে যান সেখান থেকে।
কুনাল ঘোষ বলেছেন, “মিডিয়ার অনুরোধেই আমি ক্যামেরার দিকে চোখ রেখে দাঁড়িয়েছিলাম। আপাত দৃষ্টিতে যাদেরকে নিরীহ জনতা বলে মনে হছ্ছিল, তাদের মধ্যেই কেউ কেউ ডিম ছুঁড়ে মারে আমাকে। আমি বিষয়টাকে পাত্তা না দিয়ে থানায় চলে গিয়েছিলাম। “
প্রাক্তন সাংবাদিক কুনাল ঘোষের একটা অন্য রকম ইমেজ আছে। এর আগে যখন কৌস্তুভ বাগচীকে গালিগালাজ করা হয়েছিল অথবা সজল ঘোষ এর বাড়ির দরজা ভাঙা হয়েছিল, তখন সেই কাজকে ‘উচিত হয় নি’ বলেছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর এই বক্তব্যের জন্যে দলের অভ্যন্তরেই তিরস্কৃত হতে হয়েছিল কুণালকে। দীর্ঘদিন দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। বর্তমানে দলের জয়ী বিধায়ক। কুনাল বলেন, “পার্টিতে যদি একদিন আমার মৃতদেহটাও পড়ে থাকে তাহলেও ক্ষতি নেই। “
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] নতুন দিল্লী, ভারত, ১৬/০৬/২০২৬ : মহা আতান্তরে পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টাগ অফ ওয়ারের একদিকে রয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি, আর একদিকে রয়েছে লোকসভা।
গতকাল তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদেরা তৃণমূল নাম এবং লোগো ব্যবহার নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে একটি আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনের নিস্পত্তি করতে গিয়ে গতকাল ওম বিড়লা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেন। গতকাল দুপুর দু’টোর সময় একটি মেল্ মারফত অভিষেককে জানানো হয়, তাঁকে সংসদ ভবনে বিকেল চারটের মধ্যে উপস্থিত হতে হবে। অর্থাৎ মাত্র ২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
এদিকে গতকাল দুপুর দু’টোর সময় কলকাতায় ভবানী ভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করছিলেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই সময় অভিষেকের কাছে তাঁর মোবাইল ফোন ছিল না, তিনি তাই লোকসভার স্পিকারের ইমেলটিও পান নি। তাই দিল্লীতে দুই ঘন্টার মধ্যে হাজির হয়ে যাওয়াও তাঁর পক্ষে ছিল একেবারে অসম্ভব।
এদিকে দিল্লীতে লোকসভার তরফ থেকে যোগাযোগ করা হয় প্রাক্তন খেলোয়াড় ও তৃণমূলের সাংসদ কীর্তি আজাদকে। কীর্তিও অভিষেকের সাথে যোগাযোগ করতে না পেরে নিজেই সংসদে চলে যান এবং জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেহেতু কিছু তদন্তের বিষয়ে সিআইডিকে সহযোগিতা করছেন তাই তিনি দিল্লীতে আসতে পারেন নি। গোটা বিষয়টা জানানো হয়েছে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে। এমত পরিস্থিতিতে তৃণমূলের নাম ও লোগো নিয়েও জট কাটে নি সংসদে। আজ স্পিকার কি সিদ্ধান্ত নেন সেদিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।