
অর্থনীতি গুঁড়িয়ে গিয়েছে, ভয়ংকরপরিস্থিতি পাকিস্তানে
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], ইসলামাবাদ, পাকিস্তান, ৩১/০১/২০২৬ : “গোটা পৃথিবীতে ঘুরে ঘুরে অর্থ ভিক্ষা করতে রীতিমত লজ্জা পাই আমি আর সেনা প্রধান অসীম মুনির”, বললেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ।
এটাই পাকিস্তানের প্রকৃত অবস্থা। প্রতিবেশী ঐ দেশটির অর্থনীতির কোমর ভেঙে গিয়েছে অনেক আগেই। কোষাগার অর্থশূন্য প্রায়। আন্তর্জাতিক মহল বা বিদেশ থেকে দাক্ষিণ্যে পাওয়া ঋণ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই পাকিস্তানের সামনে।. দেশের অর্ধেক পরিকাঠামো চলে গিয়েছে চীন বা অন্য কোনো দেশের দখলে। কিন্তু এতো কিছু করেও কোনোভাবেই দুর্দশা কাটছে না পাকিস্তানের। সেটা প্রমাণিত সেই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উক্তিতেই। দেশের হয়ে ঋণ চাইতে লজ্জিত প্রধানমন্ত্রী, লজ্জিত সেনাপ্রধান, লজ্জিত হয়েছে সমগ্র পাকিস্তান।পাকিস্তানের শিল্পপতিদের সাথে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “পাকিস্তানের ওপর যে বিশাল ঋনের বোঝা রয়েছে, তার জন্যে পাকিস্তানকে গোটা পৃথিবীর সামনে লজ্জিত হতে হচ্ছে। এই সুবিশাল বোঝা কমানোর জন্যে বিকল্প কোনো নতুন চিন্তা ভাবনা করা দরকার। কিভাবে অর্থনীতিকে ফের চাঙ্গা করা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে। আমার বেশ লজ্জা লাগে যখন আমি আর ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির বিদেশ সফরে দেশের হয়ে ভিক্ষা করতে বের হই। বিভিন্ন দেশের সামনে আমাদের হাত পাততে হয়। বিশাল অংকের ঋণ চাইলে নিজেকেই অসম্মান করা হয়। ওরা আমাদেরকে দিয়ে অনেক কিছুই করিয়ে নিতে চায়, যা আমরা না বলতে পারি না।”পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এই ভিক্ষা শব্দটিই বুঝিয়ে দেয় কি পরিণতিতে রয়েছে পাকিস্তান। ভারতের সাথে শত্রুতা করে পাকিস্তান কি পেলো ? ভারত আজ যেখানে অর্থনীতির দেশ হওয়ার কথা ঘোষণা করতে চলেছে, সেখানে পাকিস্তান বিভিন্ন দেশে গিয়ে ভিক্ষা করার কথা বলছে ! শেষবাজ শরীফ অবশ্য ও বলেছেন যে চীন, সংযুক্ত আরব, সৌদি আরব, কাটার এই দেশগুলি পাকিস্তানের পাশে রয়েছে এবং সহযোগিতা করে চলেছে।Aaj Khabor Desk, Islamabad, Pakistan, 31/01/2026 : Pakistan Prime Minister Shehbaz Sharif has openly admitted the country’s severe economic distress, saying he and Army Chief Asim Munir feel ashamed having to travel the world seeking financial aid. Speaking at a meeting with Pakistani industrialists, Sharif said the enormous debt burden has left Pakistan dependent on foreign loans, forcing its leaders to “beg” before other nations. He stressed the need for new ideas to revive the economy, as repeated borrowing has damaged national dignity and limited Pakistan’s ability to refuse foreign pressures. Despite infrastructure assets being controlled by China and others, the crisis persists. Sharif noted that countries like China, the UAE, Saudi Arabia, and Qatar continue to support Pakistan.// : 31
![]()