Aaj Khabor

 নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করছে বিজেপি : কুনাল 

চাপের মুখে রাজ্যে আত্মহত্যার সংখ্যা বেড়েছে : কুনাল ঘোষ 

কুনাল ঘোষ

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২০/১১/২০২৫ : তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ বৃহস্পতিবার একটি সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি তথা ‘এসআইআর’-এর তুমুল সমালোচনা করেছেন। 

কুনাল ঘোষ অভিযোগ করে বলেছেন, “বিজেপি তার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্যেই নির্বাচন কমিশনকে অপব্যবহার করে চলেছে।  এর ফলে প্রকৃত ভোটার এবং বিএলও-দের ওপর  ক্রমাগত চাপ বাড়ছে।  বিএলওদের অনেকেই এই চাপ আর নিতে পারছেন না। এসআইআর-এর কারণে যে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, তার জন্যে রাজ্যে বেশ কিছু মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। প্রকৃত ভোটাররা রীতিমত আতঙ্কিত এবং বিএলওরাও চাপের মুখে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব কি হচ্ছে ?”

কুনাল ঘোষ বলেন, “বিজেপি এই রাজ্যে নিজেদের উদ্দেশ্য পূরণের জন্যে যেভাবে এসআইআর করতে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করছে, তার প্রতিবাদ করেছেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতাজিও । এর আগে  ২০০১ সালের নির্বাচনের পর যখন এসআইআর করা হয়েছিল তখন তা করতে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লেগেছিল। কিন্তু এবার খুব অল্প সময়ের মধ্যে যেভাবে এসআইআর করানো  হচ্ছে, তাতে প্রচন্ড চাপ বেড়ে  গিয়েছে, যে চাপ সহ্য করতে না পেরে প্রকৃত ভোটার থেকে  বিএলওরা, অনেকেই ইতিমধ্যে  আত্মহত্যাকরছেন।”

কুনাল ঘোষ আজ অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, “বিজেপি নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্যে নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করছে। যেখানে তাদের সাংগঠনিক উপস্থিতিই নেই, সেখানে বাইরে থেকে কর্মী এনে BLA ২ হিসেবে কাজ করার  অনুমতি দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কেন ? আসলে বাংলায় বিজেপির কোনো সংগঠনই নেই।”


Loading

আজ বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে দশমবার শপথ গ্রহণ করে রেকর্ডের পথে নীতিশ কুমার 

খুশির হাওয়া পাটনার গান্ধী ময়দানে

নীতিশ কুমার 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], পাটনা, বিহার, ২০/১১/২০২৫ : আজ বৃহস্পতিবার  বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এনডিএর সমর্থনে দশমবার শপথ গ্রহণ  চলেছেন জেডিইউ প্রধান নীতিশ কুমার। দশমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়াটাও আমাদের দেশে একটা রেকর্ড। আর আজ এই নতুন রেকর্ডের অধিকারী হতে চলেছেন নীতিশ কুমার। 

আজ মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি হবে পাটনার বিখ্যাত গান্ধী ময়দানে। গঙ্গা নদীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া এই ময়দানেই এর আগে ২০০৫, ২০১০ এবং ২০১৫ সালে শপথ গ্রহণ করেছিলেন নীতিশ কুমার। এই সেই ময়দান, যেখানে জয়প্রকাশ নারায়ণ ১৯৭৪ সালে ‘সামগ্রিক বিপ্লবে’র ডাক দিয়েছিলেন।  নীতিশ কুমার প্রথমবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন ২০০০ সালের ৩রা মার্চ, মাত্র ৭ দিনের জন্যে তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদে ছিলেন। এরপর ২০০৫ সালে ২৪শে  নভেম্বর তিনি দ্বিতীয়বার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন। 

২০১০ সালের ২৬যে  নভেম্বর নীতিশ কুমার তৃতীয়বারের জন্যে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন। এরপর ২০১৫ সালের ২২শে  ফেব্রুয়ারি এবং  ঐ  বছরেই অর্থাৎ ২০১৫ সালেরই ২০ নভেম্বর ফের বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। তারপর ২০২০ সালের ১৬ই নভেম্বর এবং  আজ অর্থাৎ ২০২৫ সালের ২০শে  নভেম্বর ফের তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন। মাঝে অল্প সময়ের জন্যেও তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। 

আজ ৭৪ বছর বয়সে নীতিশ কুমারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে ইতিমধ্যেই পাটনায় পৌঁছে গিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে  নীতিশ কুমারকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।  এর আগে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নীতিশ কুমারকে বিহারে  বিজেপির সর্বোচ্য প্রতিনিধি হিসেবে সন্মান দিয়েছে।  ভারত বর্ষে এমন কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও নেই,  যিনি তাঁর রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীপদে দশবার শপথ গ্রহণ করেছেন। আজ শপথ গং অনুষ্ঠান হয়ে গেলে নীতিশ কুমারের মুকুটে সেই পালকও যুক্ত হয়ে যাবে। 

নিজস্ব সংবাদদাতা 


Loading

কল্যাণ ব্যানার্জিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ রাজ্যপালের 

রাজভবনে অস্ত্র সম্ভার ! 

রাজভবনে অস্ত্র সম্ভার ! 


আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা,  পশ্চিমবঙ্গ,১৬/১১/২০২৫ :
  রাজভবনে অস্ত্র সম্ভার ! রাজভবন থেকে অস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে ? তৃণমূল নেতা তথা আইনজীবী কল্যাণ ব্যানার্জি অন্তত এই ধরনেরই অভিযোগ করেছেন। তাঁর এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কল্যাণ ব্যানার্জিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন রাজ্যপাল। 

তৃণমূল নেতা এর আগে বিস্তর বিতর্কিত কথাবার্তা বলেছেন, কিন্তু সে সব ছিল বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে। এবার কল্যাণ আক্রমণ করে বসলেন একেবারে রাজ্যের রাজ্যপালের বিরুদ্ধেই। কল্যাণ একেবারে নজিরবিহীনভাবে বলেছেন ‘রাজভবন থেকে অস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে’। গত শনিবার তৃণমূল নেতা কল্যাণ ব্যানার্জি বলেছিলেন, “বিজেপি অপরাধীদের রাজভবনে আপ্যায়ন করছে এবং রাজভবন থেকেই রাজ্যে তৃণমূল কর্মীদের ওপর আক্রমণ করার জন্যে অস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে। সমাজবিরোধীদের হাতে গলা বারুদ তুলে দেওয়া হচ্ছে।”

কল্যাণ ব্যানার্জির এই বক্তব্যে বেশ ক্ষুন্ন হয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।   তিনি কল্যাণের এই লাগামছাড়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, “রাজভবনের দরজা  মানুষের জন্যে আমি খুলে দিয়েছি। যে কেউ রাজভবনে এসে মজুত করা অস্ত্রশস্ত্র খুঁজে দেখতে পারেন।  রাজভবনকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। রাজভবনে কোনো অস্ত্র থাকে না। যে কেউ এসে খুঁজে দেখতে পারেন।”

তৃণমূল সাংসদকে এই ব্যাপারে একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন রাজ্যপাল। তিনি কল্যাণ ব্যানার্জিকে তাঁর বক্তব্যের জন্যে প্রকাশ্যে জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে বলেছেন , না হলে  তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।  রাজ্যপাল বলেন, “সাংসদের এই ধরনের মন্তব্য প্রমান করে যে রাজ্যের  পুলিশের ওপর তাঁর কোনো ভরসা নেই ।”  


Loading

মোদীর সমালোচনার জবাব দিলেন শশী 

পাল্টা দিল  বিজেপিও 

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৫/১১/২০২৫ : বিহারে এনডিএর ল্যান্ডস্লাইড ভিক্টরির পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবাংলার রাজনীতি সম্পর্কে একটি কটাক্ষ করেছিলেন। আজ সেই কটাক্ষেরই  জবাব দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। 

গতকাল বিহারে বিশাল ব্যাবধানে জয়লাভের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, ” গঙ্গা নদী বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গতেই যায়। অর্থাৎ তিনি বলতে চেয়েছেন বিহারের অসাধারণ জয়ের ধারা বলবৎ থাকবে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনেও। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আর মাত্র কয়েক মাস পরেই বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। সেই নির্বাচনে  বিহারের মত পশ্চিমবঙ্গেও ব্যাপক জয়লাভের সস্বপ্ন দেখছে ভারতীয় জনতা পার্টি। 

নরেন্দ্র মোদীকে অবশ্য আজ জবাব দিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজা।  তিনি এদিন বলেন, “অলীক স্বপ্ন দেখবেন না, দিবাস্বপ্ন দেখবেন না। সেই স্বপ্ন সত্যি হবে না।  পশ্চিমবঙ্গে জয়লাভ অনেক দূরে রয়েছে আপনাদের থেকে। আপনি পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন পাকল্পে টাকা পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছেন। মহিলাদের প্রকল্পেও টাকা পাঠানো বন্ধ করে দিয়ে আপনি পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের অপমান করেছেন।  আপনি এবং আপনার মত বিজেপির অন্যান্য নেতারা সবসময় পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের অসম্মান করেন। “

বিজেপিকে সমালোচনা করতে গিয়ে শশী পাঁজা  বিজেপিকে “বাংলা বিরোধী জমিদার” হিসেবে উল্লেখ করেন, যেখানে যিনি বাংলা বিরোধী বই বেশি জোর দেন। তিনি বলেন, “বংলায় বিজেপি বঙ্গ বিরোধী হিসেবেই পরিচিত।  এই রাজ্যে এটাই এদের পরিচিতি। এরা বাংলা বিরোধী আবেগ নিয়ে চলাফেরা করে। আর সেই কারণেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় কিছু আশা  করার মত কোনো কারণ নেই, এই রাজ্যের মহিলারাই ওদেরকে ভোটের বাক্সে মুখের ওপর জবাব দিয়ে দেবে।”

এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক  ভট্টাচার্য্য বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যা কিছু বলার দরকার ছিল তা বলে দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে এখন আর আইনের শাসন নেই। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই হোক না কেন তাঁরা এবার তৃণমূল কংগ্রেসকে ত্যাগ করবেনই।” 


Loading

বিহারে ফের গেরুয়া ঝড় উঠতে চলেছে

দুই তৃতীয়অংশের চেয়েও বেশি ভোট বিজেপির 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], পাটনা, বিহার, ১৪/১১/২০২৫ :  বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে ফের গেরুয়া ঝড় উঠতে শুরু করেছে। আজ বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের গণনা চলছে। সেই গণনায় বিজেপি সমর্থিত এনডিএ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। 

বিহারে মোট ২৪৩টি আসনের মধ্যে ২০৩টিতে এগিয়ে রয়েছে এনডিএ সমর্থিত বিজেপি।  আরজেডি এগিয়ে রয়েছে ৩৪টি বিকেন্দ্রে।  জেএসপি অর্থাৎ পি কের দল শূন্য এবং অন্যান্যরা ৬টি কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে।  নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন বিজেপি বিহারে দুই তৃতীয়অংশের থেকেও বেশি আসন পাবে। সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে ফলে গিয়েছে। উল্টোদিকে তেজস্বী যাদব যা কিছু বলেছিলেন, তা যেন সবই  ফাঁকা বুলি হিসেবে প্রমাণিত হলো।  বিরোধী ইন্ডিয়া মহাজোটের পরাজয় হলো। 

বিহারে বিশাল ব্যবধানে জিততে চলেছে বিজেপি।  এই রাজ্যে ভোটের পর এক্সিট পোলের রায়ও এটাই ছিল। কিন্তু  তেজস্বী যাদব এক্জিট পোলের রায় মানতে চান  নি। পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “যেভাবে বিহারে বিজেপি জিতেছে, ঠিক সেভাবেই পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি ব্যাপক ব্যবধানে জিতবে, শাসক দল যেন প্রস্তুত থাকে।” বিজেপি নেত্রী লকেট চ্যাটার্জি বলেন, “বিহারে নতুন সূর্যোদয় হলো. ” 

তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ বলেন, “বিহারের সাথে পিশ্চিমবঙ্গকে গুলিয়ে ফেললে হবে না। এখানে ফের একবার তৃণমূল কংগ্রেস জিতবে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী হবেন।” বিহারের পাশাপাশি আজ পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি কর্মীরা গেরুয়া আবির খেলায় মেতে ওঠেন।


Loading

বাড়ি ফেরার পথে পার্থ জানালেন তিনি নির্দোষ 

দলকে সবকিছুই জানাবো : পার্থ  

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/১১/২০২৫ : ভোটের আগেই পুরোনো দলে ফিরতে চাইছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি ?  ইঙ্গিতটা অনেকটা সেদিকেই। 

তিন বছর তিন মাস জেলে থাকার পর আজই  মুক্তি পেয়েছেন পার্থ চ্যাটার্জি। আজই  তিনি ফিরেছেন  তাঁর নাকতলার বাড়িতে।  বেহালায় তাঁর বান্ধবীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল প্রায় ৫০ কোটি টাকা। অবৈধ শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই সময় তৃণমূল তাঁকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল তাঁর মন্ত্রিত্ব কেড়ে নিয়েছিল। তিনি ছিলেন তৃণমূল  কংগ্রেসের মহাসচিব। সেই পদটাও  কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তাঁকে নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস আর কোনো আলোচনা করে নি। 

দীর্ঘদিন জেলবন্দি ছিলেন পার্থ চ্যাটার্জি। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাঁকে জেল হাসপাতালে ভর্তি করাও হয়েছিল। তবে আজ আদালতে তাঁর মুক্তির কথা ঘোষণা করা হতেই  তিনি হাসপাতাল থেকে নিজের বাড়িতে ফিরে আসেন। 

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে পার্থ চ্যাটার্জি আজ বলেন, “আমি সম্পূর্ণ নিরপরাধ। আমি অবৈধভাবে কাউকে নিয়োগ করিনি, করতে বলিওনি। আমি আমার বিধায়ক এলাকায় প্রত্যেকটা জায়গায়  জনতার জন্যে একটি করে অভিযোগের বাক্স রেখে দিচ্ছি। আমি ওপেনলি বলছি দেখে নিন একটাও অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে জমা পড়ে  কিনা ! আমি এই কাজ করি নি।” 

তাঁর নিজের দল সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমি দলকেও আমার বক্তব্য জানাবো। আমি কোনো দোষ  করি নি। পার্টি নিশ্চয়ই আমার সব কথা শুনে আমার ব্যাপরে বিবেচনা করে দেখবে।” বান্ধবী অর্পিতা সম্পর্কে আজ পার্থ চ্যাটার্জি বলেন, “অর্পিতা আমার বান্ধবী মাত্র, স্ত্রী তো নয় ! লোকের দুটো বৌ থাকে আর আমার একটা বান্ধবী থাকলেই দোষ ?”


Loading

বাংলাদেশিরা ঠিক করবে কোন রাজ্যে কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন ? প্রশ্ন অমিত শাহর  

বিহারে ১৪ তারিখ সকল ১১টার  মধ্যেই রাহুল গান্ধী ও লালু প্রাসাদ ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে : অমিত শাহ 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বেতিয়া, বিহার, ০৬/১১/২০২৫ :  বিহারের বেতিয়ায় একটি নির্বাচনী জনসভায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে দেশে অবৈধভাবে বসবাসকারী মানুষ ও অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে তোপ  দাগলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

বেতিয়ার জনসভা থেকে অমিত শাহ এদিন জানিয়ে দেন যে দেশে একজনও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে বসবাস করতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “আপনারা আমাকে বলুন দেশের ভোটার লিস্ট থেকে বাংলাদেশিদের নাম বাদ  দেওয়া উচিত কি উচিত নয় ?  চার মাস আগে রাহুল বাবা  ‘অনুপ্রবেশকারী বাঁচাও যাত্রা’ শুরু করেছিলেন। সেই সময় তিনি মন্তব্য করেছিলেন আমাদের দেশের ভোটার লিস্টে অনুপ্রবেশকারীদের নাম থাকা উচিত।  আমি জানতে চাই বাংলাদেশিরা কি ঠিক করবে আমার দেশের কোনো রাজ্যে কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন ?  আমি জানি না উনি (রাহুল গান্ধী) কতগুলো সাংবাদিক বৈঠক এখানে করেছেন, কিন্তু বিজেপিকর্মীরা এখানে ভোটার লিস্ট থেকে বাংলাদেশিদের নাম বাদ  দেওয়ার কাজ চালিয়ে যাবেন।”

এদিন সাংবাদিকদর প্রশ্নের উত্তরে অমিত শাহ বলেন, “আপনারা কি জানতে চাইছেন আগামী ১৪ই নভেম্বর কি হবে ? আমি বলছি সেদিন সকাল ৮টায়  গণনা শুরু হবে এবং সকাল ১১টার  মধ্যেই রাহুল গান্ধী এবং লালু প্রাসাদ যাদব ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে।  এনডিএ তথা মোদীজি ও নীতিশ কুমারের নেতৃত্বে বিহারে নতুন সরকার গঠন করা হবে।” এদিন বিপক্ষ মহাজোটকে নানাভাবে কটাক্ষ করতে ছাড়েন নি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। 


Loading

এসআইআর চালু হতেই আক্রান্ত হচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা : শুভেন্দু 

“এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া  হবে না”

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/১১/২০২৫ :  রাজ্যে এসআইআর নিয়েই বেশ কিছু অভিযোগ জানাতে আজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

এসআইআরের কাজ করতে গিয়ে কয়েকটি জায়গা থেকে বার্থ সার্টিফিকেট নিয়ে সমস্যার অভিযোগ আসছিল। এই নিয়ে রাজ্যের বিরোধ দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কোনো ভাবেই এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না।” জন্মের শংসাপত্র নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ জানাতে আজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। 

রাজ্যে এসআইআর নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।  এই ব্যাপারে তিনি রাজ্য নির্বাচন কমিশনেও অভিযোগ জানিয়ে এসেছেন।  রাজ্যে এসআইআর নিয়ে বঙ্গ বিজেপি একটি হেল্প লাইন নম্বর চালু করেছে জনসাধারণের জন্যে। আজ শুভেন্দু অধিকারী সেই খবরটিও দিলেন সাংবাদিকদের। 

এসআইআর এর কাজ রাজ্যে শুরু হতেই বিভিন্ন জেলা থেকে বিজেপি কর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার খবর আসতে  শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এই অভিযোগ তুলে ধরেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে। 


Loading

এসআইআর মানেই এনআরসি  ; বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন তৃণমূলের সুস্মিতা 

আসামে কেন এসআইআর নয় ? প্রশ্ন উঠবেই 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] গুয়াহাটি, আসাম, ০৪/১১/২০২৫ : এসআইআর আসলে এনআরসির আর একটা রূপ. প্রকৃতপক্ষে দুটোই এক জিনিস। যা বিজেপি সরকার আসামে করাতে চাইছে না. অভিযোগ তৃণমূলের।

আসামের তৃণমূল কংগ্রেস সংসদ সুস্মিতা দেব এসআইআর নিয়ে সুর চড়ালেন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে।  সুস্মিতা দেব বলেন, “এসআইআর হল এনআরসির আর একটা রূপ, আসলে দুটোই এক. যেটা  তেজস্বী যাদব, মমতা দিদি এবং খারগেজি বার বার বলে এসেছেন। এসআইআর বিজেপি শাসিত আসামে কেন হচ্ছে না ? এটাই তো স্বচরির বড় প্রমাণ যে এসআইআর এবং এনআরসি  একই বস্তু।  আসামে ২০১৩ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ৩ কোটি মানুষ নিজেদের কাগজ দেখিয়েছে। যদি আসামেও এসআইআর হত  তাহলে বিজেপিকে বলতে হাত এনআরসিতে আসামে এই সব মানুষের সাথে ঠিক কি হয়েছিল ? বেনারসি আসামে ইতিমধ্যেই ব্যর্থ হয়েছে।”

তৃণমূল সাংসদ বলেন, “যেহেতু এসআইআর এক ধরনের বেনারসি, আর আসামের মত রাজ্যে বেনারসি ব্যর্থ হয়েছে, তাই বিজেপি আসামে আর এসআইআর করাচ্ছে না. যদি করাতো তাহলে একগাদা বিরক্তিকর প্রশ্নের মুখে তাদের পড়তে হত. যেটা ওরা চায় নি. আসামে বিজেপি ক্ষমতায় থাকলেও এনআরসি  কেন সমাপ্ত করা গেলো না ? যদি বেনারসি দিয়ে দেশে অবৈধভাবে থাকা বিদেশিদের চিহ্নিত করাটাই মুল্লখ্যে হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমতায় থেকেও োর এই কাজটা শেষ করলো না কেন ? আমি জানতে চাইছি।” 


Loading

রাজ্যের মূল সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতেই এসআইআর-এর জুজু দেখাচ্ছে তৃণমূল : সুকান্ত 

BLO দের  নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা উচিত নির্বাচন কমিশনেরই 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/১১/২০২৫ :  তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের মূল সমস্যা থেকে অন্যদিকে চালিত করতে চাইছে সাধারণ মানুষকে, বলে অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। 

সুকান্ত মজুমদার বলেন, “তৃণমূল মানুষের নজর অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে চাইছে। তৃণমূল চাইছে মানুষ এখন এসআইআর নিয়ে ব্যস্ত থাকুক। কিন্তু এটাই তো আর রাজ্যের আসল সমস্যা নয়, পশ্চিমবঙ্গের মূল সমস্যা হলো বেরোজগার  বা বেকারত্ব। এছাড়া রাজ্যের আর এক সমস্যা হলো মহিলাদের সাথে অপরাধ। এই দুই মূল সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতেই তৃণমূল এসআইআর নিয়ে শঙ্কা আশংকার কথা শোনাচ্ছে সাধারণ মানুষকে।”

সুকান্ত মজুমদার এদিন বলেন, “রাজ্যের আসল সমস্যা অল পশ্চিমবঙ্গ বেকার ও বেরোজগার হয়ে পড়েছে। এখানে মহিলাদের ধর্ষণ করা হয়. সেইসব সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতেই তৃণমূল সরকার এসআইআর নিয়ে জূজূ দেখাতে চাইছে রাজ্যবাসীকে। 

রাজ্যে বিএলওদের নির্বিঘ্নে কাজ করা নিয়ে সুকান্তবাবু বলেন, ব্লক লেভেল অফিসারদের নিরাপত্তা দেওয়ার কাজ নির্বাচন কমিশনের। এই রাজ্যের বিএলওদের  নিরাপত্তা তাই নির্বাচন কমিশনেরই সুনিশ্চিত করা উচিত। তাঁদের যাতে চাপের মুখে কাজ করতে না হয়, সেটা দেখা উচিত কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনেরই।


Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor