আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/১১/২০২৫ : “একজন বৈধ ভোটারের নামও যদি বাদ যায় ভোটার লিস্ট থেকে, তাহলে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমরা দিল্লী যাবো। বৃহত্তর আন্দোলন করব।” বললেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিষেক বলেন, “আমরা প্রথম থেকেই বলছি, একজন বৈধ ভোটারের নামও যদি বাদ যায়, তাহলে সেই লড়াইটা তৃণমূল কংগ্রেস দিল্লীতে নিয়ে যাবে। যারা কেন্দ্রের পুতুলের মতো আচরণ করছে, যারা পশ্চিমবাংলাকে দাবিয়ে রাখতে চাইছে, বাংলায় কথা বলার জন্যে যারা পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশের সমান জায়গায় দেখাতে চাইছে, তারা কিন্তু বড়সড় একটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।”
এদিন অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, তিনি বলেন, “এসআইআর ঘোষণার পর পরই যিনি মারা গিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের তালিকায় সেই সব ভোটাররা কি বৈধ ? না অবৈধ ? আপনার কেউই সিটিজেন্টশীপ এমেন্ডমেন্ট শিবিরের শিকার হবেন না, তাহলেই আসামের মানুষদের মত পরিস্থিতি তৈরি হবে এই পশ্চিমবঙ্গেও। ইতিমধ্যেই এই রাজ্যে এসআইআর-এর আতঙ্কে একাধিক মানুষ আত্মহত্যা করেছেন। আমাদের একজোট হয়ে থাকতে হবে।”
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/১১/২০২৫ : আজ থেকে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হল এসআইআর-এর কাৰ্যকলাপ। পশ্চিমবঙ্গ সমেত দেশের মোট ১২টি রাজ্যে আজ থেকেই শুরু হয়েছে এসআইআর-এর কাজকর্ম।
পশ্চিমবঙ্গে যাঁরা ব্লক লেভেল অফিসার হিসেবে কাজ করছেন, গতকালই তার ট্রেনিং শেষ হয়ে গিয়েছে। আজ থেকে বিএলও আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম বিলি করার কাজ করছেন। কিভাবে দুই ফর্ম ভর্তি করতে হবে তার নিয়ম কানুন জানিয়ে আসছেন। এরপর ঐ বিএল আধিকারিকরা কোন কোন দিন বাড়িতে আসবেন সেটা জানিয়ে দেবেন। মোট তিনবার এই বিএলও-দের বাড়িতে বাড়িতে আসতে হতে পারে।
এর আগে এসআইআর-এর কাজ হয়েছিল ২০০২ সালে , সুতরাং যাঁদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিল, তাঁদের আর নতুন করে কোনো তথ্য প্রমান জমা দিতে হচ্ছে না। তবে যাঁদের নাম ছিল না, তাঁদের জন্যে এগারো দফার মধ্যে যে কোন একটা প্রমাণ জমা দিতে হবে (যা ইতিমধ্যেই প্রচার মাধ্যমে বার বার জানানো হয়েছে)। যাঁদের নাম ছিল, তাঁদেরকে শুধুমাত্র নতুন ও সাম্প্রতিককালের দুটি ফটোগ্রাফ জমা দিতে হবে।
রাজ্যে ব্লক লেভেল আধিকারিকদের ট্রেনিং শেষে গতকালই সমস্ত ফর্ম এবং পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়েছে। তাঁরা এগুলিই বাড়িতে বাড়িতে নিয়ে যাবেন। তবে এই আধিকারিকরা নিজেদের নিরাপত্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই আধিকারিকদের রাজনৈতিক দলগুলির হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে ইতিমধ্যেই। তাই এঁরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও এই ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন রাজ্য সরকারের পুলিশ প্রশাসনের ওপরেই ভরসা করছে বলে জানিয়ে দিয়েছে। তবু এসআইআর-এর কাজ করতে কোনো বিএল একা কোনো বাড়িতে যাবে না বলে জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। এই ব্যাপারে সাধারণ মানুষকেই সহযোগিতা করার কথা বলা হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] দ্বারভাঙা, বিহার, ০৩/১১/২০২৫ : ইন্ডি মহাজোটকে সমালোচনার নামে রীতিমত ব্যঙ্গ করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা যোগী আদিত্যনাথ। তিনি মহাজোটের তিন নেতাকে ‘তিন বাঁদর’ বলে কটাক্ষ করলেন।
এদিন বিহারে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে এসে যোগী আদিত্যনাথ ইন্ডি মহাজোটের তিন নেতাকে তিন বাঁদর বলে উল্লেখ করেন। এই তিন নেতা হলেন কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, রাষ্ট্রীয় জনতা দলের তেজস্বী যাদব এবং সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব। এই তিন নেতাকে কটাক্ষ করে যোগী আদিত্যনাথ পাপ্পু আপ্পু আর টাপ্পু নামে অভিহিত করেন।
যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “গান্ধীজির কাছে যেমন তিনটি বাঁদর ছিল, যারা কখনোই খারাপ কিছু দেখতো না, খারাপ কিছু শুনতো না এবং খারাপ কিছু বলতো না। ঠিক তেমনি ইন্ডি মহাজোটের কাছে রয়েছে তিন বাঁদর। এরা হল পাপ্পু অর্থাৎ রাহুল গান্ধী, টাপ্পু অর্থাৎ তেজস্বী যাদব এবং আপ্পু অর্থাৎ অখিলেশ যাদব। এরা বিহারের প্রকৃত উন্নয়নের ক্ষেত্রে কখনোই কিছু দেখতে পারেন না,শুনতে পারেন না এবং বলতেও পারেন না।”
আজ খবর (বাংলা), [খেলা] , নতুন দিল্লী, ভারত ০৩/১১/২০২৫ : ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের বিশ্বজয়কে ঘিরে উন্মাদনা শুরু হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে এমনকি গোটা দেশে। দক্ষিণ আফ্রিকায় মহিলাদের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে জয়লাভের জন্যে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটাররা।
প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার মদনলাল বলেন, “হরমণপ্রীতের অধিনায়কত্ব অসাধারণ, তবে আমি তাঁকে বলব তিনি যেন নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখেন। খেলার সময় তাঁর একাগ্রতা দেখার মত। এই বিশ্বকাপে তাঁকে ভারতীয় দলে অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হয়েছে।”
বিশ্বকাপ ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা টসে জিতে ভারতকে ব্যাটিং করতেপাঠিয়েছিল। ব্যাট করতে নেমে স্মৃতি মান্ধানা এবং শেফালী ভার্মার জুটির সেঞ্চুরি দলকে আলাদা শক্তি যোগায়। শেফালী ৭৮ বলে ৮৭ রান করেন। স্মৃতি ৫৮ বলে ৪৫ রান তোলেন। জেমাইমা রড্রিগেজের ৩৭ বলে ২৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস ভারতকে আরও অক্সিজেন যোগায়। শেষমেশ ভারত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে মোট ২৯৮ রান তুলতে সমর্থ হয়. দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে আয়বঙ্গ খোকা সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন, তিনি ৫৮ রান দিয়ে ৩টি উইকেট তুলে নিয়েছিলেন।
এরপর রান তাড়া করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাট হাতে প্রথমেই দক্ষিণ আফ্রিকা ৫০ রান তুলে নেয়. তবে ভারতের দীপ্তি দক্ষিণ আফ্রিকার দুই সেট উইকেট তুলে নেন। আর তাতেই ভীত নড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার। শেফালীও দুটি উইকেট তুলে নেন মাত্র ৩৬ রান দিয়ে। শেষ পর্যন্ত ২৪৬ রানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বেঁধে রেখে দেয় ভারত এবং ২০২৫ বিশ্বকাপ পকেটে পুরে নেয়। ভারতীয় মহিলা দলের বিশ্বকাপ জয়ের ক্ষেত্রে হ্যাট্রিক করল ভারত। আজ গোটা দেশ শুভেচ্ছা জানাচ্ছে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলকে। দেশকে গর্বিত করেছে এই মহিলা ক্রিকেট দল।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] পাটনা, বিহার, ০২/১১/২০২৫ : পাটনায় মোদীর রোড শো’তে রহস্যজনকভাবে অনুপস্থিত থেকে গেলেন নীতিশ কুমার, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
আরা ও নওয়াদায় নির্বাচনী সমাবেশের পর আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিহারের রাজধানী পাটনায় একটি রোড শো’তে অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু সেই রোড শো’তে অনুপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার নিজেই। পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাটছাঁট করেই রোড শো শেষ করে দেওয়া হয়। যদিও মোদীর পাশে এদিন ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ জয়সোয়াল এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও জেডি (ইউ) নেতা রাজীব রঞ্জন সিং (লালন)। এছাড়াও ছিলেন বিহার বিজেপির প্রথম সারির নেতারা।
প্রধানমন্ত্রী মোদীর রোড শো’তে মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের অনুপস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করতে ছাড়েন নি আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। লালুপুত্র তেজস্বী এবার বিরোধী মহাজোটের তরফ থেকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদের প্রধান দাবিদার। তেজস্বী বলেন, “বিজেপি এবারের ইস্তেহারে কি কি বলেছিল, তা সম্ভবত নীতিশ কুমারই জানেন না। বিজেপি ক্রমেই নীতিশ কুমারকে পাশে সরিয়ে রাখছে।” নীতিশ কুমারের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তেজস্বী যাদব।
আজ ঠিক কি কারণে নরেন্দ্র মোদীর রোড শো’তে নীতিশ কুমারের অনুপস্থিতি, তা অবশ্য জানা যায় নি। বিষয়টি এখনো খোলসা করে জানায় নি এনডিএ। এদিন নরেন্দ্র মোদী হরিমন্দিরজি মন্দির পাটনা সাহেব দর্শন করতে যান, সেখানে গিয়ে প্রার্থনা করেন এবং উপস্থিত ভক্তদের শুভেচ্ছা জানান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি উপস্থিত ছিলেন তাঁর সাথে।
ভারত থেকে পলাতক অপরাধী জাকির নায়েক , রয়েছে ইন্টারপোলের রেড কর্নার নোটিশ
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ০২/১১/২০২৫ : বিতর্কিত জাকির নায়েককে বাংলাদেশের একটি সংগঠন সে দেশে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। যদিও মহম্মদ ইউনুস তাকে এখনো বাংলাদেশে আসার অনুমতি দেয় নি। তবে বাংলাদেশে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের তদারকি সরকার যিনি পরিচালনা করছেন, সেই মহম্মদ ইউনুস জানিয়েছেন, “আমরা জাকির নায়েককে আমন্ত্রণ জানাই নি। যারা আমন্ত্রণ জানিয়েছে তারা অনুমতির জন্যে আমার সাথে দেখা করেছে।” এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হুসেন বলেছিলেন বিতর্কিত জাকির নায়েকের বাংলাদেশ সফর সম্পর্কে তিনি অবগত নন।
বাংলাদেশে জাকির নায়েকের সফরের আয়োজক স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট গ্রূপ। এই সংস্থাটি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষেই জাকির নায়েককে নিয়ে অনুষ্ঠান করছে তারা। যদিও জাকির নায়েককে এখনো বাংলাদেশ সফরের জন্যে বাংলাদেশের তদারকি সরকার অনুমতি দেয় নি বলেই জানা যাচ্ছে।
এই ব্যক্তি ভারতীয় হলেও ভারত থেকেপলাতক। ধর্মীয় দিক থেকে এই ব্যক্তি ইসলাম ধর্মে মানুষকে পরিবর্তন বা দীক্ষিত করার কাজ করতো। জাকির ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন এবং পিস্ টিভি তৈরি করেছিল। ২০১৬ সালে নরেন্দ্র মোদী এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঘৃণার প্রচার ও অর্থ পাচারের অভিযোগ আনেন। ইন্টারপোলের সাহায্য নিয়েও তাকে ধরা যায় নি। তার ফাউন্ডেশন এবং পিস্ টিভি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বেশ কয়েকটি দেশ। বাংলাদেশও তার মধ্যে অন্যতম, যদিও সেই সময় ছিল শেখ হাসিনার শাসন। ভারত থেকে পলাতক এই ধরনের এক ব্যক্তিকে আগামী মাসে বাংলাদেশে স্বাগত জানানো হচ্ছে।
স্বাভাবিকভাবেই ভারত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। জাকিরের পাকিস্তান সফর নিয়ে ভারত জানিয়েছে জাকিরের পাক সফর নিয়ে ভারত আদৌ অবাক হয় নি। তবে যেহেতু এই ব্যক্তি ভারত থেকে পলাতক এক অপরাধী, এবং ইন্টারপোলের রেড নোটিশপ্রাপ্ত অপরাধী, তাই অন্যান্য দেশ যেখানেই এই ব্যক্তি যাক না কেন, তাকে সেই দেশের সরকারের গ্রেপ্তার করতে সহায়তা করা উচিত। ভারতের এই বক্তব্য শুনে নড়ে চড়ে বসেছে বাংলাদেশ, গোটা বিষয়টির ওপর নজর রাখছে তারা। আগামী মাসে জাকির নায়েকের বাংলাদেশ সফর করার কথা রয়েছে। এখন দেখার বাংলাদেশের তদারকি সরকার তাকে বাংলাদেশে সফর করার অনুমতি দেয় কি না !
মূলত সামুদ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্যেই এই অভিযান ভারতের
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], , নতুন দিল্লী, ভারত,০২/১১/২০২৫ : ইসরোর সাফল্যে ফের নতুন পালখ জুড়ল ভারবর্ষের মহাকাশ গবেষণারমুকুটে। আজ ইসরো সাফল্যের সাথে দেশের সবচেয়ে ভারী মহাকাশ যান মহাকাশ তথা কক্ষপথে চালিত করেছে।
আজ অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ভারত বিশেষ একটি মহাকাশ যান উৎক্ষেপণ করেছে। এই মহাকাশ যানের নাম সিএমএস ০৩, এর ওজন ৪৪০০ কিলোগ্রাম। এই মহাকাশ যানটিকে আজ উৎক্ষেপণ করেছে এলভিএম ৩ রকেট, কিছুদিন আগে যে রকেট চন্দ্র যানকে চাঁদের উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছিল। আজ ছিল এই রকেটের পঞ্চম উৎক্ষেপণ।
আজ শ্রীহরি কোটা থেকে মহাকাশ যানের সফল উৎক্ষেপণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “ইসরোর সাফল্য আমাদের বার বার গর্বিত করেছে। ইসরোর প্রত্যেককে শুভেচ্ছা জানাই। ইসরোর সাফল্য মহাকাশ গবেষণা জগতে দেশকে অনেকটাপথ এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। তাদের এই অসাধারণ সাফল্য দেশকে যেমন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, তেমন অসংখ্য দেশবাসীকে আরও বেশি করে সুবিধা এনে দেবে।”
ভারতের নিক্ষেপ করা এই মহাকাশ যান দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করে তুলবে। বিশেষ করে সামুদ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করে তুলবে। এই কারনে এই মহাকাশ যানের সুবিধা সবচেয়ে বেশি পাবে দেশের নৌ বাহিনী।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ০১/১১/২০২৫ : অল ইন্ডিয়া হো ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাকশন কমিটি র ডাকে ৩১শে অক্টোবর ২০২৫ শুক্রবার “হো” ভাষাকে অষ্টম তফশীল অন্তর্ভুক্ত করনের দাবিতে নিউ দিল্লীর যন্তর মন্তর এ ধর্ণা প্রদর্শন করল ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের আদিবাসী হো সমাজের মানুষজন।
উড়িষ্যা,ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ,আসাম,ছত্তিশগড় বিহার থেকে বিভিন্ন হো সমাজের সামাজিক সংগঠনের নেতৃত্ব্ব্ববর্গ যোগদান করেছিলেন । হো ভাষাকে অষ্টম তফশীলে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে সোচ্চার হোন আদিবাসী হো সমাজের নেতৃত্ববর্গ। ধর্ণা শেষে রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে মাননীয়া রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাতে দাবিপত্র তুলে দেন অল ইন্ডিয়া হো ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাকশন কমিটির সদস্যগন।পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়েছেন.
অল ইন্ডিয়া আদিবাসী হো সমাজের রাজ্য কমিটির সম্পাদক মাননীয় জগন্নাথ কেরাই, অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলা কমিটির সদস্য ও দাসপুর ব্লক মানকি মুডা কমিটির সম্পাদক মাননীয় রাজু বাঁডরা ,সহ সভাপতি মাননীয় রাম পূর্তি, মানকি মুডা কমিটির সদস্য আধিকারী গাগরাই, অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলা কমিটির জেলা ডাকুয়া মাননীয় অনিল হেমরম ও দাসপুর থেকে যোগেশ্বর শয়, নমিতা শয়,কার্তিক পূর্তি প্রমুখ।অল ইন্ডিয়া ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাকশন কমিটির জাতীয় সভাপতি মাননীয় রামরাই মুন্ডিয়া, সম্পাদক গোমেয়া এমঙ্গ, গিরিশ চন্দ্র হেমরম,গব্বর সিং, সোনা সেলেম, শান্তি সিন্ধু, ক্ষীরোদ হেমরম, চন্দ্র মোহন হাইবুরু সহ আরো নেতৃত্ব।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ছাতনা, বাঁকুড়া, ০১/১১/২০২৫ : বাংলায় এস.আই.আর নিয়ে রাজ্য রাজনীতি যখন উত্তাল ঠিক তখনই বাঁকুড়ার ছাতনা অঞ্চলে সাধক কবি বড়ু চণ্ডীদাসের মাটিতে চণ্ডীদাস পল্লীর সদস্যরা আয়োজন করলো ঐতিহ্যমন্ডিত জগদ্ধাত্রী পূজা ।
এই বছর পূজার থিম ছিল স্বর্গপুরী এবং কয়েক দশক ধরে চলে আসা এই পূজাকে কেন্দ্র করে মেলায় উপচে পরা মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত । পূজার উদ্বোধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অখিলভারত হিন্দুমহাসভার রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামী । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের সম্পাদক জিতেন্দ্রিয়ানন্দজি মহারাজ । প্রধান অতিথির ভাষণে ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামী বলেন পূরণানুসারে দেবী দুর্গা ও মহিষাসুরের যুদ্ধের সময় মহিষাসুর হস্তি রূপে দেবী দুর্গাকে বিব্রত করলে দেবী দুর্গা জগদ্ধাত্রী রূপ নিয়ে চক্রের সাহায্যে সেই হস্তিরুপী অসুরকে দমন করেন ।
আবার মহিষাসুর বধের পর দেবতারা দাম্ভিক হয়ে উঠলে দেবী দুর্গা জগদ্ধাত্রী বা মহাদুর্গা রূপেই দেবতাদের দম্ভ চূর্ণ করেন । বাংলায় জগদ্ধাত্রী পূজার সাথে মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র ও চন্দননগরের নাম বিশেষ ভাবে যুক্ত । বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আনন্দমঠ গ্রন্থেও দেবী জগদ্ধাত্রীর বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে । তাই সাধক কবি বড়ু চণ্ডীদাসের মাটিতে জগদ্ধাত্রী দেবীর পূজায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারা অবশ্যই সৌভাগ্যের বিষয়, কারণ ভারতের মাটি বহুত্ববাদের মাটি । আমরাই সারা পৃথিবীকে শিখিয়েছি বসুধৈব কুটুম্বকম, আর সাধক কবি বড়ু চণ্ডীদাস সারা জীবন ধরে মানবসমাজকে শিক্ষা দিয়েছেন “সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর নাই” ।
পূজার সম্পাদক তথা অন্যতম আয়োজক বিশিষ্ট সমাজসেবী শঙ্কর চক্রবর্তী বলেন আমরা প্রতি বছর খুব আন্তরিক ভাবে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই পূজার আয়োজন করে আসছি । প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এইবছর কিছুটা অসুবিধা হলেও সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও দেবী জগদ্ধাত্রী আশীর্বাদে ভালোভাবেই পূজার আয়োজন করতে পেরেছি । একদিকে দেবী বাঁশুলী মায়ের আশীর্বাদ আর অন্যদিকে সাধক কবি চণ্ডীদাসের ঐতিহ্যময় মাটিতে আয়োজিত এই পূজায় সমগ্র ছাতনাবাসী তথা বাঁকুড়াবাসীকেই পূজার শুভেচ্ছা জানালেন শংকর চক্রবর্তী ।
পূজার সভাপতি বিমল চক্রবর্তী প্রধান অতিথি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামী ও বিশিষ্ট অতিথি জিতেন্দ্রিয়ানন্দজি মহারাজকে বরণ করার পাশাপাশি সমস্ত অতিথিদের শুভেচ্ছা জানালেন । হিন্দু মহাসভার অফিস সেক্রেটারি অনামিকা মন্ডল ছাতনার এই ঐতিহ্যময় পূজায় বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পেরে পূজার আয়োজকদের, সম্পাদক শঙ্কর চক্রবর্তী এবং প্রধান অতিথি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীকে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানালেন ।
বৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভ্রুকুটিকে উপেক্ষা করে চণ্ডীদাস পল্লীর পূজা আয়োজকরা যে আন্তরিকতার সাথে জগদ্ধাত্রী পূজা, লাইট এন্ড সাউন্ড শো তে দেবী জগদ্ধাত্রীর অসুর নিধন, সকল দর্শনার্থীদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ এবং দশদিন ধরে মেলার আয়োজন করলেন তা এক কথায় একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো ।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], রাণীগঞ্জ, পশ্চিম বর্ধমান, ০১/১১/২০২৫ : আসানসোলের রানীগঞ্জে ফের ভেজাল তেল কাণ্ডে চাঞ্চল্য। শুক্রবার গভীর রাতে রানীগঞ্জের গির্জা পাড়ায় অবস্থিত এক তেল মিলে অভিযানে নেমে ১০২ টিন ফরচুন কোম্পানির নামে ভেজাল ভোজ্য তেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কোম্পানীর লিগ্যাল অফিসার বলছেন, “এখানেই আমাদের প্রশ্ন কেউ যদি মিলে নকল তেল বানায়, তো মেশিন কোথায়, লোক জন সব পুলিশের অভিযানের আগেই পালিয়ে গেলো ? কে দরজা খুলে দিয়েছে পুলিশকে ?,কোনো বন্ধ দরজা খুলতে গেলে কোর্ট এর পারমিশন লাগে, কিন্তু এখানে যিনি ভাড়া দিয়েছেন তিনি হয়তো খুলে দিয়েছেন” !
এই কোম্পানির লিগাল অফিসার বলছেন, তিনি নিজেই অনেকবার সাজিয়ে রেড করেছেন , নিজেদের লোকেদের দিয়ে ঘর ভাড়া নিয়ে, নিজেরাই মাল রেখে আসেন ,আর পরে পুলিশ দিয়ে রেড করান, তাই পুলিশকে অনুরোধ করবো,এই রেড এর সঠিক তদন্ত করতে, এই ঘটনার পর থেকে মিল মালিক পলাতক। কিন্তু কেন পলাতক, পুলিশ তদন্ত না করেই কারুর নামে মামলা করতে পারে কি?
একটি অভিযোগ সামনে এসেছে, যেখানে বলা হচ্ছে, শুক্রবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রানীগঞ্জ থানার পুলিশের সহায়তায় গির্জা পাড়ার মোদী ওয়েল মিল নামে একটি কারখানায় হানা দেয়। সেখানে কোম্পানির ফরচুন ব্র্যান্ডের নামাঙ্কিত টিনে স্থানীয় তেল ভরে বাজারজাত করা হচ্ছিল।
অভিযানের সময় মিলে বিপুল পরিমাণে তেল ভর্তি টিন উদ্ধার হয়। মোট ১০২ টিন বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। তবে অভিযানের আগেই মিল মালিক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ফরচুন কোম্পানির লিগ্যাল সেলের আধিকারিকদের দাবি — “দুটি আলাদা ফরচুন ব্র্যান্ডের টিন ব্যবহার করে তার মধ্যেই ভেজাল তেল ভরে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল। অনেকেই তা আসল ফরচুন তেল ভেবে ক্রয় করছিলেন। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি ও গ্রাহক প্রতারণার শামিল।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রানীগঞ্জ থানা এলাকায় এর আগেও ভেজাল তেল সহ একাধিক কারবার ধরা পড়েছে, কিন্তু কয়েকদিন পরই আবার সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যায়। ফলে সাধারণ মানুষ এখনো এই ধরনের নকল ও ক্ষতিকর তেল খেতে বাধ্য হচ্ছেন। সাধারণ মানুষের দাবি পুলিশ ও প্রশাসন এই সব বিষয়ে নজর না দিলে আখেরে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এই ঘটনার তদন্তে নামানো হয়েছে ফরেনসিক টিম। উদ্ধারকৃত তেলের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, স্থানীয় পর্যায়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই কাজে জড়িত থাকতে পারে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযান চালিয়ে তেল মিল থেকে প্রচুর পরিমাণে ভেজাল তেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”
রানীগঞ্জের গির্জা পাড়ায় ধৃত এই ঘটনার পর ফের উঠে এসেছে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন। প্রশাসনের কড়া নজরদারি না বাড়ালে সাধারণ মানুষকে নকল ও বিষাক্ত তেলের খাওয়ার ঝুঁকির মুখে পড়তে হবে বলেই মনে করছে স্থানীয়রা। এলাকার মানুষ বলছেন ‘অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে গেলে দেখা যাবে ,আধার কার্ড ভুয়া, অন্যান্য লাইসেন্সও ভুয়ো। এখানে তাহলে মাল কে রাখলো,কোম্পানির লোক ? তাদের নিজস্ব টিম , না অন্য কেউ ? আসল তদন্ত হোক’ !