কাশ্মীর উপত্যাকার সাথে নিবিড় যোগাযোগের প্রথম ধাপে সাফল্য পেল ভারতীয় রেল
ছবি : নেটসূত্রে
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১১/০৮/২০২৫ কাশ্মীর উপত্যকায় প্রথম পণ্যবাহী ট্রেনের আগমনের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ তিনি বলেছেন, “এটি এই অঞ্চলকে জাতীয় পণ্যবাহী নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইল ফলক।”
কেন্দ্রীয় রেল, যোগাযোগ এবং বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের একটি পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “এই উন্নয়ন জম্মু ও কাশ্মীরের অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধি উভয়কেই বাড়িয়ে তুলবে।”
প্রধানমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে জানিয়েছেন;
“জম্মু ও কাশ্মীরে বাণিজ্য এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন! এটি অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধি উভয়কেই বাড়িয়ে তুলবে।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,১১/০৮/২০২৫ : কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী, সুকান্ত মজুমদার এবং কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ প্রতিমন্ত্রী, শান্তনু ঠাকুর গতকাল সকালে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে শিয়ালদহ–রানাঘাট এসি ইএমইউ ট্রেন পরিষেবার উদ্বোধন করেছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব রেলের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও বরিষ্ঠ আধিকারিকগণ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুকান্ত মজুমদার রেলওয়ে নেটওয়ার্ককে দেশের মেরুদণ্ডের সঙ্গে তুলনা করেন এবং রেলের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, রেল বাজেট বর্তমানে পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছ এবং এ রাজ্যে বর্তমানে ৪২টি রেল প্রকল্পের কাজ রয়েছে। তিনি আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গের ২,০০০টি রেলস্টেশন এখন সৌরশক্তি দ্বারা চালিত হচ্ছে, যা ভারত সরকারের বিকশিত ভারত@২০৪৭–এর স্বপ্ন পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
শান্তনু ঠাকুর বলেন, “নতুন বাতানুকূল লোকাল ট্রেন দৈনিক যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধি করবে যা ভারতীয় রেলের উন্নয়নে মোদি সরকারের অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করে।”
নতুন চালু হওয়া রেকটি শিয়ালদহ–রানাঘাট শাখায় চলবে। রেলের আধিকারিকরা জানান, বেশি যাত্রীসংখ্যা এবং শহরতলির প্রধান কেন্দ্রগুলির সঙ্গে সংযোগ থাকার কারণে এই শাখাটি বেছে নেওয়া হয়েছে। এই ১২-কোচের ইএমইউ–তে মোট ১,১২৮টি আসনের ব্যবস্থা রয়েছে এবং প্রতিটি কোচ ৩০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ইউনিট দ্বারা সুসজ্জিত। এতে যাত্রীদের সুরক্ষা ও আরামের জন্য ১০০% সিসিটিভি নজরদারি, জরুরি টক-ব্যাক ইউনিট, ইলেকট্রনিক ডিসপ্লে বোর্ড, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র এবং রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (আরপিএফ)–এর নিরাপত্তাকর্মীরা থাকবে। প্রতিটি কোচে একজন টিকিট পরীক্ষক থাকবেন। কোচগুলিতে স্বয়ংক্রিয় দরজা থাকবে এবং ট্রেনটি সর্বোচ্চ ১১০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে চলার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে।
এসি ইএমইউ পরিষেবার ভাড়া ₹৩৫ (সর্বনিম্ন) থেকে ₹১২০ (সর্বোচ্চ) পর্যন্ত হবে। মাসিক সিজন টিকিট ₹৬২০ থেকে ₹২,৪৩০–এর মধ্যে পাওয়া যাবে, যা নিয়মিত যাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী ভ্রমণের সুযোগ করে দেবে।
অভয়ার মা’কে প্রহার করা কি ঠিক সিদ্ধান্ত ছিল ? সমালোচনায় পুলিশ
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১১/০৮/২০২৫ : নবান্ন অভিযানের দিন বিজেপি দাবী করেছিল প্রায় দেড়শো মানুষ পথে নেমে আন্দোলন করতে গিয়ে আহত হয়েছিলেন পুলিশের আক্রমনে। এবার পুলিশের তরফ থেকেও দাবী করা হয়েছে যে সেদিন আন্দোলনকারীরা হামলা চালিয়েছিল পুলিশ কর্মীদের ওপর।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সেদিন এক বছর আগে মৃত্যু হওয়া এক ডাক্তারি পড়ুয়ার মৃত্যুর কারনে প্রচুর মানুষ পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় নবান্নে অভিযান করেছিল। সেই সময় তারা সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেন করে, এবং সহিংস আন্দোলন করতে শুরু করে. সেই সময় ডিউটিতে থাকা পুলিশকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে সেদিনের ঘটনায় আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মীদের বাধা দান এবং সরকারি সম্পত্তি ভাংচুর করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এই ঘটনায় বিজেপির দুজন বিধায়ক এবং এক নেতার বিরুদ্ধে মোট সত্যি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে অশোক দিন্দা, অগ্নিমিত্রা পল এবং কৌস্তভ বাগচীর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার মোট সত্যি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
সেদিন পুলিশ যে কান্ডজ্ঞানহীন কাজটা করেছিল, তার জন্যে রাজ্যব্যাপী সমালোচনায় পড়তে হচ্ছে পুলিশকে
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১১/০৮/২০২৫ : মেয়ের রহস্য মৃত্যুর এক বছর পর বিচার চাইতে গিয়ে পুলিশের হাতে মার্ খেতে হয়েছে অভয়ার মা’কে। এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন অভয়ার বাবা।
এক বছর কেটে গিয়েছে, তা সত্বেও অভয়াকে কে বা কারা ধ*র্ষণ করে খু-ন করেছিল তা এখনো সামনে আসে নি বলে মনে করেন অভয়ার বাবা মা। মেয়ের রহস্যমৃত্যুর এক বছর পর তার বিচার চেয়ে রাজপথে নেমে আন্দোলন সংগঠিত করে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছেন অভয়ার বাবা মা। বিজেপি সহ অসংখ্য সাধারণ মানুষ তাঁদের এই নবান্ন অভিযানকে সমর্থন করেছিল। গত ৯ তারিখে প্রচুর মানুষ ঐ মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
সেদিন আদালতের নির্দেশ নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করে যেতে দেয়নি পুলিশ । ব্যারিকেড করে তাঁদের পথ আগলে দাঁড়িয়েছিল। এরপর শুরু হয়েছিল তর্কাতর্কি, বচসা, ধ্বস্তাধস্তি, লাঠিচার্জ ইত্যাদি।পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত হয়েছিলেন অভয়ার মা। তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়েছিল, তাঁর হাতের শাঁখাও ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। অভয়ার বাবা বলেছেন, “সেদিন কয়েকজন মহিলা পুলিশ কর্মী অভয়ার মা’কে মিছিল থেকে রাস্তার ধরে নিয়ে যান এবং লাঠি দিয়ে মারতে থাকেন । অভয়ার মা মাথায় চোট পেয়েছেন, মাথা ফুলে গিয়েছে । তাঁর হাতেও ব্যাথা ছিল. অভয়ার মা প্রতিজ্ঞা কোঁৎরেছেন, ‘তিনি ততদিন আর শাঁখা পড়বেন না, যতদিন না তিনি তাঁর মেয়ের বিচার পান। “
অভয়ার বাবা বলেন, “অভয়ার মা হাসপাতালে ভর্তি হন নি। তাঁকে হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেখানেই তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছিল। তাঁকে কিছুক্ষন অব্জার্ভেশনে রাখা হয়েছিল। আমরা কারোর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানাচ্ছি না। তবে গোটা ঘটনার কথা জানাবো আদালতে। সেখানেই সব কিছুর ফয়সালা হোক।” প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ৯ তারিখে আর্জি কর হাসপাতালে অভয়ার মা’কে দেখতে গিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক] নতুন দিল্লী, ভারত, ০৯/০৮/২০২৫ : প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি শ্রী ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন।
রাষ্ট্রপতি পুতিন প্রধানমন্ত্রীকে ইউক্রেনের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ভারত এই সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে। তিনি রাষ্ট্রপতিকে সর্বশেষ পরিস্থিতি জানানোর জন্য ধন্যবাদ জানান।
ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বিশেষ কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে উভয় নেতা দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ের পর্যালোচনা করেছেন। এ বছর ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন ভারতে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী এই উপলক্ষে রাষ্ট্রপতিকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
আমেরিকা ভারতের ওপর বিপুল শুল্ক চাপিয়ে দিয়েছে। এর প্রধান কারন হিসেবে বলা হয়েছে যেহেতু ভারত রাশিয়ার থেকে জ্বলানি তেল এবং অস্ত্রশস্ত্র কিনে চলেছে, তাই বিপুল পরিমান শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছে আমেরিকা। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে ভারত ও রাশিয়া যদিনিজেদের মধ্যে ব্যবসা করে, তাহলে যে শুল্ক ভারতের ওপর আমেরিকা চাপিয়েছে, সেই একইরকম শুল্ক রাশিয়ার ওপরেও চাপানো উচিত ছিল. তা কিন্তু হয় নি. রাশিয়ার সাথে ব্যবসা করার জন্যে তাহলে এক ভারতকে ভুগতে হবে কেন ? যদিও আমেরিকার এই অদ্ভুত শুল্ক নীতিকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে রাজি নয় ভারত। আকার এতেই বেজায় চটেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এক মাসে বেশ কিছু তৃণমূল নেতা খুন হয়ে গেলেও এখনো আঁধারে পুলিশ !
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কোচবিহার, ০৯/০৮/২০২৫ : ফের কোচবিহারে খুন তৃণমূল নেতা। তাঁকে জনসমক্ষে গুলি করে খুন করা হয়েছে।
তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার জেলায়। আজ সেখানে ডোডেয়ার হাট এলাকায় অন্য একজনের সাথে বাজার করতে বেরিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা অমর রায়। ভরা বাজারের কাছেই কিছু দুষ্কৃতী ঘিরে ধরে অমর রায়কে। তারা বাইকে চেপে এসেছিল, হঠাৎ করেই তারা ঐ তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গেই গুলিতে লুটিয়ে পড়েন ঐ তৃণমূল নেতা।তাঁর সঙ্গীর মাথা ছুঁয়ে বেরিয়ে যায় গুলি।
দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলিতে মারা যান ডোডেয়ারহাটের তৃণমূল নেতা অমর রায়, তাঁর বাবা ওই এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য ও মা পঞ্চায়েত প্রধান বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে ‘বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে’। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায় নি। তবে গত এক মাসে এই নিয়ে বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা খুন হয়ে গিয়েছেন, উদ্বিগ্ন রাজ্য সরকার।
ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন কোচবিহারের পুলিশ সুপার ধৃতিমান ভট্টাচার্য। উপস্থিত রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং পুলিশের অন্যান্য আধিকারিকরা। তাঁদের উপস্থিতিতেও তদন্তের কাজ শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ডোডেয়ারহাট এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] ব্যাঙ্গালুরু, কর্ণাটক, ০৯/০৮/২০২৫ : অপারেশন সিঁদুর অভিযানের মাধ্যমে ভারত অন্ততপক্ষে পাঁচটি যুদ্ধ বিমান ও একটি বড় বিমানকে গুলি করে নামিয়েছিল বলে দাবী করলেন চিফ অফ এয়ার স্টাফ, এয়ার চিফ মার্শাল এ পি সিং.।
হ্যাল ম্যানেজমেন্ট একাডেমির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এয়ার চিফ মার্শাল শ্রী সিং বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের সময় আমরা পাকিস্তানের অন্তত পাঁচটি যুদ্ধ বিমানকে ধ্বংস করেছিলাম। সেই সঙ্গে একটি বড় বিমানকেও ধ্বংস করা হয়েছিল।”
শ্রী সিং বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে আমরা পাকিস্তানের পাঁচ যুদ্ধবিমানকে ধ্বংস করেছিলাম। সেই সাথে আরও একটি বড় বিমানকে ধ্বংস করা হয়েছিল। খুব সম্ভবত সেটি ELINT অথবা AEW&C শ্রেণীর বিমান ছিল। আমাদের থেকে সেটি ৩০০ কিলোমিটার দূরে ছিল। আর এটাই ছিল আমাদের ভূপৃষ্ঠ থেকে নিক্ষেপ করা সবথেকে বড় বিমান .ধ্বংসের ঘটনা।”
শ্রী সিং আরও বলেন, “এ ছাড়াও আমরা ঐ সময়ে মুরিদ ও চাকলালার মত পাকিস্তানের দুটি কম্যান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার ধ্বংস করে দিয়েছিলাম। বড় ছোট মিলিয়ে আমরা ওদের ছয়টি রাডার ধ্বংস করেছিলাম। আমরা পাকিস্তানের লাহোর ও ওকারা সেলফ ডিফেন্স সিস্টেম নষ্ট করে দিয়েছিলাম। আমরা একইসাথে পাকিস্তানের সুক্কুর , ভোলারি ও জাকোবাবাদ হ্যাঙ্গারে আক্রমণ চালিয়েছিলাম, যে হ্যাঙ্গারগুলিতে AEW&C এবং F ১৬ এর মত যুদ্ধবিমান রাখা ছিল।”
এই সময় পাকিস্তান সীমান্তের ওপার থেকেই গোলা দাগতে শুরু করেছিল, বারবার ড্রোনের মাধ্যমে আক্রমণ শানাতে চাইছিল। তার জবাব দিতে ভারত মিসাইল দেগে নুর খান সহ পাকিস্তানের ১১টি এয়ার বেস সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেয়। পাকিস্তানের মাটিতে থাকা জঙ্গী টার্নিং সেন্টার ও ডেরাগুলিকেও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
এই লড়াইয়ে ভারতের মোট ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন এবং ৫৯ জন আহত হয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে ভারতের বিদেশ দপ্তর সূত্রে।
অভয়ার বাবা ও মায়ের ডাকেই সংঘটিত হয়েছিল নবান্ন অভিযান, সেই অভিযানে গিয়ে আহত হয়েছেন দেড়শো বিজেপি কর্মী
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৯/০৮/২০২৫ : এক বছর আগে প্রাণ হারানো অভয়া যাতে সঠিক বিচার পান, তার দাবীতে নবান্ন অভিযানে পুলিশের লাঠিচার্জ। রীতি মত রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি কলকাতার রাজপথ।
শনিবার অভয়ার বিচার পাওয়ার দাবীতে প্রতিবাদ করতে হাজার হাজার মানুষ পথে নেমেছিলেন। আজ ছিল নবান্ন অভিযান। এই মিছিলে ছিলেন আর জি কর হাসপাতালে নির্যাতিতা ও খুন হয়ে যাওয়া চিকিৎসক পড়ুয়া অভয়ার বাবা মায়ের। বিজেপি এই নবান্ন অভিযানকে সমর্থন করেছিলেন। এদিন বিজেপি কর্মী এবং বহু সাধারণ মানুষ নবান্ন অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
পুলিশ এই নবান্ন অভিযানের অনুমতি দেয় নি, যে কারণে নবান্নকে রীতিমত দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করা হয়েছিল। নবান্নে পৌঁছনোর সব রাস্তাই ব্যারিকেড করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। প্রচুর সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। পার্ক স্ট্রিটের দিক থেকে মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশের সাথে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। এই সময় শুভেন্দুর নেতৃত্বে পার্ক স্ট্রিতেই বসে পড়েন বিজেপি কর্মীরা।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন যে “তাঁর গায়ে পুলিশ ধাক্কা দিয়েছিল।” এক সময় পুলিশের সাথে অভিযানকারীদের ধস্তাধস্তিও হয়। শুভেন্দুর দাবী, “পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে, এতে বিজেপি কর্মীদের মাথা ফেটে গিয়েছে, কারোর হাত ভেঙে গিয়েছে। পুলিশের আক্রমণে শতাধিক আন্দোলনকারী মার্ খেয়ে আহত হয়েছেন।” অভয়ার বাবা মাকেও মারা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভয়ার মা হাতে চোট পেয়েছেন। তাঁর হাতের শাঁখা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একসময় অভয়া মা বলে ওঠেন, “আমার মেয়েকে পুলিশ মেরেছে, আজ আমাকেও মারল। আমাকে আজ যতই মারুক, আমরা নবান্ন যাবই , আমরা বিচার ছিনিয়ে আনব।” এর প্রতিবাদে পার্ক স্ট্রিতেই বসে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। মিছিলের বিভিন্ন জায়গায় নেতৃত্ব দিতে থাকেন অগ্নিমিত্রা পল, কৌস্তভ বাগচী, অর্জুন সিং, শঙ্কর ঘোষরা। আন্দোলনে ছিলেন অন্যান্য বিজেপি বিধায়করা। অর্জুন সিং এর মাথা ফেটেছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী।
হাওড়ার দিক হেকে যে মিছিল নবান্ন অভিমুখে আসছিল, সেখানে ১০ ফুট উঁচু ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছিল। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেডের ওপর উঠে পড়লে সেখানেও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। সেই মিছিল আটকে পরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। আওয়াজ ওঠে “উই ওয়ান্ট জাস্টিস”। বিজেপির বক্তব্য আদালতের অনুমতি এবং শর্তসাপেক্ষ নির্দেশ নিয়েই বিজেপি কর্মীরা আজ আন্দোলন করছিলেন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে, কিন্তু পুলিশ অকারণেই মিছিল আটকাতে আসে। যার ফলে এই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ চেয়ে স্লোগান দেওয়া হয়।
বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে আটক করে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। শুভেন্দু অধিকারী পার্ক স্ট্রিট ক্রসিঙে বসে থেকেই বলেন। “মিছিল এগোতে না দিলে আমরা এখানেই বসে থাকব।” পার্ক স্ট্রিটের মুখে ফের নতুন করে ব্যারিকেড দেওয়ার কাজ শুরু হয়. ইতিমধ্যেই বিজেপি নেতা ও প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক দিন্দার পাঞ্জাবি রক্তে ভেসে গিয়েছে। আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন কৃষ্ণনগরের রাণীমা। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ পুলিশের আক্রমণে ভুলুন্ঠিত হয়েছে জাতীয় পতাকাও।
অভয়া কাণ্ডে মূল দোষী শাস্তি পায় নি বলে বিশ্বাস করেন রাজ্যের অগণিত মানুষ। তাই প্রকৃত দোষীকে শাস্তি দেওয়ার এবং এই ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে নবান্ন অভিযান করেছিলেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ, এই আন্দোলনকে সমর্থন করেছিলে বিজেপি। কিন্তু অপরাধীদের শাস্তির দাবীতে যেভাবে সাধারণ মানুষকে আজ পুলিশের হাতেই আক্রান্ত হতে হল, যেভাবে অভয়ার বাবা মাকে হেনস্থা হতে হল, তাতে বিচলিত পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। ফোর্ট উইলিয়ামের কাছে অভয়ার বাবা মা আটকে পড়েন। তাঁরা পুলিশকে বার বার করজোড়ে অনুরোধ করেন যে তাঁরা নিরস্ত্র, শান্তিপূর্ণভাবে তাঁদেরকে নবান্নে যেতে দেওয়া হোক। কিন্তু তাঁদের প্রার্থনায় কর্ণপাত করেন নি পুলিশ আধিকারিকরা।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন] মুম্বাই, মহারাষ্ট্র, ০৮/০৮/২০২৫ : বলিউড সুপারস্টার সলমন খানের দেহরক্ষীর নাম শেরা , এঁকে বহু মানুষ চেনেন সলমনের দেহরক্ষী হিসেবে। এই শেরার পিতৃ বিয়োগ হয়েছে, সেরাকে শান্তনা দিতে শেরার বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন সলমন খান.।
সুপারস্টার সলমন খানকে ছাওয়ার মত সাথে থাকেন দেহরক্ষী শেরা। আগলে রাখেন সলমনকে সর্বক্ষণ। তাঁর পুরো নাম গুরমিত সিং জলি। সলমনও খুব ভালোবাসেন শেরাকে। অনেকটা যেন খুব কাছের বন্ধুর মত সম্পর্ক তাঁদের । সেই শেরার বাবা সুন্দর সিং জলি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর, কয়েকমাস আগেই তিনি তাঁর জন্মদিন পালন করেছিলেন। আজ তাঁর মৃত্যুতে রীতিমত শোকাহত তাঁর ছেলে শেরা।
সলমনের সাথে বেশ কয়েক বছরের সম্পর্ক শেরার। শেরার বাবার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে শেরাদের পশ্চিম আন্ধেরির বাড়িতে পৌঁছে যান সলমন। কড়া নিরাপত্তা বলয়ের ঘেরাটোপে সলমন শেরার বাড়ির সামনে পৌঁছেই গাড়ি থেকে নামেন। বাইরে বেরিয়ে আসেন শেরা।তাঁকে দেখেই শান্তনা দিতে জড়িয়ে ধরেন সলমন। আজ শেষ কৃত্য সম্পন্ন করা হবে সুন্দরলালের, আগামী ১০ তারিখে যোগেশ্বরীর গুরুদোয়ারাতে ভোগ এবং অৱদাস পালিত হবে শিখ ধর্মমতে।
আজ এক বছর পূর্ণ হল আর জি কর হাসপাতালে অভয়া কান্ডের এক বছর আগে ধ*র্ষিতা হয়ে খু ন হতে হয়েছিল পড়ুয়া চিকিৎসক অভয়াকে। একটা বছর কেটে গেলেও প্রকৃত অপরাধী বা অপরাধীরা ধরা পরে নি বলে অভিযোগ করেন অভয়ার বাবাও মা. তাঁরা জানতে চান করা সেদিন তাঁদের মেয়ের ওপর এমন নির্যাতন করেছিলে যার জন্যে তাঁকে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল। আগামীকাল সেই প্রশ্ন করতেই যবান অভিযানে অংশগ্রহণ করতে চলেছেন অভয়ার বাবা ও মা.
এদিকে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে মনে করে আগামীকাল নবান্ন যাওয়ার সব রাস্তা বন্ধ থাকছে পুলিশ। নবান্ন যাওয়ার সব রাস্তাতেই ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। আশেপাশের বাড়িগুলি থেকে মিছিলের ওপর নজরদারি যাতে চালানো যায় সেই ব্যবস্থাও করা হয়েছে। হয়তো প্রস্তুত থাকবে জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাসও. মিছিল রুখে দেওয়ার সবরকম ব্যবস্থায় থাকবে আগামীকাল। তৈরি থাকবে RAF . তবু অভয়ার বাবা মা আগামীকাল মিছিলে পা মেলাতে চান. তাঁদের রক্তই প্রশ্ন কে মারল তাঁদের আদরের সন্তানকে?
আগামীকাল অভয়ার বাবা মা আর জি কর হাসপাতালে যেখানে অভয়াকে মারা হয়েছিল সেই ঘটনাস্থলে একবার যেতে চান. এই কারনে তাঁরা হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন। সম্ভবত আজ হাইকোর্ট সেই আবেদনটি শুনবে।