
গোটা বিশ্বের মঙ্গলের জন্যেই যুদ্ধ থেমে যাওয়ার দরকার আছে
আজ খবর (বাংলা) [আন্তর্জাতিক], নতুন দিলেই, ভারত, ০৩/০৩/২০২৬ : পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ লেগে যাওয়ার ফলে সমস্যায় পড়তে চলেছে ভারত। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে ভারতের কাছে যে তেল আসে, তা আর যতটা মজুদ রয়েছে, তাতে বড়জোর আট সপ্তাহ চলতে পারে।
পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে ভারতে অপরিশোধিত তেল, পেট্রল ও ডিজেল আসে. এই তেল আসে হরমুজ প্রণালী হয়ে। কিন্তু ইরানের যুদ্ধের কারণে বর্তমানে বন্ধ রয়েছে হরমুজ প্রণালী, যার ফলে ভারতে এখন আর তেল আসছে না আগের মত। আর এই জন্যেই চিন্তার ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের কপালে। এই মুহূর্তে ভারতের কাছে যে জ্বালানি তেল মজুদ আছে, তাতে করে খুব বেশি হলে আগামী আট সপ্তাহ চালানো যেতে পারে। তার পরেই সঙ্কট দেখা দেবে।
ভারত যে জ্বালানি তেল আমদানি করে তার ৪০% আসে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে। বাকি ৬০% আসে রাশিয়া বা অন্যান্য সূত্র থেকে। এখন ইরানে যদি যুদ্ধ চলতে থাকে, তাহলে গোটা বিশ্বে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাবে। ভারতের কাছে মজুদ থাকা তেলের ভান্ডার যত কমবে, ততই দাম বাড়তে থাকবে তেলের। আর তার ফলে দেশে সব জিনিসের দাম বাড়তে শুরু করবে, যা কিনা ভারতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই কারণেই ইরানে যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার দরকার আছে. কারন একই রকম সমস্যায় পড়বে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিও। ইতিমধ্যেই চীন ও রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধ করার দাবি তুলেছে। এই কারণেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির নেতৃত্বের সাথে লাগাতার কথা বলে চলেছেন, যাতে অবিলম্বে যুদ্ধ থেমে যায় এবং দেশগুলি ভুল বোঝাবুঝির একটা সমাধানে পৌঁছাতে পারে। নরেন্দ্র মোদী ইতিমধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, ইজরায়েল, সৌদি আরব, জর্ডন, বাহারিন, ওমান, কুয়েত, কাতার এই আটটি দেশের সর্বোচ্য নেতৃত্বের সাথে কথা বলেছেন। ভারত আশাবাদী এই মিশনে সাফল্য পাওয়ার ক্ষেত্রে।
![]()