২০০০ সোলার বলে রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি, রেকর্ড অদৃতির

২০০০ সোলার বলে রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি, রেকর্ড অদৃতির

সোলার বলে রবীন্দ্রনাথ, ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে অদৃতি

সোলের বলে রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি তৈরি করছেন অদৃতি মাইতি
২০০০ সোলার বলে রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি, রেকর্ড অদৃতির

 

​মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে অনন্য এক শিল্পকলা প্রদর্শন করে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে নিজের নাম নামাঙ্কিত করলেন কাকদ্বীপের প্রতিভাবান কিশোরী অদৃতি মাইতি। কোনো সাধারণ রং বা তুলির সাহায্য না নিয়ে, সম্পূর্ণ থার্মোকল বা সোলার বলের নিখুঁত ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি তৈরি করেছেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এক অপূর্ব ক্ষুদ্র প্রতিকৃতি। 3 ফুট 3 ইঞ্চি / 1 ফুট 7 ইঞ্চি জায়গার উপর প্রায় দু’হাজার সোলের বলের সাহায্যে ফুটিয়ে তোলা এই অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিখুঁত শিল্পকর্মটি সম্প্রতি ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের নজর কেড়েছে।

WhatsApp Image 2026 09 10 at 13.17.17

এরপর সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁর বাড়িতে এসে পৌঁছায় কাঙ্ক্ষিত শংসাপত্র, মেডেল, ব্যাজ, আইডেন্টিটি কার্ড এবং অফিশিয়াল রেকর্ড বুক। ​বর্তমানে সুন্দরবন আদর্শ বিদ্যামন্দির স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী অদৃতির বাড়ি কাকদ্বীপের অক্ষয় নগর, বাসন্তী ময়দান এলাকায়। তাঁর এই সাফল্যের নেপথ্যের যাত্রাটি অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক ও সংগ্রামের। মাত্র নয় বছর বয়সে অদৃতির বাবা মারা যান। এরপর থেকে তাঁর মা রুম্পা মাইতি তাঁকে নিয়ে কাকদ্বীপের মামার বাড়িতেই থাকেন। নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও পড়াশোনার পাশাপাশি হাল ছাড়েননি অদৃতি।

Ad Grafity 2

মামাবাড়িতে থেকে স্থানীয় শিক্ষক দেবরাজ বেরার কাছে ছবি আঁকা এবং এই ধরনের নানা শিল্পচর্চা শুরু করেন তিনি। সোলের বল দিয়ে এমন নিখুঁত ও কঠিন কাজ ফুটিয়ে তুলতে শিক্ষক দেবরাজ বাবুর অবদানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ​পরিবারের বহুদিনের সংগ্রাম আর কঠোর পরিশ্রমের পর এমন একটি জাতীয় স্তরের স্বীকৃতি পেয়ে আনন্দে আত্মহারা অদৃতি ও তার পরিবার।

Mind Junction

শিক্ষক দেবরাজ বাবুও তাঁর এই কৃতি ছাত্রীর সাফল্যে অত্যন্ত গর্বিত। এই অভাবনীয় প্রাপ্তির পর থামতে নারাজ অদৃতি। সে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগামী দিনে শুধু দেশেই নয়, বিশ্বমঞ্চে বা ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নিজের নাম তোলার পাশাপাশি আরও কিছু নতুন এবং ব্যতিক্রমী শিল্পকলা দেশবাসীকে উপহার দিতে চায় এই কিশোরী। তার এই অভাবনীয় সাফল্যে গোটা কাকদ্বীপ অঞ্চল জুড়ে এখন খুশির হাওয়া বইছে।

ad mousumi

Share this news article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *