Aaj Khabor

মোদী উত্তরবঙ্গে আসছেন ৫ ও ১০ তারিখে

মোদী উত্তরবঙ্গে আসছেন ৫ ও ১০ তারিখে

মমতা ব্যানার্জিকে প্রচার থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত : সুকান্ত 

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], হলদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর, ৩০/০৩/২০২৬ : আজ শুভেন্দু অধিকারী নিজের মনোনয়ন জমা দেবেন। জেলার অন্যান্য প্রার্থীরাও থাকবেন। এদিকে উত্তরবঙ্গে দু’দিন প্রচার চালাতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

 আজ হলদিয়ায় বিশাল শোভাযাত্রা করেন বিজেপি কর্মীরা। এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা খড়্গপুরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।এছাড়াও ছিলেন বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান। আজ এই নেতাদের দেখতে প্রচুর মানুষের ভীড় জমে যায়। মন্দিরে পুজো দিয়ে শুভেন্দু সহ ১৬ জন বিজেপি প্রার্থী আজ মনোনয়ন পেশ করতে যাবেন।  মনোনায়ন জমা দেওয়ার আগে হলদিয়ায় একটি জনসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী।  বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন পেশ করার জন্যে আজ এসডিও অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গেও প্রচারের তীব্রতা বাড়াচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া শিবির সূত্রে জানা গিয়েছে আগামী মাসের ১০ তারিখে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে মেগা শোভাযাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে তিন কিলোমিটার রোড  শো করবেন তিনি। শিলিগুড়িতে বিজেপির হয়ে  ভোটে দাঁড়িয়েছেন শঙ্কর ঘোষ। শিলিগুড়ির আগে ৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসছেন কোচবিহারে। সেখানে রাস মেলার মাঠে তিনি একটি বিশাল জনসভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এই জনসভা করার কথা ছিল আলিপুর দুয়ারে। কিন্তু তার বদলে জনসভাটি অনুষ্ঠিত হবে কোচবিহারে।

এদিকে বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন।  তিনি বলেছেন, “নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে তৃণমূল নেত্রী বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি প্রাণহানির কথা বলছেন। এজন্য নির্বাচন কমিশনের উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রচারের বাইরে রাখা।” বিজেপির তরফ থেকে এই ব্যাপারে অভিযোগ জানানো হচ্ছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে।

ময়নাগুড়িতে প্রচারে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী রামমোহন রায়কে পাশে দাঁড় করিয়ে বলেছিলেন, “এই আমাদের প্রার্থী, ওকে বলা হয়েছিল গাছে বেঁধে পেটাবে। আমি বলি গাছ টাও আমাদের, জঙ্গলটাও আমাদের। গাছ ছায়া দেয়, মানুষের উপকার করে। ভোট হয়ে গেলে বাড়ির সামনে প্ল্যাকার্ড লাগিয়ে তাতে লিখতে হবে, আমরা  বিজেপি করি না। “


Loading

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এলে আমিষ খাবার খেতে পারবেন না মমতা

বিজেপি এলে আমিষ খাবার খেতে পারবেন না : মমতা

“বিজেপি একপেশে, কোনো ধর্ম মানে না” 

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], পুরুলিয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ২৯/০৩/২০২৬ :  বিজেপি ভোটে জিতে পশ্চিমবঙ্গে সরকার বানালে এই রাজ্যের মানুষ আর আমিষ খাবার খেতে পারবেন না বলে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ পুরুলিয়ায় এক জনসভায় ভাষণ দিতে ফিয়ে এই কথা বলেছেন তিনি।

পুরুলিয়ায় একটি জনসভায় নির্বাচনী ভাষণ দিতে গিয়ে আজ বিজেপকে  তুমুল সমালোচনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে দাঙ্গায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।  বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটছে বলেও তিনি সুর চড়িয়েছেন।  আর এই সব ঘটনার জন্যে তিনি বিজেপিকেই দায়ী করেছেন।

এদিন জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে মাছ মাংস খাওয়া হয় না।  তাই বিজেপি রাজ্যে এলে আপনারা কেউ আর মাছ-মাংস-ডিম্ খেতে পারবেন না।  বিজেপি একপেশে, তারা কোনো ধর্ম মানে না।  এরা দাঙ্গায়  উস্কানি দেয়, তারপর মানুষ মেরে এরা ক্ষমতায় আসে।  বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে আদিবাসী ও নারীদের ওপর বেশি হামলা হয়।  বাংলাভাষী মানুষের ওপর অন্য রাজ্যগুলিতে হামলা হচ্ছে। অথচ আমরা কিন্তু কাউকে দমন করি না। “


Loading

বাংলায় কে এগিয়ে ঘাস ফুল না পদ্ম ফুল ? ভোট যুদ্ধের গোপন অঙ্ক

 ভোট যুদ্ধের গোপন অঙ্ক

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কি এবার জিততে পারবে ? নাকি বিজেপি গড়বে  নতুন সরকার ? 

এবং তারপর, (আজ খবর) [রাজনীতি] , ২৪/০৩/২০২৬ :  আর কিছুদিন পরেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। আর এই  নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্যে উত্তেজনার পারদ রোজই চড়তে শুরু করেছে।  বিজেপি দাবী করছে যে এবার হারতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস, পরাজিত হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।  বিজেপির প্রথম যুক্তিটি হল যেহেতু রাজ্যে এসআইআর করা হয়েছে, তাই তৃণমূল কংগ্রেসকে যে ভুয়ো ভোটাররা এতদিন জিতিয়ে এসেছে তারা আর ভোট দেওয়ার সুযোগই পাবে না।  ফলে এবার আর সেভাবে ছাপ্পা ভোটের ভয় নেই। ভোটের ফলাফল শাসক দলের বিরুদ্ধে যাবে।

দ্বিতীয়ত,  প্রশাসনিক কাজে তৃণমূলের ফেভারিট আধিকারিকদের  অনেককেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।  প্রশাসনের আধিকারিক, আমলা,  পুলিশ কর্তাদের কেউ এবার আর শাসক দলকে অতিরিক্ত সুবিধা দিতে  পারবে না। তৃতীয়ত, সংখ্যালঘু ভোট এবার আর তৃণমূল দলের সাথে সেভাবে নেই। তৃণমূল দল থেকে  বহিস্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর তৃণমূল ছেড়ে নতুন দল ঘোষণা করে ওবেইসির  মিম দলের সাথে হাত মিলিয়েছেন, ওদিকে নওয়াজ সিদ্দিকী সাহেবের আইএসএফ দলটি নিজের শক্তি বৃদ্ধি করেছে। সুতরাং সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হচ্ছেই। এক্ষেত্রেও তৃণমূলের ভোট কমছে।

চতুর্থত, নির্বাচন কমিশন এবার অনেক বেশি কঠোর। অনেক নতুন নিয়ম এসেছে। একটা বুথে ভোটারের সংখ্যাও সীমিত। এবার মাত্র দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে।  কেন্দ্রীয় বাহিনীও থাকছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। তার ওপর সরকারি কর্মী, শিক্ষক  সমাজ, চিকিৎসক সমাজ অনেকেই শাসক দলের বিরুদ্ধ  মনোভাবাপন্ন হয়ে রয়েছে।  রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই বার কয়েক ধাক্কা খেয়েছে হাইকোর্ট আর সুপ্রীম কোর্টে।  বিরোধী ইন্ডি জোটের শক্তিও কমেছে। আরজিকর হাসপাতালে অভয়া নিয়েও চূড়ান্ত ক্ষোভ রয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে আরজিকর হাসপাতালেই লিফ্ট কাণ্ড নিয়ে নতুন ঝড় উঠেছে। সব দিক থেকেই এবার নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যথেষ্ট ব্যাকফুটে রয়েছেন।

কিন্তু সত্যিই কি তাই ?  বিজেপি কি সত্যিই বুদ্ধির জোরে তৃণমূলকে টেক্কা দিতে পারবে ?  জন সমর্থন কি সত্যিই এবার রাজ্যে গেরুয়া শিবিরকেই চাইছে ? রাজ্যে বিজেপির সংগঠন কি সত্যিই এতটা মজবুত যে শেষ হাসিটা হাসতে পারবে পদ্ম শিবির ? আসুন দেখে নিই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কি কি কারনে তিনি নির্বাচনে জিততে পারেন, আর কি কি কারণে তিনি হারতে পারেন !

প্রথমে দেখে নেওয়া যাক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস যদি জিতে যায়, তাহলে কোন কোন বিষয় তাদেরকে জিতিয়ে দিতে পারে ?

১. শক্তিশালী গ্রাসরুট সংগঠন (Booth Level Strength)

তৃণমূল কংগ্রেস-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের বুথ-স্তরের সংগঠন।
গ্রাম থেকে শহর—প্রতিটি এলাকায় কর্মী নেটওয়ার্ক থাকলে ভোট ম্যানেজমেন্ট সহজ হয়। পশ্চিমবঙ্গে এই নেটওয়ার্ক এখনও অনেক জায়গায় শক্তিশালী।

২. নারী ভোটব্যাঙ্ক (Women Voters)

মমতা সরকারের প্রকল্পগুলো—যেমন:

  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডার
  • কন্যাশ্রী
  • রূপশ্রী

এই স্কিমগুলো নারী ভোটারদের মধ্যে বড় প্রভাব ফেলে। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, নারী ভোটই তৃণমূলের “game changer”।

৩. ওয়েলফেয়ার পলিটিক্স (Direct Benefit Schemes)

ফ্রি রেশন, স্বাস্থ্যসাথী, ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ—এইসব সরাসরি সুবিধা ভোটারদের মধ্যে একটা “security feeling” তৈরি করে।যারা সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন, তারা সাধারণত সরকারকে সমর্থন করতে চান।

৪. বিরোধীদের বিভক্তি

প্রধান বিরোধী হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টি থাকলেও—

  • স্থানীয় স্তরে নেতৃত্ব সমস্যা
  • কংগ্রেস ও বামেদের সঙ্গে ভোট ভাগ হওয়া

এতে anti-incumbency vote একজোট নাও হতে পারে।

৫. “বাংলা বনাম বহিরাগত” ন্যারেটিভ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার আঞ্চলিক পরিচয় (Bengali identity) তুলে ধরেন।এই আবেগ অনেক ভোটারকে প্রভাবিত করে, বিশেষ করে গ্রামীণ ও মধ্যবিত্ত অংশে।

৬. ব্যক্তিগত ইমেজ (Strong Leadership Image)

মমতার ইমেজ:

  • “মাটি থেকে উঠে আসা নেতা”
  • সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ

 

অনেক ভোটার এখনও তাঁকে “accessible leader” হিসেবে দেখেন।

৭. সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক

সংখ্যালঘু ভোট পশ্চিমবঙ্গে বড় ফ্যাক্টর।

যদি এই ভোট একদিকে যায়, তাহলে ফলাফল অনেকটাই প্রভাবিত হয়।

৮. নির্বাচনী কৌশল (Campaign Strategy)

  • Door-to-door campaign
  • Local issue-based messaging
  • Social media + ground mix strategy

এই hybrid model এখন বেশ কার্যকর।

তবে জয়ের পথে বাধাও আছে 

Balanced analysis হিসেবে বলি—সবকিছু একপাক্ষিক নয়:

  • দুর্নীতির অভিযোগ (SSC, coal scam ইত্যাদি)
  • anti-incumbency (দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ক্লান্তি)
  • কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত
  • বেকারত্ব ইস্যু

 এগুলো যদি বড় ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে, তাহলে ফল বদলাতেও পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিততে পারেন যদি:

  • নারী + সংখ্যালঘু ভোট ধরে রাখতে পারেন
  • গ্রাসরুট সংগঠন সক্রিয় থাকে
  • বিরোধীরা একজোট না হয়

 কিন্তু ভোটের ফল পুরোপুরি নির্ভর করবে ground sentiment + last-mile campaign execution-এর ওপর .

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে হারতেও পারেন—এটা সম্পূর্ণই নির্ভর করছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতিবাচক ফ্যাক্টরের ওপর। বাস্তবভিত্তিকভাবে এগুলো বোঝা জরুরি —

১. Anti-Incumbency (দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ক্লান্তি)

২০১১ থেকে টানা শাসন করছে তৃণমূল কংগ্রেস

অনেক ভোটারের মধ্যে “পরিবর্তন চাই” মনোভাব তৈরি হতে পারে
গ্রামীণ এলাকায় এই ফ্যাক্টর বেশি কাজ করে

২. দুর্নীতির অভিযোগ (Corruption Factor)

  • SSC নিয়োগ কেলেঙ্কারি
  • কয়লা ও গরু পাচার ইস্যু

বিরোধীরা এই ইস্যুগুলোকে বড় করে তুললে “clean image” ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে

৩. কর্মসংস্থান সমস্যা (Unemployment)

যুব সমাজের বড় অংশ চাকরি ও সুযোগ নিয়ে অসন্তুষ্ট।

“চাকরি নেই” ইস্যু যদি ভোটের কেন্দ্রে আসে, সেটা বড় ক্ষতি করতে পারে

৪. আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে অসন্তোষ

কিছু ক্ষেত্রে:

  • রাজনৈতিক হিংসা
  • স্থানীয় দাদাগিরি
  • নারী নিরাপত্তা ইস্যু

এই বিষয়গুলো মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি ছড়ালে negative perception তৈরি হয়

৫. বিরোধীদের শক্তিশালী সংগঠন (Rise of BJP)

ভারতীয় জনতা পার্টি গত কয়েক বছরে বাংলায় সংগঠন অনেক শক্ত করেছে।

যদি তারা:

  • booth-level শক্তি বাড়ায়
  • শক্তিশালী মুখ তুলে ধরে

তাহলে সরাসরি প্রতিযোগিতা কঠিন হয়ে যাবে

৬. বিরোধীদের একজোট হওয়া

যদি:

  • BJP + Congress + Left tacit understanding করে
    অথবা ভোট বিভাজন কমে যায়

তাহলে anti-TMC vote একত্রিত হয়ে যেতে পারে

৭. গ্রামীণ অসন্তোষ (Rural Distress)

  • পঞ্চায়েত স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ
  • স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

গ্রামীণ ভোট swing করলে ফল দ্রুত বদলায়

৮. সংখ্যালঘু ভোটে ভাঙন

তৃণমূলের বড় শক্তি সংখ্যালঘু ভোট।

যদি:

  • নতুন কোনো দল প্রভাব ফেলে
  • ভোট ভাগ হয়ে যায়

তাহলে বড় ধাক্কা লাগতে পারে

৯. কেন্দ্রীয় এজেন্সির চাপ

CBI, ED তদন্ত নিয়ে বিরোধীরা narrative তৈরি করে।

এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে “government under pressure” ইমেজ তৈরি হতে পারে

এবার বিজেপি নির্বাচনে জেতার জন্যে মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, নিজেদের শাসন ধরে রাখতে বদ্ধ পরিকর তৃণমূল কংগ্রেসও. এরপর আমরা দেখে নেবো কোন জেলার কি কি পরিস্থিতি সাম্প্রতিক অবস্থাকে কতটা চাপে রেখেছে। কোন জেলায় কে এগিয়ে থাকছে, কে কতটা পিছিয়ে থাকছে। (আগামীকাল)

ভোটের টাটকা খবর পেতে ফলো করুন ‘আজ খবর’কে — www.aajkhabor.in 

অথবা ইয়েস লিখে what’s app করুন আমাদের 8420807020

(কমেন্ট করে আপনাদের মতামত জানান)

Loading

মুখ্যমন্ত্রী এত শঙ্কিত কেন ? : দিলীপ ঘোষ

মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

“সব ফেভারিট অফিসার আর ভুয়ো ভোটারদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে “

আজ খবর  (বাংলা),  [রাজনীতি],  খড়গপুর,  পশ্চিম মেদিনীপুর,  ২৪/০৩/২০২৬ :  পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর থেকে নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থ দিলীপ ঘোষ প্রশ্ন তুলেছেন ‘মুখ্যমন্ত্রী কেন এতটা ভয় পেয়েছেন ?  কেন তিনি এতটা শংকিত ভোট নিয়ে ?’

দিলীপ ঘোষ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আজ তীব্র কটাক্ষ করে বলেছেন, “যে ফেক ভোটারদের ওপর ভরসা করে তৃণমূল কংগ্রেস এতো ধমক চমক দিতো, তাদেরকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আর সেই ভুয়ো সমর্থন নেই, তাই ভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এতটা শঙ্কিত  হয়ে উঠেছেন, এতো ভয় পাচ্ছেন। তাঁর ভয় পাওয়াটা স্বাভাবিক।”
 
দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  ফেভারিট অফিসারদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাঁর ভুয়ো ভোটাররাও এখন আর নেই।  এই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ এতটা ভীত হয়ে উঠেছেন।  এই নির্বাচনে তিনি একেবারে অসহায়  হয়ে পড়েছেন।”
 
এবারে পশ্চিমবঙ্গে আর আট দফায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে না. মাত্র দুই দফায় ভোট হতে চলেছে। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ তারিখে এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে এপ্রিল মাসের ২৯ তারিখে আর মে মাসের ৪ তারিখে হবে গণনা। 

 

 

 

Loading

মমতার মুখে বাংলার পর ‘দিল্লী চলো’

মমতার মুখে বাংলার পর 'দিল্লী চলো'

“রাষ্ট্রপতি আদিবাসী, তাই অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনে ডাকা হয় নি ” 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২২/০৩/২০২৬ :   বাংলা জয়ের কিরার পর দিল্লী জয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন তৃণমূল সুপ্রীমো  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর কিছুদিন বাদেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। আজ সেই আবহেই দলীয় কর্মীদের সাথে বৈঠকে বসলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্য নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  সেই বৈঠকে দলের টার্গেট স্থির করে দিয়েছেন নেত্রী। তিনি বলেছেন, “বাংলা জয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেস দিল্লীর দিকে যাত্রা করবে। দিল্লী জয় করতে হবে। ” আজ নানাভাবে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ  দেগেছেন.দেগেছেন।

মমতা আজ একটি বিস্ফোরক অভিযোগ করে বলেছেন যে “রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু আদিবাসী মানুষ হওয়ার জন্যে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনে ডাক পান নি”. এছাড়াও তিনি অভিযোগ করে বলেন, “বিজেপি ভোটের সময় গ্যাস দিতে পারবে না, কিন্তু ক্যাশ দিতে পারবে।  ওরা ভোটের জন্যে বিপুল সংখ্যক বহিরাগত নিয়ে এসেছে। আপনারা মাথা ঠান্ডা রাখুন। শুধুমাত্র জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার জন্যে দুটো ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

রাজ্যে ভোটের আগে পঞ্চাশের বেশি আম ও আধিকারিককে বদলি করে দেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের তুমুল সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন, “আজ যদি অনাকাঙ্খিত কোনো ঘটনা ঘটে যায় তার দায়িত্ব নেবে কে ?”


 

Loading

ঈদের মঞ্চ থেকেও নির্বাচনের ঝাঁঝ তৃণমূল সুপ্রীমোর ভাষণে

ঈদের মঞ্চ থেকেও নির্বাচনের ঝাঁঝ তৃণমূল সুপ্রীমোর ভাষণে

“তৃণমূলের একমাত্র উদ্দেশ্য হল রাজ্য থেকে বিজেপিকে বিতাড়িত করা” 
 
 আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০৩/২০২৬ :   আজ ঈদ উল ফিতর,  আজ গোটা দেশ ঈদ পালন করছে।  কলকাতার রেড রোডে  আজ অসংখ্য মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ ঈদের  নামাজ পড়েছেন।  ঐ অনুষ্ঠানে আজ উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সাংসদ  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঈদের নামাজের মঞ্চ থেকেও আজ মুখ্যমন্ত্রী তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণে ছিল নির্বাচনের ঝাঁঝ।
মমতা আজ রেড রোডের মঞ্চ থেকে  “বলেন, “সরফারোশি কি তামান্না অব হামারে দিল মে হ্যায়, দেখা হ্যায়  জোর কিতনা বাজু-ই -কাতিল মে হ্যায়।  আল্লা আপনাদের মঙ্গল করুন।  ভারত ও বাংলার উন্নতি হোক. নিজেকে এতটাই উন্নত করুন যে ঈশ্বর যেন তাঁর ভৃত্যকে তার কি চাই তা জানতে চান।”
মমতা বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের এখন একমাত্র উদ্দেশ্য হল রাজ্য থেকে বিজেপিকে বিতাড়িত করা এবং ঐ দলের প্রভাব থেকে গোটা দেশকে রক্ষা করা। এসআইআর করে বহু মানুষের নাম মুছে দেওয়া হয়েছে. আমরা স্থানীয় আদালত, হাইকোর্ট এমনকি সুপ্রীম  কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছি। আমরা আপনাদের পাশে আছি। বাংলার সকল সম্প্রদায় ও ধর্মের মানুষের পাশে আমরা আছি।  আমরা লড়াই চালিয়ে যাবো, মোদীজিকে  আমাদের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না।  ওরা  রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে চায়. তা সত্বেও আমরা ভয় পাবো না। যে ভয় পায়, সে মারা যায়। যারা লড়াই করে তারাও জীবনে সফল হয়। বিজেপি চোর আর গুন্ডাদের দল , ওরা বিশ্বাসঘাতকের দল। আবার এমন বিশ্বাসঘাতকও আছে যারা বিজেপির থেকে টাকা নেয়।”

Loading

বাঙালি কারোর ওপর নির্ভরশীল নয় : মমতা

বাংলা দখল করার এত লোভ ? প্রশ্ন মমতার 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০২/২০২৬ :   কলকাতায় আজ মাতৃভাষা  উপলক্ষে ভাষণ দিতে গিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে রীতিমত তুলোধোনা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস। এই উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে বিজেপকে  তুমুল আক্রমন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “তোমরা কেন্দ্র সরকার শাসন করছো, বাংলা দখলের এতলোভ কেন ? এসআইআর করে তোমরা বলপ্রয়োগ করে বাংলা দখল করতে চাও ? আমি এই সব কিছুর প্রতিবাদ জানাবো।”

এদিন ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের ব্যাপক নিন্দা করেন তিনি। তিনি বলেন, “এভাবে বাংলা দখল করতে দেওয়া হবে না. এভাবে বল প্রয়োগ করে লাভ হবে না।  আমি প্রাণ বিসর্জন দিতে রাজি আছি, কিন্তু মাথা নত করতে পারবো না।”

মমতা এদিন অভিযোগ করেন, “বাংলার বাইরে বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে বাংলাদেশী বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাকে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাংলার এই অপমান আমরা মেনে নেবো না। গোটা দেশে কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা চলছে। আমি বলছি আপনারা এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন।  আমরা সকল ভাষাকে সন্মান করি। অন্য কোনো ভাষাভাষী কেউ বিপদে পড়লে আমরা তার পাশে দাঁড়াই, আমাদের প্রতিশ্রুতি মত।  একটা কথা মনে রাখবেন, বাঙালি কারোর ওপর নির্ভরশীল নয়।”


 

Loading

ডেভিড হেয়ারের আড়াইশোততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মারক পত্রিকা প্রকাশ

ডেভিড হেয়ারের আড়াইশততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মারক পত্রিকা প্রকাশ

হেয়ার স্কুল অ্যালামনি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে, শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী


আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,   ১৯/০২/২০২৬ : 
প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ডেভিড হেয়ারের আড়াইশততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে হেয়ার স্কুল অ্যালামনি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে প্রকাশিত হলো একটি বিশেষ স্মারক পত্রিকা। ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজের নানা ক্ষেত্রের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ডেভিড হেয়ারের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও স্মৃতিচারণার মাধ্যমে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক শুভেচ্ছা বার্তায় ডেভিড হেয়ারের অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলায় আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রসারে ডেভিড হেয়ারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার আলো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা আজও প্রেরণার উৎস। মানবতাবাদী ও শিক্ষানুরাগী এই মহান ব্যক্তিত্বের জন্মজয়ন্তীতে তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে অনুষ্ঠানের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

বিগত ১৭ তারিখে হেয়ার স্কুলের প্রাক্তনীদের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন হেয়ার স্কুল এলামনি এসোসিয়েশনের সভাপতি অমিত রায়, সাধারণ সম্পাদক গৌতম বসু ও পরামর্শদাতা তথা দাবা গ্র্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বড়ুয়া ও অন্যান্যরা।

অ্যালামনি অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়, প্রকাশিত স্মারক পত্রিকায় ডেভিড হেয়ারের জীবন ও কর্ম, তাঁর শিক্ষাদর্শ, সমাজসংস্কারে অবদান এবং সমকালীন প্রেক্ষাপটে তাঁর চিন্তার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে একাধিক প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে। ১৭৭৫ সালে জন্মগ্রহণকারী ডেভিড হেয়ার কলকাতায় আধুনিক শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। হেয়ার স্কুল প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষা বিস্তারের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি বাঙালি সমাজে নবজাগরণের পথ প্রশস্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ডেভিড হেয়ারের জীবনাদর্শ শুধু অতীতের গৌরব নয়, বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিশারী। তাঁর ২৫০তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে আগামী সময়ে সেমিনার, আলোচনা সভা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হবে বলেও জানানো হয়।

ডেভিড হেয়ারের এই ঐতিহাসিক জন্মজয়ন্তী উদ্‌যাপন শিক্ষার মাধ্যমে মানবিক ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনের অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করল—এমনটাই মত উপস্থিত বিশিষ্টজনদের।

Aaj Khabor desk, Kolkata, West Bengal, 19/02/2026 : A special commemorative magazine was published by the Hare School Alumni Association to mark the 250th birth anniversary of David Hare. The event, held on February 17, was attended by former students, distinguished educationists, and members of civil society. Floral tributes were offered to honour the great educationist’s legacy.

The president Mr. Amit Roy, the general secretary Goutam Basu,  the advisor and chess grandmaster Dibyendu Barua and others of Hare school alumni association were present at the meeting .

In a message of goodwill, Mamata Banerjee paid tribute to David Hare’s immense contribution to the spread of modern education in Bengal. She highlighted his pioneering role in making education accessible to the masses and described his humanitarian vision as a lasting source of inspiration.

Born in 1775, David Hare played a crucial role in the growth of modern education in Kolkata and was instrumental in the establishment of Hare School. Speakers at the event emphasized that his ideals remain relevant in contemporary times and announced plans for seminars, discussions, and cultural programs throughout the year to commemorate his 250th birth anniversary.


 

Loading

পুণেতে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক হত্যার বিচারের দাবীতে সোচ্চার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

 

পুণেতে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক হত্যার বিচারের দাবীতে সোচ্চার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সুখেন মাহাতোর হত্যাকাণ্ডকে ‘হেট ক্রাইম’ বলে অভিহিত করে দোষীদের গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০২/২০২৬ :  পুনেতে মহারাষ্ট্রে কাজ করতে গিয়ে একজন বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেছে, যার পরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। নিহত শ্রমিকের নাম সুখেন মাহাতো, বয়স মাত্র ২৪ বছর এবং তিনি পুরুলিয়ার বান্দোয়ান এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে তাঁর দেহ সোমবার পুনের শিকরপুর এলাকায় উদ্ধার করা হয়েছে, এবং মমতা এই হত্যাকাণ্ডকে তিনি ‘হেট ক্রাইম’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, কারণ তাঁর ভাষা ও পরিচয়কে লক্ষ্য করে বর্বরভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী যেন অনিশ্চয়তার পরিস্থিতির শিকার হতাহত পরিবার ও প্রশাসনিক অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে লিখেছেন, “আমি এই বর্বর হত্যাকাণ্ডে বাকরুদ্ধ, ক্ষুব্ধ এবং মর্মাহত। এক যুবককে তার ভাষা, পরিচয়, শিকড়ের জন্য শিকার করা হয়েছে।” তিনি দ্রুত গ্রেফতার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি মমতা পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন বাংলা তাদের পাশে আছে এবং ন্যায়ের পথে সকল প্রচেষ্টা চালানো হবে।

এই ঘটনাটি বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও সামগ্রিক সামাজিক পরিবেশকে নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে তিনি পাশাপাশি মূল্যবোধ ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থার শক্তিশালী কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে বলেন। এই ন্যায়ের দাবির প্রেক্ষিতে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তদন্ত ও তৎপরতা বাড়িয়ে তদন্ত করার মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।

Aaj Khabor Desk, Kolkata, WEst Bengal, 12/02/2026 : West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee has condemned the murder of a 24-year-old Bengali migrant worker, Sukhen Mahato, in Pune, calling it a hate crime driven by xenophobia. She demanded the immediate arrest and strict punishment of those responsible and offered solidarity with the victim’s family while urging robust protection for migrant workers.

Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor