“নির্বাচন কমিশন বলছে ভোটারের বৈধতা বিচার করছে বিচার বিভাগ তারা নয় ”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০২/০৩/২০২৬ : ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনের ফলে বৈধ ভোটারের নাম বাদপ্রসঙ্গটি তুলে আজ কলকাতার রাজপথে নেমে প্রতিবাদে সোচ্চার হল প্রদেশ কংগ্রেস।
‘এসআইআর এর পর গত ২৮ তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। যদিও এখনও সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয় নি। তথাপি যে তালিকাপ্রকাশ করা হয়েছে, সেই তালিকা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে রাজ্যের বৈধ ভোটাররা বাদ পড়ে যাচ্ছেন’, এই অভিযোগ তুলছেন রাজ্যের কংগ্রেস নেতারা। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে প্রদেশ কংগ্রেস আজ কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতের সামনে থেকে বিবাদী বাগে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের সামনে পর্যন্ত মিছিল করেন এবং প্রতিবাদে সোচ্চার হন।
কংগ্রেস নেতা আশুতোষ চ্যাটার্জি রাজ্যের ভোটার তালিকা থেকে বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার পরেও নির্বাচন কমিশনের নীরব থাকাকে সমালোচনা করেছেন। আশুতোষ চ্যাটার্জি বলেন, “একজন বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে না. তিনি ভোট দেবেন না. নির্বাচন কমিশন বলছে এই বিষয়টা তাঁরা জানেন না. এটা বিচার বিভাগ জানে। বিচারকরাই যাচাই বাছাই করছেন। আমরা প্রতিবাদ জানাচ্ছি, আদালতের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যাতে একজন বৈধ ভোটারের নামও বাদ না যায়। “
“কালো কোট পড়া একদল লোক রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে রেখেছিল, এরাই সংবাদ মাধ্যমের গায়ে হাত তুলেছে”
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], ব্যারাকপুর, উত্তর ২৪ পরগণা , ০৯/০২/২০২৬ : ব্যারাকপুরে বৃদ্ধকে লাথি মেরে খুনের ঘটনায় ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য্যের ফাঁসির দাবীতে উত্তাল ব্যারাকপুর।
পাশের বাড়ি অবৈধভাবে নির্মাণ করছে বলে ব্যারাকপুরের একটি পরিবার আপত্তি জানিয়েছিল এবং সেই মর্মে পুরসভার চেয়ারম্যানকে চিঠি লিখেছিল। এরপর ঐ অঞ্চলের কাউন্সিলর ঐ পরিবারের ওপর চড়াও হয়ে গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঐ পরিবারের সদস্যদের তিনি মারধর করেন এবং এক বৃদ্ধের (৮১) পেটে লাথি মারেন। ঐ বৃদ্ধের মৃত্যু হয়।
দাপুটে তৃণমূল নেতা ও কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে পেশকরা হয়। এই সময় বিজেপি নেতা অর্জুন সিংহের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীরা বিশাল মিছিল করে রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য্যের ফাঁসি চেয়ে ব্যারাকপুর আদালতের সামনে জমায়েত করতে যায়। সেই সময় পুলিশ তাঁদেরকে আটকায়। পুলিশের সাথে বিজেপি কর্মীদের চূড়ান্ত তর্কাতর্কি বেঁধে যায় এবং ধস্তাধস্তিও হয়। পুলিশ বিজেপি কর্মীদের আদালত চত্বরের সামনে ভীড় করতে দেয় নি।
প্রিজন ভ্যানে করে অভিযুক্ত তৃণমূলকাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথকে আদালতে নিয়ে আসার সময় ব্যারাকপুর আদালত চত্বরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। বিজেপি কর্মীরা ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায়। স্লোগান দিতে থাকে। রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে থাকে কালো কোট পড়া একদল আইনজীবী। এরা অভিযুক্ত কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথের সমর্থনে আদালতে দাঁড়াতে চান। এই সময় ঐ আইনজীবীদের একাংশ উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করতে শুরু করেন। রীতিমত ধস্তাধস্তি করতে থাকেন সাংবাদিকদের সাথে। এই ঘটনার সাথে সাথেই রবীন্দ্রনাথকে আদালতের ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়।